সারাদেশ
খুলনায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৪ জনকে গুলি
খুলনায় ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের চার সদস্যকে গুলি করে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। সাবেক স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার লবণচরা ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর শাহজালাল নগরের রেলক্রসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন: কাজী আনিসুর রহমান, তার স্ত্রী রঞ্জুয়ারা বেগম, ছেলে গাজী রাইসুল ইসলাম এবং পুত্রবধূ ফাহিমা খাতুন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. লক্ষিন্দার কুমার দে বলেন, ‘গুলিবিদ্ধদের মধ্যে রঞ্জুয়ারা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি তার পুত্রবধূ গুলিবিদ্ধ ফাহিমা খাতুনকেও তার নিজের ইচ্ছায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আনিসুর রহমানের ঘাড়ে তিনটি ও রাইসুল ইসলামের পায়ে একটি গুলি লেগেছে। এছাড়া রঞ্জুয়ারা বেগমের বুকে দুটি এবং ফাহিমা খাতুনের পায়ে একটি গুলি লেগেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাহিমা খাতুনের সাবেক স্বামী ইমরানের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। প্রায় আট মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর গত ডিসেম্বর মাসে রাশেদুলের সঙ্গে নতুন করে সংসার শুরু করেন ফাহিমা। এ নিয়ে ইমরান আগে থেকেই হুমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
আহত ফাহিমা খাতুন দাবি করেন, ‘সকালে দুটি মোটরসাইকেলে করে আসা ছয়জন দুর্বৃত্ত বাসায় ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে আমার সাবেক স্বামীও ছিল।’
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘হামলাকারীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।’
সারাদেশ
সখিপুর থানা পুলিশের পৃথক অভিযান মাদকসহ তিনজন আটক
শরীয়তপুরের সখিপুর থানার পুলিশের পৃথক অভিযানে মাদকসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গত ২ মে রাতে সখিপুর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, মো. সোহেল সরদার (২৫), পিতা. মৃত নুরুল ইসলাম, মো. মিজান সরদার (৩৮) পিতা. রশিদ সরদার, জান শরীফ সৈয়াল (৪২) পিতা. নাজিম উদ্দিন সৈয়াল। তারা সবাই সখিপুর থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোফাজ্জল হোসাইন জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত রাতে পৃথক অভিযানে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।
সারাদেশ
সিলেটে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ৮, আহত ৭
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ ৮ নির্মাণ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭ জন। নিহতদের সবাই নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন।
রোববার (৩ মে) সকাল ৭টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের তেলিবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম।
নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন— সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের মো. সুরুজ আলী (৬০), একই উপজেলার শেষস্তি গ্রামের মোছা. মুন্নি বেগম (৩৫), সিলেটের জালালাবাদ থানার লালারগাঁও এলাকার মো. বদরুল (৩০) এবং দিরাই উপজেলার নুরনগর এলাকার মো. ফরিদুল (৩৫)। বাকি চারজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আহতরা হলেন- হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আমকান্দি গ্রামের মো. আলমগীর (৩২), সিলেট নগরের মদিনা মার্কেট এলাকার তোরাব উল্লাহ (৬০), আম্বরখানার রামিন (৪০) ও আফরোজ মিয়া (৪০), সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার রাজু আক্তার (২৫), সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার হাফিজা বেগম (৩০) এবং দিরাই উপজেলার রাজা মিয়া (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ সুরমার তেলিবাজার এলাকায় সকাল ৬টা ২৫ মিনিটের দিকে শ্রমিক বহনকারী একটি পিকআপের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই ৪ জন শ্রমিক নিহত হন। গুরুতর আহত আরও ৪ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল সাড়ে ৭টায় তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮ জনে।
এ ঘটনায় আরও ৭ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। তাদেরকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বলেন, ট্রাকের ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং হাসপাতালে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘতক ট্রাকটিকে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সারাদেশ
আজ টানা ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
সিরাজগঞ্জের কয়েকটি এলাকায় আজ শনিবার (২ মে) টানা সাত ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এ তথ্য জানিয়েছে সিরাজগঞ্জ নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির (নেসকো) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এক বিজ্ঞপ্তিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিরাজগঞ্জ দপ্তরের ১১ কেভি ক্যুইন ফিডারের জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ কাজ এবং আশপাশের গাছের শাখা-প্রশাখা কাটার জন্য ফিডারটির আওতাধীন সব বিতরণ এলাকা (কোদলাপুর, কোদলাপুর বড় ব্রীজ রোড, কল্যানী চুয়াপাড়া, কল্যানী প্রাইমারি স্কুল রোড, সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইনস, আনসার ক্যাম্প, কোদলাপুর কবরস্থান রোড) শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
জরুরি কাজের স্বার্থে বিদ্যুৎ সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটবে। এতে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে সবার সহযোগিতা চেয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সারাদেশ
দ্রুত বাড়ছে নদীর পানি, ৫ জেলায় বন্যার শঙ্কা
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিভারী বৃষ্টিপাতে নদ–নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে চারটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং পাঁচটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা বা আংশিকভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীন এই কেন্দ্র জানায়, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি জেলায় বিশেষ করে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনার নিম্নাঞ্চলে ইতোমধ্যে বন্যার প্রভাব দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি সিলেট, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার নিম্নাঞ্চলেও পরিস্থিতি অবনতির দিকে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম বড়ুয়া জানান, নদ–নদীর পানি বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো টানা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত। এর ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই পানি দ্রুত উপচে পড়ছে। তিনি বলেন, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনায় বন্যা পরিস্থিতি ইতোমধ্যে শুরু হলেও বাকি তিন জেলায় পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। গত মঙ্গলবার দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, এই বৃষ্টি আরও অন্তত কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে, যা নদীর পানি আরও বাড়িয়ে বন্যার ঝুঁকি বাড়াবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে- ১৬১ মিলিমিটার। এছাড়া ভোলায় ১৫১ মিলিমিটার এবং ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, এই বৃষ্টি একটানা নয়, বরং দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে হচ্ছে। পরিস্থিতি আগামী কয়েকদিন, অন্তত ৪ মে পর্যন্ত চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমানে ভুগাই–কংস, মনু, সোমেশ্বরী ও মগরা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর মধ্যে তিনটি নদী নেত্রকোনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সেখানে পানির চাপ বেশি।
এছাড়া সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, কোথাও কোথাও এক থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত পানি বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব নদী ছোট হওয়ায় ভারী বৃষ্টিতে দ্রুত পানির স্তর বাড়ে এবং বৃষ্টি কমলে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে।
এমএন
সারাদেশ
টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায়
বিদ্যুৎ লাইনের জরুরি মেরামত ও উন্নয়ন কাজের কারণে আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) দেশের কয়েকটি এলাকায় টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলী কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দিরাই উপজেলায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।
৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের জরুরি মেরামত ও সংরক্ষণ কাজের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মেরামত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হবে; কাজ সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য দিরাই উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) সিলেটের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জরুরি মেরামত, সংরক্ষণ ও লাইনের উন্নয়ন কাজের জন্য সিলেট নগরের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় শনিবার চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। শনিবার সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত পাঠানটুলা ১১ ফিডারের আওতাধীন পাঠানটুলা, শ্রাবনী, নিকুঞ্জ, লতিফ মঞ্জিল, পল্লবী আবাসিক এলাকা, মদিনা মার্কেটসহ আশেপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না। একই সময়ে বিমানবন্দর ১১ ফিডারের আওতাধীন লাভলী রোড, তপোবন আবাসিক এলাকা, বর্ণমালা স্কুল এলাকা, আলমদিনা টাওয়ার, মদিনা মার্কেট বাজার, আখরাগলি, বাগবাড়ী, সুরমা আবাসিক এলাকা, লেকসিটি ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতেও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হলে দ্রুতই সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, উন্নয়নকাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।




