রাজনীতি
তারেক রহমানের পরিকল্পনার দিকে নজর থাকবে: জামায়াত আমির
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান । তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, তার একজন রাজনৈতিক সহকর্মী দীর্ঘ ১৭ বছর পর সরাসরি রাজনীতির মাঠে ফিরছেন, এটিকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
শফিকুর রহমান বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঐক্যের ব্যাপারে তারেক রহমান কী ভূমিকা রাখেন, অথবা কী পরিকল্পনা আছে তার এবং বাস্তবায়ন কীভাবে করবেন- এসব বিষয়ে জামায়াত নজর রাখবে।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও বিবিসিকে বলেছেন, তিনিও ইতিবাচক হিসেবে দেখেন তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘটনাটিকে।
এমকে
রাজনীতি
নাহিদের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ, প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে রিট
ঢাকা-১১ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ওই আসনের জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শামীম আহমেদ, দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে হাইকোর্টে প্রার্থিতা স্থগিত চেয়ে এই আবেদনটি করেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সর্বোচ্চ আদালতে এ রিট করা হয়। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশন সচিব, রিটার্নিং অফিসার ও নাহিদ ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে বলা হয়, নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল ক্যারিবিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র ডোমিনিকার নাগরিকত্ব নেন।
গুলশান এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ এবং সবুজবাগ এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসন। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন।
আর তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন ভোটার রয়েছেন। প্রার্থী হয়েছেন- বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, স্বতন্ত্র কোহিনূর আক্তার বীথি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের মো. আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টির মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।
এমএন
রাজনীতি
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ ভোট চুরির সুযোগ করে দেওয়া: হাসনাত আবদুল্লাহ
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সময় ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের ওপর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষেধাজ্ঞাকে ‘হঠকারী সিদ্ধান্ত’ বলে মনে করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই সিদ্ধান্ত স্পষ্টত নির্বাচনে ভোট চুরির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
তিনি লিখেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে না যাওয়ার কোনো লজিক নেই। এমনটা আগে কখনো দেখিনি। এটার মানে কোনো বিপদ হলেও কল করে কাউকে জানানো যাবে না। অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না।
তিনি আরও লিখেছেন, সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিক কোনো কাজে দিবে না। মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবে, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবে তা ক্যামেরা পারবে না। কেন্দ্র দখল-ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত ফোন কার্যকর হবে। সঙ্গে সঙ্গেই ভিডিও রেকর্ড হয়ে যাবে। হয়তো এসব জালিয়াতির ভিডিও কেউ করতে না পারে সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এটা সুস্পষ্টভাবে ভোট চুরির সুযোগ করে দেওয়া। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।
এমএন
রাজনীতি
ঢাকা–১৮ আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন মাহমুদুর রহমান মান্না
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকি আর মাত্র তিনদিন। এই শেষ মুহূর্তে এসে হঠাৎ ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেন তিনি। সরে দাঁড়ানোর কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনের ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হচ্ছে না তার পক্ষে।
ফেসবুক পোস্টে মাহমুদুর রহমান মান্না লিখেন, এখন আমি বগুড়ায়। একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ এবং বগুড়া-২ (আসন) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ঢাকা-১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা। এর অন্তর্গত সাড়ে সাতটি থানা এবং সাড়ে ছয় লক্ষের মত ভোটার এখানে।
তিনি আরও লিখেন, নির্বাচন এতই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই প্রেক্ষিতে আমি ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এই সিদ্ধান্তে হয়তো অনেকে মনে কষ্ট পাবেন। তাদের কাছে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।
উল্লেখ্য, মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসন থেকে নাগরিক ঐক্যের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এবং সেখানে তার নির্বাচনি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
এমএন
রাজনীতি
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পরিবারতন্ত্র ও নয়া ফ্যাসিবাদ বর্জনের আহ্বান
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে পরিবারতন্ত্র ও নয়া ফ্যাসিবাদকে বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কূটনীতিক, আইনজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন সৃষ্টি হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইন্টারন্যাশনাল সিভিল রাইটস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের নয়া চ্যালেঞ্জ এবং উত্তরণের উপায়: প্রেক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন” শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠক রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।
মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আব্দুর রবের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কী-নোট উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ. এম. মোশারফ হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন নেক্সস ডিফেন্স অ্যান্ড জাস্টিস’র সভাপতি বিঃ জেঃ মোহাম্মদ হাসান চাখির, সাবেক রাষ্ট্রদূত সাকিব আলী, সুইডেনের ব্লেকিংয়ে ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ড. এ. এম. এম. শহীদুজ্জামান কোরেশী, রাঙ্গামাটি ইউনিভার্সিটির ড. আবু তালেব, সাউথ-ইস্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এম. এ. হাই (বীর মুক্তিযোদ্ধা), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আতিউর রহমান।
বক্তারা বলেন, আওয়ামী স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের ফলে যখন দেশের মানুষের নিশ্বাস রুদ্ধ হয়ে আসছিল, তখন ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এক নতুন ইতিহাসের সূচনা হয়। জুলাই মাসজুড়ে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে লক্ষ লক্ষ মানুষ সরাসরি অংশগ্রহণ করে এবং কোটি-কোটি মানুষ নৈতিক সমর্থন দেয়। এর ফলে জনগণের মধ্যে একটি নতুন আশার জন্ম নেয়—বাংলাদেশ হবে এমন একটি দেশ, যেখানে মানুষ স্বাধীনভাবে বাঁচবে এবং দুঃশাসন ও দুর্নীতি ইতিহাসের জাদুঘরে স্থান নেবে।
তবে বক্তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাত্র দেড় বছরের মাথায় সেই আশার আলো অনেকটাই ম্লান হয়ে যাচ্ছে। আশঙ্কা রয়েছে, সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশ আবারও দুঃশাসন ও দুর্নীতির অন্ধকারে নিমজ্জিত হতে পারে।
তারা বলেন, এই সংকটময় সময়ে সচেতন নাগরিক সমাজের দায়িত্ব হলো জনগণকে এমন প্রার্থী নির্বাচনে উদ্বুদ্ধ করা, যাদের ব্যক্তিগত জীবনে দুর্নীতি ও দুঃশাসনের অভিযোগ নেই। যাদের হাতে জাদুর কাঠি না থাকলেও রয়েছে সততা, মানবিকতা, উন্নত নৈতিক চরিত্র ও নিখাদ দেশপ্রেম। এমন নেতৃত্বই দেশের ১৮ কোটি মানুষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি উন্নত, কল্যাণমূলক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আব্দুর রব বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবার আগে পরিবারতন্ত্রকে স্পষ্টভাবে ‘না’ বলতে হবে। তিনি বলেন, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিষবৃক্ষ পরিবারতন্ত্রকে ভোটের মাধ্যমেই উপড়ে ফেলতে হবে। তার ভাষায়, “এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং তার অনুপস্থিতিতে তার স্ত্রী ও কন্যা একই ধারাবাহিকতায় থাকবে। এই পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বৈষম্যবিরোধী চেতনার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।”
তিনি আরও বলেন, নয়া ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড ও বয়ান প্রদানকারীদের অবশ্যই বর্জন করতে হবে। গণঅভ্যুত্থানের পর একটি রাজনৈতিক দল স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ফ্যাসিবাদী কায়দায় দখল করেছে এবং সরকারি অফিস-আদালতের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে। এতে বিচার বিভাগ, যা আওয়ামী সরকারের সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, এখন নয়া ফ্যাসিবাদের কারণে আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে।
তিনি বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বিরুদ্ধে আদালতে অবৈধ হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে বলেন, এর ফলেই আওয়ামী ডেভিল ফয়সাল আহমেদ জামিনে মুক্ত হয়ে শহীদ ওসমান বি হাদীকে হত্যা করার সুযোগ পায়। পুরোনো দুঃশাসনের কাঠামো থেকে দেশকে মুক্ত করতে পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রমনা সমাজ কল্যাণ সোসাইটির চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার সুমনসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক সংগঠনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
রাজনীতি
ধর্ম বেচে রাজনীতি বন্ধ হবে ব্যালটেই : আমীর খসরু
ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতি আর চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘একটি দল সাধারণ মানুষকে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তাদের প্রতীকে ভোট দিলে বেহেশতে যাবে—এমন প্রলোভন দেখিয়ে ভোট ভিক্ষা চাইছে। জনগণ এখন সচেতন। তারা এসব ভণ্ডদের ভণ্ডামি প্রত্যাখ্যান করেছে।
আগামী ১২ তারিখ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে এসব মিথ্যার জবাব দিতে হবে।’
সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া–সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিনের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলটির একটি বিশেষ বটবাহিনী প্রতিনিয়ত অসত্য, কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অপপ্রচার ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
আগামী ১২ তারিখ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে এসব মিথ্যার জবাব দিতে হবে। মিথ্যেবাদী ও ভণ্ডদের কবর রচনা করেই শহীদ জিয়ার স্বপ্নের স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে—ইনশাআল্লাহ।’
তিনি বলেন, ‘যেখানেই যাচ্ছি, সেখানেই ধানের শীষের জোয়ার দেখা যাচ্ছে। চারদিকে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
পুরুষ, মহিলা এমনকি শিশুরাও ধানের শীষের স্লোগান দিচ্ছে। তবে আমাদের আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি। ১২ তারিখ রাতে নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে যখন ঘরে ফিরব, তখনই আন্দোলনের সমাপ্তি হবে—এর আগে নয়।’
আমির খসরু বলেন, ‘নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করবে, তবে সেই জয় হতে হবে বিশাল ভোটে। বিশ্বের মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে হবে—বাংলাদেশের জনগণ কোনো অদৃশ্য শক্তিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
জনগণের রায়েই সত্য প্রতিষ্ঠিত হবে।’
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আসহাব উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় আরো বক্তব্য দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, সদস্য এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, সাজ্জাদুর রহমান ও সালাউদ্দিন চৌধুরী সোহেল।



