রাজধানী
ছুটির দিনেও ঢাকার বাতাস খুব অস্বাস্থ্যকর
বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর সারাজেভো। তবে এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানীর ঢাকা। এতে ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে গণ্য করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এ তথ্য জানা যায়।
৪০০ স্কোর নিয়ে আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার রাজধানী ও বৃহত্তম শহর সারাজেভো, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’। একই সময় ২৬৪ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ‘ঢাকা’।
আর ২১০ স্কোর নিয়ে এই তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের শহর ‘দিল্লি’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
আইকিউএয়ার স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা আইকিউএয়ার ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে। যেমন—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে থাকে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বায়ুদূষণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।
এমকে
রাজধানী
কোনো চাঁদাবাজি চলবে না, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ রয়েছে: ডিএসসিসির প্রশাসক
রাজধানীতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি (ডিএসসিসি) করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম।
সোমবার (৯ মার্চ) সকালে পুরান ঢাকার সিদ্দিক বাজার কমিউনিটি সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত বা অন্য কোথাও চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রীরও এ বিষয়ে কড়া নির্দেশনা রয়েছে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, নগরী পরিষ্কার রাখা শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে একা সম্ভব নয়। এ জন্য নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন। যারা ময়লা অপসারণের টেন্ডার নিয়েছেন, তারা নির্ধারিত টাকা অর্থাৎ ১০০ টাকার বেশি নিলে তাদের টেন্ডার বাতিল করা হবে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনও। তিনি বলেন, একটা স্মৃতি রেখে গেলাম এই কমিউনিটি সেন্টার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে। সবাই এক যোগে মিলেমিশে কাজ করবো।
এমএন
রাজধানী
রাজধানীতে সয়াবিন তেল সরবরাহে সংকট, বেড়েছে দামও
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে কেন্দ্র করে দাম বাড়তে পারে এ আশঙ্কায় চাহিদার চেয়ে বেশি তেল কিনতে শুরু করেছেন ভোক্তারা। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে হঠাৎ করে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। খুচরা বাজারে এখনো সরকার নির্ধারিত দামে তেল বিক্রি হলেও সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কিনছেন। এতে বাজারে চাপ আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
রাজধানীর শেওড়াপাড়া, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা, শাহজাদপুর, দক্ষিণ বনশ্রী ও মেরাদিয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার অধিকাংশ দোকানেই পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও কোথাও এক বা দুই লিটারের বোতল সীমিত পরিমাণে মিললেও অনেক দোকানে সেটিও নেই।
শেওড়াপাড়ার বাসিন্দা মিজানুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, তার প্রয়োজন ছিল দুই লিটারের একটি বোতল। কিন্তু আশপাশের কয়েকটি দোকান ও বাজার ঘুরেও না পেয়ে শেষ পর্যন্ত পাঁচ লিটারের বোতল কিনতে হয়েছে।
মোহাম্মদপুরের কৃষি মার্কেটের ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির জানান, স্বাভাবিক সময়ে তিনি ডিলারের কাছ থেকে দিনে ৮-১০ কার্টন তেল আনতেন। কিন্তু গত কয়েক দিনে তা কমে দুই-তিন কার্টনে নেমে এসেছে। এতে বাজারে বোতলজাত তেলের সংকট তৈরি হয়েছে।
বিক্রেতারা জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে তেল সরবরাহ তুলনামূলক কম। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অনেক ক্রেতা আশঙ্কা থেকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনছেন। ফলে বাজারে সরবরাহের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
কারওয়ান বাজারে কয়েকটি ডিলারের দোকানে বিভিন্ন এলাকার খুচরা বিক্রেতারা সেখানে ভিড় করছেন। তবে অনেকেই চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না। মগবাজার এলাকার বিক্রেতা মো. পলাশ গণমাধ্যমে বলেন, আগে যেখানে চার কার্টন তেল নিতেন, এখন ডিলার এক কার্টনের বেশি দিচ্ছে না।
বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি ডিলার পর্যায়েও দাম কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। পাঁচ লিটারের বোতল সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ৯৫৫ টাকা থাকলেও আগে ডিলারের কাছ থেকে এটি প্রায় ৯৩০ টাকায় পাওয়া যেত। এখন অনেক দোকানদারকে ৯৫০ টাকা পর্যন্ত দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এতে খুচরা বিক্রেতাদের মুনাফা কমে গেছে।
এদিকে বোতলজাত তেলের সংকটের মধ্যে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দামও বেড়েছে। কারওয়ান বাজারে গত চার দিনে খোলা সয়াবিন তেলের দাম কেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা বেড়ে ১৯৮-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খোলা পাম তেলের দামও বেড়ে কেজিতে প্রায় ১৭০ টাকায় পৌঁছেছে।
যদিও তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাজারে সরবরাহ সংকটের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ফ্রেশ ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল উৎপাদনকারী মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, তারা নিয়মিত তেল সরবরাহ করছেন এবং উৎপাদনেও কোনো ঘাটতি নেই। রমজানকে সামনে রেখে অতিরিক্ত তেল আমদানিও করা হয়েছে।
সিটি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বিশ্বজিৎ সাহা গণমাধ্যমে বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠান সরবরাহ কমায়নি। তবে এলসি-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে কিছু ছোট কোম্পানি তেল আমদানি করতে পারছে না। পাশাপাশি রমজানে চাহিদা বৃদ্ধি এবং কিছু মানুষের মজুদের কারণেও বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফারুক আহম্মেদ জানিয়েছেন, বাজারে সরবরাহ-সংকটের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
এমএন
রাজধানী
প্রতি শনিবার সবার সঙ্গে মতবিনিময় করবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন এলাকার দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নাগরিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে টেকসইভাবে সমাধানের লক্ষ্যে প্রতি শনিবার ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ পালনের উদ্যোগ নিয়েছে ডিএসসিসি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) ডিএসসিসির পক্ষ থেকে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম নগর ভবনে তার কার্যালয়ে সর্বসাধারণের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত (রমজান মাস ব্যতীত অন্যান্য সময়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত) নগর ভবনে প্রশাসকের কার্যালয়ে ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’ অনুষ্ঠিত হবে।
এ সময় নগরীর বিভিন্ন সমস্যা, অভিযোগ ও নাগরিক সেবাসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষ সরাসরি প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নাগরিকদের ‘পাবলিক হিয়ারিং ডে’-তে উপস্থিত হয়ে প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাজধানী
রাজধানীতে রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪
রাজধানীর সায়েন্সল্যাব ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। সায়েন্সল্যাব মোড়ে ট্রাকের ধাক্কায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক সুমন ও তার মেয়ে নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে তেজগাঁওয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা উলটে চালক ও এক যাত্রীসহ প্রাণ গেছে দুজনের।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতের ঈদ শপিং শেষে ফেরার পথে এ দুটি ঘটনাই ঘটেছে।
জানা যায়, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক সাজু আহমেদ সুমন তার একমাত্র মেয়ে ২৩ বছরের সিথিকে নিয়ে বের হয়েছিলেন ঈদ কেনাকাটায়। কেনাকাটা শেষ হলেও বাড়ি ফেরা হয়নি বাবা ও মেয়ের। রাত ৯টার দিকে বাবার মোটরসাইকেলে বাসায় ফিরছিলেন সিথি। সায়েন্সল্যাব মোড়ে পৌঁছেলে একটি বালুর ট্রাক মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সুমন। স্থানীয়রা সিথিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে রাতে রাজধানীর তেজগাঁওয়েও ঘটেছে একই ঘটনা। হারুনর রশিদ সানি ঈদের কেনাকাটা শেষে পরিবার নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় ফিরছিলেন। কিন্তু সাত রাস্তার মোড়ে অটোরিকশাটি ইউটার্ন নেওয়ার সময় আইল্যান্ডে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের ঢামেক হাসপাতালে নিলে হারুনর রশিদ সানি ও অটোরিকশাচালক আলিমকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সূত্র জানায়, এ ঘটনায় সানির স্ত্রী ও তার বোন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, লাশগুলো হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশকে জানানো হয়েছে, তারা যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে।
রাজধানী
ডিএনসিসির তহবিল নিয়ে সাবেক প্রশাসকের চাঞ্চল্যকর জালিয়াতি!
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সাবেক প্রশাসকের দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় করপোরেশনের ব্যাংক হিসাবে ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা থাকার দাবিকে সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও অসত্য হিসেবে অভিহিত করেছেন বর্তমান প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করার লক্ষ্যে শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি ডিএনসিসির প্রকৃত আর্থিক চিত্র তুলে ধরেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন করপোরেশনের দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহের মূল উৎস ‘সাধারণ তহবিলে’ ক্যাশ স্থিতি ছিল মাত্র ২৫ কোটি টাকা, যা ডিএনসিসির ইতিহাসে সর্বনিম্ন।
এ ছাড়া বিভিন্ন আপৎকালীন ও স্থায়ী তহবিলে (পেনশন, জিপিএফ, জামানত ইত্যাদি) সংরক্ষিত ফিক্সড ডিপোজিট হিসেবে ছিল ৮২৫ কোটি টাকা, যা আইনত সাধারণ খরচ বা উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করার সুযোগ নেই।
সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এই সংরক্ষিত ফিক্সড ডিপোজিট এবং বিভিন্ন নির্দিষ্ট তহবিলের সঞ্চয় মিলিয়ে মোট ১ হাজার ২৬০ কোটি টাকার একটি হিসাব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে বর্তমান প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন বলে বর্তমান প্রশাসক উল্লেখ করেন।
বিবৃতিতে জানানো হয়, ১ জুলাই ২০২৪ থেকে ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত ডিএনসিসির মোট ক্যাশ ব্যালেন্স ছিল ১ হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা। সাবেক প্রশাসক দায়িত্ব গ্রহণের পর উচ্চাভিলাষী ও অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে ওই অর্থবছরে ১ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা ব্যয় করেন। পরবর্তী সময়ে ১ জুলাই ২০২৫ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে তিনি আরও ১ হাজার ১৩১ কোটি টাকা খরচ করেন।
বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয় যে, সাবেক প্রশাসক তার শেষ কর্মদিবসে (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই তাড়াহুড়ো করে ৩৬টি বিলের নথি অনুমোদন করে গেছেন, যার অর্থমূল্য প্রায় ৪২ কোটি টাকা। এই নথিগুলো বর্তমানে অধিকতর যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘সাবেক প্রশাসক তঞ্চকতার আশ্রয় নিয়ে সাধারণ তহবিল ও সংরক্ষিত তহবিলকে একত্রে মিলিয়ে নগরবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস চালিয়েছেন।’ ডিএনসিসির আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং সঠিক তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরতেই এই ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো বলে তিনি জানান।
এমএন




