জাতীয়
ইসলামপন্থি দলগুলোতে প্রার্থীদের সংখ্যা বেড়েছে বড়ো আকারে: টিআইবি
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামপন্থি দলগুলোতে প্রার্থীদের সংখ্যা বড়ো আকারে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, নির্বাচনে মোট প্রার্থীর ৩৬ শতাংশের বেশি ইসলামপন্থি দলগুলোর। বিগত পাঁচটি নির্বাচনের মধ্যে এই হার সর্বোচ্চ।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত ‘হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ এবং কেওয়াইসি ড্যাশবোর্ড উন্মুক্তকরণ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় সংস্থাটি।
টিআইবি জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী ১৯৮১ জন। প্রথমবার নির্বাচন করছেন ১৬৯৬ জন। এতে ১৩ শতাংশ স্বতন্ত্র, ৮৭ শতাংশ রাজনৈতিক দলের প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া ৩৬ শতাংশ ইসলামী দলের প্রার্থী প্রায় ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ প্রার্থী স্নাতক পাস। প্রার্থীদের মধ্যে ৪৮ শতাংশ ব্যবসায়ী।
টিআইবি জানায়, নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে রাজনীতিকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী। প্রার্থীদের মধ্যে বছরে ১ কোটি টাকা আয় করেন এমন প্রার্থী সংখ্যা ১২৪ জন। ১০০ কোটি টাকার বেশি অস্থাবর সম্পদ আছে এমন প্রার্থী ১৩ জন।
কোটিপতি প্রার্থীদের তালিকা করেছে টিআইবি। কোটিপতি প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির রয়েছেন ৭১ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রার্থী, জামায়াতের ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ প্রার্থী, জাতীয় পার্টির ১৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ প্রার্থী, এনসিপির ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ প্রার্থী রয়েছেন। একশ কোটি টাকা মালিক রয়েছেন ২৭ জন প্রার্থী।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৫৩০ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা আছে, যা মোট প্রার্থীর ২২ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এ ছাড়া মোট প্রার্থীর সাড়ে ২৫ শতাংশ ঋণগ্রস্ত বলেও জানিয়েছে টিআইবি।
এমকে
জাতীয়
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে আসছে কমনওয়েলথের দল
ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট এইচ ই নানা আকুফো-আদোর নেতৃত্বে বাংলাদেশে আসছে কমনওয়েলথের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি পর্যবেক্ষক দল। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই চার্টারের ওপর অনুষ্ঠিতব্য গণভোট পর্যবেক্ষণ করবেন তারা।
গতকাল বুধবার লন্ডনে এক ঘোষণায় এ কথা জানান কমনওয়েলথের মহাসচিব শার্লি বোচওয়ে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আমাদের দল মোতায়েনের মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মৌলিক গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করছি। বাংলাদেশে আমাদের উপস্থিতি কেবল পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব থেকেই পরিচালিত নয়, বরং এই গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা সমুন্নত রাখার প্রতিশ্রুতির অংশ।
কমনওয়েলথ মহাসচিব আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতিতে নতুন বছরের শুরুতে নিজেদের সময় দেবার জন্য এই বিশিষ্ট কমনওয়েলথ নাগরিকদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
প্রতিনিধি দলের প্রধান আকুফো-আদোর সঙ্গে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, আইন, গণমাধ্যম, জেন্ডার ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা যোগ দেবেন। পর্যবেক্ষক দলকে সহায়তা করবে কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট -এর একটি দল, যার নেতৃত্বে থাকবেন ইলেক্টোরাল সাপোর্ট সেকশনের প্রধান ও উপদেষ্টা লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজ।
কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের ম্যান্ডেট হলো নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা এবং নির্বাচন ও গণভোট বিশ্বাসযোগ্য, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না—সে বিষয়ে একটি স্বাধীন মূল্যায়ন প্রদান করা। দলটি বাংলাদেশের জাতীয় আইনসহ যেসব মানদণ্ডে বাংলাদেশ নিজেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করেছে, তার আলোকে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিচালনা সম্পর্কে প্রতিবেদন দেবে।
মিশন সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যবেক্ষক দল তাদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশসম্বলিত একটি প্রতিবেদন কমনওয়েলথ মহাসচিবের কাছে জমা দেবে। পরবর্তীতে এই প্রতিবেদন বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলসমূহ, সকল কমনওয়েলথ সরকার এবং সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে।
জাতীয়
প্রতীক নিয়ে ভোটের প্রচারণা শুরু, কোন দল কোথায় করবে
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদেরকে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার নিজ নিজ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রতীক বুঝে নেন প্রার্থীরা। আজ (২২ জানুয়ারি) শুরু হলো নির্বাচনি প্রচার। এরমধ্য দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে সংসদ নির্বাচন।
নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, প্রচার চালানো যাবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও হবে একই দিন।
রাজনৈতিক দলগুলো বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার শুরু করতে যাচ্ছে।
আজ সকালে সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠে নির্বাচনি সমাবেশের মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করবে বিএনপি। এই সমাবেশসহ প্রথম দিন সাতটি জেলায় সমাবেশে যোগ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
জেলাগুলো হলো= সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার।
অন্যদিকে আজ দুপুর দুইটায় রাজধানীর মিরপুরে আদর্শ স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভার আয়োজন করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির আমির শফিকুর রহমানসহ ১০ দলীয় জোটের নেতারা এতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
একই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিন নেতার সমাধি ও শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচার শুরু করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসপি)।
আজ বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচার শুরু করবে সিপিবি।
সকাল ৯টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার চরলহনিয়াতে বাবার কবর জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মাথাল মার্কার নির্বাচনি প্রচার শুরু করবেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন মোট ১৯৬৭ জন প্রার্থী। প্রার্থীদের নানা অভিযোগ থাকলেও তাদের প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করবে কমিশন।
এমকে
জাতীয়
নির্বাচনের আগে-পরে ১২ দিন মাঠে থাকবে যৌথ বাহিনী
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে যৌথ বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভোটের আগে চারদিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর আরও সাত দিন মাঠে থাকবেন যৌথ বাহিনীর সদস্যরা।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) নির্বাচন সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজধানীর তেজগাঁয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সভায় স্বরাষ্ট্র সচিব বলেন, আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে বডি ক্যামেরা পৌঁছে যাবে। পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহার করবেন।
আজ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিবের নেতৃত্বে একাধিক টিম নির্বাচন-সংক্রান্ত মাঠপর্যায়ের যাবতীয় তথ্য ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং ও রেকর্ড করবে বলেও জানান নাসিমুল গনি।
তিনি বলেন, বডি ক্যামেরার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট এলাকায় কানেক্ট হওয়া যাবে। এর মাধ্যমে সব ঘটনা রেকর্ড করা যাবে।
এ সময় তিনি বডি ক্যামেরা ব্যবহারের ওপর একটি ভিডিওচিত্র উপস্থাপন করেন।
এমকে
জাতীয়
৩০০ আসনে নির্বাচন নিশ্চিত, মধ্যরাত থেকে ব্যালট ছাপা শুরু
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসন নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে। ফলে ৩০০ আসনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও জানান, বুধবার মধ্যরাত থেকেই ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হবে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
শফিকুল আলম বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট গণনার ক্ষেত্রে কিছুটা সময় বেশি লাগতে পারে। সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের ব্যালট একসঙ্গে গণনা করতে হওয়ায় ভোটকেন্দ্রগুলোতে ফল ঘোষণা বিলম্বিত হতে পারে বলেও জানান তিনি।
বডি অন ক্যামেরার ছবি পেয়ে কুইক রেসপন্স করা হবে বলেও জানান। শফিকুল আলম বলেন, ‘২৫ হাজার ৫০০ বডি অন ক্যাম থাকবে পুলিশের কাছে। এর ফুটেজ সুরক্ষা অ্যাপে যুক্ত হবে, যা দেখে কুইক রেসপন্স নিশ্চিত করা হবে।’
ভোটের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন এবং লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারেও তাগিদ দিয়েছেন বলে জানান প্রেসসচিব।
বুধবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয়
আসন্ন নির্বাচনের ভোট গণনায় দেরি হতে পারে: প্রেস সচিব
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গণনায় দেরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক বিষয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।
প্রেস সচিব বলেন, সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট একইদিন হওয়ায় এবার ভোট গণনায় দেরি হতে পারে। এছাড়া নির্বাচনের সময় তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতে উন্নত ইন্টারনেট সেবা দিতে চারটি মোবাইল ফোন কোম্পানিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বডি অন ক্যামেরার ছবি পেয়ে কুইক রেসপন্স করা হবে বলেও জানান তিনি। শফিকুল আলম বলেন, ২৫ হাজার ৫০০ বডি অন ক্যাম থাকবে পুলিশের কাছে। এর ফুটেজ সুরক্ষা অ্যাপে যুক্ত হবে, যা দেখে কুইক রেসপন্স নিশ্চিত করা হবে।
প্রেস সচিব আরও জানান, ভোটের সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারেও তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠক হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে। এতে নির্বাচনের নিরাপত্তা পর্যালোচনা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভোটের সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে সমন্বয় করে কাজ করবেন। এ সময় ১ লাখ সেনা সদস্য, নৌ বাহিনীর ৫ হাজার, বিমান বাহিনীর সাড়ে ৩ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। অন্য বাহিনীর সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসও থাকবে। আরও থাকবে ৫০০ ড্রোন।
প্রেস সচিব বলেন, এবার নির্বাচনে অংশ নেবেন ১৮৪২ জন বৈধ প্রার্থী। দায়িত্বে থাকবেন ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৬৫৭ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও এক হাজার ৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। যেখানে জেলা প্রশাসক জেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি।
নির্বাচনী সুরক্ষা নামে একটি অ্যাপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিভাবে কাজ করবেন বলেও জানান প্রেস সচিব।



