আন্তর্জাতিক
ভেনেজুয়েলায় বিনিয়োগে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা পাবে তেল কোম্পানিগুলো: ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলায় দ্রুত বিনিয়োগে ফেরার আহ্বান জানিয়ে দেশটির তেল খাতে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্যের কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে তেল শিল্পের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি তাদের আশ্বস্ত করেন যে, বিনিয়োগ করলে তারা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছ থেকে ‘সম্পূর্ণ নিরাপত্তা’ পাবেন।
বৈঠকের শুরুতে ট্রাম্প বলেন, আপনাদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা থাকবে। আপনারা সরাসরি আমাদের সঙ্গে কাজ করবেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে নয়। আমরা চাই না আপনারা ভেনেজুয়েলার সঙ্গে সরাসরি লেনদেন করুন।
ট্রাম্প আরও বলেন, আমাদের বড় তেল কোম্পানিগুলো অন্তত ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে—এটি সরকারের অর্থ নয়, তাদের নিজস্ব অর্থ। তবে তাদের সরকারের সুরক্ষা দরকার।
এই বৈঠকের দিনই যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ভেনেজুয়েলার তেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও একটি ট্যাংকার জব্দ করে। গত এক মাসে এটি পঞ্চম ঘটনা। এতে স্পষ্ট হয়, ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানি, পরিশোধন ও উৎপাদনের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্প প্রশাসন কতটা দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানায়, ১৭টি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মধ্যে ছিল শেভরন, যা এখনও ভেনেজুয়েলায় কাজ করছে, পাশাপাশি এক্সনমোবিল ও কনোকোফিলিপস—যাদের প্রকল্প ২০০৭ সালে জাতীয়করণের সময় হারিয়ে যায়। এছাড়া হলিবার্টন, ভ্যালেরো, ম্যারাথন, শেল, সিঙ্গাপুরভিত্তিক ট্রাফিগুরা, ইতালির এনি ও স্পেনের রেপসোলসহ দেশি-বিদেশি বহু প্রতিষ্ঠান বৈঠকে অংশ নেয়।
এক্সনমোবিলের সিইও ড্যারেন উডস বলেন, বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী ভেনেজুয়েলা বিনিয়োগযোগ্য নয়। বাণিজ্যিক কাঠামো, আইন ব্যবস্থা এবং বিনিয়োগ সুরক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন দরকার।
অনিশ্চয়তায় কোম্পানিগুলো
ইউসিএলএর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ বেঞ্জামিন র্যাড জানান, ভেনেজুয়েলায় ফেরার বিষয়ে তেল কোম্পানিগুলোর মধ্যে এখনও দ্বিধা রয়েছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না থাকলে এই বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণই থাকবে।
বর্তমানে ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন দৈনিক এক মিলিয়ন ব্যারেলের নিচে নেমে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সম্পর্ক কতটা স্থিতিশীল হয় এবং কী ধরনের আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়—তার ওপরই নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ।
সমালোচনা ও রাজস্ব বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন
পাবলিক সিটিজেন নামের ভোক্তা অধিকার সংগঠনের জ্বালানি কর্মসূচির পরিচালক টাইসন স্লোকাম এই উদ্যোগের সমালোচনা করে বলেন, ট্রাম্পের লক্ষ্য মূলত ‘কোটি কোটি ধনকুবেরের হাতে ভেনেজুয়েলার তেলের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেওয়া’
এখনও যুক্তরাষ্ট্র সরকার জানায়নি, ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির আয় কীভাবে বণ্টন হবে বা কত অংশ কারাকাস পাবে। বিশেষজ্ঞ র্যাচেল জিয়েম্বা সতর্ক করে বলেন, যদি এই অর্থ ভেনেজুয়েলার জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে না যায়, তাহলে দেশটির অর্থনৈতিক সংকট আরও গভীর হবে।
এদিকে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা জানায়, তারা কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। একই দিনে ট্রাম্প প্রশাসনের একটি প্রতিনিধি দল ভেনেজুয়েলায় পৌঁছেছে।
এমকে
আন্তর্জাতিক
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে শান্তিতে থাকতে দেব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির নির্বাচন করায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে কোনোভাবেই শান্তিতে থাকতে দেব না।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিযুক্ত প্রয়াত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনির কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি বিশ্বাস করি না যে তিনি শান্তিতে থাকতে পারবেন। তাকে কোনোভাবেই আমি শান্তিতে থাকতে দেব না।
ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের প্রাথমিক ফলাফলের প্রশংসা করে বলেন, ফলাফল প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যৌথ অভিযান ইতোমধ্যেই হাজার হাজার লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। মার্কিন বাহিনী প্রথম হামলায় ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যখন আমরা প্রথমে তাদের আক্রমণ করি, তখন তাদের ৫০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে দিই এবং যদি আমরা তা না করতাম, তাহলে লড়াই আরও কঠিন হত।
ইরানি নেতাদের সঙ্গে কথা বলবেন কিনা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, শর্তের ওপর নির্ভর করে আলোচনা সম্ভব। আমি শুনছি তারা কথা বলতে চায়। এটা সম্ভব, তবে সংলাপের জন্য কিছু শর্ত রয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি অবাক হয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা চালিয়েছে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
নেতানিয়াহু নিহতের গুঞ্জনে, নতুন ছবি প্রকাশ
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে হিব্রু ভাষার বিভিন্ন সূত্রে জোরালো গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তার নতুন ছবি প্রকাশিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) টাইমস অব ইসরায়েল তার ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিটি গতকাল সোমবারের (০৯ মার্চ) বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।
এর আগে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির হিব্রু ভার্সনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই জল্পনা-কল্পনার কয়েকটি মূল কারণ তুলে ধরা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ বা গুজব এখনো কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত বা খণ্ডন করা হয়নি।
তাসনিমের প্রতিবেদনে উল্লেখিত কয়েকটি মূল ইঙ্গিত নিম্নরূপ:
১. নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত চ্যানেলে সর্বশেষ ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে প্রায় তিন দিন আগে। ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে ব্যবধান আরও বেশি, প্রায় চার দিন। এরপর থেকে তার নামে যেসব বিবৃতি এসেছে, সেগুলো শুধু লিখিত আকারে।
২. এর আগে প্রতিদিন অন্তত একটি, কখনো কখনো তিনটি পর্যন্ত ভিডিও প্রকাশিত হতো। গত তিন দিনে একটিও ভিডিও না আসায় জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।
৩. হিব্রু সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, ৮ মার্চ থেকে নেতানিয়াহুর বাসভবনের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে আত্মঘাতী ড্রোন হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে খবর।
৪. মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং ট্রাম্পের বিশেষ প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফের ইসরায়েল সফর হঠাৎ বাতিল হয়েছে। যা আজকের জন্য নির্ধারিত ছিল। এই বাতিলের পেছনে নেতানিয়াহুর স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কোনো ঘটনা রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।
৫. ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে নেতানিয়াহুর কথিত টেলিফোন আলাপ নিয়ে ইলিসি প্রাসাদের বিবৃতিতে কোনো তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। শুধু একটি লিখিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে, যা সাধারণত সরাসরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।
এই সব ঘটনার সমন্বয়ে হিব্রু ভাষার বিভিন্ন মাধ্যম ও সোশ্যাল নেটওয়ার্কে নেতানিয়াহুর শারীরিক অবস্থা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তবে ইসরায়েল সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা খণ্ডন দেওয়া হয়নি।
এমএন
আন্তর্জাতিক
নেতানিয়াহু নিহত বা আহতের দাবি ইরানের, ‘গুজব’ বলছে ইসরাইল
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ। একই হামলায় দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গিভর আহত হয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বা কোনো নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক সংস্থা এখন পর্যন্ত এই সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেনি।
প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটারের এক্সপোস্টের বরাত ছাড়া আর কোনো প্রমাণ হাজির করা হয়নি। এক্সে গতকাল সোমবার স্কট রিটার নামের একটি গতকাল বলেছিলেন, ‘ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন নেতানিয়াহু। এ সময় তার বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন ইতামার বেন-গিভর। তিনি আহত হয়েছেন।’
তবে যে অ্যাকাউন্ট থেকে এই পোস্ট করা হয়েছে, সেটি আদৌ স্কট রিটার ব্যবহার করেন কি-না, কিংবা অ্যাকাউন্টটি ভুয়া কি-না —এখনও নিশ্চিত নয়।
ফার্সি ভাষার সংবাদমাদ্যম তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর উপর হামলার প্রমাণ বা কোনও ক্ষতির নিশ্চিত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। তার পরিবর্তে, এটি বেশ কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় একত্রিত করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপগুলির অনুপস্থিতি, ইসরায়েলি মিডিয়ায় তার বাড়ির চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রতিবেদন, জ্যারেড কুশনার এবং মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের একটি কথিত সফর স্থগিত করা এবং রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি রেকর্ড, যেখানে কথোপকথনের তারিখ নির্দিষ্ট করা হয়নি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ ব্যাপারে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের রেকর্ড বলছে, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন ইসরায়েলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু।
ইরানের সংবাদমাধ্যমে অবশ্য নেতানিয়াহুর নিহত হওয়ার খবর প্রকাশ নতুন কিছু নয়। এর আগে ২ মার্চ কয়েকটি ইরানি সংবাদাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করছিল, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন।
তবে পরে চীনা সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া-সহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য ‘নিছকই গুজব’।
সূত্র : জেরুজালেম পোস্ট
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হতে যাচ্ছে : ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমান সামরিক অভিযান দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে। এতে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও নৌঘাঁটিসহ বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালানো হয়।
তিনি দাবি করেন, অপারেশন এপিক ফিউরি নামের এই অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে এবং এর ফলে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপকে একটি স্বল্পমেয়াদি অভিযান হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার কারণে এই সংঘাত দীর্ঘদিন চলবে না।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের কারণে অর্থনীতিতে সামান্য প্রভাব পড়লেও তা সাময়িক। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ভাষায়, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। আর এ যুদ্ধে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রই লাভবান হবে বলে তিনি আশা করছেন।
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় পাকিস্তানের বড় পদক্ষেপ
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে তৈরি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় পাকিস্তানে নতুন কৃচ্ছ্রসাধন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। সোমবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি জানান, সরকারি খরচ কমাতে চার দিনের কর্মসপ্তাহসহ একাধিক সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানি সরবরাহে বড় বাধা তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানেও জ্বালানি সরবরাহ সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শেহবাজ শরিফ বলেন, পুরো অঞ্চলই এখন সংঘাতের মধ্যে রয়েছে এবং পাকিস্তান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের পশ্চিম সীমান্তেও পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এ পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনী প্রধান অসিম মুনিরের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইরানে সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানান এবং একই সঙ্গে উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর ওপর পাল্টা হামলার ঘটনাও সমালোচনা করেন।
তিনি জানান, সংকটময় এই পরিস্থিতি নিয়ে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং কঠিন সময়ে পাকিস্তান তাদের পাশে থাকবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন।
এমএন




