জাতীয়
পদোন্নতি পেয়ে ইন্সপেক্টর হলেন ২৭৩ এসআই
বাংলাদেশ পুলিশে সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদমর্যাদার ২৭৩ জন কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
সোমবার (৩ নভেম্বর) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের সই করা তিনটি আলাদা প্রজ্ঞাপনে এই পদোন্নতি কার্যকর করা হয়।
জনস্বার্থে জারি করা এই প্রজ্ঞাপনগুলো অনুযায়ী, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে সাব-ইন্সপেক্টর অব পুলিশ (নিরস্ত্র) থেকে ইন্সপেক্টর অব পুলিশে (নিরস্ত্র) পদোন্নতি পেয়েছেন ১৪৮ জন কর্মকর্তা।
সাব-ইন্সপেক্টর অব পুলিশ (সশস্ত্র) থেকে ইন্সপেক্টর অব পুলিশে (সশস্ত্র) পদে উন্নীত হয়েছেন ৯৭ জন।
পুলিশ সার্জেন্ট পদমর্যাদার ২৮ জন কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়েছেন ইন্সপেক্টর অব পুলিশে (শহর ও যানবাহন)।
সর্বমোট ২৭৩ জন কর্মকর্তার পদোন্নতির এই আদেশ পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জাতীয়
দেশের ৮ বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা, জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা
পুলিশ সদর দপ্তরের চিঠি পাওয়ার পর দেশের ৮টি বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর কুর্মিটোলায় তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দরগুলো সব সময়ই কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে থাকে। তবে পুলিশ সদর দপ্তরের সতর্কবার্তার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। এটি নিয়মিত নিরাপত্তা কার্যক্রমেরই অংশ।
জানা গেছে, পুলিশ সদর দফতর থেকে সতর্কতার চিঠি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকেও দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পরপরই বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ উচ্চমাত্রার সতর্কতা জারি করেছে। বিমানবন্দরের কর্মরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব ইউনিটকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আরও জানা গেছে, বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে ঘিরে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি। পোশাকে ও সাদা পোশাকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সব ধরনের নিরাপত্তা হুমকি বিবেচনা করে পূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অ্যারাইভাল ও ডিপারচার সবক্ষেত্রে নিরাপত্তা তল্লাশিও জোরদার করা হয়েছে। কোনও কিছু অস্বাভাবিক দেখা মাত্রই দ্রুত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে।
বেবিচকের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা হুমকি আমরা পাইনি। তারপরও আগাম সতকর্তা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেসব বিমানবন্দরে রাতে বিমান ওঠানামা করে না সেগুলোকেও রাতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশ সদর দফতর যে চিঠি দিয়েছে তারই প্রেক্ষিতে যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এমনটি না, আমরা মাঝে মাঝে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে থাকি। প্রসঙ্গত, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সরকারি স্থাপনায় একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে গোয়েন্দা সতর্কতা জারি করে বাংলাদেশ পুলিশ। পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি (কনফিডেনসিয়াল) কামরুল আহসানের সই করা একটি দাফতরিক চিঠির মাধ্যমে গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এই সতর্কতা জারি করা হয়।
পুলিশ সদর দফতরের অভ্যন্তরীণ ওই চিঠির তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন ব্যক্তি নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন। তারা বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে সুসমন্বিত হামলার পরিকল্পনা করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত দুই সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় রয়েছে জাতীয় সংসদ, পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, উপাসনালয়, বিনোদন কেন্দ্র ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
তবে সিভিল এভিয়েশন জানিয়েছে, হুমকি না থাকলেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, এই জঙ্গি গোষ্ঠীটি হামলা চালানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহারের চেষ্টা করছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে পুলিশ সদর দফতর সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা, নজরদারি বৃদ্ধি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে।
এমএন
জাতীয়
নারীদের জন্য ‘এলপিজি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ সরকারের: প্রধানমন্ত্রী
দেশে গ্যাস সংকট ও রান্নার জ্বালানি সহজলভ্য করতে সরকার ‘এলপিজি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের সাধারণ ও নারীপ্রধান পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি এবার এলপিজি কার্ড চালু করা হবে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের রান্নার কাজে যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয়, সে জন্য এলপিজি সহজলভ্য করা সরকারের লক্ষ্য। এর মাধ্যমে গৃহস্থালি কাজে গ্যাস ব্যবহারের সমস্যা কমানো সম্ভব হবে এবং কাঠ বা অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করার রাজনীতি। তিনি আরও দাবি করেন, ছাত্র–জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটেছে এবং এখন দেশ পুনর্গঠনের সময় এসেছে।
তিনি জানান, আগামী দুই থেকে চার মাসের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া অনেক কলকারখানা পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে তিনি স্থানীয়দের খাল খনন কাজে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান এবং কোনোভাবেই জনগণের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত না করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
জনগণের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের লুণ্ঠিত অর্থ জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেললে ৫ আগস্টের মতো জনগণই তার জবাব দেবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বিএনপি সরকার অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে।
এমএন
জাতীয়
আগামী সপ্তাহ থেকে লোডশেডিং কমে আসবে: বিদ্যুৎমন্ত্রী
আগামী সপ্তাহ থেকে দেশে বিদ্যুতের অবস্থা ভালো হবে এবং লোডশেডিং কমে আসবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সিপিডি আয়োজিত বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামের আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, আগামী সপ্তাহ থেকেই দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং লোডশেডিং অনেকটা কমে আসবে। বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি ফোরামের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী দেশের জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বর্তমান সংকটের নানা দিক তুলে ধরেন।
জ্বালানী মন্ত্রী আরও জানান, সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ায় আমদানিতে অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলার খরচ হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে ৫৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান জানান, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎসাহিত করতে আগামী বাজেটে ব্যাটারি উৎপাদন ও আমদানিতে বিশেষ শুল্ক সুবিধা দেওয়া হতে পারে। এসব উদ্যোগের ফলে দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি সংকট দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয়
শার্শায় উলশী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর একটি জনসমাবেশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যশোরের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান যশোর বিমানবন্দরে পৌঁছায়।
যশোরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করা হয়েছিল, যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিতি পায়। প্রায় পাঁচ দশক পর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে খালটি পুনর্খনন করা হচ্ছে।
উলশী, যদুনাথপুর খাল খনন প্রকল্পের ঐতিহাসিক ফলক এখনও সংরক্ষিত রয়েছে। সেখানে উল্লেখ আছে, এটি বেতনা নদীর সংযোগ প্রকল্প এবং স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক গণউপযোগী প্রকল্প বাস্তবায়নে সামাজিক আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয়।
জাতীয়
এ কে ফজলুল হক ছিলেন অসাধারণ প্রজ্ঞাবান ও অসম সাহসী: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলার বাঘ হিসেবে খ্যাত শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন এক অসাধারণ প্রজ্ঞাবান, অসম সাহসী ও বিচক্ষণ রাজনীতিবিদ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, উপমহাদেশের বরেণ্য এই নেতা তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গীয় আইন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি (১৯১৬-১৯২১), কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩), পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ও পূর্ব বাংলার গভর্নরের (১৯৫৬-১৯৫৮) পদসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। দক্ষ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক হিসেবে প্রায় অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, অবিভক্ত বাংলার রাজনৈতিক অঙ্গনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব ফজলুল হক ছিলেন কৃষক, শ্রমিক ও গণমানুষের নেতা। তিনি ১৯৩৬ সালে কৃষক প্রজা পার্টি (কেপিপি) এবং ১৯৫৩ সালে শ্রমিক-কৃষক দল প্রতিষ্ঠা করেন।
অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শেরেবাংলা এ অঞ্চলের শিক্ষার উন্নয়ন, রাজনীতি ও সমাজসংস্কারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে গেছেন। তার উদ্যোগে গঠিত ‘ঋণ সালিশি বোর্ড’ বাংলার শোষিত ও নির্যাতিত কৃষক সমাজকে ঋণের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি (শেরেবাংলা) বঙ্গীয় চাকরি নিয়োগবিধি, প্রজাস্বত্ব আইন, মহাজনি আইন, দোকান কর্মচারী আইন প্রণয়নসহ বহু জনকল্যাণমুখী কাজ করেন, যা এ অঞ্চলের অবহেলিত কৃষক-শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রেখেছে।
তিনি বলেন, ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ তিনি মুসলিম লীগের সম্মেলনে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে ‘স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ’ গঠনের ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ উত্থাপন করেন, যার মধ্যে নিহিত ছিল আমাদের আত্মপরিচয়ের সন্ধান এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন ও পথনির্দেশনা।
তিনি আরো বলেন, কৃষক-শ্রমিক তথা মেহনতি মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তার অবদান বাংলার মানুষ চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, আমি আশা করি, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিশেষ করে রাজনীতিবিদরা শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, জীবনাদর্শ, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দর্শনকে অনুসরণ করে কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে ইতিবাচক অবদান রাখবেন।



