জাতীয়
সেনাবাহিনীর সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর দুর্ব্যবহার, প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা
ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এসএম খালেকুজ্জামানের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের বিষয়টি প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অপেশাদার আচরণের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ইসি মাছউদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের বিষয়টি প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাহিনীর মনোবল ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।
নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ কেমন আছে—প্রশ্নের জবাবে ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আমরা মনে করি, নির্বাচনি পরিবেশ যথেষ্ট ভালো আছে। অবশ্যই বলব তুলনামূলকভাবে ভালো আছে।
ভোটের পরিবেশ ভালো রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চেয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা সব রাজনৈতিক দলের কর্মী, তাদের নেতৃত্বের নিকট এবং সংশ্লিষ্ট সবার নিকট আবেদন জানাই, তারাও একটা সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আমাদের সহযোগিতা করবেন এবং তাদের তরফ থেকে যে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার তারা সেটাই গ্রহণ করবে।
নির্বাচনি বিধি ভঙ্গ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘অবনমন’ ও দুই দলের শীর্ষ নেতাদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যেন বিষয়ে কমিশন কী ব্যবস্থা নিচ্ছে জানতে চাইলে কমিশনার মাছউদ বলেন, পুরো দেশে ৩০০ জন জজের সমন্বয়ে ৩০০টি ইলেক্টোরাল ইনকয়ারি এবং এডজুডিকেশন কমিটি কাজ করছে। তা ছাড়া অনেক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। কাজেই আমরা মনে করি, যে কেউ যদি আচরণবিধি ভঙ্গ করেছে, এই ধরনের যদি অভিযোগ কেউ করেন, অনুগ্রহপূর্বক ইলেক্টোরাল ইনকয়ারি এবং জুডিকেশন কমিটির কাছে আপনারা প্রতিকার চাইতে পারেন।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বিভিন্ন জায়গায় বহু লোককে আচরণবিধি ভঙ্গের কারণে ইতিপূর্বে শাস্তি দিয়েছেন, জরিমানাও করেছেন।
যদি মোবাইল কোর্ট বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ নিজেরাই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকে, সে বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে—জানতে চাইলে ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, যদি নির্বাচনে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা নিজেই আচরণবিধি ভঙ্গ করেন বা তার ভেতরে পক্ষপাতিত্ব দেখা দেয়, সেক্ষেত্রেও যে কেউ ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটি এবং এডজুডিকেশন কমিটির কাছে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, গুরুতর কোনো বিষয় কমিশন নিজেও আমলে নিতে পারে এবং একটা কমিটির মাধ্যমে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ নিতে পারে।
কোনো প্রার্থী যদি কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা কোনো বিশেষ বাহিনীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বা যেখানে যাওয়ার সুযোগ নেই সেখানে যদি যাওয়ার চেষ্টা করেন, সেটা আচরণ ভঙ্গ হয় কি না—জানতে চাইলে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, এই প্রশ্নটা খুব জটিল প্রশ্ন। কি ধরনের দুর্ব্যবহার, সেই দুর্ব্যবহার যদি আইনের কাঠামোতে আচরণবিধি ভঙ্গ বোঝা যায়, তাহলে নিশ্চয়ই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
তিনি বলেন, এটা ফ্যাক্টস টু ফ্যাক্টস, কেস টু কেস ভিত্তিতে বলতে হবে। একেবারে ইউনিফর্ম একটা কথা কিন্তু বলা যাবে না।
জাতীয়
নতুন পদ্ধতিতে তেল বিক্রি হবে রবিবার থেকে
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, দেশে যেন জ্বালানির সংকট না হয়, সেজন্য রবিবার (৮ মার্চ) থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) এসব কথা বলেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। এ বিষয়ে লিখিত নির্দেশনা পেট্রোল পাম্পগুলোকে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে সংশয়টি জনগণের তৈরি হয়েছে, আমরা সেটাকে অস্বাভাবিকভাবে দেখছি না। কারণ একটি যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। ফলে একটা দুশ্চিন্তা বিরাজ করছে। কিন্তু আমি আশ্বস্ত করতে চাই, জ্বালানি তেল নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমাদের কাছে যথেষ্ট মজুত রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘গত কয়েকদিনে আমরা কয়েকগুণ বেশি তেল সাপ্লাই দিয়েছি। ক্রেতারা স্বীকার করেছেন, তারা বেশি করে তেল নিচ্ছেন। এই আতঙ্ক দূর করতে হবে। সবাইকে বলতে চাই, জনগণের দুর্ভোগ কমানোর জন্য সরকার যথেষ্ট সচেষ্ট আছে।’ তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্বাভাবিকভাবে জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়েছে। ফলে এটি একটা চাপ তৈরি করছে। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের সমন্বয়ে যেতে হবে। আমরা চেষ্টা করবো দাম না বাড়াতে। তবে একান্তই না পারলে তখন জনগণের সঙ্গে আমরা তা শেয়ার করবো। পাশাপাশি আমরা দেশবাসীর সমর্থন কামনা করছি।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস আজ
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস আজ।
২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার সময়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের পর তারেক রহমানকে একাধিক মামলায় রিমান্ডে নেয়া হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নির্যাতনে ভেঙে দেয়া হয় মেরুদন্ড। প্রায় ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান।
১/১১ সরকারের ধারবাহিকতায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারা দেশে শতাধিক মামলা দায়ের করে।
বিএনপি নেতারা জানান, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। দিবসটি উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
জাতীয়
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ। ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন রমনার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন লাখো মানুষের সমাবেশে শেখ মুজিব বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ ওই ভাষণে বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের পটভূমি তুলে ধরা ও দেশবাসীর করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা ছিল বলে অনেকে মনে করেন।
৭ মার্চের ভাষণের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষ ঘরে-ঘরে চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। সেই প্রস্তুতির চূড়ান্ত রূপ পায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসজুড়েই দেশের নানা ঘটনাপ্রবাহ ইতিহাসে স্থান করে নেয়। ঘটনাবহুল এ মাস বাংলাদেশের জন্ম এবং বাঙালির আত্মত্যাগের এক অবিস্মরণীয় মাস।
এ মাসের শুরু থেকে প্রায় প্রতিটি দিন ঐতিহাসিক ঘটনায় উজ্জ্বল।
৭ মার্চের ভাষণ সাধারণভাবে জনপ্রিয় হলেও ২০২০ সালের আগ পর্যন্ত দিনটিকে কোনো দিবস হিসেবে বিবেচনা করা হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ থেকে ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করে এক মাসের মধ্যে গেজেট জারির নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মুজিববর্ষ উপলক্ষে সব জেলা ও উপজেলায় ‘বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল’ স্থাপনের নির্দেশও দেওয়া হয়।
২০১৭ সালে এ নিয়ে আদালতে রিট আবেদন করা হয়েছিল। সে বছরই ইউনেসকো ৭ মার্চের ভাষণকে ‘ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বা পালনসংক্রান্ত পরিপত্রে ৭ মার্চকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে তখন প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এই ভাষণকে ২০১৭ সালে ইউনেসকো ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় ২০২১ সাল থেকে সরকারিভাবে ব্যাপক আয়োজনে দিবসটি পালন করা শুরু হয়। তবে গত বছর এবং এবারো ভিন্ন প্রেক্ষাপটে দিবসটি সামনে এসেছে। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। গণ-অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পতিত স্বৈরাচারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এখনো তিনি সেখানেই আছেন। দেশে মানবাধিকার বিরোধী অপরাধের দায়ে তিনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বেশির ভাগ পলাতক, অনেকে আছেন কারাগারে।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর ওই বছরের ১৭ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকার ৭ মার্চসহ আটটি জাতীয় দিবস উদযাপন বা পালন না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
জাতীয়
সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বিধান আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার সাংবিধানিক বিধান রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নয়, বরং একটি প্রতিষ্ঠান।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনকে সামনে রেখে দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার বিধান রয়েছে। রাষ্ট্রপতি ব্যক্তি হিসেবে নয়, একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবেই এই দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি আরও বলেন, “আমরা সংসদকে স্মরণীয় করে রাখতে চাই। এই সংসদের কাছে জাতির প্রত্যাশা অনেক। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের যে প্রত্যাশা রয়েছে, তা পূরণ করতে হলে জাতীয় সংসদকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।”
এ সময় তিনি বলেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে ডেপুটি স্পিকারের প্রস্তাব দেওয়ার কোনো বিধান নেই। তারপরও সরকার উদারতা দেখিয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা উদারতা দেখিয়েছি। আশা করি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিষয়টি উদারভাবে গ্রহণ করবে।”
জাতীয়
ডিএমপির এডিসি পদমর্যাদার ৭ কর্মকর্তাকে বদলি
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাতজন অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনারকে (এডিসি) বদলি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়েছে।
আদেশে আরও বলা হয়, এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বদলিকৃত কর্মকর্তাদের মধ্যে ডিএমপি সদর দফতর ও প্রশাসন বিভাগের এডিসি ফারজানা ইয়াছমিনকে মেট্রো ইন্টেলিজেন্স বিভাগে এবং ডিবি সাইবার সাপোর্ট সেন্টারের তানজিলা শারমিনকে সদর দফতর ও প্রশাসন বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। ডিএমপি কমিশনারের স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্স মহসীন আল মুরাদকে খিলগাঁও জোনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং কমিশনারের স্টাফ অফিসার জুয়েল ইমরানকে বাড্ডা জোনে বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মাঠ পর্যায় থেকে সদর দফতরে আনা হয়েছে দুই কর্মকর্তাকে। খিলগাঁও জোনের মো. ফয়েজ ইকবালকে ডিএমপি কমিশনারের স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্স এবং ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড স্পোর্টস বিভাগের মো. মাসুদ রানাকে ডিএমপি কমিশনারের স্টাফ অফিসার হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাড্ডা জোনের মো. সারোয়ার হোসাইনকে ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড স্পোর্টস বিভাগে বদলি করা হয়েছে। ডিএমপির অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামো শক্তিশালী করতে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এই রদবদল করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




