রাজনীতি
এই নির্বাচন ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নির্বাচন: নাহিদ
১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পর এই নির্বাচন ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নির্বাচন। এক হাসিনা গিয়ে আরেক হাসিনা, এক চাঁদাবাজ গিয়ে আরেক চাঁদাবাজ আসার জন্য মানুষ জীবন দেয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৈষম্যমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে তিনি ১০ দলীয় ঐক্যের পক্ষে ভোট চেয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ঢাকা-১১ আসনে আয়োজিত এক গণমিছিলে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এবারের নির্বাচন কেবল সরকার পরিবর্তনের নয়; বরং ক্ষমতার কাঠামো সংস্কার এবং রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গড়ে তোলার নির্বাচন।
গণমিছিলে ঢাকা-১১ আসনের স্থানীয় সমস্যার কথাও তুলে ধরেন এনসিপির এই নেতা বলেন, এলাকাটিতে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটসহ নানা নাগরিক সমস্যা বিদ্যমান। নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি চাঁদাবাজি সম্পূর্ণ নির্মূলের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।
এমকে
রাজনীতি
অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান হলে সবারই একই পরিণতি হবে: সালাহউদ্দিন
বাংলাদেশের অবরুদ্ধ গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে, জনগণ তাদের মালিকানা ফিরে পেয়েছে। তাই আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী রূপ দিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে মুক্ত পরিবেশে স্বাধীনভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। এ দেশে যেন আর কোনোদিন ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে, সে ব্যবস্থা করতে হবে। অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান হলে সবারই একই পরিণতি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার সকাল ১১টায় চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে আসছে। শহীদের অঙ্গীকার, ছাত্র-জনতার প্রত্যাশা এবং এ দেশের সকল মানুষের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন শহীদ জিয়াউর রহমান, এ দেশের উন্নয়ন করেছে বিএনপি, স্বাধীনতা রক্ষা করেছে বিএনপি। এ দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অপর নাম বিএনপি। তাছাড়া আমরা লক্ষ্য করছি দেশে একটি শক্তি বিদেশিদের গোলামী করে বিভ্রান্তিকর রাজনীতি করছে।
সুতরাং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম. মোবারক আলী, চকরিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল কবির চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এমকে
রাজনীতি
নির্বাচন বানচাল করতে গুপ্ত হামলা চালানো হচ্ছে: মির্জা ফখরুল
কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতা হাসান মোল্লাকে গুলির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচাল করতে এ ধরনের গুপ্ত হামলা চালানো হচ্ছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ের সামনে কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলার হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লাকে (৪২) গুলি করে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর ঘাপটি মেরে থাকা দুষ্কৃতকারীরা আবারও দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিসহ নানা ধরনের অরাজকতা সংঘটিত করছে।
‘হাসান মোল্লার হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়ার বিকল্প নেই। তা না হলে তারা আরও বড় ধরনের নাশকতা ঘটাতে পারে’—বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ দেশের মানুষের জানমাল রক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সব শ্রেণিপেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ক্রমবর্ধমান অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাতে হবে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে সরকারকে অবশ্যই দেশে ভয়শূন্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব হাসান মোল্লাসহ অন্য নেতাকর্মীদের ওপর হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি হাসান মোল্লাসহ আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনাসহ তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জানান।
এমকে
রাজনীতি
ইনসাফভিত্তিক একটি সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণ করব: হাসনাত আবদুল্লাহ
আমরা ন্যায় এবং ইনসাফভিত্তিক একটি সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণ করব। আগ্রাসনবিরোধী, আধিপত্যবিরোধী শক্তির অবসান ঘটাব। একটি সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করব বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনে জামায়াত জোটের মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ী এলাকায় উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত বলেন, গত দেড় বছরে এনসিপি এবং জামায়াত জোটের নেতাকর্মীরা চাঁদা নিতে এলাকায় আসেনি। কেউ হাট-বাজার দখল করতে আসেনি। সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে চাঁদাবাজি করেনি। এবার রেমিট্যান্স যোদ্ধা, কলকারখানার শ্রমিক এবং মেহনতি মানুষের মধ্য থেকেই নেতা নির্বাচিত হবে।
এলাকার কৃষক-শ্রমিক মেহনতী মানুষ জানে হাসনাত আবদুল্লাহ যদি নির্বাচিত হয় অন্ততপক্ষে চাঁদাবাজি করবে না। তাই এবার তারা অন্য পার্টির মিছিল-মিটিং করবে কিন্তু গোপনে এসে আমাকেই ভোটটা দেবে। তারা ভালো করেই জানে আমার দ্বারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, অনিয়ম-দুর্নীতি কখনো সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে জনগণ ঋণখেলাপি, দুর্নীতিবাজ, জনগণের অর্থ আত্মসাৎকারীদের বর্জন করবে। একটি পরিবর্তনের লক্ষ্যে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে তিনি নিজ নির্বাচনি এলাকায় ভোর থেকেই মাঠে নেমে পড়েন। দেবিদ্বার উপজেলা সদরের নিউমার্কেট এলাকায় তিনি শাপলা কলির পক্ষে স্লোগান দিয়ে প্রচারণা শুরু করেন।
এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম সহিদসহ জামায়াত-শিবির ও এনসিপির নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছিলেন।
এমকে
রাজনীতি
উত্তরবঙ্গকে শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই উত্তরবঙ্গকে পরিকল্পিতভাবে গরিব করে রাখা হয়েছে। অথচ ইচ্ছে করেই একে পিছিয়ে রাখা হয়েছে, অবহেলা করা হয়েছে। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি, উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে দিতে পাঁচ বছরই যথেষ্ট। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। উত্তরবঙ্গকে আমরা শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা সদরের চিনিকল মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা উত্তরাঞ্চলে বেকার যুবক দেখতে চাই না। আমরা চাই প্রতিটি মানুষের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দিতে। প্রতিটি নাগরিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আল্লাহ-তায়ালা দায়িত্ব দিলে আমরা প্রতিটি জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তুলবো। পঞ্চগড়েও বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। যারা ভেবেছেন এত টাকা কই পাবো; ২৮ লাখ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছে, তাদের পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে সেই টাকা বের করে আনা হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পঞ্চগড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো আবার চালু করতে চাই। আগামী দিনে আপনাদের সঙ্গে নিয়েই দায় ও দয়ার বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা যুবসমাজের হাত শক্তিশালী করবো, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আমাদের কোনো কার্ড নেই। আপনারাই আমাদের শক্তি, আপনারাই আমাদের কার্ড। এতদিন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত আওয়াজ উঠেছে, কিন্তু ভারসাম্য ছিল না। এবার আমরা স্লোগান দেবো তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ।
তিনি বলেন, কেউ কেউ বসন্তের কোকিল, উড়ে এসে জুড়ে বসে। কিন্তু আমরা দুঃখ-কষ্টের সময় দেশবাসীকে ফেলে কোথাও যাইনি, ভবিষ্যতেও যাবো না-ইনশাআল্লাহ।
১২ তারিখে বিজয় ছিনিয়ে আনা পর্যন্ত আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে। আর কোনো পুরোনো দুর্বৃত্ত যেন নতুন কোনো পোশাকে ফিরে আসতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধানসহ ১০ দলীয় নেতারা।
এমএন
রাজনীতি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলই যুক্ত: ফরহাদ মাজহার
দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল কোনো না কোনোভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক ফরহাদ মাজহার। তিনি বলেন, অনেকে ভারতবিরোধী কথা বললেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তেমন সোচ্চার নন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা মঞ্চ’ আয়োজিত দেশব্যাপী গ্যাস, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং নাগরিক সমাজের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফরহাদ মাজহার বলেন, গাজায় তথাকথিত ‘স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ পাঠানোর বিষয়ে জামায়াত কোনো আপত্তি তোলেনি।
তিনি বলেন, ‘জামায়াত বলে নাই যে, গাজাতে এই যে স্টেবিলাইজেশন ফোর্স যাচ্ছে আমার সেখানে আপত্তি আছে। তাহলে বোঝা গেল জামাতের সঙ্গে অবশ্যই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটা নীতি সম্পর্ক রয়েছে। ফলে আগে থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই বক্তব্যটা দিচ্ছে। এটা আমি ভয়ঙ্কর অমঙ্গল সংকেত হিসেবে দেখি।’
যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বড় ভূরাজনৈতিক শক্তি উল্লেখ করে ফরহাদ মাজহার বলেন, বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক আইন বলে কিছু কার্যকর নেই। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণই তার প্রমাণ।
তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই কোনো না কোনোভাবে যুক্ত। অনেকেই ভারতবিরোধী কথা বলেন, কিন্তু মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তেমন কথা বলেন না।’
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজর (অব.) আহমেদ ফেরদৌস এবং কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ রোমেল।
এমকে



