কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য র্যালী
বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনায় “ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ কার্যক্রম সম্প্রসারণ ক্যাম্পেইন” উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য রোডশো, সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) হোটেল আগ্রাবাদে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
দেশে ক্যাশলেস লেনদেনের সম্প্রসারণ ও গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রোডশো আগ্রাবাদ মোড় থেকে শুরু হয়ে বাদামতলী প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হোটেল আগ্রাবাদে এসে শেষ হয়।
সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক রাফেজা আক্তার কান্তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. মকবুল হোসেন, ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হুসাইন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (উপ-সচিব) এস এম সরওয়ার কামাল ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাদি উর রহিম জাদিদ।
অনুষ্ঠানে গভর্ণর মহোদয়ের স্বাগত বক্তব্য সংবলিত ভিডিও প্রদর্শন এবং “ক্যাশলেস বাংলাদেশ” উদ্যোগ সম্পর্কিত একটি উপস্থাপনা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের অতিরিক্ত পরিচালক মো. পারওয়েজ আনজাম মুনির। এছাড়া অনুষ্ঠানে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন জিএস অ্যাডের সত্ত্বাধিকারী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এবং বারাকা ট্রেডিংয়ের সত্ত্বাধিকারী আবুল কালাম আজাদ। সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন পেশার অংশীজন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও মার্চেন্টরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনার শেষে আগত অতিথিগণ চট্টগ্রামে ১৮টি স্থানে বাংলা-কিউ-আর অধিভুক্ত বিভিন্ন ব্যাংকের স্টল পরিদর্শন করেন।
প্রধান অতিথি আরিফ হোসেন খান বলেন, টাকা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের বছরে ব্যয় হচ্ছে ২০ হাজার কোটি টাকা। ডিজিটাল লেনদেন বা ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব।
তিনি আরো বলেন, পণ্য বা সেবার মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে নগদ অর্থ, কার্ড বা চেক ব্যবহৃত হয় হলে নগদ অর্থে পরিশোধের যে ঝুঁকি তা কমে আসবে। তাই ক্যাশলেস লেনদেন সেবার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্পোরেট সংবাদ
সিটি ব্যাংক ও টয়োটা বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি এবং টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেড। সোমবার (৯ মার্চ) ঢাকায় সিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রেমিত সিং এবং সিটি ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই চুক্তির আওতায় টয়োটা বাংলাদেশ লিমিটেডকে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ঋণ সুবিধা প্রদান করবে সিটি ব্যাংক। পাশাপাশি করপোরেট কার্ড, কালেকশন ও ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সেবা, বৈদেশিক বাণিজ্য সেবা এবং পে-রোলসহ এমপ্লয়ি ব্যাংকিং সুবিধাও প্রদান করা হবে।
অনুষ্ঠানে মাসরুর আরেফিন বলেন, টয়োটার বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার প্রতিফলন। একইসঙ্গে বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য আর্থিক সেবা প্রদানে সিটি ব্যাংকের সক্ষমতার প্রতিফলন।
এ সময় প্রেমিত সিং সিটি ব্যাংকের কর্মীদের জন্য টয়োটার গাড়িতে বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দেন এবং ভবিষ্যতে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে উভয় প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
রমজান ও ঈদ কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক-ডিসকাউন্ট
উৎসবকেন্দ্রিক কেনাকাটায় গ্রাহকদের আচরণে গত কয়েক বছরে বড় পরিবর্তন দৃশ্যমান হচ্ছে। সরাসরি মার্কেট কিংবা অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে এখন নগদ টাকার পরিবর্তে ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের কেনাকাটায় ক্যাশলেস লেনদেন এখন অনেকের কাছে প্রয়োজনীয় ও সুবিধাজনক মাধ্যম হয়ে উঠেছে। লেনদেনের দ্রুততা, নিরাপত্তা এবং উৎসবভিত্তিক ক্যাশব্যাক ও ডিসকাউন্টের কারণে গ্রাহকরা এখন নগদ টাকার চেয়ে ডিজিটাল মাধ্যমেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। আর এই ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় আস্থার জায়গা থেকে বরাবরের মতোই শীর্ষে অবস্থান করছে বিকাশ।
প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরের কেনাকাটাকে আনন্দময় ও সাশ্রয়ী আকর্ষণীয় সব ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে এসেছে বিকাশ। এই ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক পাওয়া যাচ্ছে সুপারস্টোর থেকে শুরু করে ব্র্যান্ডেড শপ, ফ্যাশন হাউস, জুতার দোকান, ইলেকট্রনিক্স, অনলাইন মার্কেটপ্লেস, রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, বেকারি এবং টিকিটিং প্ল্যাটফর্মসহ বিভিন্ন খাতে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে সর্বমোট ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক।
পাড়ার ছোট মুদি দোকান থেকে শুরু ফ্ল্যাগশিপ স্টোর কিংবা অনলাইন শপ- কেনাকাটার প্রায় সবখানেই এখন বিকাশ পেমেন্টের সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে সারাদেশে বিকাশের প্রায় ১০ লাখ মার্চেন্ট রয়েছে, যেখানে কিউআর কোড স্ক্যান, এনএফসি ট্যাপ, পেমেন্ট গেটওয়ে অথবা *২৪৭# ডায়াল করে খুব সহজেই লেনদেন করা সম্ভব।
উৎসবের কেনাকাটায় এই ডিজিটাল পেমেন্ট কতটা স্বস্তি এনেছে, তা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে শায়লা ইসলাম বলেন, “ঈদের কেনাকাটায় ভিড়ের মাঝে ব্যাগে টাকা নিয়ে ঘোরা, খুচরা টাকার ঝামেলা সবসময়ই একটা বাড়তি চাপ তৈরি করে। তবে এখন স্মার্টফোনে ডিজিটাল পেমেন্ট করার সুবিধা কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। মার্কেটে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে টাকা গোনার বদলে বিকাশ অ্যাপ থেকে জাস্ট একটা স্ক্যান বা কয়েকটা ক্লিকেই পেমেন্ট সেরে ফেলা যায়। ব্যস্ত সময়ে এই সহজ ও আধুনিক পেমেন্ট ব্যবস্থা আমার জন্য এক দারুণ স্বস্তি।”
এই উৎসবের মৌসুমে যেসব অফার আছে বিকাশ পেমেন্টে-
পুরো রমজান জুড়ে উৎসবের কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্টে পাওয়া যাচ্ছে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক। বিকাশ পেমেন্টে কেনাকাটার সব ক্যাম্পেইন দেখে নেয়া যাবে এই লিংকে — https://www.bkash.com/campaign/ramadan-offer-payment-hero-2026 ।
এবার দেখে নেয়া যাক উল্ল্যেখযোগ্য অফারগুলো–
সুপারস্টোর: রমজান মাস জুড়ে এবং ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে গ্রাহকরা বিকাশ অ্যাপে ‘D2’ কুপন ব্যবহার করে আগোরা, মীনা বাজার, ইউনিমার্ট, প্রিন্স বাজার, বেঙ্গল মিট, হোলসেল ক্লাব, খুলশি মার্ট, উৎসব সুপার মার্কেটসহ আরও বেশকিছু সুপারস্টোর ৫০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়া যাচ্ছে। পাশপাশি, ‘D3’ কুপন ব্যবহার করে দেশজুড়ে সুপারস্টোর চেইন স্বপ্ন ও ডেইলি শপিং-এ বিকাশ পেমেন্টে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও, অনলাইনে চালডাল, ডেইলি শপিং, মীনা বাজার, ও প্যারাগন থেকে গ্রোসারি অর্ডারে মিলছে ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।
লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড: বিকাশ অ্যাপে ‘S3’ কুপন ব্যবহার করে ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেইলর-এ ৩০০ এবং সারা লাইফস্টাইল-এ ২০০ টাকা ডিসকাউন্ট। ‘D1’ কুপন ব্যবহার করে মি. ডিআইওয়াই, আর্টিসান,কান্ট্রি বয়, দর্জি বাড়ি, এক্সটেসি, ফ্যাব্রিলাইফ, ফ্রিল্যান্ড, ইয়েলো, ইলিয়েন, কে ক্রাফট, বিশ্বরঙ, অঞ্জনস, র নেশন, শৈল্পিক, স্মার্টেক্স, টেক্সমার্ট, হুর, গয়না বাক্স, সানভিস সহ আরও বেশ কিছু ব্র্যান্ডে রমজানজুড়ে পাওয়া যাবে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ‘D5’ কুপনে ২০০ টাকা ডিসকাউন্ট মিলবে তাকদুম, মিনিসো বাংলাদেশ সহ বেশকিছু মার্চেন্টে। কুপন কোড ‘D8’ব্যবহার করে ৩০০ টাকা ডিসকাউন্ট মিলছে ইজি ফ্যাশন, জেন্টেল পার্ক, ইনফিনিটি মেগা মল, লুবনান, রিচম্যান, টপ টেন ফেব্রিক্স অ্যান্ড টেইলার্সসহ আরও বেশ কিছু আউটলেটে। পাশাপাশি, লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ং-এ বিকাশ পেমেন্টে গ্রাহকরা পেতে পারেন ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।
অনলাইন মার্কেটপ্লেস: অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ-এ বিকাশ পেমেন্টে ৬০ টাকার ডিসকাউন্টভাউচার রয়েছে গ্রাহকদের জন্য। এছাড়াও, স্টার টেক-অনলাইন, অথবা, রবিশপ, লুবনান,অ্যারোমেটিকা সহ বিভিন্ন অনলাইন শপে ১০% এবং ২০% হারে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। এদিকে, আমার পেট, পেট ফুড বিডি এবং পেট মামা থেকে পোষা প্রাণীর যত্নের জিনিসপত্র অর্ডার করার ক্ষেত্রেও এই ক্যাশব্যাক প্রযোজ্য।
রেস্টুরেন্ট: সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা দুই হাজারেরও বেশি রেস্তোরাঁয় ‘D4’ কুপন ব্যবহার করে গ্রাহকরা ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পেতে পারেন। ঢাকায় গ্যালিটো’স, বার্গার কিং, সিপি ফাইভ স্টার, চিলিস রেস্তোরাঁ, দিল্লি দরবার সহ ইত্যাদি বিভিন্ন আউটলেটে ছাড় উপভোগ করা যাবে। এদিকে, চট্টগ্রামে পিৎজা লাউঞ্জ, সিক্রেট রেসিপি, বে লিফ রেস্তোরাঁ, কুটুম বাড়ি, পাপা চিনোস ইত্যাদি বিভিন্ন আউটলেটে পাওয়া যাবে এই ডিসকাউন্ট।
এদিকে, ডিসেন্ট পেস্ট্রি শপ, স্টার বেকারি, স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁর বিভিন্ন আউটলেটে গ্রাহকরা ইফতার কেনার উপর রমজানজুড়ে মোট ১,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও, ২৫০ টিরও বেশি অন্যান্য খাবারের দোকান এবং বেকারিতে ইফতার অর্ডার করে মিলতে পারে আরও ৫০০ টাকা ডিসকাউন্ট। এছাড়াও, কেএফসির সেলফ-চেকআউটে কমপক্ষে ৬০০ টাকা বিকাশ পেমেন্ট করলে ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক মিলবে।
ইলেকট্রনিকস ও ফার্নিচার: ‘D6’ কোড ব্যবহার করে গ্রাহকরা সারাদেশে ওয়ালটন প্লাজা, হায়ার, সিঙ্গার, ভিশন এম্পোরিয়াম, অ্যাপল মার্ট বিডি এবং গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের ১২শর বেশি আউটলেটে ২০০ টাকার ছাড় পেতে পারেন। এদিকে, আখতার ফার্নিচার, ব্রাদার্স ফার্নিচার, হাতিল, হাই-টেক ফার্নিচার, নাদিয়া ফার্নিচার, নাভানা ফার্নিচার, অটোবি, তানিন বাংলাদেশ-এর মতো ফার্নিচার ব্র্যান্ডগুলোতে ৬০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
টিকেটিং এবং হোটেল বুকিং: ঈদের ছুটির আগে বিকাশ পেমেন্টে ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেস, সেবা গ্রিন লাইন, শ্যামলী পরিবহন সহ বেশকিছু বাসের টিকিটে ২০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন গ্রাহকরা। এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা, এয়ার অ্যাস্ট্রা এবং নভো এয়ারে বিকাশ পেমেন্টের মাধ্যমে টিকিট বুক করে পাওয়া যাচ্ছে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। এছাড়াও, গ্রাহকরা সারা দেশে নির্বাচিত হোটেল এবং রিসোর্ট বুকিং করে পেতে পারেন ৬০০ টাকা ক্যাশব্যাক।
এদিকে, কেনাকাটার সময় অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকলে ব্যাংক অথবা বাংলাদেশে ইস্যুকৃত ভিসা, অ্যামেক্স বা মাস্টারকার্ড থেকে অ্যাড মানি করে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সারতে পারছেন বিকাশ-এর ৮ কোটি ২০ লাখ গ্রাহক। এদিকে, বিকাশ ও সিটি ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে চালু হওয়া ‘পে-লেটার’ সেবার মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে ব্যালেন্স না থাকলেও নির্দিষ্ট গ্রাহকরা ৫০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত লোন নিয়ে দরকারি কেনাকাটা সারতে পারছেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রাহকদের কেনাকাটার অভ্যাসে যে দ্রুত পরিবর্তন ঘটেছে, তার কেন্দ্রে রয়েছে ডিজিটাল পেমেন্টের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা। কেবলমাত্র ক্যাশব্যাক বা ডিসকাউন্টের আকর্ষণে নয়, বরং আধুনিক ও নিরাপদ জীবনযাত্রার অংশ হিসেবেই মানুষ এখন ক্যাশলেস লেনদেনে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। নিরাপদ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত লেনদেনের সুবিধার কারণে বিকাশ পেমেন্ট প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে কোটি গ্রাহকের দৈনন্দিন জীবনে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
এনআরবিসি ব্যাংকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
নারী সহকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা প্রকাশের মাধ্যমে এনআরবিসি ব্যাংক আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার / সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ শীর্ষক স্লোগানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান।
এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মুহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খান, মানবসম্পদ প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রিন্সিপাল ফাহমিদা চৌধুরী, ঋণ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান তনুশ্রী মিত্র এবং প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা (সিএইচআরও) ফয়সল আহমেদসহ প্রধান কার্যালয় ও ঢাকার বিভিন্ন শাখার নারী কর্মকর্তারা।
নারী দিবস উপলক্ষে ব্যাংকের নারী কর্মকর্তাদের বিশেষ সম্মাননাপত্র ও ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এছাড়া ব্যাংকের সকল শাখা ও উপশাখায় নারী সহকর্মীদের প্রতি বিশেষভাবে সম্মান প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. তৌহিদুল আলম খান বলেন, নারীরা তাঁদের মেধা, অধ্যবসায় ও সহমর্মিতার মাধ্যমে সমাজে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠছেন। অগ্রদূত, উদ্ভাবক, জননী ও সহকর্মী হিসেবে উন্নয়ন ও সভ্যতা বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ, দৃঢ়তা ও নিষ্ঠা আমাদের সকলকে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করে।
তিনি আরও বলেন, নারীদের দায়িত্ববোধ, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব এনআরবিসি ব্যাংক-কে একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং ভবিষ্যতেও ব্যাংকের অগ্রগতিতে তাদের অবদান আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ব্র্যাক ব্যাংকে চিফ ইনফরমেশন অফিসার হিসেবে নিয়োগ পেলেন ওয়াসি নোমান
ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল রূপান্তর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে এ.এস.এম. ওয়াসি নোমানকে ‘অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ ইনফরমেশন অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ব্যক্তিকে চিফ ইনফরমেশন অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ব্যাংকটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এই পদে ওয়াসি নোমান ব্যাংকটির প্রযুক্তি কৌশল ও ডিজিটাল উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেবেন। তাঁর নেতৃত্বে ব্যাংকটির প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমের উৎকর্ষ সাধন, গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নতকরণ এবং ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত ব্যাংকিং সক্ষমতা গড়ে তোলা হবে। ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি প্রযুক্তি ও ডিজিটাল ব্যাংকিং— উভয় কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন এবং ব্যাংকটির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্যসমূহের সঙ্গে ডিজিটাল উদ্যোগগুলোর সামঞ্জস্য নিশ্চিত করবেন।
ওয়াসি নোমানের রয়েছে ব্যাংকিং, টেলিযোগাযোগ, আইটি সার্ভিস, অটোমেশন ও বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং খাতে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন দেশি-বিদেশি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে চিফ ইনফরমেশন অফিসার, চিফ টেকনোলজি অফিসার, চিফ অপারেটিং অফিসার এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ব্র্যাক ব্যাংকে যোগদানের আগে তিনি মেটলাইফ বাংলাদেশে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ ইনফরমেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি অ্যাকসেঞ্চার, গ্রামীণফোন, জিপিআইটি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, কার্নেল সিস্টেমস ও বেক্সিমকো কম্পিউটার্সে নেতৃত্বস্থানীয় দায়িত্বে কাজ করেছেন। এছাড়াও ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ টেকনোলজি অফিসার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর এই নিয়োগ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, প্রযুক্তিকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে আমরা আমাদের ব্যাংকের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই। ব্র্যাক ব্যাংকে প্রথম চিফ ইনফরমেশন অফিসার নিয়োগ আমাদের সেই কৌশলগত পরিকল্পনারই প্রতিফলন।
ওয়াসি নোমানের দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার বিস্তর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা আমাদের ডিজিটাল রূপান্তরকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। তাঁর নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, উদ্ভাবনী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংক হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবো বলে আশা রাখি।
ওয়াসি নোমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে এমবিএ এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়াও তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক ফ্যালকনবুরি ইনস্টিটিউট থেকে টেকনিক্যাল প্রফেশনালদের এক্সিকিউটিভ এমবিএ সম্পন্ন করেছেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের ডিজিটাল সেবায় সহজ হলো দান ও হজ্জ-উমরার প্রস্তুতি
প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে ইবাদত ও জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ এখন আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি তাদের ডিজিটাল দান বক্স এবং হজ্জ-উমরা সেভিংস স্কিম চালুর মাধ্যমে গ্রাহকদের ঘরে বসেই নিরাপদে ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।
হজ্জ ও উমরাহ সেভিংস স্কিমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
হজ্জ ও উমরাহ পালনে আগ্রহীদের জন্য ব্যাংকটিতে রয়েছে ‘মুদারাবা হজ্জ সেভিংস অ্যাকাউন্ট’ ও ‘মুদারাবা উমরাহ সেভিংস স্কিম’। এসব স্কিমের মাধ্যমে গ্রাহকরা ধাপে ধাপে সঞ্চয় গড়ে তুলে পবিত্র হজ্জ ও উমরাহ পালনের আর্থিক প্রস্তুতি নিতে পারেন।
হজ্জ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা এক থেকে ২৫ বছর মেয়াদে মুদারাবা হজ্জ সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। গ্রাহক তার সামর্থ্য অনুযায়ী কিস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারেন। নির্ধারিত মেয়াদের আগেই হজ্জে যেতে চাইলে জমাকৃত অর্থের সঙ্গে বাকি প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দিয়ে হজ্জ পালন করা সম্ভব।
অন্যদিকে, উমরাহ পালনের জন্য এক থেকে ১২ বছর মেয়াদে মাসিক কিস্তির ভিত্তিতে সঞ্চয়ের সুযোগ রয়েছে। ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তি নিজ নামে এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে পিতামাতা বা আইনগত অভিভাবক তাদের নামে হিসাব খুলতে পারেন। উভয় স্কিমেই মুদারাবা পদ্ধতিতে মুনাফা প্রদান করা হয়।
জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি দিয়ে ব্যাংকের যেকোনো শাখা, উপ-শাখা, এজেন্ট আউটলেট কিংবা ‘সেলফিন’ অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই এসব হিসাব খোলা যায়।
ডিজিটাল দান বক্সে সহজ অনুদান
ব্যাংকের ডিজিটাল দান বক্স সেবার মাধ্যমে দান করার প্রক্রিয়া হয়েছে আরও সহজ ও স্বচ্ছ। গ্রাহকরা নগদ অর্থ ছাড়াই সেলফিন বা যেকোনো ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সাদাকাহ বা অনুদান প্রদান করতে পারেন।
এই পদ্ধতিতে গোপনীয়তা বজায় থাকে এবং প্রতিটি লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। ফলে স্থানীয় মসজিদ, এতিমখানা, লিল্লাহ বোর্ডিং ও বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দ্রুত অর্থ পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে।
এছাড়া সেলফিন, আই-ব্যাংকিং বা শাখা/এজেন্টে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে মাসিক কিস্তি ও অনুদানের অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও আমানতদারিতার সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ধর্মীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে গ্রাহকদের একটি বিশ্বস্ত ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
এমএন




