রাজধানী
ঢাকার বাতাস আজ ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’
জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। দীর্ঘদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকার বাতাসও দূষিত। সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে ঢাকার বায়ুমান কিছুটা উন্নতির দিকে থাকলেও আজ ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
সোমবার (০১ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এ তথ্য জানা যায়।
২৬১ স্কোর নিয়ে আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে ভারতের রাজধানী ‘দিল্লি’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। একই সময় ২২৪ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের আরেকটি শহর ‘কলকাতা’।
এদিকে ২১৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে উজবেকিস্তানের রাজধানী তাশখন্দ, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। আর ২১৬ স্কোর নিয়ে এই তালিকার চতুর্থ অবস্থানে আছে রাজধানী ‘ঢাকা’।
আইকিউএয়ার স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা আইকিউএয়ার ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে। যেমন—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে থাকে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।
বায়ুদূষণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।
এমকে
রাজধানী
সায়েন্সল্যাবে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ
রাজধানীর সরকারি সাতটি কলেজকে নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাদেশের হালনাগাদকৃত খসড়ার অনুমোদন ও রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবিতে আজও সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার পর ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন। অবরোধের ফলে আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় এবং অনেক যাত্রীকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।
শিক্ষার্থীরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে। সাতটি কলেজকে নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের ঘোষণা এলেও চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারিতে বিলম্ব হওয়ায় তারা এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। দাবি আদায় না হলে সড়ক না ছাড়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, আমাদের মূল দাবি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ। নানা টালবাহানায় এই অধ্যাদেশ পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা অবিলম্বে অধ্যাদেশ জারির দাবি জানাচ্ছি।
এর আগে, বুধবারও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব, ফার্মগেট, টেকনিক্যাল মোড় ও মহাখালীতে সড়ক অবরোধ করেন। ওইদিন সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে মিছিল নিয়ে বিভিন্ন পয়েন্টে জড়ো হয়ে অবরোধ শুরু হলে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫’-এর খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে একাধিক পরামর্শ সভা শেষে খসড়াটি হালনাগাদ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবি, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনো তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা আন্দোলনে বাধ্য হয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্ভাব্য ১৫ জানুয়ারির উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫-এর হালনাগাদ খসড়ার অনুমোদন এবং রাষ্ট্রপতির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করারও ঘোষণা দেন তারা।
এমকে
রাজধানী
ঢাকার বাতাস আজ খুবই অস্বাস্থ্যকর
বিশ্বে দূষিত বাতাসের শহরের শীর্ষে রয়েছে রাজধানীর ঢাকা। সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে ঢাকার বায়ুমান কিছুটা উন্নতির দিকে থাকলেও আজ ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এ তথ্য জানা যায়।
২৭১ স্কোর নিয়ে আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে রাজধানী ‘ঢাকা’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। একই সময় ২১৫ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কিরগিজস্তানের শহর ‘বিশকেক’। আর ২০৮ স্কোর নিয়ে এই তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের শহর ‘করাচি’, যা এখানকার বাতাসের মান নাগরিকদের জন্য ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
আইকিউএয়ার স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা আইকিউএয়ার ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। সাধারণত একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরনকে ভিত্তি করে। যেমন—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)। বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে থাকে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অরগানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) মতে, বায়ুদূষণের কারণে প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। বায়ুদূষণে প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার ও শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ থেকে মৃত্যুর হার বাড়ে।
এমকে
রাজধানী
ফার্মগেট-এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অবরোধ শিক্ষার্থীদের
সাকিবুল হত্যার বিচার এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা রাজধানীর ব্যস্ততম ফার্মগেট মোড় অবরোধ করেছেন। এর আগে তারা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করেছিলেন, ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই দুই সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১২টার দিকে প্রথমে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ফার্মগেট খামারবাড়ি অভিমুখের অংশ তারা অবরোধ করেন। পরে সাড়ে ১২টার দিকে ফার্মগেট মোড়ও বন্ধ করে দেন।
দেখা গেছে, শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে এই দুই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। একইসঙ্গে আশপাশের সড়কেও তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ঘটনাস্থলে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
রাজধানী
আজ ঢাকার ৩ পয়েন্টে অবরোধ করবে ৭ কলেজ শিক্ষার্থীরা
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের লক্ষ্যে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির এক দফা দাবিতে আজ রাজধানীর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবরোধ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হবে।
শিক্ষার্থীদের দাবি, আগামী ১৫ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠেয় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভাতেই ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন- ২০২৫’ এর অনুমোদন দিতে হবে এবং পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।
এতে বলা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণীত আইনের খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। এরপর বিভিন্ন পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে খসড়াটি হালনাগাদ করেছে।
এতে আরও বলা হয়, সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেছিল যে, ডিসেম্বরের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে জানুয়ারি মাসের শুরুর দিকেই অধ্যাদেশ জারি করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারা (আন্দোলনকারীরা) একটি সূত্রের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে আগামী ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে। তাই ওই সভাতেই চূড়ান্ত অনুমোদনের দাবিতে তারা রাস্তায় নামছেন।
উক্ত তারিখের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে ব্যত্যয় ঘটলে যৌক্তিক দাবি আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
এমকে
রাজধানী
ঢাকার কোন এলাকা কত আসনে পড়েছে জানুন
জাতীয় রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ঢাকা। এখানকার প্রতিটি সংসদীয় আসন শুধু রাজনৈতিক দিক থেকেই নয়, জনসংখ্যা, অর্থনীতি ও প্রশাসনিক গুরুত্বের কারণেও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ নির্ধারিত সীমানা অনুযায়ী ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগর মিলিয়ে বর্তমানে ২০টি জাতীয় সংসদীয় আসন রয়েছে।
এই আসনগুলো গঠিত হয়েছে ঢাকা মহানগরের উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা এবং পার্শ্ববর্তী উপজেলা নিয়ে। জনসংখ্যার ঘনত্ব ও নগর সম্প্রসারণের কারণে একেকটি আসনের এলাকা একেক আসনের মধ্যে পড়েছে।
ঢাকা জেলার দুটি আসন পুরোপুরি ঢাকার বাহিরের ও উপজেলা কেন্দ্রিক।
ঢাকা–১ আসনটি গঠিত দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে। এটি রাজধানীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে।
ঢাকা–২০ আসনটি ধামরাই উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনটি একেবারে ঢাকার বাহিরের পশ্চিম প্রান্তের গ্রামীণ এলাকা নিয়ে নিয়ে গঠিত।
ঢাকা–২: কেরানীগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটি বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরবর্তী। এটি রাজধানীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত হলেও প্রশাসনিকভাবে আলাদা উপজেলা।
ঢাকা-৩ কেরানীগঞ্জ উপজেলার ৫ ইউনিয়ন (আগানগর, কন্ডা, সুবদ্যা, তেঘরিয়া, বিনজিরা)। ঢাকা-৪ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৯ ওয়ার্ড + শ্যামপুর থানা। ঢাকা-৫ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১২ ওয়ার্ড (যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা)।
পুরান ঢাকা ও দক্ষিণ ঢাকার আসনগুলো
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঐতিহাসিক ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলো একাধিক আসনে বিভক্ত।
ঢাকা–৬: পুরান ঢাকার অংশবিশেষ, যেখানে ঐতিহ্যবাহী আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা রয়েছে।
ঢাকা–৭: লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার বড় অংশ নিয়ে গঠিত।
ঢাকা–৮: ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট ও আশপাশের আবাসিক-বাণিজ্যিক এলাকা অন্তর্ভুক্ত।
ঢাকা–৯: মতিঝিল ও পল্টনকেন্দ্রিক এলাকা নিয়ে গঠিত, যা দেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক কেন্দ্র।
মধ্য ঢাকার আবাসিক ও শিল্পাঞ্চল
ঢাকা–১০: ধানমন্ডির অংশ ও আশপাশের এলাকা নিয়ে গঠিত।
ঢাকা–১১: তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও সংলগ্ন আবাসিক এলাকা অন্তর্ভুক্ত।
ঢাকা–১২তেজগাঁও, শের-ই-বাংলা নগর, কাওরান বাজার এলাকা নিয়ে গঠিত।
ঢাকা–১৩: মোহাম্মদপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো নিয়ে গঠিত।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আসন
ঢাকা–১৪, ঢাকা–১৫ ও ঢাকা–১৬: মিরপুর ও আশপাশের আবাসিক এলাকা নিয়ে গঠিত।
ঢাকা–১৭: গুলশান, বনানী, বারিধারা, মহাখালী এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত।
ঢাকা–১৮: উত্তরা, বিমানবন্দর, তুরাগসহ আরো উত্তরের কিছু এলাকা অন্তর্ভুক্ত।
ঢাকা–১৯: সাভার ও আশুলিয়া অঞ্চল নিয়ে গঠিত। দেশের অন্যতম বড় শিল্পাঞ্চল এই আসনের আওতায় পড়ে। পোশাকশিল্প ও শ্রমজীবী মানুষের বসবাস এখানে বেশি।
নির্বাচনী আসনের সীমানা অনুযায়ী ভোটার তালিকা, সংসদ সদস্যের প্রতিনিধিত্ব, উন্নয়ন প্রকল্প ও প্রশাসনিক পরিকল্পনা নির্ধারিত হয়। রাজধানীতে জনসংখ্যা দ্রুত বাড়ায় নির্বাচন কমিশন সময় সময় এসব আসনের সীমানা পুনর্গঠন করে থাকে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার আসনগুলোর সঠিক ভৌগোলিক ধারণা থাকলে ভোটারদের সচেতনতা বাড়ে এবং রাজনৈতিক জবাবদিহিও নিশ্চিত হয়।
এমকে



