জাতীয়
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসক সুরাইয়া আখতার
স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার জাহানকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হলো।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, নিয়োগকৃত প্রশাসক সুরাইয়া আক্তার জাহান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নিজের বর্তমান পদের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এই নতুন দায়িত্ব পালন করবেন। বিধি মোতাবেক তিনি কেবল ‘দায়িত্ব ভাতা’পাবেন, তবে অন্য কোনো আর্থিক বা আনুষঙ্গিক সুবিধা পাবেন না।
এর আগে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজকে ডিএনসিসির প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এমএন
জাতীয়
কেন্দ্রে মোবাইল নিতে পারবেন সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা: ইসি সানাউল্লাহ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা সাধারণ ভোটারদের জন্য প্রযোজ্য হলেও সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে তা শিথিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (ইসি) নিশ্চিত করেন যে, সংবাদকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশে কোনো বাধা নেই।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বুথ পরিদর্শনকালে (ইসি) সানাউল্লাহ এ তথ্য জানান।
এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।
ওই নির্দেশনায় বলা হয়, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পুলিশ ইনচার্জ ও ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এই নির্দেশনা কার্যকর করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচন ঘিরে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে: ডিএমপি কমিশনার
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন,ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কেউ আইনশৃঙ্খলা অবনতি করার সুযোগ নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা’ সংক্রান্তে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ডিএমপি কমিশিনার
নির্বাচন উপলক্ষে ডিএমপির গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এ বছর ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় মোট ২ হাজার ১৩১টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। অবস্থান, ভোটারের সংখ্যা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে ভোটকেন্দ্রগুলোকে দুইটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ (১৬১৪টি) ভোটকেন্দ্রগুলো ন্যুনতম ৪ জন করে এবং সাধারণ (৫১৭টি) কেন্দ্রগুলোতে তিনজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি কন্ট্রোলরুমের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণের জন্য থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা। ভোটকেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তার জন্য থাকবে ১৮০টি স্ট্রাইকিং টিম ও ৫১০টি মোবাইল টিম। এছাড়া ঢাকা মহানগরীর আটটি ডিভিশনে আটটি পৃথক কন্ট্রোল রুম এবং চারটি বিশেষ কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে। সুবিধাজনক স্থানে মোতায়েন থাকবে স্পেশাল রিজার্ভ ফোর্স। ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের সরাসরি নেতৃত্বে থাকা এসব ফোর্স প্রয়োজনে দ্রুত যেকোন স্থানে মোতায়েন করা যাবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য সোয়াট, বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়াড, ক্রাইমসিন ভ্যান ও অশ্বারোহী পুলিশ মোতায়েন থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নানা কারণে এবারের নির্বাচন আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে নির্বাচনে পুলিশকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে সে কালিমামুক্ত হয়ে জাতিকে একটি অর্থবহ ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যে ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে দেশ একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হয়েছে তা এগিয়ে নিতে আমরা ইস্পাত কঠিন মনোবল নিয়ে প্রস্তুত রয়েছি। আপনাদের মাধ্যমে সর্বসাধারণের নিকট স্পষ্টভাবে বলতে চাই এই নির্বাচনে আমরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও প্রশ্নাতীত নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে এমন একটি মানদণ্ড স্থাপন করবো যা ভবিষ্যতের জন্য অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’
সম্মানিত নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আপনারা নিশ্চিন্তে, নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে সুশৃঙ্খলভাবে গিয়ে আপনাদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পূর্ব থেকেই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে কাজ আরম্ভ করে। এর অংশ হিসেবে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে পুলিশের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ডিএমপির প্রায় ২৫ হাজার সদস্যকে নির্বাচন সংক্রান্ত বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। আমরা আশা করি পুলিশের এই প্রশিক্ষণ আসন্ন নির্বাচনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য পুলিশ সদস্যদেরকে স্বীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষভাবে পালনের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আমাদের সীমিত সম্পদ ও জনবলের সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে ত্রুটিহীন ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন উপহার দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, ‘এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট কেন্দ্র করে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। যেকোনো সময়ের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার, বিপিএম-সেবা, (অতিরিক্ত আইজি); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা; মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান পিপিএম; মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফা আখতার প্রীতিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন
জাতীয়
ভোটের সময় সড়কে উন্নয়ন কাজ নিয়ন্ত্রণে ইসির নির্দেশ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনকালীন সময়ে সড়ক ও মহাসড়কে যেকোনো ধরনের উন্নয়নমূলক বা সংস্কার কাজ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে স্থানীয় সরকার, সড়ক পরিবহন, বিদ্যুৎ এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিবদের এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে টেলিযোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ ট্রান্সমিশন সংযোগ যাতে বিচ্ছিন্ন না হয়, সেজন্য নির্বাচনকালীন হাইওয়ে/রাস্তার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন এর সাথে সমন্বয়পূর্বক সম্পন্নকরণের জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে। উল্লিখিত সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এমএন
জাতীয়
১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা: ইসি আনোয়ারুল
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল প্রকাশের সময়সীমা নিয়ে তথ্য দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও ফলাফল পেতে খুব বেশি দেরি হবে না। আধুনিক অটোমেশন সিস্টেম ও একাধিক ডিভাইস ব্যবহারের ফলে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) অর্থাৎ ভোটের পরদিনই পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নির্বাচন ভবনে নির্বাচনী পরিস্থিতি ও কমিশনের প্রস্তুতি নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি আনোয়ারুল বলেন, নির্বাচন নিয়ে যত শঙ্কা ছিল, সেগুলো আমরা সবার সহযোগিতায় এরই মধ্যে কাটিয়ে উঠেছি। ইনশাআল্লাহ, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পারব।
একই দিনে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ায় ফলাফল ঘোষণায় বিলম্বের আশঙ্কা করা হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কোনোভাবেই তিন দিন নয়, বরং শুক্রবারের (১৩ ফেব্রুয়ারি) মধ্যেই ফলাফল দেওয়া যাবে। আধুনিক অটোমেশন সিস্টেম ও একাধিক ডিভাইস ব্যবহারের কারণে ফলাফল দ্রুত সংগ্রহ করা সম্ভব। যদিও দুর্গম এলাকার কারণে কিছু কেন্দ্রে সামান্য দেরি হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সব বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। অতীতের তুলনায় আইনশৃঙ্খলা অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে এবং কমিশনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে নির্বাচন পরিচালিত হবে।
নির্বাচনের দিন মনিটরিং ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি আসনে একাধিক মনিটরিং টিম থাকবে। প্রতি দুই ঘণ্টা অন্তর তথ্য কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলে পাঠানো হবে। এ ছাড়া যেসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে, সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ঠেকাতে একটি বিশেষ ‘ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং সেল’ কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
এমএন
জাতীয়
বিটিভিতে আজ তারেক রহমান ও ডা.শফিকুর রহমানের নির্বাচনি ভাষণ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এই ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ থেকে ৭টার মধ্যে জামায়াত আমির এবং রাত ৭ থেকে ৮টার মধ্যে তারেক রহমানের ভাষণ সম্প্রচার করবে বিটিভি। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের ভাষণও সম্প্রচারের কথা রয়েছে।
এর আগে রোববার এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের (চরমোনাই পীর) ভাষণ বিটিভিতে সম্প্রচার করা হয়।
এদিকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে সেনাসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এ ছাড়া মঙ্গলবার থেকে নির্বাচনি অপরাধের দ্রুত বিচারে ৬৫৭ বিচারকও মাঠে থাকবেন।
সরকারের দেওয়া তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। এরমধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি) প্রায় সাড়ে ৫ লাখ সদস্য ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে। পুলিশের প্রায় দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ এবং বিজিবির ৩৭ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকবে। ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০টিতে বডি-ওর্ন ক্যামেরার আওতায় থাকবে।
নির্বাচনে প্রায় ৪০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং প্রায় ৫০ হাজার দেশীয় পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। একইসঙ্গে বিদেশি সাংবাদিকরাও নির্বাচনি তথ্য সংগ্রহ করবেন।
ত্রয়োদশ নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।
এমএন



