জাতীয়
ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন আজ, পাচ্ছেন ৩৭ হাজার ৫৬৭ নারী
নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রথম ধাপে দেশের ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন নারী ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় ভাতা পাবেন। এ প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের স্বচ্ছতার অভাব না থাকে, সে বিষয়ে জিরো টলারেন্সে সরকার।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে দেশের নারীরা ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে ভাতা পেয়ে যাবেন।
প্রাথমিকভাবে ঢাকার কড়াইল ও ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরসহ দেশের ১৪টি স্থানে এই প্রকল্প চালু হচ্ছে। এর আওতায় নির্বাচিত নারীরা মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন; এ সময় তিনি অন্য কোনো ভাতা বা সুবিধা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য কেউ কোনো সুবিধা পেয়ে থাকলে তা বহাল থাকবে।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রাজধানীর কড়াইল বস্তি, ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি, রাজবাড়ীর পাংশা, চট্টগ্রামের পটিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর, বান্দরবানের লামা, খুলনার খালিশপুর, ভোলার চরফ্যাসন, সুনামগঞ্জের দিরাই, কিশোরগঞ্জের ভৈরব, বগুড়া সদর, নাটোরের লালপুর, ঠাকুরগাঁও সদর এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ জন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালিসামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ও মোবাইল), রেমিট্যান্স প্রবাহসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।
পাইলট পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়। এরপর একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা নেওয়া, সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী হওয়া ইত্যাদি বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭ জন পরিবারের নারীপ্রধানকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় যোগ্য উপকারভোগীরা পাইলটিং পর্যায়ে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে ভাতাপ্রাপ্ত হবেন এবং পরে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এমএন
জাতীয়
স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
স্বল্প আয়ের ও নারীপ্রধান পরিবারগুলোর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই উদ্যোগে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করল বর্তমান সরকার।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই ডিজিটাল কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এ কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার মাসিক ভাতা পাবেন।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, পাইলটিং কর্মসূচির আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।
এর মধ্যে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি বা পেনশনসহ বিভিন্ন কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে ভাতা দেওয়ার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারীপ্রধান পরিবার একটি করে আধুনিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাবে। স্পর্শবিহীন (কন্ট্যাক্টলেস) চিপযুক্ত এ কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি থাকবে। একটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সদস্য সংখ্যা পাঁচজনের বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
প্রতিটি পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। সুবিধাভোগী নারীর পছন্দ অনুযায়ী ভাতা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তথ্য সংগ্রহের সময়ই এসব হিসাবের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
জাতীয়
১০-১৫ বছরে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য: জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
দেশে জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর, সুশৃঙ্খল করা যায় এবং এবং দারিদ্র্যবিমোচনের হাতিয়ার হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা দেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জাকাত ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনার জন্য এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে কার্যকর জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীভাবে দেশের দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব, সে বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ ও আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।
বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হলো, জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত। এতে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের নেতৃত্বে বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি আবদুল মালেক ও আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এবং শীর্ষ স্থানীয় কয়েকজন ইসলামী অর্থনীতিবিদ ও বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কারা থাকবেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে সেই নাম প্রস্তাব করবে ধর্ম মন্ত্রণালয়। জাকাত ব্যবস্থাপনা ও জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের বিষয়ে এই কমিটি শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের সুপারিশ পেশ করবে।
এর আগে শনিবার (৭ মার্চ) আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে এক ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সুষ্ঠু জাকাত ব্যবস্থাপনা আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে দেশের দারিদ্র্যবিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজকের এ বৈঠক হলো বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এমএন
জাতীয়
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূমিকম্প ও অগ্নিনিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত
জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে ভূমিকম্প ও অগ্নিনিরাপত্তা বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তত্ত্বাবধানে এ মহড়া আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আব্দুল লতিফ।
ভূমিকম্প-পরবর্তী দুর্যোগ পরিস্থিতিতে অনুসন্ধান, অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার কার্যক্রমের প্রস্তুতি যাচাই করতে এই মহড়া পরিচালনা করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এতে উঁচু মইয়ের গাড়ির মাধ্যমে বহুতল ভবনে অগ্নিনির্বাপণ, আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার কৌশল, রোপ স্লাইডিং, রোপ র্যাপলিং, রোপ ডিসেন্ডিং এবং এয়ার প্যাকে জাম্পিংয়ের মাধ্যমে আত্মরক্ষার কৌশল প্রদর্শন করা হয়। বিধ্বস্ত ভবনে সার্চ করার মাধ্যমে ভিকটিম লোকেট করা এবং প্রবেশপথ তৈরি করে ভিকটিম উদ্ধার করা, প্রাথমিক শুশ্রূষা প্রদান, গুরুতর আহতদের হাসপাতালে পরিবহন ইত্যাদি এই মহড়ায় প্রদর্শন করা হয়।
ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে মহড়া পরিচালনা করেন জোন কমান্ডার তানহারুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করেন জোন কমান্ডার ফয়সালুর রহমান ও অন্যরা।
বিপুল সংখ্যক ভলান্টিয়ারও এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন। মহড়ায় পর্যবেক্ষক ছিলেন ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অপারেশন) একেএম শামসুজ্জোহা।
মহড়ায় প্রথমবারের মতো ফায়ার সার্ভিসের কমিউনিকেশন ভলান্টিয়ার ইউনিট ভ্রাম্যমাণ কমিউনিকেশন স্থাপন করে এবং পরীক্ষামূলকভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তসহ নেপালের সাথেও যোগাযোগ স্থাপনে সক্ষম হয়।
মহড়া শেষে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির মো. আশরাফ আলম; ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান।
এমএন
জাতীয়
ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগী নির্বাচন নিয়ে যে বার্তা দিলেন অর্থমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনে কোনো দলীয়করণ হয়নি বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনীতিকরণ বা দলীয়করণ করা হয়নি। স্বচ্ছ ও স্বাধীন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
জনগণের ঘরে অর্থনৈতিক সুবিধা পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বহুদিন ধরে বলে আসছি- বাংলাদেশের অর্থনীতির সুফল সব মানুষের ঘরে পৌঁছাতে হবে। কিন্তু বাস্তবে সেটা করা সহজ নয়। দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা মাথায় রেখে বড় কোনো সামাজিক কর্মসূচি হাতে নেয়াও সহজ নয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রথম পর্যায়ে হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে। পরে ধাপে ধাপে দেশের সব নারী প্রধান পরিবারকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকল্পটি বাংলাদেশের বাজেটের একটি বড় অংশের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই প্রকল্প পরিকল্পনার সময় থেকেই আমরা কীভাবে এ ব্যয় সামাল দেয়া যাবে, সে বিষয়েও বিস্তর কাজ করেছি।
এ সময় ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মিলিত হামলার ঘটনায় অর্থনৈতিক সমস্যা মোকাবিলা করতে হচ্ছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধে আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি সেটা মাথায় রেখেই সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। শুধু চীন নয়, যেসব দেশে জ্বালানির সাপ্লাই রয়েছে, সব জায়গায়ই সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে।
এমএন
জাতীয়
দেশ থেকে মব কালচার বিলুপ্ত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশে ‘মব কালচার’ কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে মব সংস্কৃতি বন্ধ করা হবে এবং তা একসময় সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হবে।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে মব কালচারকে আর কখনো এগোতে দেওয়া হবে না। এটি বন্ধ করতে হবে এবং বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত করা হবে।”
সারা দেশে সাম্প্রতিক মব জাস্টিস এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে সংঘবদ্ধ কোনো অপরাধী, চাঁদাবাজ বা অস্ত্রধারীকে আইনের বাইরে থাকতে দেওয়া হবে না। যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান চলছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘সব ঘটনাকে ‘মব’ হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক নয়। তার মতে, অনেক ঘটনা বিচ্ছিন্ন অপরাধ, যেগুলো নির্দিষ্ট অপরাধের সংজ্ঞার মধ্যেই পড়ে। কেউ কাউকে আটক করে নির্যাতন করলে সেটি মব নয়, বরং একটি নির্ধারিত অপরাধ যার আলাদা সংজ্ঞা ও শ্রেণিবিভাগ রয়েছে। তবে সড়কে কোনো ধরনের মব পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
মব সংস্কৃতি যাতে বাংলাদেশে আর বিস্তার লাভ করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজের জন্মস্থান কক্সবাজার সফরে আসেন তিনি।
প্রেস ব্রিফিংকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বেলা ১২টায় শুরু হয় জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা; যা চলে দীর্ঘ ২ ঘণ্টা পর্যন্ত। সভায় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, শাহজাহান চৌধুরী, আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন




