আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের ড্রোনবাহী জাহাজে আগুন
মার্কিন বাহিনীর হামলায় ইরানের নৌবাহিনীর একটি ড্রোনবাহী যুদ্ধজাহাজে আগুন ধরে যাওয়া-সহ গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দীয় কমান্ড (সেন্টকোম)-এর মুখপাত্র অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগযোগামাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় অ্যাডমিরাল কুপার বলেন, “ইরানের পুরো নৌবাহিনীকে ডুবিয়ে দেওয়া আমাদের মিশন এবং এই মিশন থেকে আমরা পিছপা হবো না। আজ আমরা ইরানি নৌবাহিনীর একটি ড্রোনবাহী জাহাজ ধ্বংস করেছি। এই ড্রোন ক্যারিয়ারটির আকার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়কার বিমানবাহী জাহাজগুলোর মতো। আমাদের হামলার পর ইরানি জাহাজটিতে আগুন ধরে গেছে।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল। এক্সবার্তায় অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার দাবি করেছেন, এ পর্যন্ত ইরানের ৩০টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।
সূত্র : সিএনএন
এমএন
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালি থেকে ২ বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করল ইরান
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করেছে ইরান। বুধবার এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
জব্দ হওয়া জাহাজ দুটির একটি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এপামিনোন্দাস এবং অন্যটি পানামার পতাকাবাহী এমএসসি ফ্রান্সেস্কা।
এপামিনোন্দোস জব্দের তথ্য স্বীকার করেছে গ্রিসভিত্তিক সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ সংস্থা টেকনোমার শিপিং। এপামিনোন্দাস জাহাজটি ওমান উপকূল থেকে প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পশ্চিমে অবস্থানকালে ইরানি নৌবাহিনীর গুলির মুখে পড়ে। তবে এতে জাহাজটির বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি এবং কোনো হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি।
মধ্য আমেরিকার দেশ পানামার এমএসসি বিশ্বের বৃহত্তম মালবাহী বা কন্টেইনার জাহাজ পরিষেবা কোম্পানি। ফ্রান্সেস্কা এই কোম্পানিরই জাহাজ। তবে ইরানের নৌবাহিনীর হাতে নিজেদের জাহাজ জব্দের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি এমএসসি।
এক বিবৃতিতে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, জাহাজ দু’টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিচ্ছিল, এ কারণে জব্দ করা হয়েছে এগুলোকে।
১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগরের সঙ্গে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরকে যুক্ত করেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য এই জলপথ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের মোট সরবরাহের এক প্রায় চতুর্থাংশ পণ্য এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।
গত ২৮ তারিখ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় ইরান। বর্তমানে এই প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করছে আইআরজিসি। হরমুজ বন্ধ করার পর ইরানের সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে যদি কোনো জাহাজ হরমুজ পেরোতে চায়, তাহলে অবশ্যই সেই জাহাজের ক্যাপ্টেনকে আইআরজিসির অনুমতি নিতে হবে।
সূত্র : রয়টার্স
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধ : প্রায় ২ মাস পর আকাশসীমা খুললো কুয়েত
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছিল কুয়েত। প্রায় দু’মাস পর গতকাল বৃহস্পতিবার আকাশীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উপাসাগরীয় অঞ্চলের এই তেলসমৃদ্ধ দেশটি।
কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা কুনা’র বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের সরকারি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি। কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সংস্থার মহাপরিচালক হামৌদ মুবারক দেশের আকাশসীমা খুলে দেওয়ার প্রসঙ্গে বলেন, “আঞ্চলিক পরিস্থিতিগত কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমরা কুয়েতের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করেছিলাম। আজ তা আবার খুলে দেওয়া হলো। শিগগিরই বিমানবন্দর তার পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রমে ফিরে যাবে। আমাদের আজকের এই পদক্ষেপটি হলো সেই পর্যায়ে যাওয়ার সুচিন্তিত এবং প্রথম পদক্ষেপ।”
ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি গত দু’যুগ ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছে পশ্চিমা বিশ্বের। এ দুই ইস্যুতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অভিযানের প্রথম দিনই নিহত হন খামেনিসহ ইরানের সামরিক ও সরকারি প্রশাসনের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা।
সমানতালে হামলার পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। যুদ্ধের শুরু থেকেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান।
গত ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রর ও ইরানের মধ্যে। তার আগ পর্যন্ত কুয়েতের বিমানবন্দরে কয়েক বার ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত এসেছে।
কুনা নিউজ এজেন্সিকে মুবারক জানান, ইরানের হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দরের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ সেসব লোকসান যাচাই এবং নথিবদ্ধ করার কাজ সম্পূর্ণ করেছে।
বিমানবন্দর বন্ধ থাকার সময় কুয়েতের বিমানগুলো নিজেদের বিমানবন্দরে রাখার অনুমতি দিয়েছিল সৌদি। এজন্য রিয়াদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন হামৌদ মুবারক।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
আন্তর্জাতিক
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র
হরমুজ প্রণালিতে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ভারত মহাসাগরে অভিযান চালিয়ে ইরান থেকে তেল পরিবহনকারী একটি নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্ত জাহাজ জব্দ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘মার্কিন বাহিনী ভারত মহাসাগরে ইরান থেকে তেল পরিবহনকারী নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রহীন জাহাজ (যার কোনো স্বীকৃত জাতীয়তা নেই) এম/টি ম্যাজেস্টিকে তল্লাশি ও নিয়ন্ত্রণ অভিযান চালানো হয়।’
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ জানিয়েছে, ‘ইরানকে বস্তুগত সহায়তা দিচ্ছে’ এমন সন্দেহভাজন জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী অভিযান অব্যাহত রাখবে।
হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ শুরু করার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ডজনখানেক জাহাজ আটক করেছে। তবে এসব জাহাজ ইরানের কাছাকাছি নয়, বরং ভারত মহাসাগরের আরও দূরবর্তী এলাকায় আটক হচ্ছে।
গত ২১ এপ্রিল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ‘এম/টি টিফানি’ নামক একটি জাহাজ জব্দ করার দুই দিন পর নতুন করে আরেকটি জাহাজ জব্দের খবর জানাল মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর।
ওই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর জানায়, ‘আমরা এটি স্পষ্ট করে দিয়েছি যে, ইরানের জন্য বস্তুগত সহায়তা প্রদানকারী এবং অবৈধ নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত যেকোনো নিষিদ্ধ জাহাজ যেখানেই থাকুক না কেন, তা রুখে দিতে আমরা আমাদের বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক আইন প্রয়োগকারী কার্যক্রম অব্যাহত রাখব।’
এমএন
আন্তর্জাতিক
শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাইবার হামলা, চুরি ২৫ লাখ ডলার
শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার সিস্টেমে বড় ধরনের সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। হ্যাকাররা প্রায় ২৫ লাখ মার্কিন ডলার (২.৫ মিলিয়ন) চুরি করেছে। দেশটির কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে এটিই সবচেয়ে বড় অর্থ জালিয়াতির ঘটনা বলে জানিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার রাজধানী কলম্বোতে এক ব্রিফিংয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব হর্ষনা সুরিয়াপ্পেরুমা জানান, এই অর্থ অস্ট্রেলিয়াকে ঋণ পরিশোধের জন্য পাঠানোর কথা ছিল। এএফপির বরাতে জিওটিভি নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
তদন্তে জানা গেছে, মন্ত্রণালয়ের ই-মেইল সার্ভারে অনুপ্রবেশের চেষ্টা শনাক্ত হওয়ার পর বিষয়টি সামনে আসে। পরে দেখা যায়, নির্ধারিত অর্থ গায়েব হয়ে গেছে।
ঘটনার পর পাবলিক ঋণ ম্যানেজমেন্ট অফিসের চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে এবং বিদেশি সংস্থার সহায়তাও চাওয়া হয়েছে।
শ্রীলঙ্কা বর্তমানে বড় অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ২০২২ সালে প্রায় ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ খেলাপি হওয়ার পর দেশটি মারাত্মক সংকটে পড়ে। এরপর আন্তর্জাতিক সহায়তায় পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
এদিকে ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া এ ঘটনার বিষয়ে অবগত এবং তদন্তে শ্রীলঙ্কাকে সহযোগিতা করছে।
আন্তর্জাতিক
পারস্য উপসাগরে ইন্টারনেট কেবলে ইরানের ‘হামলার ইঙ্গিত’
পারস্য উপসাগরের তলদেশে থাকা ইন্টারনেট কেবল ও ক্লাউড অবকাঠামোকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে, বিশ্লেষকেরা এটি সম্ভাব্য ‘গোপন হুমকি’ হিসেবে দেখছেন।
বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, হরমুজ প্রণালি শুধু জ্বালানি পরিবহনের পথ নয়, এটি সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবলের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডোর। এই পথ দিয়েই সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবের প্রধান ইন্টারনেট সংযোগগুলো পরিচালিত হয়।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পারস্য উপসাগরের দক্ষিণের দেশগুলো ইন্টারনেট ব্যবস্থার জন্য সমুদ্রের নিচের কেবলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল, যা তাদেরকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল প্রযুক্তিগত তথ্য প্রকাশ নয়; বরং কৌশলগত বার্তা। এতে সাবমেরিন কেবল, ল্যান্ডিং স্টেশন ও ডেটা সেন্টারগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে আমিরাত ও বাহরাইনে অবস্থিত ক্লাউড অবকাঠামোর দিকে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, এসব স্থাপনায় কোনো হামলা হলে তা অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনা তীব্র। এরইমধ্যে ডিজিটাল অবকাঠামোর ওপর হামলার ঘটনাও সামনে এসেছে।
কিছু সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আমিরাত ও বাহরাইনে আমাজন ওয়েব সার্ভিসের স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলা হয়েছে। এতে বাণিজ্যিক ক্লাউড অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, জ্বালানি স্থাপনা বা সমুদ্রপথের পাশাপাশি এখন সাবমেরিন ইন্টারনেট কেবল ও ডেটা সেন্টারও এই সংঘাতের নতুন ঝুঁকির ক্ষেত্র হয়ে উঠছে। তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল ও টাইমস অব ইসরায়েল।
এমএন



