পুঁজিবাজার
সূচকের উত্থানে লেনদেন ৭৯০ কোটি টাকা
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২৮৮টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান বেড়ে ৭৯০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ৮৭ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ৩৯৯ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ১৯ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ১০৯৬ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ২৭ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ২০৫৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৭৯০ কোটি ১৫ লাখ ১৩ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ৬৪৬ কোটি ১৬ লাখ ৯৩ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৮৮টি কোম্পানির, বিপরীতে ৬৭ কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন
অর্থনীতি
ভোটের ছুটিতে টানা ৪ দিন বন্ধ ব্যাংক ও পুঁজিবাজার
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে টানা চার দিনের ছুটি থাকবে দেশের সকল ব্যাংক খাত ও পুঁজিবাজার। আগামীকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে আগামী শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশের সকল ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং শেয়ারবাজারের লেনদেন বন্ধ থাকবে।
সূত্র মতে, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)। এ উপলক্ষে বুধবার ও বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এ দুই দিন পুঁজিবাজারেও লেনদেন বন্ধ থাকবে।
এর পর শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি থাকায় পুঁজিবাজারে টানা চার দিন, অর্থাৎ বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত কোনো লেনদেন হবে না।
সূত্র জানায়, ছুটি শেষে আগামী রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে আগের নিয়মে ডিএসই ও সিএসইতে লেনদেন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।
এমএন
পুঁজিবাজার
একীভূত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন ক্ষতিপূরণ: অর্থ উপদেষ্টা
একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এই প্রক্রিয়া জটিল এবং হিসাব–নিকাশ করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই আশ্বাস দেন।
পাঁচ ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার সময় আপনি বলেছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা ক্ষতিপূরণ পাবেন। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমি বলেছি। এখন আমরা এটা কনসিডার করব। গভর্নর সাহেব তার মত করে বলেছেন। তবে আমরা বলেছি অবশ্যই যারা ডিপোজিটর, যাদের টাকা আছে সবাই পাবেন। ৪২ হাজার কোটি টাকা কেন দেওয়া হল? দ্বিতীয় বিষয়টি হলো শেয়ারহোল্ডার।
তিনি বলেন, শেয়ারহোল্ডারদের বিষয় হলো টেকনিক্যাল। ব্যাংকগুলোর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নেট অ্যাসেট ভ্যালু নেগেটিভ হয়ে যাওয়ায় শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া একটি কারিগরি ও জটিল বিষয়। টেকনিক্যালরা বলে ওরা শেয়ার কিনেছে, ওরা তো ওনার, আপনি দেবেন কেন? তবু আমি বলেছি না, ওরা (শেয়ারহোল্ডাররা) হয় তো বাজারের সিগন্যাল দেখে শেয়ার কিনেছেন। আমি বলেছি দেখা যাক কতটুকু কি করা যায়।
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, কিভাবে (ক্ষতিপূরণ) দেবো সেটা নিয়ে কাজ হচ্ছে। অবশ্যই পরবর্তী অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন। ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা যখন নেতিবাচক হয়ে যায়, তখন পুরো দায় একতরফাভাবে শেয়ারহোল্ডারদের ওপর চাপিয়ে দেওয়াও যৌক্তিক নয়।
সেক্ষেত্রে কি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন? এমন প্রশ্ন করলে সালেহউদ্দিন বলেন, কিভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে তার মডেল তৈরি করতে একটু সময় লাগবে। ধরেন কেউ বহু টাকার শেয়ার কিনেছেন, তাকে আংশিকভাবে শেয়ার দেওয়া হতে পারে বা বাকিটুকু হয় তো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতে পারে। ওটা একটু হিসাব করতে হবে। কারণ বার্ডেনটা (বোঝা) তো পুরোটা শেয়ারহোল্ডাররা নিতে পারেন না।
ব্যাংক খাত সংস্কারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু এককালীন সিদ্ধান্তে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। ব্যাংকিং খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে ধারাবাহিক সংস্কার, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি।
অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, শেয়ারবাজার ও বন্ড মার্কেটকে শক্তিশালী না করলে ব্যবসা-বাণিজ্য দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকনির্ভরই থেকে যাবে। ইকুইটি পার্টিসিপেশন ও বন্ড মার্কেট ছাড়া টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চলমান উদ্যোগগুলো পরবর্তী সরকার ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিলে ব্যাংক খাতসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরবে।
এমএন
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি ৭৭ লাখ ০৪ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিগুলোর মোট ২৮ লাখ ৯৮ হাজার ১৪৮ টি শেয়ার ৯০ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২৩ কোটি ৭৭ লাখ ০৪ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে অ্যাপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেডের ৮ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে ফাইন ফুডসের ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৫২ হাজার টাকার এবং তৃতীয় স্থানে এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের ৩ কোটি ৮৫ লাখ ২৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে কেয়া কসমেটিকমস
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) কেয়া কসমেটিকস লিমিটেডের শেয়ার দর দশমিক ৩ পয়সা বা ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ন্যাশনাল ফীড মিল লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা আইসিবি এএমসিএল ফার্স্ট অগ্রণী ব্যাংক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ারদর ০ দশমিক ০০ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- উত্তরা ফাইন্যান্স, ডিবিএইচ ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইসলামী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, আইসিবি এএমসিএল থার্ড এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড এবং এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্সুরেন্স পিএলসি।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধির শীর্ষে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯২ কোম্পানির মধ্যে ২৮৮ টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ডিএসইতে সর্বোচ্চ আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ টাকা ৬ পয়সা বা ১০ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধির তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, দি প্রিমিয়ার ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, এবি ব্যাংক, আইএফআইসি ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং ড্যাফোডিল কম্পিউটারস পিএলসি।
এমএন



