Connect with us

রাজনীতি

জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন জানিয়ে যে আসন ছাড়ল বিএনপি

Published

on

ব্যাংক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে সমর্থন জানিয়েছে বিএনপি। আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিয়েছে জাতীয়তাবাদী দল।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছিলেন তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করে আমরা যে সিদ্ধান্তগুলোতে একমত হতে পেরেছি সেই আসনগুলোতে আমরা সমঝোতা করেছি, তা আমি আপনাদের জানিয়ে দিচ্ছি। এ তালিকার পরও আলোচনা চলবে, তারপর সিদ্ধান্ত হলে আমরা জানাব।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সাকির আসনসহ শরিক ৭টি দলের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা করে ৮টি আসন বণ্টন করেছে বিএনপি। সেগুলো হলো— বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, যশোর-৫ ইসলামী ঐক্যে জোটের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাস, পটুয়াখালীর-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-৪ গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এবং ঢাকা-১২ আসনে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।

এমকে

শেয়ার করুন:-

রাজনীতি

ঢাকা-৮ আসনকে মদিনার সমাজ বানাতে চাই: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

Published

on

ব্যাংক

ঢাকা-৮ আসনকে একটি আদর্শ ও ইনসাফভিত্তিক মদিনার সমাজ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহবাগ এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এই অঙ্গীকার করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গণসংযোগের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় নিজ আসনের প্রার্থী এবং আন্দোলনে নিহত শহীদ শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করে নাসীরুদ্দীন তিনি বলেন, ওসমান হাদি বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচন প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, জামায়াত চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি দল। এনসিপি ও জামায়াত উভয় দলই দেশ গঠনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।

জিয়ারত শেষে তিনি শাহবাগ এলাকায় গিয়ে ফুল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের অভাব-অভিযোগ শোনেন।

নাইম

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

তিন বিভাগে জামায়াতের মাস্টারপ্ল্যান: শরিকদের ছাড় সামান্যই

Published

on

ব্যাংক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উত্তরাঞ্চলকে পাখির চোখ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে নিজেদের নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় রাখতে দলটি বিশেষ কৌশল গ্রহণ করেছে। ১১ দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিলেও এসব গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে শরিক দলগুলোকে আসন ছাড়ার ক্ষেত্রে বেশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে দলটি।

তথ্যানুযায়ী, রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের মধ্যে মাত্র চারটি ছেড়েছে শরিকদের। আর রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের মধ্যে শরিকদের জন্য ছেড়েছে তিনটি। আরও একটি বিভাগে আসন বণ্টনে জামায়াত ছাড় দেয়নি বললেই চলে। সেটি হলো খুলনা। এ বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে ৩৫টিই নিজেদের প্রার্থীর জন্য রেখেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এছাড়াও সীমান্তবর্তী এলাকার আসনগুলোকে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। যেমন রংপুর বিভাগের ভারত সীমান্তবর্তী ১৭টি আসনের মধ্যে ১৪টি নিজেদের হাতে রেখেছে। রাজশাহী, খুলনা, সিলেটের চিত্রও একই রকম।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ আসনে শরিকদের ছাড় দিয়েছে জামায়াত। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে উত্তর চট্টগ্রাম, বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালীতেও প্রায় অর্ধেক আসন ছেড়েছে।

শরিকদের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোর তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, ৮-১০টি বাদে বাকিগুলোতে অতীতে জামায়াতের শক্ত অবস্থান ছিল না। জামায়াত নেতাদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারায় তাদের জোট এখন বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। জামায়াত, শরিক দল, দোদুল্যমান এবং বিএনপিবিরোধী ভোট যোগ করলে সারাদেশে সংখ্যাটি বেশ বড়। ফলে শরিকদের দুর্বল আসন ছাড়া হয়নি।

জামায়াত নেতারা বলছেন, দাঁড়িপাল্লা এখন শক্তিশালী প্রতীক। এনসিপির শাপলা কলিও তাই। ১৫ বছরের লড়াই-সংগ্রাম এবং ৫ আগস্ট-পরবর্তী ইতিবাচক ভূমিকার কারণে জামায়াত এখন বড় দল। সব আসনেই জামায়াত শক্তিশালী। তাই শরিকদের যেসব আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেগুলো দুর্বল নয়।

শুরুর দিকে জামায়াত, এনসিপি, এলডিপি, ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দল নির্বাচনি ঐক্য করেছিল। নানা অসন্তুষ্টির কথা জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন জোট ত্যাগ করে। পরে যুক্ত হয় মোস্তাফিজুর রহমান ইরানের নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি। এনসিপিকে পঞ্চগড়-১, দিনাজপুর-৫, কুড়িগ্রাম-২ এবং রংপুর-৪ আসন ছেড়েছে জামায়াত। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ বাকি আট শরিক দলকে রংপুর বিভাগে একটিও আসন ছাড়েনি দাঁড়িপাল্লা।

জামায়াত দলীয়ভাবে যে তিনটি জরিপ করেছে, তাতে দাবি করা হয়েছে, রংপুর বিভাগের ৩৩ আসনে অন্তত ২৫টিতে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীরা জয়ী হবেন। রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় ৩৯টি আসনের ১৮টিতে নিশ্চিত জয় আশা করছে জামায়াত। আর বাকি আসনগুলোতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ধরে রাখছে দলটি।

অন্যদিকে ব্রেইন, ইনোভেশন, ন্যারেটিভসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে জরিপেও জামায়াত রংপুর ও খুলনা বিভাগে এগিয়ে রয়েছে বিএনপির চেয়ে। রাজশাহী বিভাগে অবস্থান প্রায় সমানে সমানে।

জামায়াতে ইসলামী ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ১২ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়ে ১৮ আসন পেয়েছিল। যা দলটির সর্বোচ্চ নির্বাচনি সাফল্য। ২০০১ সালে বিএনপির জোট শরিক হয়ে ১৭ আসন পেয়েছিল। এর সাতটি পেয়েছিল রংপুর থেকে। অন্যান্য বিভাগে আসন পেলেও ১৯৯১ সালে রাজবাড়ী জেলায় একটি আসন ছাড়া কখনো ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে জামায়াত জয়ী হতে পারেনি।

২০১৪ সালে উপজেলা নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিয়ে প্রথম দুই পর্বে ৩০ উপজেলায় জয়ী হয়েছিল জামায়াত। যার অধিকাংশ ছিল রংপুর বিভাগের। পরের তিন ধাপে আরও ছয় উপজেলায় জয়ী হয় জামায়াত।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

ঘাঁটি রক্ষায় বিএনপি, চ্যালেঞ্জ ছুড়ছে জামায়াত

Published

on

ব্যাংক

সাগর-পাহাড় ঘেরা পর্যটন নগরী কক্সবাজার এখন নির্বাচনী উত্তাপের কেন্দ্রে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জেলার ৪টি আসনেই জমে উঠেছে ভোটের কঠিন সমীকরণ। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি ও জামায়াত এবার একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নামায় পাল্টে গেছে অতীতের সব হিসাব-নিকাশ।

অভিজ্ঞ বনাম নবীন, সংগঠন বনাম জনভিত্তি- শেষ দুই দিনে প্রার্থীদের ব্যস্ততা তাই চূড়ান্ত।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৮ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ১৭ জন দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত, একজন স্বতন্ত্র।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২২ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই মাঠে নেমেছেন সবাই। শেষ সময়ে ‘ডোর-টু-ডোর’ প্রচারণা, পথসভা, গণসংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার- সব মিলিয়ে ভোটার টানার চেষ্টা চলছে জোরেশোরে।

কক্সবাজার–১ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি তারুণ্য:

চকরিয়া–পেকুয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-১ আসনটি এবার জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচিত। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রার্থী হওয়ায় গুরুত্ব বেড়েছে। তার বিপরীতে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর তরুণ প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কাগজে তিনজন থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই দুজনের মধ্যে। অভিজ্ঞ রাজনীতিকের সাংগঠনিক নেটওয়ার্ক বনাম নবীন প্রার্থীর তৃণমূল সক্রিয়তা- এ লড়াইয়ের ফল ঘিরে কৌতূহল রয়েছে।

কক্সবাজার-২ অর্থনীতির কেন্দ্রে ভোটের লড়াই:

মহেশখালী–কুতুবদিয়া আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচজন। সাবেক এমপি আলমগীর ফরিদ (ধানের শীষ) এবং জামায়াতের ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদকে ঘিরেই মূল লড়াই।

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, ১২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পর্যটন সম্ভাবনা মিলিয়ে এই এলাকা এখন দেশের অন্যতম অর্থনৈতিক কেন্দ্র। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও স্থানীয় স্বার্থ-এসব প্রশ্নে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা চলছে।

কক্সবাজার-৩ সদর আসনে তীব্র প্রতিযোগিতা:

সদর, রামু ও ঈদগাঁও নিয়ে কক্সবাজার–৩ আসনে প্রার্থী রয়েছেন ছয়জন। বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল ও জামায়াতের শহীদুল আলম বাহাদুরের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখছেন ভোটাররা।

জেলা সদর হওয়ায় আসনটি প্রতীকীভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। বড় সমাবেশ, নারী কর্মীদের অংশগ্রহণ এবং ঘন ঘন গণসংযোগে প্রচারণা পেয়েছে গতি। প্রতিশ্রুতির ঝুলি নিয়েও মাঠে সক্রিয় প্রার্থীরা।

কক্সবাজার-৪ সীমান্ত, রোহিঙ্গা ও ‘লক্ষ্মী আসন’ তত্ত্ব:

উখিয়া–টেকনাফ নিয়ে গঠিত কক্সবাজার–৪ বরাবরই জাতীয় আলোচনায় থাকে। রোহিঙ্গা সংকট, মাদক ও মানবপাচার, সীমান্ত নিরাপত্তা- এসব ইস্যু এই আসনকে আলাদা গুরুত্ব দেয়। রাজনৈতিকভাবে একে ‘লক্ষ্মী আসন’ বলা হয়।

অতীতে এখানে যে দলের প্রার্থী জিতেছেন, সেই দলই সরকার গঠন করেছে- এমন বিশ্বাস স্থানীয়দের মধ্যে প্রচলিত।

এবার বিএনপির প্রার্থী সাবেক চারবারের এমপি শাহজাহান চৌধুরী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জেলা আমির নুর আহমদ আনোয়ারী। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও এলডিপির প্রার্থী। দক্ষিণের এ আসনে শেষ মুহূর্তের প্রচারণা তাই বেশ জমজমাট।

বদলে যাওয়া জোট সমীকরণ:

স্বাধীনতার পর থেকে কক্সবাজারকে ‘বিএনপির ঘাঁটি’ বলা হলেও অতীতের জোট নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত একসঙ্গে লড়েছে। এবার দুই দল আলাদা প্রতীকে মাঠে।

ফলে ভোটের সমীকরণে নতুন হিসাব তৈরি হয়েছে। সাংগঠনিক শক্তি ও ভোট স্থানান্তরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে রাজনৈতিক মহলে। চূড়ান্ত ফল জানতে অপেক্ষা ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, চার আসনে মোট ভোটার ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩৫৭ জন। আগের নির্বাচনের তুলনায় বেড়েছে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৯৭ জন ভোটার। জেলায় ৫৯৮টি ভোটকেন্দ্রের ৩ হাজার ৬৮৯টি কক্ষে ভোটগ্রহণ হবে।

দায়িত্বে থাকবেন ১২ হাজার ২৫১ জন কর্মকর্তা। দুটি ব্যালটে ভোট দেবেন ভোটাররা- একটি সংসদ নির্বাচনে, অন্যটি গণভোটে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান জানিয়েছেন, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের তদারকি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বডি-অন ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে থাকবে বাড়তি নিরাপত্তা। আচরণবিধি তদারকিতে প্রতিটি উপজেলায় দুজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত আছেন।

শেষ মুহূর্তের প্রচারণা, জোটভাঙা প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক বাস্তবতায় কক্সবাজারের চার আসনে এখন কেবল অপেক্ষা- ভোটের রায়ে কোন সমীকরণ টিকে থাকে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

নাগরিককে দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে না: তারেক রহমান

Published

on

ব্যাংক

নাগরিককে দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বিএনপি চেয়ারম্যান এ কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সব শহীদের আকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা আমাদের দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তারেক রহমান বলেন, জনগণের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করা না গেলে, দেশের ডেমোক্রেসি, ডেভেলপমেন্ট কিংবা ডিসেন্ট্রালাইজেশন কোনো কিছুই টেকসই হবে না।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

রাজনীতি

প্রচলিত ধারা পরিবর্তন করে সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়ব : জামায়াত আমির

Published

on

ব্যাংক

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বিটিভিতে প্রচারিত এই ভাষণে তিনি প্রচলিত রাজনৈতিক ধারা পরিবর্তন করে ‘ঐক্যের বাংলাদেশ’গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না। এই প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে চাই।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পাঠকদের জন্য জামায়াত আমিরের পুরো বক্তব্যটি দেওয়া হলো—

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রিয় দেশবাসী, আসসালামু আলাইকুম।

সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আশা করি আল্লাহর মেহেরবানিতে আপনারা সবাই ভালো আছেন, সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের সামনে এখানে এসেছি কোনো গতানুগতিক রাজনৈতিক ভাষণ দিতে নয়। আজ আমি একেবারে মনের ভেতরের কিছু কথা বলতে চাই। যে কথাগুলো একজন জেন-জি, একজন যুবক, আর আমাদের প্রজন্ম সবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। একজন মুসলমানের জন্য যেমন, তেমনি আমাদের দেশের অন্য ধর্মের ভাই-বোনদের জন্যও।’

প্রিয় দেশবাসী, আজ আমি এখানে যাদের কারণে কথা বলছি, সেই জুলাইয়ের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদেরও গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে এখনো বহু মানুষ আহত আছেন।

আমি তাদের দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করছি। জুলাই হয়েছিল কারণ আমাদের দেশ এক হয়েছিল। জুলাইতে রাস্তায় নেমেছিল আমার তরুণ বন্ধুরা। রাস্তায় নেমেছিল আমাদের প্রিয় মা-বোন-মেয়েরা। রাস্তায় নেমেছিল শ্রমিক, রিকশাশ্রমিক ভাইয়েরা এবং সব মেহনতি জনতা।

ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তখন এক হয়েছিল। শিক্ষক, প্রকৌশলী, ডাক্তারসহ সব শ্রেণির পেশাজীবী মানুষও রাস্তায় নেমে এসেছিল। দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও সে সময়ে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে। আমরা জুলাই আর চাই না; আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে আর কোনো দিন জনগণকে রাস্তায় নামতে না হয়। আমাদের বুঝতে হবে, জুলাই কেন হয়েছিল। জুলাই হয়েছিল একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য। জুলাই হয়েছিল একটা কালো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তনের জন্য।

যুগের পর যুগ ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল পরিবারতন্ত্রের হাতে, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে। সেখান থেকে মুক্তির জন্য। বিশেষ করে ২০০৯ সাল থেকে জাতির ওপর এমন এক শাসকগোষ্ঠী চেপে বসে যারা মানবাধিকার, ভোটাধিকারসহ সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলে। গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, আয়নাঘর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের ওপর নিপীড়ন চালায়। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪-এর পরপর তিনটি জাতীয় নির্বাচনের নামে তামাশার মাধ্যমে আমাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়। এসব নিপীড়ন ও অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্যই এসেছিল রক্তাক্ত জুলাই।

আমাদের তরুণরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়। যে দেশকে তারা গর্ব করে বলতে পারবে নতুন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ২.০। এক কথায় যদি বলি দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর হিম্মত সবার থাকে না। এই হিম্মত দেখিয়েছে আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওসমান হাদী ও তাদের সহযোদ্ধারা। তাদের রক্তের শপথ নিয়ে নতুন প্রজন্মের লাখ লাখ সাহসী সন্তান আজ এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। এই দেশ আমাদের সময়ের এই সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই তরুণরা রচনা করবে। এই তরুণরা পরিশ্রমী। এই তরুণরা সাহসী, এই তরুণরা মেধাবী। এই তরুণরা পরিবর্তনকে ভালোবাসে। এই তরুণরা নতুনকে আলিঙ্গন করে। এই তরুণরা সত্য বলতে দ্বিধা করে না।

এই তরুণরা প্রযুক্তি বোঝে এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে জানে। তারাই পারবে নতুন বাংলাদেশ গড়তে। আমরা তোমাদের হাত ধরতে চাই। জুলাইয়ের মতো—কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে সঙ্গী হতে চাই। প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। দেশটা বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকুক, মানুষের জীবনে শান্তি ফিরুক। এই আমাদের চাওয়া। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে। এমন বাংলাদেশ যেখানে কেবল পারিবারিক পরিচয়ে কেউ দেশের চালকের আসনে বসতে পারবে না। এমন বাংলাদেশ যেখানে রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের।

প্রিয় দেশবাসী, জনগণ চায় একটু নিরাপত্তা সুশাসন ও ইনসাফ। তাই আগামীর বাংলাদেশকে এসব অঙ্গীকার ও মূল্যবোধের আলোকে সাজাতে চাই। রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার পরিকল্পনা গ্রহণ করে; কিন্তু এসব পরিকল্পনার সবগুলো যেমন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি তেমনি অনেকগুলো একদমই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত সংস্কার এখন সময়ের দাবি এবং এ সংস্কার প্রক্রিয়াকে জারি রাখাসহ সংস্কার নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এ গণভোট জনগণের সাধারণ ইচ্ছা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট চাই।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ব্যাংক ব্যাংক
অর্থনীতি1 hour ago

ভোটের ছুটিতে টানা ৪ দিন বন্ধ ব্যাংক ও পুঁজিবাজার

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে টানা চার দিনের ছুটি থাকবে দেশের সকল ব্যাংক খাত...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার1 hour ago

একীভূত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন ক্ষতিপূরণ: অর্থ উপদেষ্টা

একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার2 hours ago

ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৩...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার2 hours ago

দরপতনের শীর্ষে কেয়া কসমেটিকমস

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার2 hours ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংক

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯২ কোম্পানির মধ্যে ২৮৮ টির শেয়ারদর বৃদ্ধি...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার3 hours ago

পুঁজিবাজারে লেনদেনের শীর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

ব্যাংক ব্যাংক
পুঁজিবাজার3 hours ago

সূচকের উত্থানে লেনদেন ৭৯০ কোটি টাকা

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
ব্যাংক
জাতীয়46 seconds ago

সম্পদের হিসাব দিলেন প্রেস সচিব, দেড় বছরে বাড়েনি কিছুই

ব্যাংক
জাতীয়7 minutes ago

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম

ব্যাংক
জাতীয়27 minutes ago

রমজানে ব্যাংক লেনদেনের সময় পরিবর্তন

ব্যাংক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার32 minutes ago

৫০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫

ব্যাংক
সারাদেশ40 minutes ago

চৌগাছায় ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা পরিণত হলো জনসমুদ্রে

ব্যাংক
কর্পোরেট সংবাদ46 minutes ago

‘সরে দাঁড়াতে’ চান ঢাবির উপাচার্য

ব্যাংক
অর্থনীতি1 hour ago

ভোটের ছুটিতে টানা ৪ দিন বন্ধ ব্যাংক ও পুঁজিবাজার

ব্যাংক
পুঁজিবাজার1 hour ago

একীভূত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন ক্ষতিপূরণ: অর্থ উপদেষ্টা

ব্যাংক
পুঁজিবাজার2 hours ago

ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন

ব্যাংক
পুঁজিবাজার2 hours ago

দরপতনের শীর্ষে কেয়া কসমেটিকমস

ব্যাংক
জাতীয়46 seconds ago

সম্পদের হিসাব দিলেন প্রেস সচিব, দেড় বছরে বাড়েনি কিছুই

ব্যাংক
জাতীয়7 minutes ago

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম

ব্যাংক
জাতীয়27 minutes ago

রমজানে ব্যাংক লেনদেনের সময় পরিবর্তন

ব্যাংক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার32 minutes ago

৫০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫

ব্যাংক
সারাদেশ40 minutes ago

চৌগাছায় ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা পরিণত হলো জনসমুদ্রে

ব্যাংক
কর্পোরেট সংবাদ46 minutes ago

‘সরে দাঁড়াতে’ চান ঢাবির উপাচার্য

ব্যাংক
অর্থনীতি1 hour ago

ভোটের ছুটিতে টানা ৪ দিন বন্ধ ব্যাংক ও পুঁজিবাজার

ব্যাংক
পুঁজিবাজার1 hour ago

একীভূত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন ক্ষতিপূরণ: অর্থ উপদেষ্টা

ব্যাংক
পুঁজিবাজার2 hours ago

ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন

ব্যাংক
পুঁজিবাজার2 hours ago

দরপতনের শীর্ষে কেয়া কসমেটিকমস

ব্যাংক
জাতীয়46 seconds ago

সম্পদের হিসাব দিলেন প্রেস সচিব, দেড় বছরে বাড়েনি কিছুই

ব্যাংক
জাতীয়7 minutes ago

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম

ব্যাংক
জাতীয়27 minutes ago

রমজানে ব্যাংক লেনদেনের সময় পরিবর্তন

ব্যাংক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার32 minutes ago

৫০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ১২৩৮৫

ব্যাংক
সারাদেশ40 minutes ago

চৌগাছায় ধানের শীষের নির্বাচনী জনসভা পরিণত হলো জনসমুদ্রে

ব্যাংক
কর্পোরেট সংবাদ46 minutes ago

‘সরে দাঁড়াতে’ চান ঢাবির উপাচার্য

ব্যাংক
অর্থনীতি1 hour ago

ভোটের ছুটিতে টানা ৪ দিন বন্ধ ব্যাংক ও পুঁজিবাজার

ব্যাংক
পুঁজিবাজার1 hour ago

একীভূত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা পাবেন ক্ষতিপূরণ: অর্থ উপদেষ্টা

ব্যাংক
পুঁজিবাজার2 hours ago

ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন

ব্যাংক
পুঁজিবাজার2 hours ago

দরপতনের শীর্ষে কেয়া কসমেটিকমস