সারাদেশ
ভোটের টানে বাড়ি ফেরার হিড়িক, বাড়তি ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যখন উৎসবের আমেজ, ঠিক তখনই অতিরিক্ত বাস ভাড়ার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে সাভারের আশুলিয়া। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলে সকালে নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ পোশাক শ্রমিক ও ঘরমুখো যাত্রীরা। এতে সকাল থেকেই গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়, ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় যাত্রীরা সড়কে অবস্থান নেন। সকাল ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত অবরোধ চলছিল বলে জানা গেছে।
অবরোধকারীরা জানান, সোমবার পোশাক কারখানাগুলোর শেষ কর্মদিবস ছিল। কর্মস্থলে ছুটি শুরু হওয়ায় বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও ভোটার নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেন। এই সুযোগে বাসের চালক ও হেলপাররা নির্ধারিত ভাড়ার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি টাকা আদায় করছেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ এবং ন্যায্য ভাড়া নিশ্চিতের দাবিতে তারা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
মুখলেস নামের এক যাত্রী বলেন, ১৭ বছর পর নির্বাচনে ভোটের আমেজ। আমি ভোট দিতে গ্রামের বাড়ি জামালপুরে যাচ্ছি। যেখানে ৩০০ টাকা ভাড়া, সেখানে এখন ১ হাজার টাকা চাচ্ছে। অবিলম্বে ন্যায্য ভাড়া কার্যকরের দাবি জানাই, যাতে সরকার এদিকে নজর দেন।
পোশাক শ্রমিক আবুল কালাম সোহাগ বলেন, পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ার পর শ্রমিকরা ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি ফিরছেন। কিন্তু ডাবল ভাড়া চাচ্ছে বাসের চালক হেলপাররা। আমি রাজশাহী যাবো আগে ৫০০ টাকা ভাড়া ছিল কিন্তু আজ ১ হাজার টাকার বেশি ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। কিন্তু পোশাক শ্রমিকরা অতিরিক্ত ভাড়ার টাকা কোথায় পাবে। এতে ভোটারদের গ্রামের বাড়িতে ফিরতে ব্যাহত হতে পারে।
এ বিষয়ে সাভার হাইওয়ে থানার ইনচার্জ শেখ শাহজাহান বলেন, সড়কে অতিরিক্ত যাত্রী। যাত্রীর চাপ বেশি থাকায় সড়কে অবস্থান নিয়েছে। তবে অবরোধের বিষয়টি জানা নেই।
অবরোধের ফলে নবীনগর–চন্দ্রা মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। যাত্রীদের অভিযোগ, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বাড়ি ফেরা ও ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানো আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।
এমএন
সারাদেশ
ভোট দিতে ঈদের ছুটির মতোই গ্রামে ছুটছে মানুষ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার এই দৃশ্য মনে করিয়ে দিচ্ছে ঈদের চিরচেনা আমেজকে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী বাস টার্মিনাল এবং কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
আগামীকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) শেষ কর্মদিবস কিন্তু তার আগেই লোকজন পরিবার নিয়ে রওনা দিয়েছে। বাস টার্মিনালগুলোতে দেখা যাচ্ছে ঈদের সেই চিরচেনা দৃশ্য। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানান, আগামীকাল থেকে ভিড় আরও বাড়বে। বাসের আগাম টিকিটও প্রায় শেষ।
মঙ্গলবার ভোর থেকেই কমলাপুর স্টেশনে দেখা যায় যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। ট্রেন ধরতে আসা মানুষজনের চোখেমুখে আনন্দ ও প্রত্যাশার ছাপ লক্ষ্য করা যায়। বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হই-হুল্লোড় করে বাড়ি ফিরছেন তারা।
বাসের টিকিট না পাওয়ায় অধিকাংশ যাত্রী ট্রেন যাত্রা বেছে নিয়েছে। তবে ট্রেনে আসন সংকট থাকায় অনেক যাত্রী দাঁড়িয়ে কিংবা ছাদে উঠে গন্তব্যে রওয়ানা হচ্ছে। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রেলওয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, যাত্রীদের ছাদে উঠতে নিষেধ করছি। কিন্তু অতিরিক্ত চাপের কারণে সবাইকে নামানো সম্ভব হচ্ছে না। অনেকেই ভোটের কথা বলে ঝুঁকি নিয়েই যাত্রা করছে। মানবিক দিক বিবেচনায় আমাদেরও কিছুটা ছাড় দিতে হচ্ছে।
ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জে ভোট দিতে যাচ্ছেন আনজুম দম্পতি। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর এমন উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হচ্ছে, তাই গ্রামে যাচ্ছি। এবার প্রথমবার ভোট দেবো, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। কমলাপুরে এসে দেখি আমার মতো শত শত মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছে, ঈদের মতো লাগছে।
কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন বন্ধুরাসহ জাহিন নামে এক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, আমি এবারই ভোটার হয়েছি। এবারের নির্বাচন শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। আমরা সবাই প্রথমবার ভোট দিতে যাচ্ছি। তরুণ প্রজন্মের জন্য এটা বড় সুযোগ।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, নির্বাচন উপলক্ষে যাত্রীদের চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়েছে। অতিরিক্ত কোচ সংযোজন ও বিশেষ ব্যবস্থার চেষ্টা করা হলেও ভিড় সামাল দিতে বেগ পেতে হচ্ছে।
সব মিলিয়ে ভোটের টানে গ্রামে ছুটে চলছে সারাধাণ মানুষ। মানুষের ঢলে রাজধানীতে তৈরি করেছে এক ভিন্ন আবহ। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও ভোটাধিকার প্রয়োগের আগ্রহ ও উৎসাহে মুখর হয়ে উঠেছে কমলাপুরসহ দেশের বিভিন্ন টার্মিনাল।
সারাদেশ
যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৫০০ রোহিঙ্গা আটক
সেনাবাহিনী নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর অভিযানে কক্সবাজারের উখিয়ায় শরণার্থী ক্যাম্পের বাইরে বসবাস করা অন্তত ১৫০০ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত থাকায় আটকের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালীসহ আশেপাশের এলাকায় এই অভিযান শুরু হয় বলে জানিয়েছেন যৌথবাহিনীর এক কর্মকর্তা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গাদের অপব্যবহার করা হতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকেই এই অভিযান পরিচালনার কথা জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য ক্যাম্পে জায়গা নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। কিন্তু তারপরও তারা নিয়ম ভেঙ্গে বাঙালিদের জমি দখল করে অবস্থান করছে। যা স্থানীয়দের নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ।
বর্তমানে আটককৃতদের একটি নির্দিষ্ট স্থানে জমায়েত করা হচ্ছে। পরে তাদেরকে স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হবে এবং ক্যাম্পে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, তাদেরকে আমরা এখনই ক্যাম্পে পাঠাব না। আগে সবাইকে আটক করা হবে। তারপর অনুসন্ধান করা হবে যে তারা কেন ক্যাম্পে নিজেদের নির্ধারিত জায়গা থেকে বেরিয়ে এসেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদেরকে ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখার পর স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তাদেরকে ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে ক্যাম্পের বাইরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।
এর আগে, বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারিতে বার্মা কলোনিসহ আশেপাশের এলাকা থেকে কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে পাঁচ শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে ক্যাম্পে ফেরত পাঠায় যৌথ বাহিনী।
এমএন
সারাদেশ
দিনাজপুর কারাগারে সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু
সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী এবং ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন দিনাজপুর জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ২৯ মিনিটে অসুস্থ অবস্থায় তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে তিনি সকালে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে কারাগার থেকে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে নেওয়া হয়।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট ঠাকুরগাঁও থানা পুলিশ তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠায়।
সেখান থেকে ১৭ আগস্ট তাকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি হত্যাসহ ৩টি মামলায় কারাগারে ছিলেন। আজ শনিবার সকালে অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতাল নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দিনাজপুর জেলা কারাগারের জেলার মো. ফরহাদ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
রমেশ চন্দ্র সেন ১৯৪০ সালের ৩০ এপ্রিল ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের কশালগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ক্ষিতীন্দ্র মোহন সেন এবং মাতার নাম বালাশ্বরী সেন। তিনি রংপুর কারমাইকেল কলেজে পড়ালেখা করেন। পাঁচবারের এমপি ছিলেন তিনি।
সর্বশেষ ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন।
এমএন
সারাদেশ
বন্দরের ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদের তদন্তে দুদককে চিঠি
চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ কর্মচারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্তদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির আবেদনের এবং তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) অনুরোধ জানানো হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং দুদকের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
অভিযুক্ত ১৫ কর্মচারী হলেন—মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ ইব্রাহিম খোকন, মোহাম্মদ ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির (২), মোহাম্মদ শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মোহাম্মদ শামসু মিয়া, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল, মোহাম্মদ রাব্বানী।
বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ১৫ কর্মচারী বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বদলি হয়ে মোংলা ও পায়রা বন্দরে সংযুক্ত রয়েছেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উক্ত কর্মচারীরা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে লিপ্ত ছিলেন এবং বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত কার্যক্রম চলমান। তদন্ত চলাকালীন তারা যেন দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন, সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।
দুদক চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি বিশেষ কলাম যুক্ত করে জানিয়েছে, অভিযুক্তদের অর্জিত সম্পদের পরিমাণ ও উৎস নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। তাই তাদের নামে-বেনামে থাকা সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উল্লেখ্য, এই কর্মচারীরা প্রকৌশল, ট্রাফিক, মেরিন ও ইলেকট্রিক্যালসহ বন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও প্রশাসনিক কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এই কঠোর অবস্থান নিল কর্তৃপক্ষ।
এমএন
সারাদেশ
শরীয়তপুরে অসহায় ও দরিদ্রদের মাঝে জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের শীতবস্ত্র বিতরণ
শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নে অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ করা হয়েছে। শরীয়তপুর জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদ-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এলাকার প্রায় ১৫০ জন শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কিরণ নগর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কম্বল বিতরণ কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।
শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিটির আয়োজন করে শরীয়তপুর জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদ। আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মো. ইব্রাহিম মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরে আলম খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর মালসহ জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। এছাড়া কিরণ নগরের শিক্ষকবৃন্দ ও সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিরণ নগর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সংগঠনের সভাপতি মো. ইব্রাহিম মৃধা বলেন, তীব্র শীতে সাধারণ মানুষের কষ্ট লাগবে মানবিক দিক বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমাজের বিত্তবানদেরও এই সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত।
আরও জানান, এটি কেবল একটি সাময়িক কর্মসূচি নয়, বরং ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের কল্যাণে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন।
এমএন



