রাজনীতি
ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে ভোট কেনার কৌশল চলছে: নাহিদ ইসলাম
ঢাকা-১১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের ভোট কেনার অপকৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। তবে ভোটাররা এখন সচেতন এবং তারা এই ধরনের ‘মিথ্যা আশ্বাস’ আর বিশ্বাস করছে না বলে তিনি দাবি করেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর সময় তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের আগেই ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ব্যানার নিয়ে আচরণবিধি ভঙ্গ করছে বিএনপির প্রার্থীরা। এছাড়া এনসিপির ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের স্বার্থে যা যা করা দরকার, তার সবই আমরা করব। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত মানুষ কেন্দ্র ছেড়ে যাবে না। ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত মানুষ কেন্দ্র পাহারা দেবে এবং ফলাফল নিয়েই ঘরে ফিরবে।
এমএন
রাজনীতি
পুলিশের জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান জানিয়েছেন, পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহিনীর ওপর আরোপিত জ্বালানি তেলের সীমাবদ্ধতা বা রেশনিং ইতোমধ্যে তুলে নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে দুই দিন আগেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর পয়েন্ট অব অর্ডারে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
কুমিল্লায় এক কাস্টমস কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে দুই দিন আগেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্য যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বিষয়টি আমরা এরই মধ্যে অ্যাড্রেস করেছি। পুলিশসহ ইমার্জেন্সি বাহিনী যারা আছে, পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার ব্রিগেড, তাদের ওপর যে এমবার্গো (নিষেধাজ্ঞা) ছিল, তা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দুই দিন আগেই এই সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করেছি এবং বিষয়টি ক্লিয়ার করে দেওয়া হয়েছে। আশা করি এই সমস্যা আর হবে না।
এর আগে সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী অভিযোগ করেন, জ্বালানি তেলের রেশনিংয়ের অজুহাতে পুলিশ রাতে টহল কমিয়ে দিয়েছে। যার ফলে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে।
রাজনীতি
মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্যকে ধারণ করে এগিয়ে যাবে দেশ: ইশরাক
মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ও চেতনাকে ধারণ করে আগামী দিনে দেশ এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, “তারেক রহমান কমিটির এক নম্বর সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় আমাদের উদ্বুদ্ধ করেছেন। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।”
মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে প্রতিষ্ঠার জন্য এবং যে কারণে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল সেটিকে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমরা শুনতে পেয়েছি এবং আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মুখে জেনেছি একাত্তরের পর একটা ভয়াবহ দুঃশাসন এবং একদলীয় শাসন জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হয়েছিল। এরপর বিগত ৫৪ বছর ধরে মুক্তিযুদ্ধের যে মূল লক্ষ্য ছিল সেটি থেকে বারবার দেশ বিচ্যুত হয়েছে।’
অবশেষে দীর্ঘ দেড় যুগের ফ্যাসিবাদী আন্দোলন শেষে আবারও গণতন্ত্রকে নতুন করে প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছেন জানিয়ে ইশরাক বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য চেতনাকে আমরা বাস্তবায়ন করবো। বাংলাদেশ স্বাধীন সার্বভৌম এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা মুক্তিযুদ্ধকে বুকে ধারণ করে আগামী দিনে এগিয়ে যাব।’
এ সময় রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্রের কথা বললে অবশ্যই সরকারি দল এবং বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকতে হবে। তবে প্রতিবাদ হতে পারে। কারণ প্রতিবাদও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিরই একটি অংশ। কিন্তু এর সাথে আলোচনাও থাকতে হবে।
আলোচনার মধ্য দিয়েই তৈরি বিভিন্ন ধরনের বিতর্কের অবসান হওয়া সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।
তিনি বলেন, ‘বিতর্ক ও আলোচনার মধ্য দিয়ে উদ্ভূত প্রশ্নের মীমাংসা হয়ে যাবে। তাতেই আমাদের গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। আর গণতন্ত্র শক্তিশালী হলে অর্থনীতির পাশাপাশি সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতাও শক্তিশালী হবে।’
রাজনীতি
কার্ড দিতে গিয়ে বিএনপির তেল ফুরিয়ে গেছে : নাহিদ
বিএনপি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে জনগণের মন ভোলানোর চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘এসব কার্ড দিতে গিয়ে বিএনপির তেল ফুরিয়ে গেছে, জ্বালানি ফুরিয়ে গেছে। অথচ মন্ত্রীরা সংসদে বলছেন, জ্বালানির সংকট নেই। তারা বাস্তব সমস্যাকে অস্বীকার করছেন, অর্থনৈতিক সমস্যাকে অস্বীকার করছেন।
দেশের আইন-শৃঙ্খলার যে ক্রমান্বয়ে অবনতি হচ্ছে, সেটাকেও অস্বীকার করছে বর্তমান সরকার।’
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা দেশের ও জনগণের স্বার্থে এই সরকারকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু বিএনপি সরকার সহযোগিতার সব দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে।
আমার জানা নেই, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে, মাত্র দুই মাসে, এত অজনপ্রিয় কোনো সরকার হয়েছিল কি না। এই সরকার গত দুই মাসে যে পরিমাণ অজনপ্রিয় হয়েছে, আমরা জানি না আগামী ছয় মাস পর এই সরকারের কী হবে।’
বিরোধীদলীয় হুইপ বলেন, ‘আমরা দেশে কোনো অস্থিতিশীলতা চাই না। আমাদের দাবি একটাই গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে প্রকৃত সম্মান দেওয়া।
এ দাবি আদায়ের জন্য আমরা সংসদে যেমন থাকব, রাজপথেও থাকব, ইনশাআল্লাহ।’
এনসিপির এই আহ্বায়ক বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছে। বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনগণ প্রতিজ্ঞা নিয়েছিল, দেশে আর নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্র ফিরে আসতে দেওয়া হবে না। সেই প্রতিজ্ঞা থেকেই দেশে সংস্কারের কার্যক্রম শুরু হয়।’
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কিন্তু বিএনপি প্রতি পদে পদে সংস্কার কার্যক্রমে বাধা দিয়ে আসছিল।
এক পর্যায়ে তারা বাধ্য হয়ে ঐকমত্য কমিশনে আসে এবং সেখানে এসেও প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রমে নোট অব ডিসেন্ট দিতে থাকে। সবশেষে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জনগণের চাপে তারা গণভোটে রাজি হলেও নির্বাচনের পরপরই গণভোটকে অস্বীকার করা শুরু করেছে। যে বিএনপির জন্ম হয়েছিল গণভোটের মাধ্যমে, সেই বিএনপি আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের গণভোটকে অস্বীকার করছে। কার্যত বিএনপি তার অস্তিত্বকেই অস্বীকার করতে শুরু করেছে।’
নাহিদ আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে বিএনপি যেভাবে আওয়ামী লীগের মতো দলীয়করণ শুরু করেছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে তারা একই পথে এগোচ্ছে। বিএনপি যদি আওয়ামী লীগের মতো দেশকে পুরোনো স্বৈরাচারের পথে নিয়ে যেতে চায়, তাহলে আবারও দেশের জনগণ তাদের প্রতিহত করবে। বাংলাদেশের তরুণ সমাজ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।’
রাজনীতি
হাজার চেষ্টা করলেও আ. লীগ হতে পারবেন না— বিএনপিকে জামায়াত আমির
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা একসঙ্গে মজলুম ছিলাম। বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই, হাজার চেষ্টা করেন, আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না। দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন। আওয়ামী লীগ জাতিকে নিয়ে বিরোধীদলকে নিয়ে ব্যঙ্গবিদ্রেুাপ করত।
আজকে তারা কোথায়! আপনারা এদের কাজ শুরু করেছেন।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধা জাতীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। জামায়াতে ইসলামী এ সমাবেশের আয়োজন করেছে। বিএনপি প্রতিটি বিষয়ে পতিত ও পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের পথ ধরে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।
বিএনপি জাতির সঙ্গে প্রতারণা করছে মন্তব্য করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, প্রত্যেকটি বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করে চলছে। এটি জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা। তারা তাদের নিজেদের ইশতেহারের বিরোধিতা করছে। আমার বোধহয়, তারা যে বিরোধিতা করছে, এই জ্ঞানটাও তারা হারিয়ে ফেলেছে।
বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরো বলেন, প্রিয় বিএনপি, ভুলে যাবেন না। এই জুলাই না হলে—এই মায়েদের এই বাবাদের এই ভাইদের এই বোনদের—সন্তান, স্বামী, ভাই, বোন জীবন না দিলে আপনারা ক্ষমতার তাখত ইনজয় করতে পারতেন না। তখতে বসে সব ভুলে গেছেন।
রাজনীতি
জামায়াত কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না: মির্জা ফখরুল
জামায়াতে ইসলাম কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির এক যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। মহান মে দিবস সফল করার লক্ষ্যে এই সভার আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করেছে। নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে–এমন বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এর মাধ্যমে আবারও দেশে বিভেদ ও ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে। তারা আসলে ভিন্নভাবে দেশে স্বৈরশাসন ফিরিয়ে আনার পাঁয়তারা করছে কি না, তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। জামায়াত কখনও সুস্থ চিন্তা করতে পারে না।
তিনি বলেন, একটি পক্ষ দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়। তারা বিএনপিকে সরিয়ে আবার ফ্যাসিস্ট সরকার আনতে চায়। ছাত্র রাজনীতিতে যারা উশৃঙ্খল আচরণ চালু করেছে, তাদের কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, একটি পক্ষ বিএনপিকে রাজনীতি থেকে দুরে সরাতে চেয়েছে। জামায়াতের আমির বলেছেন আমরা নাকি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছি। আমি তার বক্তব্যের নিন্দা ও প্রত্যাখ্যান করছি। কারণ এই নির্বাচন যে সুষ্ঠু হয়েছে তা দেশ-বিদেশে স্বীকৃত। বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে তারা আবার একটি ফ্যাসিস্ট সরকার আনতে চায় কি না তা দেখতে হবে।
তিনি জানান আগামী ১ মে শ্রমিক দিবস উপলক্ষে দুপুরে নয়াপল্টনে সমাবেশ করবে বিএনপি। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাবেম সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আমরা মনে করি সেদিন হবে আমাদের আগামীর রাজনীতির গতিপথ নির্ণয়ের শপথ নেওয়ার দিন।
ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস প্রমুখ।



