কর্পোরেট সংবাদ
রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে নগদ ও শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের চুক্তি
দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরও দ্রুত ও সহজে পৌঁছে দিতে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নগদের সঙ্গে চুক্তি করেছে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত ব্যাংকটির করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তিতে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ এবং নগদের পক্ষে প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ।
চুক্তির আওতায় বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে নগদ সরাসরি সুবিধাভোগীদের মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেবে। এতে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে পারবেন। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ যেকোনো স্থান থেকে উপকারভোগীরা ২৪ ঘণ্টা এই অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এম. সাইফুল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিএফও মো. জাফর সাদেক এফসিএ, সিটিও এবং আইটি বিভাগের প্রধান খন্দকার বেদৌরা মাহবুব এবং ফরেন রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন অংশ নেন।
নগদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সহযোগী প্রশাসক আনোয়ার উল্লাহ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশার, রেমিট্যান্স বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার শাহ ইমরান, ম্যানেজার ইফরাত জাহান এবং রেমিট্যান্স স্পেশালিস্ট মো. আফসান জনি তাহরিম।
অনুষ্ঠানে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ব্যাংকটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত অংশীদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে থাকে। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির মাধ্যমে প্রবাসী ও তাঁদের পরিবার দ্রুত, সহজ ও শরিয়াহ্সম্মত রেমিট্যান্স সেবা পাবেন।’
নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, ‘এই চুক্তির ফলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সরাসরি নগদ ওয়ালেটে পৌঁছাবে। এতে উপকারভোগীরা সারাদেশে নগদের দুই লক্ষাধিক উদ্যোক্তা পয়েন্ট থেকে সহজেই টাকা তুলতে পারবেন। এই উদ্যোগ দেশের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করবে।’
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
ইসলামী ব্যাংকের ডিজিটাল সেবায় সহজ হলো দান ও হজ্জ-উমরার প্রস্তুতি
প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে ইবাদত ও জনকল্যাণমূলক কাজে অংশগ্রহণ এখন আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি তাদের ডিজিটাল দান বক্স এবং হজ্জ-উমরা সেভিংস স্কিম চালুর মাধ্যমে গ্রাহকদের ঘরে বসেই নিরাপদে ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।
হজ্জ ও উমরাহ সেভিংস স্কিমে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা
হজ্জ ও উমরাহ পালনে আগ্রহীদের জন্য ব্যাংকটিতে রয়েছে ‘মুদারাবা হজ্জ সেভিংস অ্যাকাউন্ট’ ও ‘মুদারাবা উমরাহ সেভিংস স্কিম’। এসব স্কিমের মাধ্যমে গ্রাহকরা ধাপে ধাপে সঞ্চয় গড়ে তুলে পবিত্র হজ্জ ও উমরাহ পালনের আর্থিক প্রস্তুতি নিতে পারেন।
হজ্জ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা এক থেকে ২৫ বছর মেয়াদে মুদারাবা হজ্জ সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। গ্রাহক তার সামর্থ্য অনুযায়ী কিস্তির পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারেন। নির্ধারিত মেয়াদের আগেই হজ্জে যেতে চাইলে জমাকৃত অর্থের সঙ্গে বাকি প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দিয়ে হজ্জ পালন করা সম্ভব।
অন্যদিকে, উমরাহ পালনের জন্য এক থেকে ১২ বছর মেয়াদে মাসিক কিস্তির ভিত্তিতে সঞ্চয়ের সুযোগ রয়েছে। ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তি নিজ নামে এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে পিতামাতা বা আইনগত অভিভাবক তাদের নামে হিসাব খুলতে পারেন। উভয় স্কিমেই মুদারাবা পদ্ধতিতে মুনাফা প্রদান করা হয়।
জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি দিয়ে ব্যাংকের যেকোনো শাখা, উপ-শাখা, এজেন্ট আউটলেট কিংবা ‘সেলফিন’ অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই এসব হিসাব খোলা যায়।
ডিজিটাল দান বক্সে সহজ অনুদান
ব্যাংকের ডিজিটাল দান বক্স সেবার মাধ্যমে দান করার প্রক্রিয়া হয়েছে আরও সহজ ও স্বচ্ছ। গ্রাহকরা নগদ অর্থ ছাড়াই সেলফিন বা যেকোনো ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহার করে কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সাদাকাহ বা অনুদান প্রদান করতে পারেন।
এই পদ্ধতিতে গোপনীয়তা বজায় থাকে এবং প্রতিটি লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। ফলে স্থানীয় মসজিদ, এতিমখানা, লিল্লাহ বোর্ডিং ও বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দ্রুত অর্থ পৌঁছে দেওয়া যাচ্ছে।
এছাড়া সেলফিন, আই-ব্যাংকিং বা শাখা/এজেন্টে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে মাসিক কিস্তি ও অনুদানের অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে।
প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও আমানতদারিতার সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি শুধু একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং ধর্মীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনে গ্রাহকদের একটি বিশ্বস্ত ঠিকানায় পরিণত হয়েছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের নবম বার্ষিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
রাজধানীর গুলশানের এলিট কনভেনশন সেন্টারে গত ২ মার্চ ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের (আইএইচএফ) এর নবম বার্ষিক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইফতার মাহফিলে দূতাবাসের প্রতিনিধি, দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব, শিল্পপতি, জনপ্রিয় তারকা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন। একইসাথে আয়োজনে ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন স্কুলের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল।
আইএইচএফ-এর এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিবর্গের সম্মিলনে ইফতার আয়োজন করা। যাতে উপস্থিত অতিথিরা শিশুদের জীবনমান উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে তারা অনুপ্রাণিত হয়ে এগিয়ে আসেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. আদনান হোসেন। আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনাইয়ের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন হাজী। আদনান হোসেন অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
আদনান হোসেন বলেন, “শিশুদের মানসম্মত শিক্ষার প্রতি আমাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷ প্রায় ১৬ বছর ধরে ইটস হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন শিক্ষার্থীদের মানসিক ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে সারাদেশে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত স্কুলে পাঠদান করে আসছে। যা শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।”
আদনান হোসেন আরও বলেন, “আমাদের স্টেকহোল্ডার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতায় প্রতিনিয়ত আমরা নিজেদের কার্যক্রমকে আরও সম্প্রসারিত করছি। যা প্রান্তিক শিশুদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসছে।”
আইএইচএফ ইফতার অনুষ্ঠানে সহযোগী হিসেবে পাশে ছিল ইউনাইটেড ফর্চুন ইনক, ইফাদ, স্বদেশ প্রোপার্টিস লিমিটেড, গ্রাফিক্স টেক্সটাইল, সানবিমস, সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এন্ড এসোসিয়েটস, ফিনিস, নেসলে, স্যাভয়, গ্যালিটোস, বেঙ্গল এক্সপ্রেস, গ্রীন ডেলটা ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড, দ্য নিউজ কমপ্রেস, ক্রিয়েট প্রিন্টিং এন্ড ডিজাইন হাট, লিমেরেন্স ফোটোগ্রাফস ।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
রমজান ও ঈদে কেনাকাটায়, বিকাশ পেমেন্টে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক
প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরের কেনাকাটাকে আনন্দময় ও সাশ্রয়ী আকর্ষণীয় সব ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে এসেছে বিকাশ। মাসজুড়ে পোশাক, জুতা, ইলেকট্রনিকস, গ্রোসারি থেকে শুরু করে ইফতার-সেহরি এবং ভ্রমণ টিকিটে বিকাশ পেমেন্টে মিলছে সর্বমোট ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক।
এই বিশেষ অফারগুলো আগামী ২১ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত উপভোগ করা যাবে বিকাশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এবার দেখে নেয়া যাক উল্ল্যেখযোগ্য অফারগুলো–
সুপারস্টোর: রমজান মাস জুড়ে এবং ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে গ্রাহকরা বিকাশ অ্যাপে ‘D2’ কুপন ব্যবহার করে আগোরা, মীনা বাজার, ইউনিমার্ট, প্রিন্স বাজার, বেঙ্গল মিট, হোলসেল ক্লাব, খুলশি মার্ট, উৎসব সুপার মার্কেটসহ আরও বেশকিছু সুপারস্টোর ৫০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়া যাচ্ছে। পাশপাশি, ‘D3’ কুপন ব্যবহার করে দেশজুড়ে সুপারস্টোর চেইন স্বপ্ন ও ডেইলি শপিং-এ বিকাশ পেমেন্টে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও, অনলাইনে চালডাল, ডেইলি শপিং, মীনা বাজার, ও প্যারাগন থেকে গ্রোসারি অর্ডারে মিলছে ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।
লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড: বিকাশ অ্যাপে ‘S3’ কুপন ব্যবহার করে ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেইলর-এ ৩০০ এবং সারা লাইফস্টাইল-এ ২০০ টাকা ডিসকাউন্ট। ‘D1’ কুপন ব্যবহার করে মি. ডিআইওয়াই, আর্টিসান, কান্ট্রি বয়, দর্জি বাড়ি, এক্সটেসি, ফ্যাব্রিলাইফ, ফ্রিল্যান্ড, ইয়েলো, ইলিয়েন, কে ক্রাফট, বিশ্বরঙ, অঞ্জনস, র নেশন, শৈল্পিক, স্মার্টেক্স, টেক্সমার্ট, হুর, গয়না বাক্স, সানভিস সহ আরও বেশ কিছু ব্র্যান্ডে রমজানজুড়ে পাওয়া যাবে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। ‘D5’ কুপনে ২০০ টাকা ডিসকাউন্ট মিলবে তাকদুম, মিনিসো বাংলাদেশ সহ বেশকিছু মার্চেন্টে। কুপন কোড ‘D8’ ব্যবহার করে ৩০০ টাকা ডিসকাউন্ট মিলছে ইজি ফ্যাশন, জেন্টেল পার্ক, ইনফিনিটি মেগা মল, লুবনান, রিচম্যান, টপ টেন ফেব্রিক্স অ্যান্ড টেইলার্সসহ আরও বেশ কিছু আউটলেটে। পাশাপাশি, লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড আড়ং-এ বিকাশ পেমেন্টে গ্রাহকরা পেতে পারেন ২০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।
অনলাইন মার্কেটপ্লেস: অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ-এ বিকাশ পেমেন্টে ৬০ টাকার ডিসকাউন্ট ভাউচার রয়েছে গ্রাহকদের জন্য। এছাড়াও, স্টার টেক-অনলাইন, অথবা, রবিশপ, লুবনান, অ্যারোমেটিকা সহ বিভিন্ন অনলাইন শপে ১০% এবং ২০% হারে ৩০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। এদিকে, আমার পেট, পেট ফুড বিডি এবং পেট মামা থেকে পোষা প্রাণীর যত্নের জিনিসপত্র অর্ডার করার ক্ষেত্রেও এই ক্যাশব্যাক প্রযোজ্য।
রেস্টুরেন্ট: সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা দুই হাজারেরও বেশি রেস্তোরাঁয় ‘D4’ কুপন ব্যবহার করে গ্রাহকরা ৭৫০ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পেতে পারেন। ঢাকায় গ্যালিটো’স, বার্গার কিং, সিপি ফাইভ স্টার, চিলিস রেস্তোরাঁ, দিল্লি দরবার সহ ইত্যাদি বিভিন্ন আউটলেটে ছাড় উপভোগ করা যাবে। এদিকে, চট্টগ্রামে পিৎজা লাউঞ্জ, সিক্রেট রেসিপি, বে লিফ রেস্তোরাঁ, কুটুম বাড়ি, পাপা চিনোস ইত্যাদি বিভিন্ন আউটলেটে পাওয়া যাবে এই ডিসকাউন্ট। এছাড়াও, কেএফসির সেলফ-চেকআউটে কমপক্ষে ৬০০ টাকা বিকাশ পেমেন্ট করলে ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক মিলবে।
এদিকে, ডিসেন্ট পেস্ট্রি শপ, স্টার বেকারি, স্টার হোটেল অ্যান্ড রেস্তোরাঁর বিভিন্ন আউটলেটে গ্রাহকরা ইফতার কেনার উপর রমজানজুড়ে মোট ১,০০০ টাকা ডিসকাউন্ট উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও, ২৫০ টিরও বেশি অন্যান্য খাবারের দোকান এবং বেকারিতে ইফতার অর্ডার করে মিলতে পারে আরও ৫০০ টাকা ডিসকাউন্ট।
ইলেকট্রনিকস ও ফার্নিচার: ‘D6’ কোড ব্যবহার করে গ্রাহকরা সারাদেশে ওয়ালটন প্লাজা, হায়ার, সিঙ্গার, ভিশন এম্পোরিয়াম, অ্যাপল মার্ট বিডি এবং গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ারের ১২শর বেশি আউটলেটে ২০০ টাকার ছাড় পেতে পারেন। এদিকে, আখতার ফার্নিচার, ব্রাদার্স ফার্নিচার, হাতিল, হাই-টেক ফার্নিচার, নাদিয়া ফার্নিচার, নাভানা ফার্নিচার, অটোবি, তানিন বাংলাদেশ-এর মতো ফার্নিচার ব্র্যান্ডগুলোতে ৬০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাবে।
টিকেটিং এবং হোটেল বুকিং: ঈদের ছুটির আগে বিকাশ পেমেন্টে ইম্পেরিয়াল এক্সপ্রেস, সেবা গ্রিন লাইন, শ্যামলী পরিবহন সহ বেশকিছু বাসের টিকিটে ২০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাচ্ছেন গ্রাহকরা। এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা, এয়ার অ্যাস্ট্রা এবং নভো এয়ারে বিকাশ পেমেন্টের মাধ্যমে টিকিট বুক করে পাওয়া যাচ্ছে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক। এছাড়াও, গ্রাহকরা সারা দেশে নির্বাচিত হোটেল এবং রিসোর্ট বুকিং করে পেতে পারেন ৬০০ টাকা ক্যাশব্যাক।
এই রমজানে এবং ঈদের সময় বিকাশ পেমেন্টে কেনাকাটার সব ক্যাম্পেইন দেখে নেয়া যাবে এই লিংকে — https://www.bkash.com/campaign/ramadan-offer-payment-hero-2026
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
আইএফআইসি ব্যাংক ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, সেবা প্রদান প্রক্রিয়ায় অধিকতর গতিশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং ব্যাংকিং সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এখন থেকে নগরবাসী তাদের সকল প্রকার ট্যাক্স ও ফি আইএফআইসি ব্যাংকের মাধ্যমে সহজেই পরিশোধ করতে পারবেন।
গত ৩ মার্চ (মঙ্গলবার) কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের অতীন্দ্র মোহন রায় কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আইএফআইসি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ ক্রেডিট অফিসার জনাব মো. রফিকুল ইসলাম এর উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ব্যাংকের চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস জনাব হেলাল আহমেদ। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসক ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব জনাব মো. শাহ আলম।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা রিজিওনাল হেড ও শাখা ব্যবস্থাপক জনাব মো. ফরিদ আল মাহমুদ। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ মামুনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকগণ এখন থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের যেকোনো শাখা বা উপশাখার মাধ্যমে তাদের হোল্ডিং ট্যাক্সসহ যাবতীয় সরকারি ফি প্রদান করতে পারবেন। এর ফলে সেবা গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, সহজ এবং সময়োপযোগী হবে বলে উভয় প্রতিষ্ঠান আশা প্রকাশ করেছে।
আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি বিশ্বাস করে, এ ধরনের অংশীদারিত্বভিত্তিক উদ্যোগ নাগরিক সেবার আধুনিকায়ন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আধুনিক ব্যাংকিং সেবাকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়াই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
জাতিসংঘের ‘প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিং’-এ যোগ দিল সিটি ব্যাংক
বাংলাদেশের শীর্ষ টেকসই ও দায়িত্বশীল ব্যাংকিংয়ের বৈশ্বিক অঙ্গীকার নিয়ে জাতিসংঘের প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিং (পিআরবি) -এ স্বাক্ষর করেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। এর মাধ্যমে ব্যাংকটি ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম ফাইন্যান্স ইনিশিয়েটিভ (ইউএনইপি এফআই)-এর সদস্য হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটি ব্যাংক এই মাইলফলকের কথা জানায়। পিআরবি-তে স্বাক্ষরের মাধ্যমে সিটি ব্যাংক এখন থেকে বৈশ্বিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের ব্যবসায়িক কৌশল ও টেকসই অর্থায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
ইউএনইপি এফআই এর উদ্যোগে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ব্যাংকের সহযোগিতায় প্রণীত পিআরবি ব্যাংকসমূহকে তাদের ব্যবসায়িক কৌশল, পোর্টফোলিও এবং কার্যক্রমকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্যারিস চুক্তির উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য একটি বৈশ্বিক কাঠামো প্রদান করে।
১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএনইপি এফআই সারা বিশ্বের ব্যাংক, বীমা প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সঙ্গে জাতিসংঘের সংযোগ স্থাপন করে টেকসই অর্থায়ন সংক্রান্ত এজেন্ডা প্রণয়নে কাজ করে। এর জেনেভাভিত্তিক সেক্রেটারিয়েট বিশ্বব্যাপী ৫৫০ টিরও বেশি ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে।
পিআরবির স্বাক্ষরকারী হিসেবে সিটি ব্যাংক পিএলসি এখন একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের অংশ, যেখানে সদস্য ব্যাংকসমূহ সম্মিলিতভাবে আরও টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহনশীল আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। এই নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে সিটি ব্যাংক এখন থেকে তাদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাবগুলো আরও নিবিড়ভাবে মূল্যায়ন করবে। ব্যাংকটি আন্তর্জাতিক চর্চার সঙ্গে মিল রেখে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করবে।
পিআরবিতে যোগদান সম্পর্কে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন বলেন, প্রিন্সিপালস ফর রেসপনসিবল ব্যাংকিংয়ে যোগদান আমাদের টেকসই ব্যাংকিং যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা, জলবায়ু অর্থায়ন জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে আমাদের ভূমিকা বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরতে পারব।
তিনি আরও বলেন, এই সদস্যপদ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সফল ব্যাংকের অভিজ্ঞতা থেকে উদীয়মান টেকসই উন্নয়ন-সম্পর্কিত বিষয়গুলো সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি করবে।
এমএন




