রাজনীতি
আমিও একজন সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম: জেলা জামায়াত আমির
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এদেশের আপামর জনসাধারণ, সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেছে উল্লেখ করে চাঁদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী বলেছেন, ‘আমি তখন চতুর্থ শ্রেণীতে লেখাপড়া করি। আমাদের গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প ছিল। আমরা বাড়ি বাড়ি থেকে তাদের জন্য চাল, ডাল ইত্যাদি উঠিয়ে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছি। তাইলে আপনি কি আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বলতে পারেন না? আমি কি সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম না?’
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে চাঁদপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ‘অঙ্গীকার’-এ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মাওলানা বিল্লাল হোসাইন বলেন, ‘যাতে আমরা স্বাধীনভাবে নিজেদের জীবন যাপন করতে পারি। আমাদের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি সবকিছুকেই যাতে আমরা স্বাধীনভাবে নিজেরা নিজেদেরটা করতে পারি। কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি যাতে আমাদের উপরে নাক গলাতে না পারে। এটাই ছিল আমাদের মূল মুক্তিযুদ্ধের টার্গেট।’
তিনি আরও বলেন, ‘সুতরাং আমাদেরকে যারা আসলে একটু বাঁকা চোখে দেখতেছে, আমি তাদের প্রতি অনুরোধ করব, বাঁকা চোখে না দেখে দেশ গঠন করার লক্ষ্যে আমরা আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা একত্রে কাজ করি।’
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, ‘এই দেশের আপামর বাঙালি মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন। চট্টগ্রামের কালুরঘাট থেকে মেজর জিয়া, পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন। কিন্তু সেই ইতিহাস বিকৃত করেছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ।’
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘এই দেশ যতোদিন টিকে থাকবে, আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা মানুষের মণিকোঠায় থাকবেন। তাদেরকে সম্মান জানানো দেশের প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব।’
প্রসঙ্গত, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে ১৯৭১ সালের এই দিনে চাঁদপুর পাক হানাদারমুক্ত হয়। এদিন চাঁদপুর থানায় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আউয়াল কিরন। তবে তার আগেই জেলার ফরিদগঞ্জ, হাইমচর, মতলব উত্তর ও দক্ষিণ, কচুয়া, শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ শত্রুমুক্ত করেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
এর আগে বীর মুক্তিযোদ্ধারা শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করেন। এছাড়া বেলুন উড়িয়ে ও দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়।
এমকে
রাজনীতি
তাহাজ্জুদ পড়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান তারেক রহমানের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) হবিগঞ্জের জনসভায় মঞ্চে মাগরিবের নামাজ আদায় করে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান হবিগঞ্জের চারটি আসনের এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে জনগণকে বলেন, আপনারা তাদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে এই চারজনের মাধ্যমে এলাকায় সকল উন্নয়ন হবে ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, একটি দল স্বাধীনতাযুদ্ধের বিরোধিতা করে অসংখ্য মানুষ হত্যা করেছে। সেই একই দল এখন আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে তথাকথিত ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রি করছে, এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের বিকাশ নাম্বার সংগ্রহ করছে। আপনাদের তাদের বয়কট করুন।
সাবেক এমপি শাম্মী আক্তারের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- হবিগঞ্জ- ৩ আসনের এমপি প্রার্থী জি কে গউছ, হবিগঞ্জ- ৪ আসনের এমপি প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল, হবিগঞ্জ-১ আসনের এমপি প্রার্থী রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ আসনের এমপি প্রার্থী ডা. জীবন, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা আহমেদ আলী মুকিব, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আব্দুর রব ইউসুফী প্রমুখ।
রাজনীতি
ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা শুরু
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানস্থ পুলিশ প্লাজা এলাকা থেকে এই প্রচার অভিযান শুরু হয়। এ সময় বিপুল সংখ্যক সমর্থক ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনী প্রচারণায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচন প্রচারণা কমিটির উপদেষ্টা মো. আবুল কাশেম, আহ্বায়ক ইথুন বাবু, যুগ্ম-আহ্বায়ক রিজিয়া পারভীন উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া অন্যান্য নেতাকর্মীদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম রফিক, খালেদ এনাম মুন্না, সাজ্জাদ পলাশ, ড. শাহরিয়া সামাদ, মৌসুমী চৌধুরী, আকলিমা মুক্তা, এস এম বি হৃপন, রুবাবা তারেক, নাজনীন আকবর হক, আতিকা ইসলাম, শারার কাশফি, কাজী সাজেদুর রহমান, আমিরুল ইসলাম জনি, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মির্জা সমাট রেজা, রোকনুজ্জামান দিপু, বদিউজ্জামান টুটুল, শামীমা আক্তার রুবি, নাহিদ চৌধুরী রানা, জান্নাতুল ফেরদৌস, পরান আহসান, আব্দুর রউফ, মালেক মুন্সী, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম মিজান, হোসনে আয়ারা মায়া, দিদারুল আলম দিদার, মো. আবুল খায়ের, শরীফুল ইসলাম সুজন, প্রমা আজিজ, ওয়াসিম কবির (গামছা পলাশ), মনোয়ার হোসেন ভুইঁয়া শাওন, মো. দেলোয়ার হোসেন দ্বীপ, আবির খান, হাসানুজ্জামান হাসান এবং মো. ফরিদ উপস্থিত ছিলেন।
প্রচারাভিযান চলাকালে সমর্থকদের মধ্যে উল্লাস ও উৎসাহ দৃশ্যমান ছিল। নেতাকর্মীরা সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করেন এবং ভোটারদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
একইসঙ্গে তারেক রহমানকে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক উল্লেখ্য করে ঢাকা-১৭ সহ সংশ্লিষ্ট আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
রাজনীতি
পোস্টার লাগানো নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ
লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জে পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের আহত হয়েছেন অন্তত ৪জন। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের রিফুজি মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- ওই এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাজান, ভবানীগঞ্জ ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী ফিরোজ আলম, ছাত্রশিবিরে ওয়ার্ড সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাত তাহসিন ও অর্থ সম্পাদক মো. সোহাগ হোসেন।
জামায়াতকর্মী ফিরোজ আলম বলেন, আমরা সকালে রিফিইজি মার্কেট এলাকায় ড. রেজাউল করিমের ফেস্টুন লাগানোর সময় স্থানীয় বিএনপির কর্মী কাশেম মাঝি বাধা দেয়। একপর্যায়ে আমরা সেখান থেকে সরে গিয়ে বাজারে অন্য পাশে ফেস্টুন লাগানোর সময় কিছুক্ষণ পর পরিকল্পিতভাবে তারা আমাদের ওপর হামলা করে। স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে।
আহত বিএনপিকর্মী মো. শাহাজান বলেন, জামায়াতের লোকজন আমাদের বিএনপির অফিসে সামনে ফেস্টুন লাগাতে এলে আমি নিষেধ করি। কিন্তু তারা আমার ওপর হামলা করে আমাকে গুরুতর আহত করে।
বিএনপিকর্মী কামাল হোসেন বলেন, সকালে জামায়াতের লোকজন বিএনপির অফিসে সামনে ফেস্টুন লাগানো সময় বিএনপির কর্মী শাহাজান বাধা প্রদান করলে তারা হামলা করে। ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন জামায়াতে সেক্রেটারি হাফেজ আব্দুল হক বলেন, বিগত সময়ে রিফিউজি মার্কেট এলাকায় এ শাহজাহান দুবার ড. রেজাউল করিমের পোস্টার ছিঁড়েছে। আজকে আমাদের লোকজনকে লাঠিসোঁটা দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় ও বাধা দেয়।
তিনি আরও বলেন, শাহাজান মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ। তাই এ ঘটনায় আমরা ক্ষমা চাচ্ছি। তবে কেউ উসকানি দিয়ে তাকে দিয়ে যদি এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকে আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। জেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল আলী হুমায়ুন বলেন, শাহজাহান মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। ছোট্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামায়াতের লোকজন তাকে মেরে রক্তাক্ত করেছে।
ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এস এম আজাদ বলেন, একটা মানসিক অসুস্থ লোককে জামায়াতের কর্মীরা মেরে রক্তাক্ত করেছে। এটা নিন্দনীয়। তবে এ ঘটনায় জামায়াতের কেউ কোনোভাবে আহত হয়নি। লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমকে
রাজনীতি
একটি দল কুৎসা রটাচ্ছে, এরা মানুষের ভোট পাবে না: মির্জা ফখরুল
বিএনপির আজকের লড়াই স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে আয়োজিত বিএনপির প্রথম নির্বাচনি জনসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আজ একটি দল কুৎসা রটাচ্ছে। এরা মানুষের ভোট পাবে না। এরা স্বাধীনতাবিরোধী। আজকের লড়াই এদের বিরুদ্ধে।
বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর গণতন্ত্রের জন্য মানুষ প্রাণ দিয়েছে, গুম হয়েছে। কিন্তু, মাথা নত করেনি। তারেক রহমানের আজকের যাত্রা নতুন বাংলাদেশের যাত্রা।
এর আগে, সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের সময় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিএনপির এই নির্বাচনি জনসভা। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের পর দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে জনসভার মঞ্চে পা রাখেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এসময় স্লোগানে-স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে জনসভার মাঠ।
মঞ্চে ওঠার সময় হাত তুলে সবাইকে অভিভাবদন জানান তারেক রহমান। এসময় হাজার হাজার নেতাকর্মীও তাকে হাত তুলে স্বাগত জানান।
এই জনসভাকে কেন্দ্র করে সিলেট নগরী ও আশপাশের এলাকায় কয়েক দিন ধরেই বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বুধবার রাত থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের জেলা থেকে মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। নির্ধারিত সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় সভাস্থল।
তারেক রহমানের সফর ও জনসভাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সিলেট নগরীতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জনসভাস্থল ও আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এমকে
রাজনীতি
আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলো এনসিপি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অবস্থিত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে এ কর্মসূচি শুরু করেন দলের আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী নাহিদ ইসলাম।
এ সময় নাহিদ ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকেই ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও ২৪-এর অভ্যুত্থান শুরু হয়েছিল। ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় এ এলাকা থেকেই এনসিপির নির্বাচনী যাত্রা শুরু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন আধিপত্যবিরোধী লড়াই। নতুন মাফিয়াদের বিরুদ্ধে ১০ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১০ দলীয় ঐক্যজোটকে বিজয়ী করতে হবে।
এমকে



