ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
দুর্ঘটনার পরও থামেনি স্বপ্ন, ইবিতে বিশেষ বিবেচনায় পরীক্ষা দিলেন হৃদয়
সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েও নিজের স্বপ্নকে থামতে দেননি হৃদয় সাহা। অদম্য মনোবল নিয়ে তিনি বিশেষ বিবেচনায় ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছভুক্ত (GST) স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কেন্দ্রে ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষায় অংশ নিতে উপস্থিত হন এই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনে সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষা বেলা ১২টা পর্যন্ত চলে। তবে সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ওই পরিক্ষার্থীর আনুমানিক ২০ মিনিট দেরি হয় বলে জানা গেছে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল নিয়ে যেতে চাইলে তিনি পরীক্ষা দিবেন বলে জানান। পরবর্তীতে বিশেষ বিবেচনায় তাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়।
দায়িত্বরত বিএনসিসি ক্যাডেটগণ জানান, পরিক্ষার্থীকে অতিমাত্রায় কাঁপতে দেখা যায়। এবং তার পায়ে ইনজুরির কারণে হাঁটতে পারছিল না। পরবর্তীতে আমরা কাঁধে ভর করে পরীক্ষা কক্ষে পৌঁছে দিয়ে আসি। পরীক্ষা শেষে তাকে নিরাপদে পৌঁছে দিয়ে আসি।
বিলম্বে উপস্থিত পরীক্ষার্থীর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, “ঘটনাটা হলো তাকে অবশ্যই শুরুতে আসতে হবে। এরপরে নিয়ম হলো সে ঢুকতে পারবে না। কিন্তু কনসিডারেশনের সুযোগ আছে। সেই কনসিডারেশনের তো একটা নিয়ম আমরা দিয়েছি।
বিশেষ প্রেক্ষাপটে, দেখা গেল আনঅ্যাভয়েডেবল কোনো সারকামস্ট্যান্স যদি উদ্ভব হয়, যা আসলে কোনোভাবেই এড়ানোর সুযোগ ছিল না—সেক্ষেত্রে আমরা তাকে পরীক্ষার সুযোগ দিয়েছি। আর স্বেচ্ছায় আসলে তো সেটা আমরা কখনো অ্যালাও করবো না।”
উল্লেখ্য, সি ইউনিট পরীক্ষায় কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহসহ পার্শ্ববর্তী চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও রাজবাড়ী জেলা থেকে ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এমএন/এমএসএ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইবিতে গুচ্ছ ‘সি’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন, উপস্থিতির হার ৮৮.৫৩ শতাংশ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) কেন্দ্রে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ব্যবসায় অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এতে উপস্থিতির হার ছিল ৮৮.৫৩ শতাংশ এবং অনুপস্থিত ছিলেন ১৬৭ জন।
আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনে ঘণ্টাব্যাপী এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার পূর্বে ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে সামনে দুই পাশে স্থাপিত বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের হেল্প ডেস্ক পরিদর্শন করে। পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন পরীক্ষা-কক্ষ পরিদর্শন করেন।
‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ইবি কেন্দ্রের সমন্বয়ক ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আব্দুস শাহীদ মিয়া বলেন, “ইবি কেন্দ্রে ১৪৫৬ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১২৮৯ শিক্ষার্থী, উপস্থিতির হার ছিল ৮৮.৫৩ শতাংশ। অনুপস্থিত ছিলেন ১৬৭ জন। পরীক্ষা সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিজনুজ্জামান বলেন, পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও পরীক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ক্যাম্পাসে পুলিশ, র্যাবের টহল দল ও আনসার সদস্য মোতায়েন ছিল। ক্যাম্পাসে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় প্রক্টরিয়াল বডির পাশাপাশি বিএনসিসি এবং রোভার স্কাউট গ্রুপ তৎপর ছিল। প্রশাসনের উদ্যোগে তথ্য ও স্বাস্থ্য কর্ণার থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব নসরুল্লাহ বলেন, উপস্থিতির সংখ্যা ভালো ছিল। উপস্থিতির হার ৮৮.৫৩ শতাংশ। পরীক্ষা কক্ষে আমরা যা দেখলাম খুবই ভালো এবং সবাই পরীক্ষায় লিখেছে। তাদের প্রিপারেশনও ভালো এমনটা মনে হয়েছে। যেহেতু এটা শেষ পরীক্ষা। তারা জানিয়েছে প্রশ্ন স্ট্যান্ডার্ড হয়েছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতবারের মত এবারও বিভিন্ন ছাত্র
এছাড়া, সংগঠনগুলোর ভূমিকা প্রশংসনীয় ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সেবার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে ইবিতে কড়া নিরাপত্তা
গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম শিক্ষাবর্ষের ‘সি’ ইউনিটের (বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা (শুক্রবার ২৭ মার্চ) শুরু হয়েছে। ‘সি’ ইউনিটের ২৫ হাজার ২১৬ জন ভর্তিচ্ছু পরিক্ষার্থীর মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বসবে ১ হাজার ৪৫৬ জন ভর্তিচ্ছু পরিক্ষার্থী। ইতোমধ্যে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
চলতি শিক্ষাবর্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ২১৭৭৪ জন ভর্তিচ্ছু অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ২৭ মার্চ বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য বাণিজ্য শাখার (সি ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে ১৪৫৬ জন ভর্তিচ্ছু পরিক্ষার্থী।
৩ এপ্রিল বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত মানবিক শাখার (বি ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় ৯ হাজার ১৩৩ জন এবং ১০ এপ্রিল বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য বিজ্ঞান শাখার (এ ইউনিট) ভর্তি পরীক্ষায় ১১ হাজার ১৮৫ জন ভর্তিচ্ছু বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অংশগ্রহণ করবে। একই দিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এ ইউনিটভুক্ত আর্কিটেকচার বিভাগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে এনএসআই, ডিজিএফআই ও ডিএসবি কার্যক্রম শুরু করেছে এবং পুলিশ ও আনসার বাহিনী সারারাত ক্যাম্পাসে টহল দিবে। পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় চার স্তরের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যেখানে পুলিশ, র্যাব, আনসার, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।
অভিভাবকদের জন্য ইবি থানার সামনে বিশেষ কর্নার, বসার স্থান ও ওয়াশরুমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রধান ফটকের উত্তর পাশে তথ্য ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে এবং দুটি মেডিকেল টিম ও অ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। অসুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ যানবাহনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও ব্যাগ ছাড়া কেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিক্ষার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। গতবছরে পরীক্ষা পরিবেশকে সুন্দর রাখার জন্যে ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সারা বাংলাদেশের সকল ছাত্র সংগঠন এবং সাংবাদিক সকলে সহযোগিতা করেছে।
আশা করি এবছরও পরিক্ষার পরিবেশ এই ভাবেই থাকবে এবং বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাছেও এই তথ্য আছে। তাদের পক্ষ থেকেও সিকিউরিটির পর্যাপ্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরীক্ষার বিষয়ে একেবারে কেন্দ্রীয় পুলিশ থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশের সিকিউরিটির সবাই এখানে কানেক্টেড আছে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষা প্রস্তুতি সম্পন্ন, পরীক্ষা আজ
গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম শিক্ষাবর্ষের ‘সি’ ইউনিটের (বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার ২৭ মার্চ শুরু হচ্ছে। এবার মোট আবেদন জমা পড়েছে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪৮০টি যার মধ্যে ‘সি’ ইউনিটের অংশ নিবে ২৫ হাজার ২১৬টি ভর্তিচ্ছু পরিক্ষার্থী।
এছাড়া, ‘বি’ ইউনিটে আবেদন জমা পড়েছে ৯৩ হাজার ১০২টি এবং ‘এ’ ইউনিটের আবেদন জমা পড়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ১৬২টি। জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্ব প্রদানকারী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানান।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১ ঘন্টা দেশের ২১টি কেন্দ্রে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৩০। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিতীয়বার আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আপাতত আমরা আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে গতকালই যেভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে বিভিন্ন জায়গায় কোয়েশ্চেন পাঠায় সেই পদ্ধতিতে আমরা কোশ্চেন সব জায়গায় পাঠিয়ে দিয়েছি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের সাথে আমরা সবাই প্রচেষ্টা করছি। আমাদের মধ্যে চমৎকার একটি মেলবন্ধনে একটি গ্রুপের মাধ্যমে আমরা এই কাজটিকে সার্থকতার সাথে এবং সুন্দরভাবে আঞ্জাম দিতে পারবো বলে আশা করি।
ইবি উপাচার্য বলেন, ১৯ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্র আছে। তবে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে যেহেতু তাদের কাঠামোগত অসুবিধার কারণে ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল কোনো ক্যাপাসিটি নেই তাই নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।
তিনি বলেন, গতবছর পরীক্ষা পরিবেশকে সুন্দর রাখার জন্যে ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সারা বাংলাদেশের সকল ছাত্র সংগঠন এবং সাংবাদিক সকলে সহযোগিতা করেছে। আশা করি এবছরও সেভাবে সহযোগিতা করবে। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষ থেকেও সিকিউরিটির পর্যাপ্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এই পরীক্ষার বিষয়ে একেবারে কেন্দ্রীয় পুলিশ থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশের সিকিউরিটির সবাই এখানে কানেক্টেড আছে।
উল্লেখ্য, ২৭ মার্চ শুক্রবার সি ইউনিট (বাণিজ্য) এর ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। বি ইউনিট (মানবিক) এর পরীক্ষা ৩ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং এ ইউনিট (বিজ্ঞান) এর পরীক্ষা ১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে আর্কিটেকচার ব্যবহারিক (ড্রয়িং) পরীক্ষা বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্বতন্ত্র ডি-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র ডি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১২ এপ্রিল রোববার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশপন্থী জাতি গঠনের আহ্বান ইবি ছাত্রদল আহ্বায়কের
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশপন্থী জাতি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শক্তিশালী ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি গঠন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাহেদ আহম্মেদ বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারিনি। আমরা এমন একটি জাতি গঠনের জন্য যুদ্ধ করেছিলাম, যা সাম্য, ঐক্য ও মর্যাদায় বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও কিছু ভারতপন্থী ও পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন ও ব্যক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমরা কোনো বিদেশপন্থী রাজনীতি দেখতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য হবে কেবল বাংলাদেশপন্থী একটি জাতি গঠন করা।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন করে। ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেই আজও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।
স্বাধীনতা দিবসে প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে সাহেদ আহম্মেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭৫ একরের ক্যাম্পাসকে পবিত্র রাখা এবং এর কল্যাণে কাজ করার জন্য সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
দিবসটি উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি, শহীদ জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় সংগঠনের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুনের, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রঞ্জু আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু দাউদ, আহসান হাবীব, আনারুল ইসলাম, রোকন উদ্দীন, সদস্য সাব্বির, রাফিজ, নুর উদদীন, রনি হোসেন কর্মি, উল্লাস হোসেন সাক্ষর, অংকন, সাবিক, উতস, নয়ন, রিয়াজ, প্রমুখ সহ শতাধিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন/সাকিব
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
বেগম জিয়ার দেখানো পথই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পথ: ইবি উপাচার্য
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথই বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রের পথ। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রের এই নেত্রী মৃত্যুর শেষ দিন পর্যন্ত জনগণের পক্ষে কথা বলেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদ জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্থাপিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, “আমরা যেন ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের আহ্বানে এক হয়ে কাজ করি। বেগম জিয়া তাঁর স্বামীর উত্তরসূরি হিসেবে যে পথ দেখিয়েছেন, সেটিই বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রের পথ।” তিনি তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনাও করেন।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার সবসময় স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে। স্বাধীনতার চেতনা সাম্য, মৈত্রী, সুবিচার ও ন্যায়বিচারের মধ্যে নিহিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত সরকারকে যথাযথ সাহায্য করব। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে সকাল ১০টায় প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনের পর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়, যা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
পরবর্তীতে মহান শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ স্মৃতিসৌধের বেদিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে একে একে বিভিন্ন সমিতি, পরিষদ/ফোরাম, অনুষদ, হল, বিভাগ, ছাত্র সংগঠন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে শহীদদের স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন ও তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এরপর সাবেক রাষ্ট্রপতি ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য। এ সময় কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তাঁর সাথে ছিলেন। পরে জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব, জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরাম, শাখা ছাত্রদল পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে যোহর নামাজ শেষে কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আগের রাতে ক্যাম্পাসে এক মিনিটের প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালন করা হয় এবং শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় পবিত্র কুরআনখানি আয়োজন করা হয়।
এমএন/সাকিব



