অর্থনীতি
দেশে ভোজ্যতেলের সংকট নেই, দামও বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশে জ্বালানি তেল বা ভোজ্যতেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং বাজারে সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে উৎপাদক ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বৈঠকে অংশ নেওয়া উৎপাদক ও আমদানিকারকরা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন যে দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো সমস্যা নেই।
তবে প্যানিক বায়িংয়ের কারণে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে ভোজ্যতেল শেষ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। এ পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত ভোজ্যতেল না কেনার পরামর্শ দেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোজ্যতেলের দাম এক টাকাও বাড়বে না এবং বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
বাজারে নজরদারি জোরদার করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এমএন
অর্থনীতি
আকুর বিল পরিশোধের পর ৩৪ বিলিয়নে নামলো রিজার্ভ
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
রোববার (৮ মার্চ) ১৩৭ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করার পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মূলত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানি লেনদেন বাবদ গৃহীত পণ্যের অর্থ পরিশোধে এই বিল দেওয়া হয়। আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। এরপর সর্বশেষ ৫ মার্চ দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ হয়েছে ৩০ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার।
আজ আকুর বিল পরিশোধের পর গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম–৬ হিসেবে ২৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।
এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সবসময় প্রকাশ করা হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ ২৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে।
প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করে এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৫ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।
আকু কী?
আকু হলো একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে আকুর সদর দপ্তর। এ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে। তবে এখন আকুর সদস্য পদ নেই শ্রীলঙ্কার। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে আমদানি ব্যয় পরিশোধের বিভিন্ন শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় দেশটির আকু সদস্য পদ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে।
জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনীতি ও সামাজিক কমিশনের (এসক্যাপ) ভৌগোলিক সীমারেখায় অবস্থিত সব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য আকুর সদস্য পদ উন্মুক্ত।
এমএন
অর্থনীতি
রুপার বাজারেও টানা পতন, ২ দফায় কত কমলো দাম?
দেশের বাজারে সবশেষ ৫ দফা সমন্বয়ের মধ্যে ৩ বারই বেড়েছে রুপার দাম। তবে সবশেষ টানা ২ দফায় কমানো হয়েছে মোট ৮১৬ টাকা।
সবশেষ সোমবার (৯ মার্চ) সকালে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে টানা ২য় দফা রুপার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১৭৫ টাকা কমিয়েছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম সোমবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের রুপার দাম পড়ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে সবশেষ গত ৪ মার্চ সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৬ হাজার ৫৩২ টাকা।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ২৩ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৯ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
এদিকে, ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২৪ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১৪ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
এমএন
অর্থনীতি
স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন, ভরিতে কমলো কত?
দেশের বাজারে আরেক দফা স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এমএন
অর্থনীতি
ফেব্রুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯.১৩ শতাংশ, খাদ্যে অস্বস্তি আরও বেড়েছে
দেশে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে। একই সময়ে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ব্যয়চাপ আরও বাড়িয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর আগের মাস জানুয়ারিতে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতেও। ফেব্রুয়ারি মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১ দশমিক ০১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে। জানুয়ারি মাসে যেটি ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।
এদিকে জানুয়ারি মাসে সার্বিক খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ থাকলেও ফেব্রুয়ারি মাসে সেটি বেড়ে ৯ দশমিক ০১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।বেড়েছে শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ।
এছাড়া ফেব্রুয়ারি মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২১ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ।
ফেব্রুয়ারিতে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৭ শতাংশে। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
এমএন
অর্থনীতি
দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম, কত দামে বিক্রি হচ্ছে আজ
দেশের বাজারে বড় ব্যবধানে কমেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)-এর সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রোববার (৮ মার্চ) থেকে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই দুই ধাতু।
গত বুধবার (৪ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৯ হাজার ২১৪ টাকা এবং রুপার দাম কমানো হয়েছে ৬৪১ টাকা। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে বুধবার সকাল ১০টা থেকে।
বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকায়।
এর আগে গত মঙ্গলবার (৩ মার্চ) স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। তখন ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার ৪২৮ টাকা। সে সময় ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ছিল ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৭৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৮১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪৯ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৩ বার কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৫৩২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৬ হাজার ২৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৪ হাজার ২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ২২ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ বার দাম বেড়েছে এবং ৮ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।
এমএন




