জাতীয়
সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বিধান আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার সাংবিধানিক বিধান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নয়, বরং একটি প্রতিষ্ঠান।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনকে সামনে রেখে দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি ব্যক্তি হিসেবে নয়, একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবেই এই দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমরা সংসদকে স্মরণীয় করে রাখতে চাই। এই সংসদের কাছে জাতির প্রত্যাশা অনেক। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের যে প্রত্যাশা রয়েছে, তা পূরণ করতে হলে জাতীয় সংসদকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।”
এ সময় তিনি বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে ডেপুটি স্পিকারের প্রস্তাব দেওয়ার কোনো বিধান নেই। তারপরও সরকার উদারতা দেখিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা উদারতা দেখিয়েছি। আশা করি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিষয়টি উদারভাবে গ্রহণ করবে।”
জাতীয়
ডিএমপির এডিসি পদমর্যাদার ৭ কর্মকর্তাকে বদলি
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাতজন অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে (এডিসি) বদলি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়েছে।
আদেশে আরও বলা হয়, এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বদলিকৃত কর্মকর্তাদের মধ্যে ডিএমপি সদর দফতর ও প্রশাসন বিভাগের এডিসি ফারজানা ইয়াছমিনকে মেট্রো ইন্টেলিজেন্স বিভাগে এবং ডিবি সাইবার সাপোর্ট সেন্টারের তানজিলা শারমিনকে সদর দফতর ও প্রশাসন বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনারের স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্স মহসীন আল মুরাদকে খিলগাঁও জোনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং কমিশনারের স্টাফ অফিসার জুয়েল ইমরানকে বাড্ডা জোনে বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মাঠ পর্যায় থেকে সদর দফতরে আনা হয়েছে দুই কর্মকর্তাকে। খিলগাঁও জোনের মো. ফয়েজ ইকবালকে ডিএমপি কমিশনারের স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্স এবং ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড স্পোর্টস বিভাগের মো. মাসুদ রানাকে ডিএমপি কমিশনারের স্টাফ অফিসার হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাড্ডা জোনের মো. সারোয়ার হোসাইনকে ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড স্পোর্টস বিভাগে বদলি করা হয়েছে। ডিএমপির অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করতে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই রদবদল করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাতীয়
হাজারো প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরেছে: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, হাজারো মানুষের আত্মত্যাগ ও প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের ধারায় ফিরেছে। শহীদের সেই আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আরও সমৃদ্ধ হতে হবে এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করতে হবে। গড়ে তুলতে হবে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘জাতীয় পাট দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চাষীদের পাট চাষের আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনারা উন্নত প্রযুক্তির উচ্চ ফলনশীল চাষ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নিত্য নতুন আধুনিক মানসম্মত ও ব্যবহার উপযোগী স্বাস্থ্য পণ্য উদ্ভাবনে এগিয়ে আসুন। অল্পমূল্যে পাটের ব্যাগ তৈরি ও বিপণন করুন। সৃজনশীল তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান থাকবে, স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে মেড ইন বাংলাদেশ ব্যান্ডিং ও বৈশ্বিক ইকমার্স প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে নতুন উন্মোচন করুন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পাট বাংলাদেশের সমাজ, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও গৌরবের অংশ। অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি এই পাট। পাট একাধারে পণ্য, আবার শিল্পজাত ও রপ্তানি পণ্য। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ এবং পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যাপক ক্ষতিকর প্রভাবের প্রেক্ষাপটে বাস্তবতায় পরিবেশবান্ধব পণ্য হিসাবে পাটের গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে। বিশ্ব এখন টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পণ্যের দিকে ঝুঁকছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় পাট ও পাটজাত পণ্য বাংলাদেশের সামনে এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত করে দিয়েছে। এই সুবর্ণ সুযোগকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির সার্বিক সংস্কার ও অঞ্চলভিত্তিক অর্থনীতির ত্রাণ সঞ্চার এবং শিল্প বাণিজ্যের দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হবে। বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে রুগ্ন বন্ধ পাটকলসহ বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে নতুন কর্মসংস্থান তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সরকার ইতিমধ্যে পাট খাতে প্রযুক্তি সমৃদ্ধ ও আধুনিকীকরণ গবেষণা সম্প্রসারণ, উচ্চ ফলনশীল জাতের পাট উদ্ভাবন, পাটের ব্যবহারে নানান গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান কৃষি এবং কৃষকবান্ধব সরকার আগামী পয়লা বৈশাখ অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু করবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, সাশ্রয়ী মূল্যে কৃষিযন্ত্র ব্যবহারের সুযোগ, সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমার সুবিধা, ন্যায্য মূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ, কৃষি প্রশিক্ষণ ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার সংক্রান্ত তথ্যসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট তথ্য পেতে সক্ষম হবেন। সরকারের এসব উদ্যোগের ফলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশের পাট পণ্যও বাড়তি প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে। এটি কার্যকরভাবে মোকাবেলা করার লক্ষ্যে দেশের সকল পাটকলের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, কাঁচাপাটের চাহিদা ও যোগান এবং রপ্তানি বাজারের চ্যালেঞ্জ সমূহ অন্তর্ভুক্ত করে আধুনিক কর্মসূচি ও একটি সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা খুবই প্রয়োজন। বিশ্ব বাজারে কাঁচাপাট কিংবা পাটজাত পণ্যের চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখে সরকার পাট রপ্তানি বাড়ানোর জন্য সম্ভাব্য সকল উদ্যোগ গ্রহণ করবে। মূল্য সংযোজিত পাট পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি সম্প্রসারণে সরকার অবশ্যই গুরুত্ব দেবে। আমার বিশ্বাস এজন্য একটি লক্ষ্যভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে ফল পাওয়া যাবে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পলিথিন ব্যাগ পরিহার করুন। সাশ্রয়ী মূল্যের পাটের ব্যাগ ও পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহার করুন। আমাদের বিশ্বাস বর্তমান জনবান্ধব সরকারের হাত ধরে পাটখাতে সোনালী দিন ফিরে আসবে। সৃষ্টি হবে নতুন নতুন কর্মসংস্থান।
এমএন
জাতীয়
ফেব্রুয়ারিতে সড়কে ঝরল ৪৪৭ প্রাণ
দেশে সড়ক দুর্ঘটনা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশে ৪৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৪৭ জন নিহত এবং ১ হাজার ১৮১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথ ও নৌপথসহ সর্বমোট ৪৮৮টি দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭৭ জনে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির ‘দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল’ জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে সড়কপথে দুর্ঘটনার পাশাপাশি রেলপথে ৩৪টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া নৌপথে ৬টি দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হয়েছেন।
মাসের সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৫১টি ছিল মোটরসাইকেল কেন্দ্রিক। এতে ১৬৭ জন নিহত ও ১৩৭ জন আহত হয়েছেন, যা মোট দুর্ঘটনার ৩৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে ১১৩টি দুর্ঘটনায় ১১৫ জন নিহত ও ৩৮৭ জন আহত হয়েছেন। বিপরীতে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে বরিশাল বিভাগে, সেখানে ২২টি দুর্ঘটনায় ১৯ জন নিহত ও ৮৫ জন আহত হয়েছেন।
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ জন পুলিশ সদস্য, ৩ জন সেনা সদস্য, ১ জন ফায়ার সার্ভিস সদস্য, ২ জন আনসার সদস্য, ২ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ৮৫ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭২ জন পথচারী, ৪৩ জন নারী, ৪১ জন শিশু, ৪৭ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন পরিবহন শ্রমিক, ৪ জন শিক্ষক এবং ৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী রয়েছেন। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পরিচয় মিলেছে।
ফেব্রুয়ারি মাসে সড়ক দুর্ঘটনার উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে যাত্রী কল্যাণ সমিতি সড়ক পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় অনভিজ্ঞতা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং নীতি ও কৌশলগত দুর্বলতাকে চিহ্নিত করেছে। একই সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের অবাধ চলাচল, মহাসড়কে রোড সাইন বা বাতির অভাব, ট্রাফিক আইন অমান্য করা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোকে দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংগঠনটি উন্নত বিশ্বের আদলে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ, দক্ষ চালক তৈরির প্রশিক্ষণ, মহাসড়কে সার্ভিস লেন ও ফুটপাত নিশ্চিত করা, সিসি ক্যামেরা পদ্ধতিতে ট্রাফিক ব্যবস্থা পরিচালনা এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ টাস্কফোর্স গঠনের সুপারিশ করেছে। এছাড়া গণপরিবহনের আধুনিকায়ন এবং নিয়মিত রোড সেফটি অডিটের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে সংগঠনটি।
এমএন
জাতীয়
এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
আগামী ১২ মার্চ শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনকে সামনে রেখে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য দুদিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বিএনপি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত আছেন- সাবেক আমলা, অ্যাকাডেমিশিয়ান ও সাবেক সংসদ সদস্যরা। এতে সংসদীয় কার্যক্রম, বিল-বাজেট, স্থায়ী কমিটির কাজসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দেওয়া হচ্ছে।
দুদিনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এমপিদের দায়িত্ব, মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংসদীয় রেওয়াজ ও মন্ত্রণালয় পরিচালনায় দক্ষ করে তুলতে কৌশলগত ভূমিকা কেমন হবে, তা তুলে ধরা হবে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করেই মূলত নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের জন্য এই নিবিড় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে ২০৯ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়ন, নীতিমালার কার্যকর প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তদারকিতে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে এ কর্মশালায়।
এ ছাড়া মন্ত্রীদের দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কৌশল নিয়েও আলোচনা হবে।
এমএন
জাতীয়
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর সামরিক উত্তেজনার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে দুই নেতার মধ্যে এই একান্ত ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সালেহ শিবলী জানান, আলাপকালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) দেশগুলোর প্রতি গভীর সংহতি প্রকাশ করেন। জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করার জন্য এবং তার আন্তরিক উদ্বেগের জন্য ধন্যবাদ জানান।
প্রেস সচিব আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশেষ যত্ন নেওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট ও সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
সালেহ শিবলী আরও জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রিম আল হাশিমি এবং ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তারেক রহমান।
প্রেস সচিব বলেন, ফোনালাপ চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ইউএই প্রেসিডেন্ট এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে আসার বিষয়ে সম্মতি প্রকাশ করেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট এই ফোনালাপের জন্য এবং তার দেশের পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বলেন, আঞ্চলিক সংঘাত যেন আরও ছড়িয়ে না পড়ে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার ওপর এর মারাত্মক প্রভাব মোকাবিলায় অবিলম্বে সামরিক উত্তেজনা প্রশমনের ওপর উভয় পক্ষই গুরুত্বারোপ করেছেন।
শিবলী আরও জানান, বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিরসন এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজতে সংলাপ ও কূটনৈতিক পন্থার গুরুত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন দুই নেতা।
সূত্র : বাসস।




