রাজনীতি
খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের নিরাপত্তায় ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা’ নিয়োগ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম।
বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নিমিত্তে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে ‘প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা’ হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে লন্ডনে আয়োজিত আলোচনা সভায় অতিথির বক্তব্যে নিজেই এ কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
তিনি বলেছেন, আপনারা সবাই জানেন যে আজকে এই অনুষ্ঠানটি, প্রথমত দুটো বিষয়। এক. ১৬ ডিসেম্বর, আমাদের বিজয় দিবস। এবং একই সাথে আপনাদের সাথে বহুদিন ছিলাম। ১৭, প্রায় ১৮ বছর আপনাদের সাথে ছিলাম। বাট, আগামী ২৫ তারিখে ইনশা আল্লাহ আমি দেশে চলে যাচ্ছি।
এর আগে, গত শুক্রবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, ২৫ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান।
রাজনীতি
সিইসির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক দুপুরে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে আজ রবিবার দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠকে বসছে বিএনপি। দুপুর ১২টায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠক অংশ নেবেন।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সিইসির দপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সিইসির দপ্তর আরো জানায়, বৈঠকে দলের বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, নির্বাচন কমিশনের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জকরিয়াও উপস্থিত থাকবেন।
এমএন
রাজনীতি
সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ চিরতরে বন্ধ করব: মির্জা ফখরুল
হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ বিএনপি চিরতরে বন্ধ করবে বলে অঙ্গীকার করেছেন দলটির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সীপাড়ায় আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
পথসভায় মির্জা ফখরুল বলেন, “হিন্দু-মুসলমান যুগ যুগ ধরে এখানে মিলেমিশে বসবাস করছে। আমরা এই সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ চিরতরে বন্ধ করে দেব।”
তিনি বলেন, “আমরা রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য, শান্তির জন্য। দীর্ঘ দুর্দিন পার করে আজ দেশের মানুষ সুদিনের পথে এগিয়ে আসছে।”
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের মানুষ ফ্যাসিস্ট শাসনের নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে। সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে এখন জনগণের হাতে আবার দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে।
ভোটারদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “আপনাদের হাতেই দেশ, আপনারাই দেশের প্রকৃত মালিক। তাই ভুল করার সুযোগ নেই। সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ভোট প্রয়োগ করতে হবে।”
এমএন
রাজনীতি
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা জাল ভোট কেনার চেষ্টা করছে, অভিযোগ আমিনুল হকের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-১৬ আসনের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা টাকা দিয়ে জাল ভোট কেনার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এবং বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল হক।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে নির্বাচনী প্রচারণার সময় এই অভিযোগ তোলেন তিনি।
আমিনুল হক বলেন, ‘একটি দল সোচ্চার হয়েছে নির্বাচনকে কীভাবে বানচাল করা যায়। এ বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বট বাহিনী দিয়ে যেভাবে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে, সে বিষয়ে দেশের জনগণ যথেষ্ট সচেতন। মিথ্যাচার যারা ছড়াচ্ছে তাদের রায় জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি দেবে।’
অভিযোগ তুলে এই প্রার্থী বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা টাকা দিয়ে জাল ভোট কেনার চেষ্টা করছে।’
প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমিনুল হক বলেন, নিম্ন আয়ের এবং ছিন্নমূল মানুষদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে, যারা প্রতিদিন উচ্ছেদ আতঙ্কে থাকেন। যারা ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার ব্যবস্থা করতে পারে না, তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানোর ব্যবস্থা করবো। তাদের সামাজিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করবো। যারা অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না, তাদের স্বাস্থ্য অধিকার নিয়ে কাজ করবো।
তিনি বলেন, ‘এলাকায় কোনো সরকারি মেডিকেল কলেজ বা হাসপাতাল নেই। সেটি তৈরিতে কাজ করবো। বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চাই। প্রত্যেকের কাছে মানবিকতা পৌঁছে দিতে চাই।’
এমএন
রাজনীতি
শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
জুলাই আন্দোলনে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পীরগঞ্জের জাফরপাড়া বাবনপুর গ্রামে পৌঁছান তিনি। কবর জিয়ারতের পর আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ রংপুর জেলা নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, আমাদের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেছেন এবং তার বিদেহী আত্মর মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেছেন। আবু সাঈদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো আজ দেশের সব মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যই শুধু নয়, আবু সাঈদ শিখিয়েছেন, কীভাবে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক উঁচিয়ে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলির মুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়তে হয়, সেই শিক্ষাও আবু সাঈদ শিখিয়ে গেছেন।
তিনি বলেন, কেবল আবু সাঈদকে মৃত্যু দিবসে স্মরণ এবং তার কবর জিয়ারতের মধ্যে থাকলেই চলবে না, তার আত্মাত্যাগের শিক্ষাটাকে বাস্তবে রূপান্তর করার জন্য আমাদের সবাইকে উজ্জীবিত হতে হবে। তাহলেই আমার মনে হয়, আবু সাঈদের আত্মা শান্তি পাবে।
আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যসহ গ্রামের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে। ২০২৪ সালর ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আবু সাঈদ। পরদিন তাকে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ ছিলেন জুলাই আন্দোলনের একজন সমন্বয়ক।
এমএন
রাজনীতি
কর্মসংস্থান ও মাদকমুক্ত ঢাকা-৬ গড়ার অঙ্গীকার ইশরাকের
ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, নতুন ও তরুণ ভোটারদের প্রধান সমস্যা বেকারত্ব। এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয় পর্যায়ে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইটি খাতের উন্নয়ন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়াই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর সূত্রাপুর থানার ক্যাপিটাল জেনারেল হাসপাতালের সামনে ধানের শীষের গণসংযোগের আগে এক পথসভায় তিনি এই অঙ্গীকার করেন।
ইশরাক বলেন, দীর্ঘদিন অবহেলিত এই এলাকায় বিনিয়োগ না হওয়ায় বেকারত্ব বেড়েছে, শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়নি। আগামী দিনে পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে এ পরিস্থিতি বদলানো হবে।
এলাকার নাগরিক সমস্যা ও ভোটের জয়ের ফ্যাক্টর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, নতুন ও তরুণ ভোটারদের প্রধান সমস্যা বেকারত্ব। এ সমস্যা সমাধানে বিনিয়োগ বাড়িয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করা হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, আইটি সেক্টর ও ফ্রিল্যান্সিংয়ে আগ্রহীদের জন্য বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে প্রণোদনা দেয়া হবে। পুরান ঢাকা, বৃহত্তর সূত্রাপুর ও কোতোয়ালি এলাকায় অনলাইনভিত্তিক ছোট ব্যবসা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করা হবে, যাতে তরুণরা নিজেরা কাজ করার পাশাপাশি অন্যদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে।
মাদককে এলাকার আরেকটি বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট গড়ে তুলে দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তরুণরা দেশে-বিদেশে ভালো কর্মসংস্থান পায়।
প্রতিদ্বন্দ্বী একাধিক দল কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য পেশ করে সভা সমাবেশ করছে বলে অভিযোগ করেন ইশরাক হোসেন।
এমএন



