Connect with us

অন্যান্য

রাষ্ট্রকে পরিবারের মতো গড়ে তোলার স্বপ্ন ও বাস্তবতার দ্বন্দ্ব

Published

on

দর

শুরুতেই আমাদের স্বীকার করতে হবে যে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাস এক গভীর ট্রাজেডির মতো উন্মোচিত হয়েছে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ডেথসেন্টেন্স ঘোষণার মতো একটি ভয়াবহ সিদ্ধান্ত দেশে ন্যায়বিচারের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে গভীর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে তার উত্তর আজও কেউ দিতে পারেনি। সমস্যার শেকড় কোথায় ছিল এবং কোন পর্যায়ে তার সমাধান হওয়া উচিত ছিল সে প্রশ্নেরও কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা আমরা পাইনি। রাতের অন্ধকারে এখনো ডিবি পুলিশের লোকেরা নিরপরাধ মানুষকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। যাদের ধরার কথা তারা বাইরে দিব্যি দিনের আলোতে সন্ত্রাস করছে, চাঁদাবাজি করছে, দুর্নীতি করছে। আর অন্যদিকে সত্য কথা বলার ন্যূনতম সাহস যারা সঞ্চয় করছে তাদের ধরে ধরে কারাগারে ঢোকানো হচ্ছে। মানুষের কিছুটা কথা বলার সুযোগ এসেছে ঠিকই, কিন্তু দ্বিমত পোষণের পূর্ণ স্বাধীনতা এখনো বাস্তবে রূপ নেয়নি। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে, এই স্বাধীনতা বাস্তবায়ন করবে কে এবং কখন। একটি রাষ্ট্র তখনই বদলায় যখন ক্ষমতার কাঠামো বদলায়, আর ক্ষমতার কাঠামো বদলায় তখনই যখন মানুষের ইচ্ছাশক্তি এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকের সাহস সত্যিকার পরিবর্তনের পথে অগ্রসর হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার আগে ঢাকা বিমানবন্দরে নেমেই ড. মুহাম্মদ ইউনূস বক্তব্য দিয়েছিলেন। তার ঘোষণা, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি হবে একটি পরিবারের মতো। বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো নিয়ে তার এ পরিবারতত্ত্বটি গুরুত্বপূর্ণ ভাবনার বহিঃপ্রকাশ যা জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও সম্প্রীতি আরো বলবৎ করতে মাইক্রোলেভেলে গভীর মনোযোগের দাবি রাখে। এ বক্তব্যের মাধ্যমে রাষ্ট্রের কাঠামো ও ব্যবস্থাপনার প্রতি তার এক মানবিক ও সহযোগিতাপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি উঠে এসেছে। কিন্তু বাংলাদেশে পরিবারকেন্দ্রিক দলীয় রাজনীতি ও বিদ্যমান পরিবারতন্ত্র এবং ক্ষমতার ব্যক্তিকেন্দ্রীকরণের বাস্তবতায় এ তত্ত্ব কতটা কার্যকর হতে পারে, তা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের রাষ্ট্রকে পরিবার হিসেবে দেখার মনোবৃত্তি সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে নতুন কিছু নয়। রাষ্ট্র ও সমাজের সম্পর্ক সবসময়ই সমাজতত্ত্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। প্রাচীন নগর রাষ্ট্রকে পরিবারের সঙ্গে তুলনা করার তত্ত্ব বিদ্যমান ছিল, এবং তা নগরায়ণ ও নাগরিক দায়বদ্ধতায় গভীরভাবে প্রোথিত ছিল। প্লেটো ও অ্যারিস্টটল থেকে শুরু করে আধুনিক সমাজতত্ত্ববিদরাও রাষ্ট্র ও পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে নানা ভাবনা প্রকাশ করেছেন। প্লেটো তার ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে রাষ্ট্রকে একটি বৃহত্তর পরিবারের মতো কল্পনা করেছিলেন, যেখানে সব নাগরিকের সমান অধিকার ও দায়িত্ব থাকবে। প্রতীকী অর্থে ড. ইউনূসের তত্ত্বে রাষ্ট্রের লক্ষ্য হবে সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে কাজ করা এবং সম্মিলিতভাবে মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। একটি আদর্শ পরিবার যেমন সদস্যদের সব প্রয়োজন মেটায় এবং তাদের বিকাশের সুযোগ দেয়, রাষ্ট্রকেও প্রকৃত অর্থে তেমন হতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পরিবারের মৌলিক উপাদান হলো ভালোবাসা, সহমর্মিতা এবং একত্রে কাজ করার মনোভাব। বাস্তবে দুনিয়ার কোনো দেশেই সব পরিবারে সব সময় এ নীতিগুলোর প্রতিফলন দেখা যায় না। স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাত, বৈষম্য এবং ক্ষমতার অপব্যবহারও দেখা যায়। যখন এসব রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় প্রতিফলিত হয়, তখন তা পরিবারতন্ত্র বা গোষ্ঠীতন্ত্রের ছত্রছায়ায় পরিণত হয়। রাষ্ট্রীয় শক্তি নির্দিষ্ট কিছু পরিবার বা একটি ছোট গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন ও উপমহাদেশে জমিদার প্রথা ও সামন্ততান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা এই কেন্দ্রীয়করণের বীজ বপন করেছিল। পরবর্তী সময়ে রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক ব্যবস্থায় পরিবারকেন্দ্রিক শাসন ও প্রভাব আরো দৃঢ় হয়ে উঠেছে। ফলে রাষ্ট্রকাঠামোসহ জনজীবনের সর্বস্তরে পরিবারতন্ত্র সুশাসন এবং ন্যায়বিচারের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাষ্ট্রীয় পরিসরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পরিবারতন্ত্রের নেতিবাচক প্রভাব অত্যন্ত সুস্পষ্ট। রাজনৈতিক দলগুলোতে নেতৃত্ব প্রায়ই উত্তরাধিকারের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, যা নতুন নেতৃত্বের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। কিছু পরিবার অর্থনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করে, তাদের অনুগতরা সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে। ফলে সমাজে ধনী ও দরিদ্রের ব্যবধান ক্রমেই বাড়ছে। সামাজিক প্রতিপত্তি ও পারিবারিক সম্পর্ক কখনো কখনো সুযোগ এবং বৈষম্য উভয়ই তৈরি করে।

ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী পিয়েরে বুর্দো যেমন বলেছিলেন, সমাজে কিছু গোষ্ঠী প্রতীকী পুঁজির মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের পরিবারগুলোও এই প্রতীকী পুঁজির মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। মুজিব ও জিয়ার উত্তরাধিকার নতুন নেতৃত্ব বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করেছে। পরিবারতন্ত্রের কারণে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোয় ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ হয়েছে, যা নাগরিকদের জন্য বৈষম্যমূলক সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিবেশ তৈরি করেছে। দলীয় কর্মীরা পারিবারিক আনুগত্য দেখাতে বাধ্য হন, যা গণতান্ত্রিক চর্চাকে ব্যাহত করে। পরিবারতন্ত্র কেবল রাজনীতি নয়, সামাজিক মনস্তত্ত্বের অংশও হয়ে উঠেছে।

যদি আমরা রাষ্ট্রকে পরিবারের মতো পরিচালনা করতে চাই, প্রথমে পরিবারতন্ত্রের সীমাবদ্ধতা ও নেতিবাচক প্রভাব কাটিয়ে উঠতে হবে। রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে ক্ষমতার সমতা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান বাস্তবতায় রাষ্ট্রকে একটি আদর্শ পরিবার হিসেবে কল্পনা করা হলে দেখা যায় পরিবারের অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলোই প্রধান বাধা। সেসব সমস্যার সমাধান না করে বৃহত্তম পরিবার হিসেবে রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখা অকার্যকর।

এই কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও আমাদের সামনে একটি পথ খোলা রয়েছে। পরিবারতন্ত্র, পক্ষপাত এবং ক্ষমতার একচেটিয়াভাব রাষ্ট্রকে যে অস্থিতিশীলতা এবং অবিশ্বাসের দিকে ঠেলে দিয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে হলে আমাদের প্রথম কাজ হলো শাসনের ভিত্তিকে মানবিকতা, ন্যায়বিচার এবং সমতার ওপর প্রতিষ্ঠা করা। রাষ্ট্র এক পরিবারের মতো হবে এমন ধারণা তখনই বাস্তব রূপ পাবে যখন সেই পরিবারের ভিতর থাকবে কোনো ধরনের শোষণহীন সম্পর্ক। অর্থাৎ ক্ষমতা শুধু কিছু পরিবারের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকবে না বরং এমন একটি কাঠামো গড়ে উঠবে যেখানে নেতৃত্ব নির্ভর করবে যোগ্যতা, সততা এবং জনস্বার্থের ওপর।

ভবিষ্যতের পথরেখা এখনই তৈরি করা সম্ভব। রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্ব নির্বাচনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা, জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে তরুণ নেতৃত্বের জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ ও নেতৃত্ব বিকাশ কর্মসূচি চালু করা, প্রশাসনিক ব্যবস্থায় স্বাধীন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সরকারি ও সামাজিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রকে নতুন ভিত্তি দিতে পারে। শিক্ষা ব্যবস্থায় মানবিক মূল্যবোধ, যুক্তিবাদ, গণতান্ত্রিক নৈতিকতা এবং ন্যায়বিচার সম্পর্কিত পাঠ বাধ্যতামূলক করলে এমন একটি প্রজন্ম তৈরি হবে যারা পরিবারতন্ত্রের শৃঙ্খল ভেঙে রাষ্ট্রকে মানবিক ভিত্তিতে দাঁড় করাতে পারবে।

তবুও সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো মানুষের ভেতরে হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাসকে পুনরুদ্ধার করা। আমরা যদি এখনই সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারি তবে আগামী দশ বছরেই বাংলাদেশের পুনর্গঠনের ভিত্তি স্থাপন হবে। এমন একটি রাষ্ট্র তৈরি হবে যেখানে আর কোনো পুলিশি ভয় থাকবে না, কোনো নিরপরাধ মানুষ অন্ধকারে তুলে নেওয়া হবে না, কোনো পরিবার দেশের ভবিষ্যৎকে বন্দী করতে পারবে না। সেই রাষ্ট্রে অধিকার হবে সবার, সুযোগ হবে সবার এবং দায়িত্ব হবে সমষ্টিগত। তখন রাষ্ট্র সত্যিই একটি পরিবারের মতো হয়ে উঠবে, কিন্তু সেই পরিবার হবে আলোকিত, ন্যায়নিষ্ঠ, মানবিক এবং কল্যাণকেন্দ্রিক।

আমরা যদি আজ সেই পথে হাঁটা শুরু করি তাহলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেবে যে এই অন্ধকার সময় থেকেই বাংলাদেশের নতুন সূচনা হয়েছিল।

রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন। rahman.mridha@gmail.com

শেয়ার করুন:-

অন্যান্য

সখিপুরের তারাবুনিয়ায় বিষধর সাপের কামড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

Published

on

দর

শরীয়তপুরের সখিপুর থানার উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াব আলী সরকারের গ্রামে বিষধর সাপের কামড়ে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ফজিলতুন নেছা (৬০) মহর আলী গাজীর স্ত্রী এবং মাস্টার ওমর আলী গাজীর মা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে নিজ বাড়ির আঙিনায় কাজ করার সময় হঠাৎ ইঁদুরের গর্ত থেকে বের হওয়া একটি বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয়। পরে স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

Published

on

দর

ঢাকা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সবুজ প্যানেলের সমর্থনে বাংলাদেশ ল’ইয়ার্স কাউন্সিল ঢাকা জজকোর্ট শাখার দায়িত্বশীল সমাবেশ শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর, ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এডভোকেট ডক্টর হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট মো. জসীম উদ্দীন সরকার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন এডভোকেট শিশির মোহাম্মদ মনির ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাকের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আইনজীবী ঐক্য পরিষদ সবুজ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী এডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি পদপ্রার্থী এডভোকেট আবু বক্করসহ প্যানেলের সকল পদের প্রার্থীগণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বক্তরা বলেন, ঢাকা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচন নিয়ে বিএনপি ষড়যন্ত্র করছে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপক্ষে ও গ্রহনযোগ্য হবে কি-না। বক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে নির্বাচনের জন্য গঠিত কমিশন দুই প্যানেলের সমান সংখ্যক সদস্য দিয়ে গঠন করার নিয়ম সেখানে বিএনপি শুধুমাত্র তাদের প্যানেলের এবং তাদের দলীয় আইনজীবীদের দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে। ফলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হচ্ছে না। পাশাপাশি পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে। বক্তরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না করলে এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্ব মূলক ভূমিকা বন্ধ না হলে আইনজীবীরা আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করতে বাধ্য হবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

অনলাইনে জ্ঞানী-গুণীদের উক্তি লিখে জিতুন পুরস্কার

Published

on

দর

জ্ঞানী-গুণীদের উক্তি লিখে এবার জিতে নেওয়া যাবে আকর্ষণীয় পুরস্কার। উইকিউক্তিতে তথ্যসমৃদ্ধ ভুক্তি সংখ্যা বৃদ্ধি ও মানোন্নয়নের লক্ষ্যে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী ‘উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬’। বাংলা উইকিসংযোগ দলের আয়োজনে ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতা চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে বাংলাভাষী স্বেচ্ছাসেবক ও অবদানকারীরা এতে অংশ নিতে পারবেন। অনলাইন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি সংকলনে অবদান রাখার পাশাপাশি জিতে নিতে পারবেন বিভিন্ন পুরস্কার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রতিযোগিতায় মূল আকর্ষণ হিসেবে শীর্ষ ১০ জন বিজয়ীর জন্য রয়েছে গিফট ভাউচার ও সার্টিফিকেট। প্রথম স্থান অধিকারী পাবেন ৬,০০০ টাকা সমমূল্যের গিফট ভাউচার। এছাড়া দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম স্থান পর্যন্ত যথাক্রমে ৪,০০০, ৩,০০০, ২,৫০০ ও ২,০০০ টাকার সমমূল্যের গিফট ভাউচার। ষষ্ঠ থেকে দশম স্থান অধিকারীরা পাবেন ৫০০ টাকা করে গিফট ভাউচার। পাশাপাশি সেরা ১০ জনকে দেওয়া হবে বিশেষ মুদ্রিত সনদপত্র এবং অন্তত একটি ভুক্তি গৃহীত হলে অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে অনলাইন সনদ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে প্রতিযোগীদের নাটক, চলচ্চিত্র, গান বা সাহিত্যের নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্র ব্যতীত উল্লেখযোগ্য যেকোনো ব্যক্তি বা বিষয়ে নতুন উক্তির পাতা তৈরি করতে হবে। প্রতিটি নতুন পাতায় কমপক্ষে ১৫০টি শব্দ এবং নির্ভরযোগ্য উৎসসহ অন্তত ৩টি উক্তি থাকা বাধ্যতামূলক। বিদেশি ব্যক্তিদের উক্তির ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-মুক্ত সাবলীল বাংলা অনুবাদ ব্যবহার করতে হবে।

উল্লেখ্য, উইকিপিডিয়ার সহপ্রকল্প উইকিউক্তি মূলত বিখ্যাত ব্যক্তিদের অমর বাণীর একটি মুক্ত ভাণ্ডার। বর্তমানে বাংলা উইকিউক্তিতে আড়াই হাজারের মতো উক্তির পাতা রয়েছে। এই জ্ঞানভাণ্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করাই এই প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য। প্রতিযোগিতার নিয়মাবলি ও নিবন্ধ জমা দেওয়ার বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে উইকিউক্তির নির্ধারিত প্রকল্প পাতায়।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

‘আসল চুক্তি’ না মানা পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী ইরানের আশপাশে থাকবে: ট্রাম্প

Published

on

দর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, একটি ‘প্রকৃত চুক্তির’ শর্তগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের ভেতরে এবং আশপাশে অবস্থান করবে। তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন।

ট্রাম্প বলেন, এই অবস্থানে থাকবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং সামরিক সদস্যরা। সেই সঙ্গে থাকবে অতিরিক্ত গোলাবারুদ, অস্ত্রশস্ত্র এবং প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জাম, যা ‘ইতোমধ্যেই যথেষ্ট দুর্বল হয়ে পড়া শত্রুর’ ওপর চূড়ান্ত আক্রমণ ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য সহায়ক হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন, এই চুক্তি লঙ্ঘন হওয়ার সম্ভাবনা ‘খুবই কম’। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ‘যেকোনো কারণে’ চুক্তি ভঙ্গ করা হয়, তবে এমনভাবে ‘যুদ্ধ বা গোলাবর্ষণ শুরু হবে’ যা আগে কেউ কখনো দেখেনি। এই হামলা হবে আগের চেয়ে অনেক বড়, কার্যকর এবং শক্তিশালী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও দাবি করেন, অনেক আগে থেকেই এ বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে—ইরান কোনো ‘পারমাণবিক অস্ত্র’ তৈরি করবে না এবং হরমুজ প্রণালি ‘উন্মুক্ত ও নিরাপদ’ থাকবে।

তার মতে, এর বিপরীতে যতোই বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়া হোক না কেন, এটাই মূল সিদ্ধান্ত।

ট্রাম্প তার পোস্টের শেষে লিখেছে, ‘এরই মধ্যে আমাদের মহান সামরিক বাহিনী রসদ মজুত করছে এবং বিশ্রাম নিচ্ছে। তারা প্রকৃতপক্ষে তাদের পরবর্তী বিজয়ের জন্য মুখিয়ে আছে। আমেরিকা ফিরে এসেছে।’

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

অ্যাডিশনাল ডিআইজিসহ ৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

Published

on

দর

পুলিশের মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির সোমবার (৬ এপ্রিল) স্বাক্ষরিত আলাদা আলাদা অফিস আদেশে এসব বদলির নির্দেশ দেয়া হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল ডিআইজি) রায়হান উদ্দিন খানকে পুলিশ সদর দফতরের পারসোনাল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে পারসোনাল ম্যানেজমেন্ট-১-এ কর্মরত অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক খন্দকার শামীমা ইয়াছমিনকে রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেইন্যান্স শাখায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন বিভাগেও একাধিক কর্মকর্তার দায়িত্বে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সচিবালয় নিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার আব্দুল কাদেরকে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তেজগাঁও বিভাগে বদলি করা হয়েছে। ডিএমপির প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড মেইনটেইন্যান্স বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. খালিদ বোরহানকে ট্রাফিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

একই আদেশে ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার আমেনা আক্তারকে পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট (পিএমও) পশ্চিম বিভাগে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পিএমও পশ্চিম বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার শারমিন আক্তার চুমকিকে সচিবালয় নিরাপত্তা বিভাগে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার অরিত সরকারকে প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড মেইনটেইন্যান্স বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দফতরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা এবং দাফতরিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ রদবদল করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

দর দর
পুঁজিবাজার1 minute ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে জেএমআই সিরিঞ্জ

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৫টি কোম্পানির মধ্যে ১৩৮টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

দর দর
পুঁজিবাজার13 minutes ago

লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

দর দর
পুঁজিবাজার24 minutes ago

শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৮৪ কোটি টাকা

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

দর দর
পুঁজিবাজার2 hours ago

গ্রামীণফোনের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত...

দর দর
পুঁজিবাজার2 hours ago

সিঙ্গারের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

দর দর
পুঁজিবাজার2 hours ago

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফের নাম সংশোধনে সম্মতি

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের নাম পরিবর্তনের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি...

দর দর
পুঁজিবাজার3 hours ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দুই ঘণ্টায় বেড়েছে ১৪০ শেয়ারদর

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দুই ঘণ্টায়...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০