আন্তর্জাতিক
মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া
আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের গণহত্যার অভিযোগে বিচার শুরু হয়েছে। গত সোমবার এই বিচার শুরু হয়। মামলার বাদী গাম্বিয়া বলেছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূলের লক্ষ্যে টার্গেট করা হয়েছে। তাদের জীবনকে মিয়ানমার এক বিভীষিকাময় দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।
গত এক দশকেরও বেশি সময় পর এই প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ গণহত্যা মামলা শুনানির পর্যায়ে এসেছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে)। মামলার রায় শুধু মিয়ানমারের ক্ষেত্রেই নয়, এর প্রভাব পড়বে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা গাজা যুদ্ধ-সংক্রান্ত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা মামলার ওপরও। মিয়ানমার শুরু থেকেই গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী দাওদা জালো আদালতে বলেন, ‘রোহিঙ্গারা ছিল শান্তি ও মর্যাদায় বাঁচার স্বপ্ন দেখা সাধারণ মানুষ; কিন্তু মিয়ানমার সেই স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে। বরং তাদের জীবনকে এমন এক দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে, যার ভয়াবহতা কল্পনারও বাইরে।’
পশ্চিম আফ্রিকার ছোট মুসলিম দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালে আইসিজেতে এই মামলা করে। ৫৭ দেশের ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সমর্থনে রোহিঙ্গাদের পক্ষে এই মামলা করে তারা। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মিয়ানমার পশ্চিমাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালিয়েছে।
২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বড় পরিসরে অভিযান চালায়। এতে অন্তত ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। তারা হত্যাযজ্ঞ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের বিবরণ দেন। এর আগে ও পরে আরও তিন লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।
জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন বলেছে, সেনা অভিযানে ‘গণহত্যার লক্ষণ’ ছিল। হেগে আদালত প্রাঙ্গণে রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই মামলায় সুবিচার প্রত্যাশা করেন।
প্রায় ৫২ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শরণার্থী ইউসুফ আলী বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী তাকে নির্যাতন করেছে। তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা আশা করছি এমন একটি রায় হবে, যা বিশ্বকে জানাবে যে মিয়ানমার সত্যিই গণহত্যা চালিয়েছে এবং আমরা তার শিকার। আমরা ন্যায়ের দাবিদার।’
মিয়ানমার অবশ্য এসব অভিযোগকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী বৈধ সামরিক অভিযান বলে দাবি করে, যা মুসলিম জঙ্গিদের হামলার জবাবে চালানো হয়েছিল বলে জানায় তারা। ২০১৯ সালে মামলার প্রাথমিক শুনানিতে মিয়ানমারের তৎকালীন বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চি গাম্বিয়ার অভিযোগকে ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করেন।
এই মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে তিন সপ্তাহ ধরে। রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে গণমাধ্যম ও জনসাধারণের উপস্থিতি ছাড়া, যাতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়। জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ আদালত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
২০২১ সালে মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে ওঠে। নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে এবং গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলনকারীদের কঠোরভাবে দমন করে। এরপর থেকে দেশজুড়ে চলছে সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ। বর্তমানে মিয়ানমারে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন চলছে। তবে জাতিসংঘ, পশ্চিমা কয়েকটি দেশ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নয় বলে অভিহিত করেছে।
এমকে
আন্তর্জাতিক
আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা
পবিত্র আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। শুক্রবার ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সেখানে জুমার নামাজের জন্য জড়ো হতে পারবেন না। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দখলদার বাহিনী।
বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি প্রশাসন এক বিবৃতিতে জানায়, চলতি সপ্তাহে আল আকসা মসজিদে শুক্রবারের জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে না। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইসরায়েলি বেসামরিক প্রশাসনের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিশাম ইব্রাহিম এক বিবৃতিতে বলেছেন, জেরুজালেমের পুরান শহরের সব পবিত্র স্থান শুক্রবার বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েস্টার্ন ওয়াল, আল আকসা মসজিদ, চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকার। এসব স্থানে কোনো ইবাদতকারী, পর্যটক কিংবা অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
ফিলিস্তিনের দখলকৃত জেরুজালেমে অবস্থিত আল আকসা মসজিদ। ১৯৬৭ সালের ছয়দিনের যুদ্ধের পর জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল। এরপর থেকেই এই পবিত্র এলাকার চারপাশে সীমানা বাড়িয়েই চলেছে তারা।
এমএন
আন্তর্জাতিক
মজুদ আছে নতুন অস্ত্র, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: আইআরজিসি
চলমান বহুমুখী যুদ্ধের সপ্তম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের অভিজাত সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছেন, ইরান কেবল তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তাদের হাতে এমন কিছু নতুন অস্ত্র রয়েছে যা শত্রুর জন্য হবে যন্ত্রণাদায়ক।
গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নিজেদের ক্লাস্টার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র খাইবার নিক্ষেপ করে ইরান। তারপরেই এ বিবৃতি দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাইনি।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
গত ৭ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে এবং হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
ইসরায়েল এবং ইরানের সঙ্গে এর আগে ২০২৫ সালের জুন মাসে ১২ দিনব্যাপী সংঘাত হয়েছিল। বিবৃতিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাইনি বলেছেন সেই সংঘাতের তুলনায় এবারের যুদ্ধে ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার আরও বেশি সমৃদ্ধ।
সূত্র : আলজাজিরা
এমএন
আন্তর্জাতিক
ভারতের যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, ২ পাইলট নিহত
আসামের কারবি আংলং জেলায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে একটি ‘সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই’ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে ভারতীয় বিমানবাহিনীর (আইএএফ) দুই পাইলট নিহত হয়েছেন।
ভারতীয় বিমানবাহিনী জানিয়েছে, নিহত দুই পাইলট হলেন স্কোয়াড্রন লিডার অনুজ এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পুরভেশ দুরাগকার।
ভারতের বিমানবাহিনী এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেয়া এক পোস্টে জানায়, ‘আইএএফ-এর সব সদস্য গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং আমরা শোকাহত পরিবারের পাশে আছি।’
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, রাশিয়ার তৈরি সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমানটি একটি প্রশিক্ষণ মিশনে ছিল এবং জোরহাট এয়ারবেস থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই এটি নিখোঁজ হয়ে যায়। জোরহাট এয়ারবেস থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে এটি বিধ্বস্ত হয়।
কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ধারণা করা হচ্ছে, এটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তারা একটি পাহাড়ের দিক থেকে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। তারা আগুনের বড় একটি গোলাও দেখতে পেয়েছেন বলে জানান।
সূত্র: এনডিটিভি
আন্তর্জাতিক
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে কাঁপছে তেলআবিব, একাধিক বিস্ফোরণ
ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে শুক্রবার ইসরায়েলের তেলআবিবজুড়ে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির জরুরি সেবা বিভাগ।
জরুরি সেবা কর্মকর্তারা জানান, শহরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়ার পর সেখানে টিম পাঠানো হয়েছে। একটি আবাসিক ভবনে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটে, যেখানে দমকল বাহিনী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, তেলআবিবের উপকণ্ঠে একটি ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইল আঘাত হানার পর সেখানকার বাসিন্দাদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়।
এর আগে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে বড় ধরনের হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। ওই হামলার পরই তেলআবিব লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম দাবি করেছে, তেলআবিবের কেন্দ্রস্থলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা আকাশে আসা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক
আমরা মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছি : আরাঘচি
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনীর সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, তার দেশ এ ব্যাপারে ভীত কিংবা চিন্তিত নয়; বরং তারা মার্কিন স্থল বাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছেন।
গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন সৈয়দ আরাঘচি। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়— মার্কিন স্থল বাহিনীর সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে ইরান চিন্তিত কি-না।
জবাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “না, চিন্তিত নই; বরং আমরা তাদের জন্য অপেক্ষা করছি। কারণ আমরা নিশ্চিত যে তাদের আমরা মোকাবিলা করতে পারব এবং এটা হবে তাদের জন্য একটি বড় বিপর্যয়।”
সৈয়দ আরাঘচি আরও জানান, ওয়াশিংটনকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই। এমনকি ২০২৫ সালের জুন মাসে যখন ১২ দিন ধরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ চলেছিল— তখনও ইরানের তরফ থেকে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
“জেনেভায় (পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে) সংলাপের সময় আমরা অনুমান করতে পেরেছিলাম যে একটি যুদ্ধ ঘনিয়ে আসছে, কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা যুদ্ধবিরতির কোনো প্রস্তাব দিইনি। এমনকি এর আগে গত বছর জুন মাসের ১২ দিনের যুদ্ধে যখন ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল— তখনও আমরা যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিইনি। সেবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল ইসরায়েল, যারা এই সংঘাত সৃষ্টি করেছিল।”
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
সংলাপ শেষ হওয়ার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
আজ টানা ৬ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে ইরানে। ইতোমধ্যে এ যুদ্ধে নিহত হয়েছেন প্রায় ১ হাজার মানুষ এবং আহত হয়েছেন ৫ হাজারের অধিক।
সূত্র : এনবিসি




