পুঁজিবাজার
সূচকের পতনে ৬ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন
সপ্তাহের প্রথম কর্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দুই শতাধিক কোম্পানির দরপতন হয়েছে। সেই সঙ্গে টাকার অংকে গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (৭ ডিসেম্বর) ডিএসইতে মূল্যসূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ডিএসই’র প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ১৩ দশমিক ৯২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৮৭২ পয়েন্টে।
অন্য সূচকগুলোর মধ্যে শরীয়াহ সূচক ‘ডিএসইএস’ ৩ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট এবং ডিএস-৩০ সূচক ৫ দশমিক ৫১ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১০২০ ও ১৮৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
আজ ডিএসইতে ২৬৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর আগে গত ১৫ জুন সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছিলো ২৬৩ কোটি ০২ লাখ টাকা।
আজ ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৮৭টি কোম্পানির। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১০টির, কমেছে ২০৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৮টির।
এসএম
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা
চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন বেড়েছে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ বা ৬ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা। চলতি সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯০ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১৪০.৬২ পয়েন্ট বা ২.৮৪ শতাংশ। তবে ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৫০.১৬ পয়েন্ট বা ২.৬২ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ২৯.৪৯ পয়েন্ট বা ২.৯৬ শতাংশ।
ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৮৭৯ কোটি ৮ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৯০০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৯৭৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ১৯৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা বা ৫১.৪৮ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৭৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৩৮০ কোটি ১২ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩০৯টি কোম্পানির, কমেছে ৪১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এমকে
পুঁজিবাজার
আনলিমা ইয়ার্নের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আনলিমা ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেড গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে তথা ৬ মাসে (জুলাই,২৫-ডিসেম্বর,২৫) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি ১ টাকা ৫৮ পয়সা লোকসান হয়েছে। গত বছরের একই সময়ে লোকসান ছিলো ১ টাকা ২৩ পয়সা।
আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ ছিল মাইনাস ১ টাকা ৫২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে মাইনাস ৬৩ পয়সা ছিল।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে কোম্পানির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৪ টাকা ৫ পয়সা।
পুঁজিবাজার
ওয়ালটনের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২৫–ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ২৭ পয়সা, যেখানে গত বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৬৬ পয়সা।
চলতি হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক মিলিয়ে ছয় মাসে (জুলাই’২৫–ডিসেম্বর’২৫) শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৯ টাকা ১৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১০ টাকা ৯০ পয়সা।
এ সময় কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৯ টাকা ৪১ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৬ টাকা ৩০ পয়সা।
এছাড়া, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (পুনর্মূল্যায়ন পরবর্তী এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫৮ টাকা ৪১ পয়সা।
পুঁজিবাজার
জেএমআই হসপিটালের ক্যাটাগরি অবনতি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের ক্যাটাগরির অবনতি হয়েছে। গত ৩০ জুন,২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ঘোষিত লভ্যাংশের উপর ভিত্তি করে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্যাটাগরিতে এই পরিবর্তন আনা হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, গত ৩০ জুন,২০২৫ তারিখে সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ফলে কোম্পানিটিকে ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আগামী রবিবার (২৫ জানুয়ারি) থেকে কোম্পানিটির শেয়ার ‘বি’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করবে।
এমএন
পুঁজিবাজার
আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট শরীয়াহ ফান্ডের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড পরিচালিত বে-মেয়াদি ওপেন-এন্ড মিউচুয়াল ফান্ড আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট শরীয়াহ ফান্ড ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ৩.৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের বিপরীতে এই লভ্যাংশ দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত ফান্ডটির ট্রাস্টি কমিটির বৈঠকে সর্বশেষ হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর লভ্যাংশ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
আইডিএলসি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড সূত্র জানায়, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে যেসব বিনিয়োগকারীর কাছে ফান্ডটির ইউনিট ছিল, তারাই ঘোষিত লভ্যাংশ পাওয়ার জন্য যোগ্য হবেন।
সূত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে ফান্ডটির প্রতি ইউনিট নিট আয় ছিল ৩৯ পয়সা এবং ইউনিট প্রতি ক্যাশফ্লো ছিল ৩৬ পয়সা। একই সময়ে বাজারমূল্যে ফান্ডটির ইউনিট প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়ায় ১০ টাকা ৮১ পয়সা।



