রাজনীতি
জামায়াত আমির পঞ্চগড়ে যাচ্ছেন আজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনি কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ শুক্রবার পঞ্চগড় সফরে যাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সফরকালে তিনি পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন।
দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতি তুলে ধরবেন। পাশাপাশি তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সাংগঠনিক দিকনির্দেশনাও প্রদান করবেন।
এই জনসভাকে ঘিরে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। জনসভা সফল করতে এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইকবাল হোসাইন বলেন, দেশের জনগণ একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করে। তিনি আরও বলেন, এই প্রত্যাশা বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
তিনি জানান, পঞ্চগড়ের জনসভা থেকে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানানো হবে।
এমকে
রাজনীতি
ইনসাফভিত্তিক একটি সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণ করব: হাসনাত আবদুল্লাহ
আমরা ন্যায় এবং ইনসাফভিত্তিক একটি সমাজ ব্যবস্থা বিনির্মাণ করব। আগ্রাসনবিরোধী, আধিপত্যবিরোধী শক্তির অবসান ঘটাব। একটি সুন্দর সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করব বলে মন্তব্য করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনে জামায়াত জোটের মনোনীত প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলাবাড়ী এলাকায় উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত বলেন, গত দেড় বছরে এনসিপি এবং জামায়াত জোটের নেতাকর্মীরা চাঁদা নিতে এলাকায় আসেনি। কেউ হাট-বাজার দখল করতে আসেনি। সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে চাঁদাবাজি করেনি। এবার রেমিট্যান্স যোদ্ধা, কলকারখানার শ্রমিক এবং মেহনতি মানুষের মধ্য থেকেই নেতা নির্বাচিত হবে।
এলাকার কৃষক-শ্রমিক মেহনতী মানুষ জানে হাসনাত আবদুল্লাহ যদি নির্বাচিত হয় অন্ততপক্ষে চাঁদাবাজি করবে না। তাই এবার তারা অন্য পার্টির মিছিল-মিটিং করবে কিন্তু গোপনে এসে আমাকেই ভোটটা দেবে। তারা ভালো করেই জানে আমার দ্বারা চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, অনিয়ম-দুর্নীতি কখনো সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচনে জনগণ ঋণখেলাপি, দুর্নীতিবাজ, জনগণের অর্থ আত্মসাৎকারীদের বর্জন করবে। একটি পরিবর্তনের লক্ষ্যে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।
প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে তিনি নিজ নির্বাচনি এলাকায় ভোর থেকেই মাঠে নেমে পড়েন। দেবিদ্বার উপজেলা সদরের নিউমার্কেট এলাকায় তিনি শাপলা কলির পক্ষে স্লোগান দিয়ে প্রচারণা শুরু করেন।
এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম সহিদসহ জামায়াত-শিবির ও এনসিপির নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে ছিলেন।
এমকে
রাজনীতি
উত্তরবঙ্গকে শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই উত্তরবঙ্গকে পরিকল্পিতভাবে গরিব করে রাখা হয়েছে। অথচ ইচ্ছে করেই একে পিছিয়ে রাখা হয়েছে, অবহেলা করা হয়েছে। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি, উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে দিতে পাঁচ বছরই যথেষ্ট। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। উত্তরবঙ্গকে আমরা শিল্পের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা সদরের চিনিকল মাঠে ১০ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা উত্তরাঞ্চলে বেকার যুবক দেখতে চাই না। আমরা চাই প্রতিটি মানুষের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দিতে। প্রতিটি নাগরিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আল্লাহ-তায়ালা দায়িত্ব দিলে আমরা প্রতিটি জেলায় বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তুলবো। পঞ্চগড়েও বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। যারা ভেবেছেন এত টাকা কই পাবো; ২৮ লাখ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করেছে, তাদের পেটের ভেতর হাত ঢুকিয়ে সেই টাকা বের করে আনা হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পঞ্চগড়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলগুলো আবার চালু করতে চাই। আগামী দিনে আপনাদের সঙ্গে নিয়েই দায় ও দয়ার বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা যুবসমাজের হাত শক্তিশালী করবো, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, আমাদের কোনো কার্ড নেই। আপনারাই আমাদের শক্তি, আপনারাই আমাদের কার্ড। এতদিন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত আওয়াজ উঠেছে, কিন্তু ভারসাম্য ছিল না। এবার আমরা স্লোগান দেবো তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ।
তিনি বলেন, কেউ কেউ বসন্তের কোকিল, উড়ে এসে জুড়ে বসে। কিন্তু আমরা দুঃখ-কষ্টের সময় দেশবাসীকে ফেলে কোথাও যাইনি, ভবিষ্যতেও যাবো না-ইনশাআল্লাহ।
১২ তারিখে বিজয় ছিনিয়ে আনা পর্যন্ত আমাদের কাজ অব্যাহত থাকবে। আর কোনো পুরোনো দুর্বৃত্ত যেন নতুন কোনো পোশাকে ফিরে আসতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধানসহ ১০ দলীয় নেতারা।
এমএন
রাজনীতি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলই যুক্ত: ফরহাদ মাজহার
দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল কোনো না কোনোভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক ফরহাদ মাজহার। তিনি বলেন, অনেকে ভারতবিরোধী কথা বললেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তেমন সোচ্চার নন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা মঞ্চ’ আয়োজিত দেশব্যাপী গ্যাস, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট এবং নাগরিক সমাজের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা বিষয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফরহাদ মাজহার বলেন, গাজায় তথাকথিত ‘স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ পাঠানোর বিষয়ে জামায়াত কোনো আপত্তি তোলেনি।
তিনি বলেন, ‘জামায়াত বলে নাই যে, গাজাতে এই যে স্টেবিলাইজেশন ফোর্স যাচ্ছে আমার সেখানে আপত্তি আছে। তাহলে বোঝা গেল জামাতের সঙ্গে অবশ্যই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটা নীতি সম্পর্ক রয়েছে। ফলে আগে থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই বক্তব্যটা দিচ্ছে। এটা আমি ভয়ঙ্কর অমঙ্গল সংকেত হিসেবে দেখি।’
যুক্তরাষ্ট্রকে একটি বড় ভূরাজনৈতিক শক্তি উল্লেখ করে ফরহাদ মাজহার বলেন, বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক আইন বলে কিছু কার্যকর নেই। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণই তার প্রমাণ।
তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলই কোনো না কোনোভাবে যুক্ত। অনেকেই ভারতবিরোধী কথা বলেন, কিন্তু মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তেমন কথা বলেন না।’
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজর (অব.) আহমেদ ফেরদৌস এবং কবি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মোহাম্মদ রোমেল।
এমকে
রাজনীতি
তথ্য জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্র বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান আমিনুল হকের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক ধর্মের অপব্যবহার, তথ্য জালিয়াতি এবং ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে মিরপুরের ১২ নম্বর পল্লবী স্টেশনের সামনে থেকে গণসংযোগ কর্মসূচি শুরুকালে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, যারা ধর্মকে রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে ভোট আদায়ের চেষ্টা করছে, তারা মূলত ধর্মের নামে মিথ্যাচার করছে এবং ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। জান্নাত দেওয়ার মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। কোনো ব্যক্তি বা কোনো নির্বাচনী প্রতীক কাউকে জান্নাত দিতে পারে না। তাই রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের অপব্যবহার থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
বিএনপির অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় ধর্মীয় ও ইসলামিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। আমরা কখনো ধর্মকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করি না। আমাদের লক্ষ্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
আমিনুল হক বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী চক্র বর্তমানে সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের এনআইডি নম্বর ও মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর সংগ্রহ করছে। এটি জালিয়াতি কিংবা জাল ভোটের একটি গভীর ষড়যন্ত্র হতে পারে। আমি দেশবাসীকে অনুরোধ করব—আপনারা কোনো অবস্থাতেই এমন স্পর্শকাতর তথ্য কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না।
বিদেশি ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কিছু রাজনৈতিক শক্তি বিদেশি মদদে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে বিএনপি কোনো ষড়যন্ত্রে পা দেবে না। আমরা সবসময় জনগণের পাশে আছি এবং জনগণের রায়কেই চূড়ান্ত বলে সম্মান জানাব।
পল্লবী স্টেশন থেকে শুরু হওয়া এই গণসংযোগে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় আমিনুল হক ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন এবং সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন।
রাজনীতি
ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচনী জনসভার সময় পরিবর্তন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচনী জনসভার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
পূর্বনির্ধারিত দুপুরের পরিবর্তে আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে জনসভা।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমর্থনে আয়োজিত এ জনসভা ভাসানটেকের বিআরবি মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। তবে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, নির্ধারিত নতুন সময়ে সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে জনসভাটি সফলভাবে সম্পন্ন হবে।
এর আগে, গতকাল থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণা শুরু করেছে। মানুষের কাছে গিয়ে তারা বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাচ্ছেন । এদিকে, ৭ জেলায় সমাবেশ শেষে আজ শুক্রবার ভোরে রাজধানীতে ফিরেছেন ঢাকা-১৭ নির্বাচনী আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার নির্বাচনী প্রচারের প্রথম দিন সিলেট থেকে সমাবেশ শুরু করেন তিনি। ওই দিন বেলা ১২টায় সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রথম নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এরপর বেলা ৩টায় মৌলভীবাজার, সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় হবিগঞ্জ, রাত সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, রাত সোয়া ১২টায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় বক্তব্য দেন তিনি। রাত ৩টায় নরসিংদীর পৌর পার্কসংলগ্ন মাঠে পৌঁছান তারেক রহমান।
সর্বশেষ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার রূপগঞ্জের গাউসিয়ায় সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে রাত ৪টার কিছু সময় পর তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।



