ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইবিতে অর্ডিন্যান্স লঙ্ঘন অভিযোগ: ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীরা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় খামখেয়ালি সিদ্ধান্ত, ভুল ক্রেডিট বণ্টন এবং অর্ডিন্যান্স লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এতে একাডেমিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস কর্ণারে এক সংবাদ সম্মেলনে মানোন্নয়ন পরীক্ষার জন্য আবেদনকারী ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১২ জন শিক্ষার্থীদের পক্ষে ৫ জন শিক্ষার্থী এ–সংক্রান্ত বিস্তারিত অভিযোগ তুলে ধরে দ্রুত সমস্যা সমাধানের দাবি জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহমান, বায়েজিদ বোস্তামী, নাহিদ আক্তার নোভা, মাহথির মোহাম্মদ চমন ও রবিউল ইসলাম।
তারা জানান, করোভাইরাস পরিস্থিতি এবং ‘জুলাই বিপ্লব’–পরবর্তী দীর্ঘ সেশনজটের সময়ে তারা বারবার জট নিরসনের দাবি জানালে তৎকালীন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিয়া মো. রাশিদুজ্জামান জানান, প্রতিটি সেমিস্টারের মান উন্নয়ন পরীক্ষা নিতে সময় বেশি লাগায় সেশনজট কমানো সম্ভব হচ্ছে না।
এ কারণ দেখিয়ে তিনি ৩য় বর্ষ ১ম সেমিস্টার থেকে সব মান উন্নয়ন পরীক্ষা স্থগিত করে ঘোষণা দেন যে ৪র্থ বর্ষ শেষে একসঙ্গে সব সেমিস্টারের মান উন্নয়ন নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়— যে সব কোর্সে ৩.০০–এর নিচে নম্বর পাবে, সেসব কোর্সে পরবর্তীতে মান উন্নয়ন পরীক্ষার সুযোগ থাকবে; সেমিস্টারের গড় সিজিপিএ বিবেচ্য হবে না।
শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী— ধারা ১০.৬: প্রতি একাডেমিক ইয়ারে যেকোনো কোর্সে ৩.০০–এর নিচে গ্রেড পেলে সেমিস্টার শেষে ১৫ দিনের মধ্যে রিটেক দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ধারা ১৩.২: ৪র্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফলাফলের পর যাদের যেকোনো কোর্সে গ্রেড ‘বি’–এর নিচে থাকবে, তারা অনিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে রিটেক দিতে পারবে।
অর্ডিন্যান্সে গড় সিজিপিএ ৩.০০-এর বেশি হলে মান উন্নয়ন দেওয়া যাবে না—এমন কোনো বিধান নেই। এসব নিয়ম অমান্য করে চেয়ারম্যান একক সিদ্ধান্তে শুধুমাত্র ‘ফেইল করা’ শিক্ষার্থীদের জন্য মান উন্নয়ন পরীক্ষা সীমিত করেন, যা বিভাগীয় প্রতিশ্রুতিভঙ্গ।
শিক্ষার্থীরা জানান, ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষে বিভাগীয় অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী মোট ক্রেডিট হওয়ার কথা ছিল ১৩৬। কিন্তু তৎকালীন সভাপতি অধ্যাপক ড. সালমা সুলতানার ভুল ক্রেডিট বিতরণের কারণে দীর্ঘদিন ধরে ১২৮ ক্রেডিট অনুযায়ী একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ৪র্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের সময় ভুল ধরা পড়ে। তখন বিভাগ হঠাৎ করে ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের পুরনো অর্ডিন্যান্স চাপিয়ে ফল প্রকাশ করে। অথচ শিক্ষার্থীরা সেই অর্ডিন্যান্সের অন্তর্ভুক্ত নন। এতে স্পষ্টতই অর্ডিন্যান্স লঙ্ঘন হয়েছে। ২০১৮–১৯ অর্ডিন্যান্স চাপিয়ে দিয়ে শুধু ‘ফেইল করা’ শিক্ষার্থীদের রিটেক ও মান উন্নয়ন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, আর বাকি শিক্ষার্থীদের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, আমরা কোনো বেআইনি সুবিধা চাইনি। আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার—মান উন্নয়ন পরীক্ষার সুযোগ চেয়েছি। কিন্তু বিভাগের ধারাবাহিক ভুলের কারণে আমরা ভুক্তভুগী হয়েছি। প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে দৌড়ঝাঁপ করেও সমাধান পাইনি। অর্ডিন্যান্স লঙ্ঘন করে ফল প্রকাশ করে এবং প্রতিশ্রুতি ভেঙে আমাদের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের ভুলের দায় শিক্ষার্থীদের ওপর চাপানো অন্যায়। এই সপ্তাহের মধ্যেই মান উন্নয়ন পরীক্ষার অনুমতি দিতে হবে। অন্যথায় প্রমাণ হবে—ইংরেজি বিভাগ শিক্ষার্থী-বান্ধব নয়। যে বিভাগ শিক্ষার্থী-বান্ধব নয়, সে বিভাগ তার কার্যক্রম চালানোর নৈতিক যোগ্যতা রাখে না। এসময় দাবি না মানলে তারা পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে জানান।
এবিষয়ে বিভাগের তৎকালীন সভাপতি অধ্যাপক ড. মিয়া মো. রাসিদুজ্জামান বলেন, এবিষয়ে আমি উপাচার্যের সাথে কথা বলেছি। আমি বিভাগের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত আছি। আপাতত আমার কোন মন্তব্য নেই।
বিভাগের বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, ২০ জন শিক্ষার্থী মান উন্নয়ন পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছিল, আমরা একাডেমিক কমিটি থেকে তাদের নাম পাঠিয়েছিলাম। যাদের মধ্যে ৮ জন শিক্ষার্থী যাদের রিটেক ছিল তাদেরকে অনুমোদন দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। বাকি ১২ জন পরবর্তীতে আবারো আবেদন করে। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে আবারো একাডেমিক কাউন্সিলের একটা মিটিং হয় এবং আমরা সেই ১২ জনের নাম কন্ট্রোলার অফিস পাঠাই। পরবর্তীতে উপাচার্য স্যার এটাকে আইনি প্রক্রিয়ায় সমাধানের আশ্বাস দেন। এখন বিষয়টি কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।
অর্থসংবাদ/সাকিব/এসএম
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বন্ধ থাকছে চবির সকল কার্যক্রম
চলমান বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আগামী ১০ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং অধিভুক্ত কলেজের পরীক্ষাও এই সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দফতর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।
বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায় ১০ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত সকল বিভাগ, ইন্সটিটিউট, ও অধিভুক্ত সকল কলেজের পরীক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দাফতরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে শুধুমাত্র জরুরি সেবা এবং স্বাস্থ্যসেবা চালু থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমদ জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নীতি মেনে নেয়া হয়েছে।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ছুটির আগেই জবি উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি ইউট্যাবের
ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমের পদত্যাগ দাবি করেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজে মনোযোগ না দিয়ে তিনি রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছেন এবং ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছেন।
রোববার (৮ মার্চ) ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ অভিযোগ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক পুরান ঢাকার জগন্নাথ কলেজকে ২০০৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হলেও পরবর্তীতে নানা রাজনৈতিক কারণে প্রতিষ্ঠানটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ইউট্যাব দাবি করছে, বর্তমান উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যৌথ আন্দোলনের ফল বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে, যা ক্যাম্পাসে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
সংগঠনটি আরও অভিযোগ, উপাচার্য নিজ ক্ষমতা ধরে রাখতে রাজনৈতিক যোগাযোগ বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে অস্থির করে তুলছেন।
এ অবস্থায় ইউট্যাব জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বর্তমান উপাচার্যের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে তাকে দ্রুত সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। অন্যথায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাকে সর্বাত্মক অসহযোগিতা করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটি ঘোষণা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। ইনকিলাব, ইনসাফ, সততা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের আদর্শকে ধারণ করে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) ভোরে ইনকিলাব মঞ্চের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের স্বাক্ষরিত এই কমিটিতে মোট ৪৭ জন সদস্য রয়েছেন।
এতে আহ্বায়ক হিসেবে মো. ফজলে রাব্বী সরকার ও সদস্যসচিব সাবিরা মারিয়াম মুশফির নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক পদে নাজমুল ইসলাম ও মিলন হোসাইন, যুগ্ম সদস্য সচিব নূরে জান্নাত ফাতিমা ও নাফিস ইসতিয়াক আহাম্মেদ তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক ইসফানুল ইসলাম, শিল্প ও সাহিত্য সম্পাদক মুজতবা জহির জিসান, মিডিয়া সম্পাদক আবু বকর তালহা, পরিবেশ ও পর্যটন সম্পাদক জায়েদ আল বাশার, স্কিল ও ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক হাছানুর রহমান শান্ত এবং ইন্টারন্যাশনাল এফেয়ার্স হিসেবে মোহাম্মদ ফাতিন ইয়ামিন চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া ৩৫ সদস্য হলেন— আবদুল্লাহ ফাহাদ, মো. মাহাবুবুল আলম, মুহাম্মাদ যায়েদ আব্দুল্লাহ, মোহাম্মদ কাইফ, মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ খান, ইন্তেসাম সাদিয়া, মো. মিফতা উল হুদা, গালিব আল দ্বীন, মো. জাহিদ হাসান ফকির, মুনতাসির বিল্লাহ, শাহাদা নুর তামিমা, আব্দুল্লাহ আল মাসুম, নাফিস ইসতিয়াক আহাম্মেদ তালুকদার, মারিয়া ফারজানা ইতি, মোয়াম্মার তাজওয়ার ইবনে বদর অরিস, মুজাহিদা আফরিন মজুমদার, সাদিয়া আফরিন, মরিয়ম খাতুন, আজমাঈন আদিব, সাদিয়া জাহান সাইফা, আব্দুল্লাহ আল মুবাশ্বির, মুহাম্মদ জোবায়ের ইসলাম, সুহাইল মাহদীন, সাইফুল আলম শান্ত, আবদুল্লাহ হাসান আরাফাত, মো. রেজাউল ইসলাম ফুয়াদ, সিয়াম হোসেন রাজীব, আবির হুসাইন, নাজিয়া সিদ্দিকা, নাকীব হাসান, শাহরিয়ার রহমান, আবদুর রহমান বর্ণ, তাসনিয়া বিনতে তালেব, সুমাইয়া শিমু ও মো. মুতাসীম বিল্লাহ তাহমীদ।
এমএন
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
শিক্ষিকা রুনা হত্যার বিচারের দাবিতে ইবি পরিবারের মানববন্ধন
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-এর সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব এবং গ্রিন ফোরাম।
রোববার (৮ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে শিক্ষক সংগঠন জিয়া পরিষদ, ইউট্যাব এবং গ্রিন ফোরাম এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান-এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ, উপ-উপাচার্য ড. এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ ড. জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার ড. মনজুরুল হক, প্রক্টর ড. শাহীনুজ্জামান ও ছাত্র উপদেষ্টা ড. ওবায়দুল ইসলাম।
এছাড়াও কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন-এর নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।
গ্রীন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দ্রুততম সময়ে রুনা হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় একটি অনিরাপদ স্থানে অবস্থিত। এজন্য সকল ছাত্র, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে ইউনিক আইডেনটিটির ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যত থোক বা ডে লেবার হিসেবে কাজ করে প্রত্যেকের ডাটা সংগ্রহ করতে হবে যেন পরবর্তীতে তাদেরকে আমরা আয়ত্তে রাখতে পারি।
জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান বলেন, মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের কাছে একটাই অনুরোধ করব আপনি এই দুই খুনের বিচারের জন্য প্রশাসনের কাছে যতটুকু আগানো সম্ভব আপনি আগান প্রয়োজন বোধে আমরা যাব। যদি আপনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে বিচার না পান, রেসপন্স না পান, আমরা রাস্তায় নামবো। কিন্তু আপনি উদ্যোগ নেন, বসে থাকবেন না।
শিক্ষিকা রুনা হত্যার ঘটনায় প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটির আহবায়ক হিসেবে আমি দল, মত নির্বিশেষে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, আসমা সাদিয়া রুনার হত্যাকান্ডের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে- বিশ্ববিদ্যালয়ে অভ্যন্তরীণভাবে একটি তদন্ত কমিটি করেছি এবং এই বিভাগ যাতে সচল থাকে সে ব্যবস্থা আমরা করেছি। রুনার অকাল মৃত্যুতে যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে রুনা আমাদের হৃদয়ে সারাজীবন জাগরক থাকবে। যত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ব্যাপারে কোন ধরনের কার্পণ্য করা হবে না। আমরা প্রশাসনের কাছে, বিচার প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এমএন/এমএসএ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাকাউন্টিং ক্লাবের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন আরইউ অ্যাকাউন্টিং ক্লাব লিমিটেড (আরইউএসিএল)-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে ইফতার মাহফিলের আয়োজনও করা হয়।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর-১৪ এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক ও বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানো, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এই সংগঠন গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্ঞানচর্চা, গবেষণামনস্কতা ও সৃজনশীলতা বিকাশ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের লক্ষ্যেও সংগঠনটি কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয় এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
সংগঠনটির সভাপতি মো. জাহেদুল ইসলাম (জাহিদ) এবং সাধারণ সম্পাদক মাসুম মিয়া।
এমএন




