জাতীয়
আ.লীগ আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না: প্রেস সচিব
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। যেহেতু আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বাদ দিয়েছে, সেহেতু আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।
এসময় প্রধান উপদেষ্টাকে ৫ মার্কিন আইনপ্রনেতার চিঠি দেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব জানান, তিনি ওই চিঠিটি দেখেননি। এ বিষয়ে তিনি জানেন না।
এর আগে, চলতি বছরের মে মাসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল রাখার কথা বলা হয়। তখন এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।
এমকে
জাতীয়
নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না ভারত-অস্ট্রেলিয়াসহ ৮ দেশ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে আন্তর্জাতিক মহলের ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও শেষ মুহূর্তে ভারত, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়াসহ আটটি দেশ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত এসব দেশ বা তাদের পক্ষ থেকে কোনো পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নিশ্চিত করা হয়নি।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ভারতের পাশাপাশি ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, মিসর, কুয়েত, মরক্কো ও রোমানিয়ার নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা ইসির আমন্ত্রণে আসার বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হননি। এছাড়া ফোরাম অব দ্য ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বডিস অব সাউথ এশিয়া (এফইএমবিওএসএ) নামক আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেও কোনো উত্তর আসেনি।
এখন পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা দিয়েছে প্রায় ৬০ জন অতিথি, যারা বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে আসছেন। ইতোমধ্যে কেউ কেউ ঢাকায় পৌঁছেছেন, বাকিরা শিগগিরই আসবেন। তাদের জন্য ঢাকার একটি হোটেলে ৯–১৩ ফেব্রুয়ারি সরকারি ব্যবস্থাপনায় আতিথেয়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে, মোট ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক বাংলাদেশে আসছেন। এর মধ্যে বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে ৬০, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা থেকে ৩৩০, ৪৫টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫০ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছেন।
এছাড়া নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে ভুটান ও নাইজেরিয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মালয়েশিয়ার নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান, দক্ষিণ কোরিয়ার আইসিএপিপির স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান, তুরস্ক থেকে ৬ জন সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিলের ১০ সদস্যের দল ফিলিপাইন, জর্জিয়া, রাশিয়া, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ আফ্রিকা, জর্ডান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান ও ইরানের উচ্চ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা বাংলাদেশে আসছেন। এর বাইরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ২২৩, কমনওয়েলথ থেকে ২৫, এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (এএনএফআরইএল) থেকে ২৮ এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ১২ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষনে থাকবেন। এর বাইরে পাকিস্তানের ৪৮ জন, আল জাজিরা থেকে ৭ জন, এছাড়া জাপান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ভারত ও অন্যান্য দেশের গণমাধ্যমের প্রতিনিধি নির্বাচন দেখতে বাংলাদেশে আসছেন।
একই সময়ে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন জানিয়েছে, ইইউর ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র, কানাডা, নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড থেকে আগত মোট ২০০ জন পর্যবেক্ষক মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) থেকে নির্বাচনের মাঠে প্রস্তুত থাকবেন।
সরকারি সূত্রের মতে, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে। তবে ভারত, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, মিসর, কুয়েত, মরক্কো ও রোমানিয়া এবং এফইএমবিওএসএ-এর অংশগ্রহণ অনিশ্চিত।
এমএন
জাতীয়
শেষ হলো প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার, ভোটের অপেক্ষা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচার-প্রচারণা আজ ভোরে শেষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল ও মাইকিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এখন দেশজুড়ে বইছে ভোটের হাওয়া, প্রতীক্ষা কেবল ব্যালট যুদ্ধের।
এর আগে, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতেই মাঠ গরম করা নির্বাচনী সব কার্যক্রম শেষ করে নিয়েছেন প্রার্থীরা।
এখন প্রস্তুত নির্বাচন কমিশনও। সারা দেশে এরই মধ্যে পৌঁছে গেছে বিশাল এ যজ্ঞের নানা সরঞ্জাম। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও। এখন শুধুই ভোটের অপেক্ষা।
এদিকে, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারা দেশে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে এ ভোট শুরু হবে। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোট উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার ও পরশু ভোটের দিন সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। আসন সংখ্যা ২৯৯টি (একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত)। নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৫১টি। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ প্রার্থী। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতের ২২৯ প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ১৯৮ প্রার্থী। আর ৫ আগস্ট কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ৩২ প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন। দেশীয় পর্যবেক্ষকদের পাশাপাশি এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৫৪০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক।
নির্বাচনের মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি (স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি দুর্গম এলাকায় কিছু অস্থায়ী কেন্দ্রও রয়েছে)। মোট বুথ (ভোটকক্ষ) রয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি। এর মধ্যে পুরুষ বুথ প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি। আর নারী বুথ রয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি। এবার সবচেয়ে বেশি কেন্দ্র রয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে বড় নির্বাচনী এলাকা হিসেবে গাজীপুর-২ আসনে কেন্দ্রের সংখ্যা অন্যান্য আসনের তুলনায় অনেক বেশি।
এবারের নির্বাচনে ভোটারদের দুটি পৃথক ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। একটিতে থাকবে সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীক এবং অন্যটিতে থাকবে সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তন বা ‘জুলাই সনদ’ অনুমোদনের পক্ষে-বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ।
নির্বাচন উপলক্ষে মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ ছাড়া ট্যাক্সি ক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক ও ইজিবাইক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে আগামীকাল রাত ১২টা থেকে, যা বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এমএন
জাতীয়
আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং: বিদায়ী বার্তা দিলেন প্রেস সচিব
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠক শেষে এক আবেগঘন পরিবেশে প্রেস ব্রিফিং করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে এটিই সম্ভবত শেষ আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
নিজেদের কাজের বিষয় তুলে ধরে শফিকুল আলম বলেন, গত ১৮ মাসে আমরা সব সময়ই নিউজ যত দ্রুত সম্ভব আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে সরকারের অবস্থা কী, তা আমরা আপনাদের জানিয়েছি। প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজকে তথ্যের প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহার করে সব নিউজ শেয়ার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রেস ব্রিফিংয়ে বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। মাঝেমধ্যে বিভিন্ন সময় প্রেস কনফারেন্সের যত প্রশ্ন আপনাদের ছিল, সব আমরা নিয়েছি।
প্রেস উইংয়ের আরেক সদস্য আজাদ মজুমদার বলেন, আমরা আপনাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি, আপনাদের সহযোগিতা পেয়েছি। আগামী সপ্তাহে আশা করছি, আমরা টেবিলের ওপারে আপনাদের সঙ্গেই থাকব।
আরেক সদস্য ফয়েজ আহমদ বলেন, আমি সব সময় আপনাদের সঙ্গে বেশি ক্লোজ থেকেছি। সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছি। নানা কারণে আমরা এক্সট্রা অর্ডিনারি অবস্থার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। আমাদের কোনো আচরণে আপনারা কষ্ট পেয়ে থাকলে, আমরা সরি।
এমএন
জাতীয়
মঙ্গলবার সকাল ৭টায় শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচারণা: ইসি সচিব
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা আগামী মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হচ্ছে। নির্বাচন বিধান অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের সকল প্রকার প্রচারণা কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে।
রোববার এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে।
ইসি সচিব আরও জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারাদেশে ১ হাজার ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন থাকবেন। মূলত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন তারা। এ সময় মাঠে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা যাবে।
এছাড়া নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ইলেক্টোরাল এনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটি ইতোমধ্যেই মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করেছে বলে জানান তিনি।
এমএন
জাতীয়
কেন্দ্রে মোবাইল নিতে পারবেন সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা: ইসি সানাউল্লাহ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা সাধারণ ভোটারদের জন্য প্রযোজ্য হলেও সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে তা শিথিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (ইসি) নিশ্চিত করেন যে, সংবাদকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশে কোনো বাধা নেই।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বুথ পরিদর্শনকালে (ইসি) সানাউল্লাহ এ তথ্য জানান।
এর আগে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি নির্দেশনা সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।
ওই নির্দেশনায় বলা হয়, সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পুলিশ ইনচার্জ ও ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার সদস্য ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এই নির্দেশনা কার্যকর করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এমএন



