Connect with us

লাইফস্টাইল

ঈদের পরে হজম ভালো রাখতে যা করবেন

Published

on

জাভেদে

ঈদ মানেই অনেক মুখরোচক আর জিভে জল আনা খাবারের আয়োজন। একদিকে সেসব খাবার দেখে নিজেকে সামলে রাখা দায়, অন্যদিকে সারা মাস রোজা রেখে আমাদের পেট তখন হঠাৎ একসঙ্গে এত এত ভারী আর মসলাদার খাবার খেতে অভ্যস্ত থাকে না। যে কারণে ঈদের পরে অনেকেরই হজমে নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই এসময় হজমশক্তি ভালো রাখতে আপনাকে কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ঈদের পরে হজম ভালো রাখতে কী করবেন-

ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রুটিনে ফিরে আসুন
আপনার শরীরকে হঠাৎ ধাক্কা দেওয়া থেকে বাঁচাতে রোজা থেকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক, দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাসে ফিরে আসুন। ঈদের দিন একসঙ্গে অনেক ভারী খাবার খেয়ে ফেলবেন না। অল্প পরিমাণে ও ঘন ঘন খাবার খেয়ে অভ্যাস করুন। এতে আপনার পেটও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যাবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শরীর আর্দ্র রাখুন
স্বাভাবিকভাবেই রমজানে আমাদের শরীরে পানির কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়। রোজা শেষে সেই ঘাটতি পূরণে মনোযোগী হতে হবে। বারবার অল্প অল্প করে খাবার খাওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানিও পান করতে হবে। তবে খাবার ও পানি পানের মধ্যে অন্তত বিশ মিনিটের বিরতি যেন থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই পানি আপনার খাওয়া খাবার হজমে সাহায্য করতে, পুষ্টি শোষণে সহায়তা করতে এবং পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ বাড়ান
মলত্যাগ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে শাক-সবজি, ফল এবং শস্যের মতো আঁশযুক্ত খাবার যোগ করুন খাদ্যতালিকায়। এতে মলত্যাগ সহজ হবে এবং আপনার পেটও আরামে থাকবে। তাই ঈদের ভারী খাবারের লোভ এড়িয়ে হলেও এ ধরনের খাবার বেশি করে খেতে হবে। এতে সুস্থ থাকা সহজ হবে।

ভাজা খাবার সীমিত করুন
অতিরিক্ত ভাজা, তৈলাক্ত এবং চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো হজম প্রক্রিয়াকে অনেকটাই ধীর করে দেয় এবং অস্বস্তি সৃষ্টি করে। তাই দেখতে যতই লোভনীয় লাগুক না কেন, নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য এ ধরনের খাবার আপনাকে এড়িয়ে চলতে হবে, বিশেষ করে সারা মাস রোজা রাখার পর।

হালকা গরম পানি বা চা
ভারী খাবারের পর হালকা গরম পানি বা চা পান করুন, কারণ এটি চর্বি ভাঙতে সাহায্য করে। তাই উৎসবের আয়োজনে অল্প-স্বল্প ভারী খাবার খেলে তার কিছুক্ষণ পর হালকা গরম পানি কিংবা ভেষজ চা পান করুন। এতে বাড়তি চর্বি নিয়ে ভয় অনেকটাই কেটে যাবে।

শেয়ার করুন:-

লাইফস্টাইল

প্রতিদিন হাঁটলে কি হার্ট ভালো থাকে?

Published

on

জাভেদে

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বেশিরভাগ সময় সুস্বাস্থ্য এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য ৩০ মিনিট হাঁটা উপকারী বলে সুপারিশ করেন। অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, এই অভ্যাস কি সত্যিই হৃদরোগের ঝুঁকি রোধ করতে পারে? হৃদরোগ এখনও বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর সবচেয়ে পরিচিত কারণের মধ্যে একটি। বেশিরভাগ মানুষ মনে করে যে এটি প্রতিরোধ করার অর্থ তীব্র ব্যায়াম করা বা তাদের জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা। অপর্যাপ্ত সময় এবং অনিয়মিত রুটিন হলো আজকাল মানুষের দুটি বড় সমস্যা।

হৃদরোগের ঝুঁকির কারণ
অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, ডেস্ক জব, ক্রমবর্ধমান চাপের মাত্রা এবং পর্যাপ্ত ব্যায়ামের অভাব প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বিষয়গুলো সরাসরি উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, স্থূলতা এবং ইনসুলিন প্রতিরোধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই অবস্থাগুলো ধীরে ধীরে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করে, এমনকী তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গবেষণা কী বলে
একাধিক গবেষণায় সুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে কার্ডিওভাসকুলার ইভেন্টের ফ্রিকোয়েন্সি পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, বেশি সক্রিয় অংশগ্রহণকারীদের তাদের বেশি বসে থাকা প্রতিপক্ষের তুলনায় কম সিভি ঝুঁকি থাকে। সবচেয়ে সক্রিয় বনাম সবচেয়ে কম সক্রিয় ব্যক্তিদের মধ্যে ঝুঁকি হ্রাস প্রায় ৪০%। এমনকী অল্প পরিমাণে শারীরিক কার্যকলাপ, যেমন দাঁড়িয়ে থাকা, সিভি ঝুঁকি হ্রাস করে। শারীরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধির সঙ্গেসঙ্গে সিভি ঝুঁকি ধীরে ধীরে হ্রাস পায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইউরোপীয় জার্নাল অফ প্রিভেনটিভ কার্ডিওলজিতে প্রকাশিত ক্লিনিকাল প্রমাণ ইঙ্গিত দেয় যে, প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট হাঁটা হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটা হ্রাস করতে পারে। এর অ্যাথেরোস্ক্লেরোটিক ঝুঁকির ওপর একাধিক, সম্ভাব্য উপকারী প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে এটি সিস্টোলিক রক্তচাপ, শরীরের ওজন, রক্তের গ্লুকোজ এবং ট্রাইগ্লিসারাইড হ্রাস করে এবং উচ্চ-ঘনত্বের লিপোপ্রোটিন কোলেস্টেরল বৃদ্ধি করে।

নতুন প্রমাণ এই ধারণাটিকে সমর্থন করে যে, আপনি যে গতিতে হাঁটেন তা গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের একটি মেটা-বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে যারা দ্রুত গতিতে হাঁটেন তাদের ধীর গতিতে হাঁটার তুলনায় করোনারি হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।

এই ফলাফলগুলো বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কথার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে যে আপনার প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট মাঝারি তীব্রতার শারীরিক কার্যকলাপ করা উচিত। আপনি বেশিরভাগ দিন ৩০ মিনিট হাঁটার মাধ্যমে এটি করতে পারেন।

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন আরও বলেছে যে হাঁটা একটি সহজ কার্যকলাপ যা রক্তচাপ কমাতে পারে, রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করতে পারে এবং হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারে।

যারা একবারে পুরো ৩০ মিনিট হাঁটতে অসুবিধা বোধ করেন তারা সারা দিন ধরে এটিকে ছোট সেশনে ভাগ করতে পারেন। তিনটি ১০ মিনিটের দ্রুত হাঁটা আপনাকে একই রকম সুবিধা দেবে। তীব্রতার চেয়ে ধারাবাহিকতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন দ্রুত হাঁটা আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখার সেরা এবং সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী উপায়গুলির মধ্যে একটি।

কাদের এড়ানো উচিত?
সাধারণত হাঁটা নিরাপদ, তবে যাদের বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা রয়েছে তাদের নতুন রুটিন শুরু করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা উচিত। আজই হৃদরোগ প্রতিরোধের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ভবিষ্যতে হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যেতে পারে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

হার্বাল টি একমাস খেলে শরীরে যা ঘটে

Published

on

জাভেদে

হার্বাল টি নীরবে আমাদের অনেকের দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হয়ে যায়। আরাম করার জন্য এক কাপ, ভারী খাবারের পর আরেক কাপ, হয়তো ঘুমানোর আগে আরও এক কাপ। যখন কোনোকিছু দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়, তখন শরীর সূক্ষ্ম এবং ক্রমবর্ধমান উপায়ে প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে। হার্বাল চা ফুল, শিকড় এবং পাতা থেকে তৈরি হয়, যার প্রতিটিতে নির্দিষ্ট বায়োঅ্যাকটিভ যৌগ থাকে। ৩০ দিনের মধ্যে এই যৌগগুলো শরীরে কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. ঘুমের মান ধীরে ধীরে উন্নত হয়

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ক্যামোমাইলের মতো প্রশান্তিদায়ক হার্বাল চা প্রতিদিন পান করলে এক মাসের মধ্যে ঘুমের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ২০২৪ সালের একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, ক্যামোমাইল সেবন ঘুমের মান উন্নত করে এবং রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া কমায়, বিশেষ করে দুই থেকে চার সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহারের পর। গবেষকরা এর কারণ হিসেবে অ্যাপিজেনিনকে উল্লেখ করেছেন, যা একটি ফ্ল্যাভোনয়েড এবং এটি মস্তিষ্কের GABA রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শিথিলতা বাড়াতে সাহায্য করে। যদিও এটি ঘুমের ওষুধ হিসেবে কাজ করে না, তবে নিয়মিত খেলে তা ধীরে ধীরে ঘুমের অভ্যাস উন্নত করতে সাহায্য করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২. হজম প্রক্রিয়া শান্ত ও নিয়মিত হয়

পুদিনা এবং আদার মতো ভেষজ চা হজমে সহায়ক হিসেবে পরিচিত। কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন এটি পান করলে পেট ফাঁপা এবং পেটের অস্বস্তি কমে। ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গেছে যে, পুদিনার সক্রিয় উপাদান মেন্থল অন্ত্রের মসৃণ পেশীকে শিথিল করতে সাহায্য করে, যা বদহজম এবং আইবিএস-সম্পর্কিত উপসর্গের সঙ্গে সম্পর্কিত খিঁচুনি কমায়। একটি গবেষণা অনুসারে, আদা পাকস্থলী খালি করতে এবং বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে হজমের সমস্যা কম হতে পারে এবং অন্ত্রের আরাম বৃদ্ধি পেতে পারে।

৩. রক্তচাপ পরিবর্তিত হয়

যদি হিবিস্কাস চা আপনার দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হয়, তবে এক মাসের মধ্যে আপনার কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম উপকৃত হতে পারে। নিউট্রিশন রিভিউস-এ প্রকাশিত একটি র‍্যান্ডমাইজড কন্ট্রোলড ট্রায়ালে দেখা গেছে যে, প্রতিদিন তিন কাপ হিবিস্কাস চা পান করলে ছয় সপ্তাহ পরে প্রি-হাইপারটেনসিভ প্রাপ্তবয়স্কদের সিস্টোলিক রক্তচাপ কমে যায়। পরবর্তী একটি মেটা-বিশ্লেষণেও একই ধরনের হ্রাসের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে, বিশেষ করে যাদের বেসলাইন রিডিং বেশি ছিল তাদের ক্ষেত্রে।

৪. স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া ভারসাম্যপূর্ণ হয়

নিয়মিত ভেষজ চা পান করলে তা দৈনন্দিন স্ট্রেসের প্রতি শরীরের প্রতিক্রিয়াকে আলতোভাবে প্রভাবিত করতে পারে। ক্যামোমাইল এবং লেবু মিশ্রিত চা কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত খেলে তা উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। এই ভেষজগুলো স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণে জড়িত নিউরোট্রান্সমিটার, যেমন GABA এবং সেরোটোনিন পথকে নিয়ন্ত্রণ করে বলে মনে হয়। এক মাস ধরে প্রতিদিন এটি গ্রহণ করলে তা মানসিক স্থিরতা এবং একটি শান্ত বেসলাইন বজায় রাখতে সাহায্য করে, বিশেষ করে মানসিক ক্লান্তির সময়ে।

৫. হাইড্রেটেড রাখে

কালো বা সবুজ চায়ের মতো নয়, বেশিরভাগ ভেষজ চা প্রাকৃতিকভাবেই ক্যাফেইন-মুক্ত, যার অর্থ হলো এগুলো শরীরের তরলের ভারসাম্যকে প্রভাবিত না করেই হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করে। ইউরোপীয় খাদ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ দ্বারা পর্যালোচিত গবেষণা দেখায় যে ক্যাফেইন-মুক্ত পানীয় পানির মতোই কার্যকরভাবে শরীরকে হাইড্রেট করে। ৩০ দিন ধরে প্রতিদিন ভেষজ চা পান করলে তা শরীরের তরলের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে এবং ঘুমের ব্যাঘাত বা অস্থিরতা এড়াতে পারে, তাই এটি সন্ধ্যায় পানের জন্য বিশেষভাবে উপকারী।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

থানকুনি পাতার ভেষজ গুণে শরীর ও সৌন্দর্য চর্চায় উপকার

Published

on

জাভেদে

ভেষজ গুণে ভরপুর থানকুনি পাতা বহু প্রাচীনকাল থেকেই উপকারী ওষুধি গাছ হিসেবে পরিচিত। এতে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা খনিজ উপাদান ও ভিটামিন।

প্রতিদিন থানকুনি পাতার রস পান করলে শরীর ও সৌন্দর্যের নানা সমস্যার সহজ সমাধান মেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত সেবনে এটি যেমন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, তেমনি ত্বক ও চুলের জন্যও উপকারী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

থানকুনি পাতার উল্লেখযোগ্য কিছু উপকারিতা:

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×
  • ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সতেজতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • জ্বর ও আমাশয় প্রতিরোধে কার্যকর।
  • মুখে ঘা হলে থানকুনি সেদ্ধ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে উপশম হয়।
  • চুল পড়া কমাতে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে কয়েক ফোঁটা করে পান করলে ধীরে ধীরে উপকার পাওয়া যায়।
  • শিশুর কথা জড়িয়ে যাওয়া সমস্যায় প্রতিদিন এক চামচ করে গরম করা থানকুনি পাতার রস খাওয়ালে ধীরে ধীরে স্পষ্টতা আসে।
  • ঠান্ডা-কাশিতে আধা চা চামচ থানকুনি পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার মেলে।

এই সহজলভ্য গাছটি কাঁচাবাজারে পাওয়া যায়। চাইলে বাড়ির ছাদ বা বারান্দার একটি টবেই সহজে চাষ করা যায় থানকুনি গাছ।

প্রাকৃতিক ও ভেষজ চিকিৎসায় আগ্রহীদের জন্য থানকুনি হতে পারে একটি কার্যকর ও সাশ্রয়ী সমাধান। তবে যেকোনো ভেষজ পদ্ধতি গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া ভালো।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ইফতারে পেঁপে খাবেন না যারা

Published

on

জাভেদে

ইফতারের টেবিলে নানা ধরনের খাবারের সমারোহ থাকে। ভাজাপোড়া, শরবত, ফল-সব মিলিয়ে জমজমাট আয়োজন। এই তালিকায় অনেকেই রাখেন পাকা পেঁপে। পেঁপে একটি পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য ফল, যা ভিটামিন এ, সি, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।

রোজার পর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে হজম প্রক্রিয়া কিছুটা ধীর হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে পরিমিত পেঁপে হজমে সহায়তা করতে পারে। তবে সবার জন্য পেঁপে সমান উপকারী নয়,কিছু ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকরও হতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গর্ভবতী নারীদের জন্য সতর্কতা
গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণ পাকা পেঁপে সীমিত পরিমাণে নিরাপদ বলে ধরা হয়। তবে কাঁচা বা আধা পাকা পেঁপে একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। কাঁচা পেঁপেতে থাকা ল্যাটেক্স ও প্যাপেইন এনজাইম জরায়ুতে সংকোচন সৃষ্টি করতে পারে, যা গর্ভপাত বা অকাল প্রসবের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পেঁপে খাওয়া উচিত।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি
যাদের ল্যাটেক্স বা রাবারে অ্যালার্জি আছে, তাদের ক্ষেত্রে পেঁপে খেলে ‘ওরাল অ্যালার্জি সিনড্রোম’ হতে পারে। এতে ঠোঁট বা মুখ ফুলে যাওয়া, চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, এমনকি শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাকটিক শকের মতো বিপজ্জনক অবস্থাও তৈরি হতে পারে। তাই এ ধরনের অ্যালার্জি থাকলে পেঁপে খাওয়ার আগে সতর্ক থাকা জরুরি।

ডায়াবেটিস ও রক্ত পাতলা হওয়ার বিষয়
পেঁপে স্বাভাবিকভাবে খুব বেশি মিষ্টি না হলেও অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিন আধা কাপ বা ছোট একটি বাটির বেশি না খাওয়াই ভালো।

এছাড়া যারা ওয়ারফারিনের মতো রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পেঁপে রক্তকে আরো পাতলা করে দিতে পারে, ফলে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে।

হজমের সমস্যা হতে পারে
পেঁপে হজমে সহায়ক এনজাইমসমৃদ্ধ হলেও অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে উল্টো পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে দুধ, দই, লেবুজাতীয় ফল বা উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া বা অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।

ইফতারে যদি ভাজাপোড়া ও ঝাল মসলাদার খাবার বেশি খাওয়া হয়, তবে পেঁপে না খাওয়াই ভালো। ঝাল খাবার নিজেই হজমের গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তার সঙ্গে পেঁপে যুক্ত হলে সমস্যা আরও প্রকট হতে পারে, বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হজমের সমস্যা রয়েছে।

কতটুকু খাবেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১০০-১৫০ গ্রাম বা আধা কাপ পাকা পেঁপে যথেষ্ট। এর বেশি খাওয়ার প্রয়োজন নেই। যাদের থাইরয়েড সমস্যা, কিডনিতে পাথর বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেঁপে খাওয়া উচিত নয়।

পেঁপে নিঃসন্দেহে উপকারী ফল। তবে সঠিক পরিমাণ ও সঠিক পরিস্থিতিতে খাওয়া জরুরি। ইফতারের টেবিলে পাকা পেঁপে রাখতে পারেন, কিন্তু অতিরিক্ত নয়। সুস্থ থাকতে সচেতন খাদ্যাভ্যাসই সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ইফতারে জিরা পানির জাদুকরী উপকারিতা

Published

on

জাভেদে

রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরকে সতেজ রাখতে ইফতারে অনেকেই জিরা পানি পান করেন। রান্নাঘরের পরিচিত মসলা জিরা শুধু স্বাদই বাড়ায় না, পানিতে ভিজিয়ে বা ফুটিয়ে খেলে শরীরের নানা উপকারও করে।

চলুন দেখে নেয়া যাক ইফতারে জিরা পানির উপকারিতা—

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১. হজম শক্তি বাড়ায়: জিরায় থাকা প্রাকৃতিক এনজাইম হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর ইফতারে ভারী খাবার খেলে বদহজমের ঝুঁকি থাকে। জিরা পানি পেটের গ্যাস, অম্বল ও ফাঁপাভাব কমাতে সাহায্য করে।
২. গ্যাস ও অ্যাসিডিটি কমায়: রমজানে অনেকেই ভাজাপোড়া খান। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে। জিরা পানি পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
৩. শরীর ঠান্ডা রাখে: জিরা শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গরমের দিনে রোজার পর এটি শরীরকে কিছুটা প্রশান্তি দেয়।
৪. পানিশূন্যতা দূর করে: সারাদিন রোজার কারণে শরীরে পানির ঘাটতি হয়। জিরা মিশ্রিত পানি শরীরে দ্রুত জলীয় অংশের ঘাটতি পূরণে সহায়ক।
৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: নিয়মিত জিরা পানি পান করলে বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম) কিছুটা সক্রিয় হয়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: জিরায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কীভাবে তৈরি করবেন জিরা পানি?
১. এক গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ জিরা সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে তা হালকা গরম করে ছেঁকে নিন।
২. এক চা চামচ জিরা ২ কাপ পানিতে ফুটিয়ে অর্ধেক হলে নামিয়ে ছেঁকে ঠান্ডা করে ইফতারে পান করুন।

সতর্কতা-
যাদের আলসার, অতিরিক্ত লো ব্লাড প্রেসার বা বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা আছে, তারা নিয়মিত খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

জাভেদে জাভেদে
পুঁজিবাজার20 hours ago

রাজকীয় বিয়ে করা সেই জাভেদের বনানীর বাড়ি ঋণ খেলাপির দায়ে ক্রোক

পুঁজিবাজারের বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত নাম জাভেদ অপগেনহেফেন। একদিকে প্যারিসে ২৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজকীয় বিয়ে, অন্যদিকে দেশের ব্যাংকের টাকা...

জাভেদে জাভেদে
পুঁজিবাজার21 hours ago

সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে যাচ্ছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল

টেকসই জ্বালানি ব্যবহার ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে নিজস্ব কারখানায় রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল পিএলসি।...

জাভেদে জাভেদে
পুঁজিবাজার22 hours ago

২০% লভ্যাংশ ঘোষণা করল আইডিএলসি ফাইন্যান্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর...

জাভেদে জাভেদে
পুঁজিবাজার2 days ago

অর্থ লেনদেনে অনিয়ম, ইনডেক্স এগ্রোর পরিচালকসহ ৩ জনকে জরিমানা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইনডেক্স অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আর্থিক লেনদেনে প্রায় ২ কোটি টাকার অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ...

জাভেদে জাভেদে
পুঁজিবাজার3 days ago

ঈদ আমেজে পুঁজিবাজারে সাপ্তাহিক গড় লেনদেন কমেছে ৭ শতাংশ

পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর ছুটির আমেজে দেশের পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন—উভয় ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ঈদের আগের মাত্র দুই কার্যদিবস...

জাভেদে জাভেদে
পুঁজিবাজার6 days ago

ব্লক মার্কেটে ২০ কোটি টাকার লেনদেন

ঈদের আগে শেষ কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে...

জাভেদে জাভেদে
পুঁজিবাজার6 days ago

দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স

ঈদের আগের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
জাভেদে
সারাদেশ1 minute ago

সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

জাভেদে
আন্তর্জাতিক6 minutes ago

বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিক সম্পদ হাতানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র, অভিযোগ রাশিয়ার

জাভেদে
প্রবাস18 minutes ago

রফিকুল ইসলাম মাদানীর ছেলে মারা গেছেন

জাভেদে
লাইফস্টাইল24 minutes ago

প্রতিদিন হাঁটলে কি হার্ট ভালো থাকে?

জাভেদে
আবহাওয়া34 minutes ago

আগামী ৫ দিন দেশের যেসব অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে

জাভেদে
সারাদেশ38 minutes ago

হবিগঞ্জে বাস-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ৪

জাভেদে
আন্তর্জাতিক56 minutes ago

হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ট্রাম্পের

জাভেদে
লাইফস্টাইল1 hour ago

হার্বাল টি একমাস খেলে শরীরে যা ঘটে

জাভেদে
লাইফস্টাইল2 hours ago

ঈদের পরে হজম ভালো রাখতে যা করবেন

জাভেদে
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ইরানের হামলায় লণ্ডভণ্ড ইসরাইলের আরাদ, নিহত ৬

জাভেদে
সারাদেশ1 minute ago

সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

জাভেদে
আন্তর্জাতিক6 minutes ago

বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিক সম্পদ হাতানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র, অভিযোগ রাশিয়ার

জাভেদে
প্রবাস18 minutes ago

রফিকুল ইসলাম মাদানীর ছেলে মারা গেছেন

জাভেদে
লাইফস্টাইল24 minutes ago

প্রতিদিন হাঁটলে কি হার্ট ভালো থাকে?

জাভেদে
আবহাওয়া34 minutes ago

আগামী ৫ দিন দেশের যেসব অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে

জাভেদে
সারাদেশ38 minutes ago

হবিগঞ্জে বাস-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ৪

জাভেদে
আন্তর্জাতিক56 minutes ago

হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ট্রাম্পের

জাভেদে
লাইফস্টাইল1 hour ago

হার্বাল টি একমাস খেলে শরীরে যা ঘটে

জাভেদে
লাইফস্টাইল2 hours ago

ঈদের পরে হজম ভালো রাখতে যা করবেন

জাভেদে
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ইরানের হামলায় লণ্ডভণ্ড ইসরাইলের আরাদ, নিহত ৬

জাভেদে
সারাদেশ1 minute ago

সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

জাভেদে
আন্তর্জাতিক6 minutes ago

বিশ্বজুড়ে প্রাকৃতিক সম্পদ হাতানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র, অভিযোগ রাশিয়ার

জাভেদে
প্রবাস18 minutes ago

রফিকুল ইসলাম মাদানীর ছেলে মারা গেছেন

জাভেদে
লাইফস্টাইল24 minutes ago

প্রতিদিন হাঁটলে কি হার্ট ভালো থাকে?

জাভেদে
আবহাওয়া34 minutes ago

আগামী ৫ দিন দেশের যেসব অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে

জাভেদে
সারাদেশ38 minutes ago

হবিগঞ্জে বাস-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ৪

জাভেদে
আন্তর্জাতিক56 minutes ago

হরমুজ প্রণালি খুলতে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম ট্রাম্পের

জাভেদে
লাইফস্টাইল1 hour ago

হার্বাল টি একমাস খেলে শরীরে যা ঘটে

জাভেদে
লাইফস্টাইল2 hours ago

ঈদের পরে হজম ভালো রাখতে যা করবেন

জাভেদে
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ইরানের হামলায় লণ্ডভণ্ড ইসরাইলের আরাদ, নিহত ৬