রাজধানী
আজ দুপুর থেকে গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
জরুরি সংস্কার কাজের জন্য আজ সিলেট নগরীর কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুল মুকিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাদিম ডিআরএস থেকে চামেলিবাগ, নূরপুর, মোহাম্মদপুর, পূরবী, আবাসিক এলাকা, ইসলামপুর, শ্যামলি আবাসিক এলাকা, টেক্সটাইল রোড, রাজপাড়া, মেজরটিলা, টিলাগড় পয়েন্ট, লামাপাড়া ও তৎসংলগ্ন এলাকাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কারিগরি কারণে কাজটি শেষ হওয়ার সময় কিছুটা বাড়তে বা কমতে পারে।
সাময়িক এমন অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী
টিকটকার রাকিব হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
নারী ঘটিত বিরোধের জেরে খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজিদের নির্দেশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় টিকটকার রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে হত্যা করা হয়েছে। কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেয়া চারজনসহ পাঁচজনকে গ্রেফতারের পর এ তথ্য জানিয়েছেন রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য তিনি।
রমনার ডিসি জানান, রাকিব হত্যার নেতৃত্ব দিয়েছিল বি কোম্পানির শীর্ষ সন্ত্রাসী সালাউদ্দিন ওরফে সাগর। ঘটনার ৩-৪ দিন আগে খুলনা থেকে ভাড়াটে খুনিরা ঢাকায় আসে, হোটেল সোনারগাঁওসহ কয়েকটি হোটেলে বসে করে হত্যার পরিকল্পনা৷ এরপর ফলো করা হয় রাকিবের গতিবিধি। গেল কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেয়া সিহাব, রাফিন, জয়, সাগর ফকিরকে গ্রেফতারের পর উঠে আসে এই হত্যার রহস্য। তাদের তথ্যে গ্রেফতার হয় সালাউদ্দিন।
পুলিশ বলছে, সাফা নামে এক বিবাহিত নারীকে পুনরায় বিয়ে করেন টিকটকার রাকিব। এছাড়া খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজিদের স্ত্রী টিকটকার জান্নান মুনের সঙ্গেও ছিল অনৈতিক সম্পর্ক। এই ক্ষোভ থেকে রাকিব হত্যার পরিকল্পনা করে সাজিদ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনা জড়িত বাকিদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
গত রোববার (১৫ মার্চ) রাতে শহীদ মিনারে বোরহান উদ্দিন কলেজের বিএ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব আহমেদকে (২৫) কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।
রাত সোয়া ৯টার দিকে শহীদ মিনারে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন রাকিব। সেখানে তিন-চারজন মিলে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে রাকিবকে। পরে মাথায় গুলি করা হলে মারা যান তিনি।
রাকিব টিকটক ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য ভিডিও কন্টেন্ট বানাতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ভোলা সদরের চৌমুহনী গ্রামে। তার বাবার নাম তরিকুল ইসলাম খোকন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৈত্রী হলের কর্মী। ঢাকার নিমতলী নাজিম উদ্দিন রোডে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন রাকিব।
রাজধানী
পল্টন জামায়াতের আয়োজনে পালিত হলো মেহেদী উৎসব
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর পুরানা পল্টন কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণিল ঈদ মেহেদী উৎসব।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগের উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজন করা হয় এই অনুষ্ঠান।
শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী নারীরা মেহেদীর নকশায় হাত রাঙিয়ে ভাগাভাগি করেন আনন্দ।
সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় মেহেদী উৎসব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি নুরুন্নিসা সিদ্দীকা ও সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবা খাতুন শরীফা এবং ড. শিরিন আক্তার রুনা।
রাজধানী
গভীর রাতেও ঈদ উপহার নিয়ে ছিন্নমূলবাসীর ধারে-ধারে জামায়াত নেতৃবৃন্দ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর নেতৃবৃন্দ গভীর রাতেও ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন। গত বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর পল্টন-শাহবাগ এলাকা এবং ঢাকা-৪ আসনের বিভিন্ন স্থানে শাড়ি, লুঙ্গি-পাঞ্জাবি এবং অন্যান্য ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর ড. হেলাল উদ্দিন।
ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রী অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতিগ্রস্ত নেতৃত্ব, ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, লুটপাট, দখলদারিত্বের কারণে রাষ্ট্র ও সমাজের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রের কোনো নাগরিক রাস্তার ধারে ফুটপাতে থাকতে হবে। প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব রাষ্ট্র পালন করবে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে। তাই ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে তিনি ঢাকাবাসীকে আহ্বান জানান।
এছাড়া ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনও দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিতদের হাতে ঈদ উপহার বিতরণ করেন। তিনি জানান, এই কার্যক্রম মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সমাজকল্যাণ তহবিলের অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছে।
সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বলেন, জামায়াতে ইসলামী কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসেনি। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সমাজের প্রয়োজনে, মানুষের প্রয়োজনে দলীয় অর্থায়নে ব্যাপক ভিত্তিক সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। এই কার্যক্রম চলতেই থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খান, যাত্রাবাড়ী-শ্যামপুর থানা আমীর অধ্যক্ষ যাকীর হুসাইন, শ্যামপুর দক্ষিণ থানা সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিল, কদমতলী মধ্য থানা সেক্রেটারি আশরাফুল আলম সুমন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজুর রহমানসহ মহানগরী দক্ষিণের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
এমএন
রাজধানী
ডিএনসিসির কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আমাদের কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতে মুসল্লিদের যেন কোনো অসুবিধা না হয়, নারী-পুরুষ সবাই যেন স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে ডিএনসিসির কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা বলেন।
এ বছর ডিএনসিসির পক্ষ থেকে ঢাকার আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে নগরবাসীর জন্য ঈদ জামাতের আয়োজন করা হচ্ছে।
ঈদের দিন সকাল ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
ঈদ জামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, এবার ঈদের দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আমরা বৃষ্টি হতে পারে ধরে নিয়ে প্রস্তুতি নিয়েছি। আমরা স্টিলের স্ট্রাকচার দিয়ে শেড তৈরি করেছি। বৃষ্টিতেও ঈদ জামাতে আগত মুসল্লিদের কোনো অসুবিধা হবে না।
ঈদ জামাতে মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এবং তাদের জন্য আলাদা প্রবেশপথও নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঈদ জামাতের নিরাপত্তা প্রস্তুতি বিষয়ে প্রশাসক বলেন, আমরা দশ হাজার মানুষের নামাজের ব্যবস্থা নিয়েছি। আরো মুসল্লি হলে তাৎক্ষণিকভাবে যেন নামাজের ব্যবস্থা করা যায়, সে প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
এই বিশাল সংখ্যক মানুষের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রবেশপথে আর্চওয়ে থাকবে এবং নামাজিদের নিরাপত্তায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।
প্রশাসক এ সময় নগরবাসীকে এই ঈদ জামাতে নামাজ আদায় করতে আসার আহ্বান জানান।
পরিদর্শনে ঢাকা মেট্রপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানী
ঈদের ছুটিতে চেনা ছন্দে ফিরেছে সদরঘাট
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে রাজধানীবাসী। ঈদের আগে শেষ কর্মদিবস হওয়ায় আজ বুধবার সকাল থেকেই সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা গেছে চিরচেনা উপচেপড়া ভিড় আর ব্যস্ততা।
গত কয়েক বছরের নিস্তব্ধতা ভেঙে সদরঘাট যেন আবার তার পুরোনো রূপ ফিরে পেয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এই নৌ-বন্দরে ভোর থেকেই যাত্রীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে।
কেউ পরিবারের হাত ধরে, কেউ বা পিঠে বিশাল ব্যাগ নিয়ে ছুটছেন প্রিয় লঞ্চের পন্টুনে। সাধারণ সময়ে যাত্রী খরা থাকলেও ঈদের এই বিশেষ সময়ে বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও চাঁদপুরগামী লঞ্চগুলোতে তিল ধারণের জায়গা নেই। রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এদিকে, যাত্রীসেবার মান বাড়াতে এবার বিআইডব্লিউটিএ বিশেষ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রবীণ, নারী ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য টার্মিনাল থেকে লঞ্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে কুলি সেবা এবং হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা ২৮ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে যাত্রীদের পক্ষ থেকে কিছু অভিযোগও পাওয়া গেছে।
অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে পন্টুনে ওঠার সময় কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে লঞ্চের ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী তোলার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের এই ভিড়ের মধ্যে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের কড়া নজরদারিতে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পদ্মা সেতু চালুর পর সাধারণ সময়ে যাত্রী চাপ কম থাকলেও ঈদের সময় নৌপথের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আজ সারাদিনে সদরঘাট থেকে প্রায় ৭০ থেকে ৭৫টি লঞ্চ বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। সাধারণ সময়ে বরিশাল রুটে এক বা দুটি লঞ্চ চলাচল করলেও বর্তমানে যাত্রীর চাহিদা বাড়ায় চারটি লঞ্চ ছাড়ছে।
ভাড়ার ক্ষেত্রে দেখা গেছে মিশ্র চিত্র। লঞ্চ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল রুটে ডেক ভাড়া ৩০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ডাবল কেবিন ২ হাজার ৪০০ টাকা। ভিআইপি কেবিনের ভাড়া ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-মুলাদি ও ভাসানচর রুটে ডেক ভাড়া ৪০০ টাকা এবং কেবিন ভাড়া ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা। চাঁদপুর রুটে ডেক ভাড়া ২০০ টাকা এবং কেবিন ভাড়া ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে রয়েছে।
দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাত্রীদের চাহিদা মেটাতে একের পর এক লঞ্চ ছেড়ে গেছে। বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনাসহ উপকূলীয় জেলাগুলোর উদ্দেশে নির্ধারিত সময়সূচি মেনে চলাচল করছে লঞ্চগুলো। স্বস্তির বিষয়, অন্যান্য সময়ের মতো অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নির্ধারিত ভাড়াতেই যাত্রা করতে পেরে খুশি যাত্রীরা।
নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ঘাটজুড়ে তৎপর রয়েছে নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সব মিলিয়ে কিছুটা ভিড় আর চাপ থাকলেও, নিরাপত্তা ও স্বস্তির মধ্যে দিয়েই নদীপথে ঈদযাত্রা শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ।
সদরঘাটের প্রতিটি লঞ্চের কেবিন কয়েকদিন আগেই বুক হয়ে গেছে, এখন মূলত ডেকই যাত্রীদের প্রধান ভরসা। বিআইডব্লিউটিএ-এর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে তারা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। বিশেষ করে মালামাল বহনের জন্য নতুন ট্রলি সরবরাহ করা হয়েছে। ঘরমুখো মানুষের চোখেমুখে ছিল বাড়ি ফেরার আনন্দ আর স্বস্তি। কষ্ট হলেও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারার প্রত্যাশায় সবটুকু ক্লান্তি ভুলে নদীপথের এই চিরাচরিত ঈদযাত্রায় শামিল হয়েছেন হাজারো মানুষ।
এমএন




