রাজনীতি
আজ খুলনা-যশোরে জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান
উত্তরাঞ্চলে তিন দিনের নির্বাচনি প্রচারণা সফর শেষে আজ সোমবার খুলনা ও যশোরে দুটি জনসভায় যোগ দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) খুলনা ও যশোরের সমাবেশকে সামনে রেখে পৃথক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন দলের দায়িত্বশীল নেতারা। সেখানে সমাবেশের প্রস্তুতিসহ সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন তারা।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় হেলিকপ্টারে ঢাকা থেকে খুলনায় যাবেন তারেক রহমান। সেখানে সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ-সংলগ্ন প্রভাতী স্কুল মাঠে দুপুর ১২টায় সমাবেশে যোগ দেবেন।
এরপর দুপুর ১টায় খুলনা থেকে হেলিকপ্টারে যশোরের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে নতুন উপশহরে বিরামপুর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি জনসভায় যোগ দেবেন। দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে আবার হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করার কথা রয়েছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক এবং খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, জনসভাকে কেন্দ্র করে খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে জনসভাস্থলে মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসমাগম নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। আশপাশের জেলা-উপজেলা থেকেও বিপুলসংখ্যক মানুষ জনসভায় অংশ নেবেন বলে তিনি আশা করেন।
সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জান-মাল রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, বেকার যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মিল-কারখানা পুনরায় চালু, খুলনায় গ্যাস সংযোগ নিশ্চিতকরণ এবং নতুন ইকোনমিক জোন নির্মাণসহ দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের নানা পরিকল্পনা তার বক্তব্যে গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপির নেতারা।
যশোরে সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মানুষের উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য আমাদের কোনো নির্দিষ্ট টার্গেট নেই। যারা সমাবেশে আসবেন, তারা ভালোবাসা ও আবেগ থেকেই আসবেন।
তারেক রহমান গত ২২ জানুয়ারি সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে নির্বাচনি প্রচারাভিযান শুরু করেন। সেদিন তিনি মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনি সমাবেশ করেন। এরপর ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম থেকে প্রচারাভিযান শুরু করেন তারেক রহমান। সেখান থেকে তিনি ফেনী, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, সোয়াগাজী, দাউদকান্দি, নারায়ণগঞ্জে নির্বাচনি সমাবেশ করে ঢাকায় ফেরেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান উত্তরাঞ্চল সফর শুরু করেন ২৯ জানুয়ারি। তিন দিনের সেই সফরে তিনি রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়া, রংপুরে, সিরাজগঞ্জে ও টাঙ্গাইল নির্বাচনি সমাবেশ শেষে ঢাকায় ফেরেন শনিবার। ২২ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ২২টি নির্বাচনি সমাবেশে করেছেন তারেক রহমান।
এমএন
রাজনীতি
জামায়াত দেশকে আফগানিস্তান বানাতে চায়: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে আফগানিস্তানের মডেলে বানাতে চায়। ওরা বাংলাদেশের প্রগতি ও উন্নয়নের বিরোধী। ওরা এমন একটা দল, যারা আমাদের সামনের দিকে যেতে বাধা দেয়। আমরা পেছনের দিকে যেতে চাই না, আমরা সামনে যেতে চাই।
সোমবার (২ জানুয়ারি) সকালে ঢোলারহাট ইউনিয়নের লালমিয়া মার্কেটে নির্বাচনী প্রচারণাকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জামায়াতের আমির মহিলাদের বিরুদ্ধে নাকি কথা বলেছেন। আমি জানি না এটা সত্য না মিথ্যা। যদি এটা উনি বলে থাকেন, তাহলে এটা অন্যায় করেছেন। মহিলারা কখনোই এটা মেনে নিতে পারবে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী মহিলাদের কাজ করতে দিতে চায় না। বলে মহিলারা ঘরে থাকবে, কাজ করবে কী। গার্মেন্টসের মহিলাদের বলেছে, ৫ ঘণ্টার বেশি কাজ করা যাবে না। তারা কাজ না করলে খাবে কী। আমাদের মেয়েরা যদি স্কুল-কলেজে না যায়, পড়াশোনা না করে, তাহলে চাকরি পাবে কোথায়। কোনো সরকার কাজ না করলে কাউকে টাকা দেবে না— এটা বাটপাড়ি। নারী-পুরুষ সমান অধিকার নিয়ে বাংলাদেশে বাস করবে। বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা বেশি।
ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে মেয়েদের যে প্রাপ্য অধিকার, সেটা প্রদান করতে হবে।’
এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা, বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এমএন
রাজনীতি
এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে নাহিদ ইসলামের রিট
দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ঢাকা-১১ আসনের বিএনপির প্রার্থী ড. এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেছেন একই আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। রিটে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রার্থিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন। দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন নাহিদ ইসলামের আইনজীবীরা।
নাহিদ ইসলামের পক্ষে আইনজীবীরা হলেন, অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা, অ্যাডভোকেট আলী আজগর শরীফী।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, এ সপ্তাহেই হাইকোর্টে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হবে।
এর আগে ঢাকা-১১ আসনে ১২ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
এমএন
রাজনীতি
ধানের শীষের প্রতীক থাকছে না ৯টি আসনে
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত নয়টি আসনের ব্যালটে দেখা যাবে না বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ। কোথাও রাজনৈতিক সমঝোতা, কোথাও আইনি জটিলতা- এ দুইয়ের ফলেই তৈরি হয়েছে এ পরিস্থিতির।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, যুগপৎ আন্দোলনে দীর্ঘদিনের মিত্রদের সঙ্গে আসন সমঝোতার অংশ হিসেবেই আটটি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ফলে ওইসব আসনে বিএনপির প্রার্থী নেই, থাকছে না ধানের শীষও। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আর একটি আসন, যেখানে আদালতের রায়ে চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়েছে বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন।
হিসাব অনুযায়ী, ৩০০ আসনের সংসদে পাঁচটি মিত্র দলকে মোট আটটি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চারটি আসন পেয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। বাকি চারটি আসন ভাগ করে নিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি- বিজেপি এবং গণঅধিকার পরিষদ। এসব আসনে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর প্রার্থীরা তাদের নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এবার খেজুরগাছ প্রতীক নিয়ে চারটি আসনে লড়ছে। এর মধ্যে সিলেট-৫ আসনে দলের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, নীলফামারী-১ আসনে মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি মনির হোসেন কাসেমী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এছাড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি লড়ছেন মাথাল প্রতীক নিয়ে। ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক রয়েছেন কোদাল প্রতীকে।
পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ট্রাক প্রতীক নিয়ে। এছাড়া ভোলা-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি- বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ লড়ছেন গরুর গাড়ি প্রতীকে।
এই আট আসনের বাইরে কুমিল্লা-৪ আসনে একেবারে ভিন্ন কারণে ব্যালট থেকে বাদ পড়েছে ধানের শীষ। ঋণ খেলাপির অভিযোগে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র আদালত চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছেন। এতে ওই আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থীই থাকছেন না।
ফলে সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনে নয়টি আসনের ব্যালটে অনুপস্থিত থাকছে বিএনপির ঐতিহ্যবাহী প্রতীক ধানের শীষ। তবে ভোটের ময়দানে ধানের শীষ না থাকলেও এসব আসনের কোনো কোনোটিতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়ছেন। যদিও এরই মধ্যে তাদের বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
এমএন
রাজনীতি
টানা চারদিন বন্ধ থাকবে ব্যাংকের কার্যক্রম
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি, বুধ ও বৃহস্পতিবার সারা দেশে সব তফসিলি ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এই দুই দিনের সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ২৫ জানুয়ারির প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি, বুধ ও বৃহস্পতিবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর পরে সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন ১৩-১৪ ফেব্রুয়ারি, শুক্র ও শনিবার। ফলে টানা ৪ দিন ব্যাংক কার্যক্রম বন্ধ থাকছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ওই দুই দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ইতোমধ্যে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এমএন
রাজনীতি
১২ ঘণ্টার মধ্যে ফলাফল না এলে বুঝবো অসৎ উদ্দেশ্য আছে: মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের দলীয় প্রার্থী মির্জা আব্বাস হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করতে হবে। এর চেয়ে বেশি বিলম্ব হলে ধরে নেওয়া হবে এর পেছনে কোনো ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ রয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে আনন্দ কমিউনিটি সেন্টারে হাব, বায়রা ও অ্যাটাব-এর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বন্ধ হয় নাই। মনে হয় ঢাকা ৮ আসনেই শুধু নির্বাচন হচ্ছে। এখানে এমন কিছু পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় যাতে সারাদেশের নির্বাচন যাতে বানচাল হয়। তারা নানাভাবে উস্কানী দিচ্ছে। আমি ও নেতাকর্মীরা ধৈর্য্য ধারণ করছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে, আল্লাহ আমাকে ধৈর্য্য ধারণ করার ক্ষমতা দিয়েছেন।
উপস্থিত ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাকে শুধু সমর্থন দিলেই হবে না। আমার সমর্থক ও কর্মীদের সবার কাছে যেতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ড ও বাজারে যদি ১০জন করে ভোটারদের সাথে কথা বলেন তাহলে আমার কাজে লাগবে। শুধু আমার জয়লাভ বড় কথা নয়, সারাদেশে বিএনপিকে জয়ী হতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা এখন কেমন আছি? হাসিনা চলে যাবার পর যতটুকু ভালো থাকার কথা ছিলো আমরা সেই ভালো নেই। শুধু পুলিশী অত্যাচার থেকে মুক্তি পেয়েছি। আর কোথাও ভালো নেই, স্বস্তিতে নেই। এটি আমাদের দূর্ভাগ্য।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে এ নির্বাচন। এটি কোন দান নয়। মুক্তিযুদ্ধও কোনো দান নয়। অনেকে মনে করে কয়েকদিনের আন্দোলনের ফসল ২৪। ১৭ বছর আমরা আন্দোলন করেছি, অগনিত শহীদ হয়েছেন, গুম হয়েছেন। আমরা তোমাদের পায়ের মাটি শক্ত করেছি, ফাউন্ডেশন গড়ে তুলেছি। যার পিছনে দেশের মানুষ কাজ করেছে।
আব্বাস বলেন, রাজনীতি করতে গিয়ে সভা-সমাবেশ করতে হয়। কিন্তু নির্বাচন একজন ব্যক্তির সারাজীবনের অর্জিত ভালোকাজ বা ভালো কর্মের সঞ্চয়ের উপর নির্ভরশীল। আমি যখন তরুণ ছিলাম তখন আমার সামনে মঞ্চে বলা হতো উপস্থিত আছেন অমুক বর্ষীয়ান নেতা। আজকে আমার উদ্দেশ্যে বলা হয় বর্ষীয়ান নেতা। অনেকে মনে করে বয়স হয়ে গেছে। কিন্তু, আমার যে অভিজ্ঞতা তা তোমাদের নেই। তোমরা আগামীতে এসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারো।
তিনি বলেন, এখন এমন কিছু ছেলেপেলে গজিয়েছে যারা আঙুল ফুলে কলাগাছ বুনে গেছেন। সারাদিন শুধু আমাকে বকা বাজি করছেন। আমাকে বকা ছাড়া যেন তাদের অন্যকোন কাজ নেই। তুমিতো সেদিন চাঁদপুর থেকে এসেছো। আমার সম্পর্কে কিছুই জানো না। এলাকার মানুষ আমাকে চিনে। ঢাকা ৮ আসন একটি ব্যবসায়িক এলাকা। এখানকার কোনো ব্যবসায়ী বলতে পারবে না যে স্বার্থের প্রয়োজনে মির্জা আব্বাসকে কেউ এক কাপ চা খাওয়াতে পারছে। আজকে অর্বাচীন বালকদের হাত থেকে দেশটাকে বাঁচাতে হবে। আর এরজন্য আন্দোলনের দরকার নেই। ভোট দরকার। আপনারা সবাই একসাথে কাজ করলে আমি জয়ী হবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, কষ্টার্জিত এই ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে হবে। একটি দল নাকি ৪০ লক্ষ বোরখা বানিয়েছে। অনেকে নারী সেজে ফলস্ ভোট দিতে পারে। কর্মীদের এ বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।
এমএন



