রাজনীতি
স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত সংস্কার জরুরি: চরমোনাই পীর
স্বাধীনতাকে অর্থবহ ও কার্যকর করতে রাষ্ট্রের নীতিগত ও পদ্ধতিগত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।
৫৬তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তন না করে কেবল ব্যক্তি ও শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন হলে স্বাধীনতা কেবল কাগুজে স্বাধীনতায় পরিণত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীকালেও দেশে সংবিধান মেনে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দুঃখজনক দৃষ্টান্ত রয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ ও হতাহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সেইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধেরসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।
তিনি বলেন, চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার একটি রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই স্বৈরাচারকে উৎখাত করা হয়েছে। তবে স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপ নিশ্চিত করার জন্য রাজনৈতিক দলসমূহের প্রস্তাবিত ও গণভোটের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত সংস্কারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
আজকের এই স্বাধীনতা দিবসে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে গণভোটে অনুমোদিত সংস্কার প্রস্তাবগুলো দ্রুততার সাথে বাস্তবায়ন করুন।
রাজনীতি
স্বাধীনতার ৫০ বছরে বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি : জামায়াত আমির
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামি জনতা দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তৎকালীন শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল প্রত্যাশা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। ক্ষুধা-দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসন মুক্ত একটি দেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এবং লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। তবে স্বাধীনতার ৫৫ বছরে দেশের মানুষের বহু প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।
বুধবার (২৫ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেইজে এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার জুলাই গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মানুষ মুক্তি লাভ করেছে। দেশে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। দেশবাসীর প্রত্যাশা, এমন পরিস্থিতিতে কেউ আর নতুন করে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার দুঃসাহস দেখাবে না।
দেশের মানুষ ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে চলাফেরা করতে পারবে, কথা বলতে পারবে। মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ ও বৈষম্য থাকবে না। নাগরিকরা জানমাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা ভোগ করবে। দেশে ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজিমুক্ত হবে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছে এবং গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ নাগরিক ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ম্যান্ডেট দিয়েছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো টালবাহানা জনগণ মেনে নেবে না। অবিলম্বে সরকারকে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ দ্রুত বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা মহান স্বাধীনতা দিবসে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে স্মরণ করছি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ঐ সমস্ত জনতাকে যাদের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করেছে। আমরা আরও স্মরণ করছি ২০২৪ এর জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনের সকল শহীদদের এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের। আমরা সকল শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
ড. শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধ চলমান। সারা দুনিয়া এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। মানবতা আজ হুমকির সম্মুখীন। এমন সংকটময় মুহূর্তে আমি মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি এবং মহান আল্লাহর কাছে দেশবাসীর সুখ-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।
রাজনীতি
বিএনপি বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে না : মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ ধার্মিক, এ দেশের মানুষ ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করে না। ধর্মকে বিক্রি করে কিছু করা সম্ভব নয়, ধর্ম মানুষের অন্তরের বিষয়। আমরা অন্যান্য নেতার মতো বেহেশতের টিকিট বিক্রি করি না, আমরা আমাদের কাজের মধ্য দিয়ে ও ইবাদত করে বেহেশতে যাব।’
সোমবার (২৩ মার্চ) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ভাউলার হাট এলাকায় হেনা নদীর পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে বিএনপি যে প্রতিশ্রতি দিয়েছিল তা সব কিছুই পূরণ করা হবে। সরকার গঠনের পর আমরা ধারাবাহিকভাবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। একটি দল সবার আগে মা-বোনদের বেহেশতের টিকিট দেবে বলে তাদের ভুলিয়ে রাখতে চায়। নামাজ, রোজা ইবাদত ও সৎ কাজ ছাড়া কোনোভাবেই বেহেশতে যাওয়া সম্ভব নয়।
এ জন্য আমাদের সবাইকে সৎ কাজ করতে হবে, সৎভাবে জীবন যাপন করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘কোনোভাবেই মবকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না, মবকে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। বিএনপি কখনোই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি, দলীয় কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শৃঙ্খলা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না, তাই আমাদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
যুদ্ধের কারণে এখন বড় সংকট দেখা দিয়েছে তেলের। সমস্যা থাকলে তার সমাধান আছে, কিন্তু কোনোভাবে মব সৃষ্টি করা যাবে না। গায়ের জোরে আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করা যাবে না। এই সরকার শুধু কয়েক দিন হলো ক্ষমতা গ্রহণ করেছে, আমাদের কাজ করার সময় ও সুযোগ দিতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
ফ্যামিলি কার্ড, খালখনন প্রকল্পের পাশাপাশি কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকের উন্নয়ন হলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব।’ এ ছাড়া তিনি বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কৃষকসহ বিভিন্ন খাতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে, যা মোকাবেলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।’
তিনি জানান, দলীয় কোনো নেতা, শ্রমিক বা সরকারি কোনো কর্মকর্তা, ঠিকাদার খাল খনন কাজে কোনো দুর্নীতি করলে বা বিভিন্ন অজুহাতে কাজ ফেলে রাখলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার বেলল হোসেন, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম পর্যায়ে শালিকষা হতে সিন্দুরনা মৌজা পর্যন্ত ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার খাল খনন করতে খরচ হবে প্রায় ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। প্রকল্প কাজ শেষ হবে ২৫ জুন।
রাজনীতি
দেশের মানুষ জুলাইযোদ্ধা, আপনাদের ক্ষমা করবে না: জামায়াত আমির
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, ঈদের সময় যাত্রীরা টিকেট কিনতে গিয়ে দেখেছেন অব্যবস্থাপনা, বিশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি। যে আশা নিয়ে আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা করবে সেমাই খাবে তার আনন্দ তো এখানেই মাটি হয়ে গেলো।
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়নের নিজ এলাকায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
জনগণের সাথে ধোকাবাজি চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মন্ত্রী বলেছেন অতিরিক্ত ভাড়া ফেরত দেয়া হবে। এতো মানুষ ঢাকা ছেড়েছে। তাদের টাকা ফেরত দিতে তাদের পাবেন কিভাবে?
সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে। অনিয়ম হলেও আমরা মেনে নিয়েছি। দেশটা অচল না হোক। আপনারা যদি সঠিক ধারায় ফিরে না আসেন তাহলে দেশের মানুষ কিন্তু জুলাই যোদ্ধা। এই মানুষগুলো আপনাদের ক্ষমা করবে না।
তিনি আরো বলেন, সরকার বিরোধীদলীয় নেতাকে যে বাড়ি দিয়েছে সেই বাড়িতে থাকবো না। এটি ব্যবহার করবো দেশের প্রয়োজনে। সেখানে বিদেশী মেহমানদের নিয়ে কথা বলব। শুধু রাষ্ট্রের কাজে এটি ব্যবহার করা হবে।
ডা. শফিক বলেন, সরকারে থেকে চাঁদাবাজি করতে হয় না। আমরা সরকারের কণ্ঠে শুনতে চাই, আর বাংলাদেশে চাঁদাবাজি হবে না, মানুষের উপর জুলুম হবে না। যদি সরকার এটা করেন আমরা সরকারের সকল ইতিবাচক কাজে সহযোগিতা করবো, সমর্থন করবো। কিন্তু যে পদক্ষেপ জনস্বার্থের বিপক্ষে যাবে আমরা তার প্রতিবাদ করবো, না মানলে প্রতিহত করবো।
প্রাণবন্ত এ শুভেচ্ছা বিনিময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট মহানগর আমির ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও সিলেট মহানগরী নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন খাঁন, কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমির মোঃ আব্দুল মান্নান, সিলেট মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য আব্দুস সালাম আল মাদানী, মৌলভীবাজার জেলা সেক্রেটারি মো. ইয়ামির আলী, জেলা নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমান, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা উপজেলাফ সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা লোকমান আহমেদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইন, সাবেক জেলা সেক্রেটারি খন্দকার আব্দুস সোবহান ও আব্দুল হামিদ খান, উপজেলা নায়েবে আমীর জাকির আহমেদ, সেক্রেটারি বেলাল আহমদ চৌধুরী,উপজেলা শূরা সদস্য রাজানুর রহিম ইফতেখার, জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মো. ফরিদ উদ্দিন ও শহর সভাপতি কাজী দাইয়ান আহমেদ প্রমুখ।
রাজনীতি
রাষ্ট্রপতিকে বাদ দিতেই হবে, কোনো অপশন নেই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের (চুপ্পু) অভিশংসন জরুরি বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, নয়ছয় না করে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মাধ্যমে দ্রুত বিদায় করতে হবে।
শনিবার (২১ মার্চ) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই দাবি তুলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, রাষ্ট্রপতি (চুপ্পু) এখানে এসেছেন। মুসল্লিরা প্রতিবাদ করেছেন। আমরা সরকারকে দ্রুত জানাব যে, নয়ছয় না করে রাষ্ট্রপতির (চুপ্পু) অভিশংসন জরুরি। তাকে বাদ দিতেই হবে। সরকারের কোনো অপশন নেই। যদি বাদ না দেওয়া হয়, তাহলে আমাদের আন্দোলনে যেতে হবে।
ঢাকা-৮ আসনের ভোটারদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ঢাকা-৮ আসনে যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি নতুন শপথ নিতে জাতীয় ঈদগাহে এসেছি। কারণ, আমরা অনেক শহীদ ভাইকে নিয়ে আজ নামাজ পড়তে পারতাম। আমরা চাই বাংলাদেশে শহীদ ও আহতদের বিচার বুঝে পাব। একই সঙ্গে বুঝে পাব শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার।
আগামী দিনের কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা কয়েক দিন ধৈর্য ধারণ করছি। সবকিছু সচল হলে আমরা রাজপথে যেতে বাধ্য হবো, ইনশা আল্লাহ।
রাজনীতি
মনিপুরে ঈদের নামাজ পড়লেন বিরোধীদলীয় নেতা
রাজধানীর মিরপুরে মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ (মূল বালিকা ক্যাম্পাস) মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।শনিবার (২১ মার্চ) সকালে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠে আয়োজিত ঈদ জামাতে অংশ নেন তিনি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই মিরপুর ও এর আশপাশের এলাকা থেকে সাধারণ মুসল্লিরা মনিপুর স্কুল মাঠে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য সমবেত হন। বিরোধীদলীয় নেতার আগমনকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
নামাজ শেষে খুতবা পাঠ করা হয়। এরপর দেশ ও জাতির কল্যাণ, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন ডা. শফিকুর রহমান। মোনাজাত শেষে তিনি উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এ সময় তার সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।



