Connect with us

লাইফস্টাইল

ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত

Published

on

ব্লক

বর্তমানে সারাবিশ্বে ডায়াবেটিস একটি অত্যন্ত প্রচলিত রোগ। এটি পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য না হলেও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কোন খাবার খাওয়া উচিত এবং কোন খাবার পরিহার করা প্রয়োজন,এ বিষয়ে সচেতন থাকা খুবই জরুরি। অনেকে জানেন না কোন খাবারগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

আজ ১৪ নভেম্বর বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই দিনটি পালন করা হয়। এ উপলক্ষে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে যেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১. স্যাচুরেটেড ফ্যাট
উচ্চ চর্বিযুক্ত দুধজাত খাবার, মাখন, গরুর মাংস, সসেজ, বেকন, নারকেল ও পাম তেল -এসব স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নিউট্রিলার্নবিডির পুষ্টিবিদ তানজুম তাসনিম স্বপনীল জানান, ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি আগে থেকেই বেশি থাকে। তাই অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট এই ঝুঁকি আরও বাড়ায়। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন জানান, প্রতিদিন মোট ক্যালোরির ১০%-এর কম স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, কারণ এটি কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, উভয়ই বাড়াতে পারে।

২. ট্রান্স ফ্যাট
কুকিজ, কেক, পেস্ট্রি, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রাইড চিকেন, মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন, ফ্রোজেন পিজ্জা- ইত্যাদি ট্রান্স ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার রক্তের চর্বির ভারসাম্য নষ্ট করে। পুষ্টিবিদ স্বপনীল বলেন, ‘ট্রান্স ফ্যাট খারাপ কোলেস্টেরল (এলএলডি)বাড়ায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (এইচএলডি) কমায়। এটি ইনফ্লামেশন বাড়ায়, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের কারণ। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ট্রান্স ফ্যাট হৃদরোগের ঝুঁকি দ্বিগুণ বাড়াতে পারে।’ তাই ট্রান্স ফ্যাট সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলাই ভালো।

৩. উচ্চ সোডিয়াম (লবন) যুক্ত খাবার
লবণ সরাসরি রক্তে গ্লুকোজ (শর্করা) বাড়ায় না, কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য লবণের অত্যধিকতা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ বা কিডনি সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। যদিও লবণ কম খাওয়ার বিষয়েও কিছু বিতর্ক রয়েছে। কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে খুব কম লবণ খাওয়া হলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়তে পারে। তাই একবারে লবন বন্ধ না করে উচ্চ লবণযুক্ত খাবার কম খাওয়া ভালো।’

৪. উচ্চ কোলেস্টেরল জাতীয় খাবার
পুষ্টিবিদ স্বপনীল জানান, অরগান মিট, শেলফিশ, রেড মিট, সসেজ-এসব খাবারে উচ্চ কোলেস্টেরলের পাশাপাশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি এবং ফাইবার কম থাকে। এ ধরনের খাবার ওজন বাড়ায়, রক্তচাপ বাড়ায় এবং বিপাকীয় সমস্যা তৈরি করে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ওজন নিয়ন্ত্রণ ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাই উচ্চ কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা জরুরি।

৫. সরল শর্করা
মিষ্টি, কেক, প্যাকেটজাত জুস, কোমল পানীয়, ফাস্টফুড, চিনি-সমৃদ্ধ খাবার ও উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত খাবার যেমন সাদা ভাত-এসব রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।পুষ্টিবিদ স্বপনীল বলেন, ‘সরল শর্করা দ্রুত শর্করার মাত্রা বাড়ায়, ফলে ইনসুলিনের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যায়। টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সকে আরও বাড়িয়ে তোলে। তাই এসব খাবার থেকে দূরে থাকা উচিত।’

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। সুষম ও পরিমিত খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রোগের জটিলতা প্রতিরোধ করে। তাই সুস্থ থাকতে ডায়াবেটিস রোগীদের এসব ঝুঁকিপূর্ণ খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত।

শেয়ার করুন:-

লাইফস্টাইল

থানকুনি পাতার ভেষজ গুণে শরীর ও সৌন্দর্য চর্চায় উপকার

Published

on

ব্লক

ভেষজ গুণে ভরপুর থানকুনি পাতা বহু প্রাচীনকাল থেকেই উপকারী ওষুধি গাছ হিসেবে পরিচিত। এতে রয়েছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা খনিজ উপাদান ও ভিটামিন।

প্রতিদিন থানকুনি পাতার রস পান করলে শরীর ও সৌন্দর্যের নানা সমস্যার সহজ সমাধান মেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত সেবনে এটি যেমন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে, তেমনি ত্বক ও চুলের জন্যও উপকারী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

থানকুনি পাতার উল্লেখযোগ্য কিছু উপকারিতা:

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×
  • ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সতেজতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • জ্বর ও আমাশয় প্রতিরোধে কার্যকর।
  • মুখে ঘা হলে থানকুনি সেদ্ধ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে উপশম হয়।
  • চুল পড়া কমাতে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিনে কয়েক ফোঁটা করে পান করলে ধীরে ধীরে উপকার পাওয়া যায়।
  • শিশুর কথা জড়িয়ে যাওয়া সমস্যায় প্রতিদিন এক চামচ করে গরম করা থানকুনি পাতার রস খাওয়ালে ধীরে ধীরে স্পষ্টতা আসে।
  • ঠান্ডা-কাশিতে আধা চা চামচ থানকুনি পাতার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার মেলে।

এই সহজলভ্য গাছটি কাঁচাবাজারে পাওয়া যায়। চাইলে বাড়ির ছাদ বা বারান্দার একটি টবেই সহজে চাষ করা যায় থানকুনি গাছ।

প্রাকৃতিক ও ভেষজ চিকিৎসায় আগ্রহীদের জন্য থানকুনি হতে পারে একটি কার্যকর ও সাশ্রয়ী সমাধান। তবে যেকোনো ভেষজ পদ্ধতি গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া ভালো।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ইফতারে পেঁপে খাবেন না যারা

Published

on

ব্লক

ইফতারের টেবিলে নানা ধরনের খাবারের সমারোহ থাকে। ভাজাপোড়া, শরবত, ফল-সব মিলিয়ে জমজমাট আয়োজন। এই তালিকায় অনেকেই রাখেন পাকা পেঁপে। পেঁপে একটি পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য ফল, যা ভিটামিন এ, সি, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ।

রোজার পর দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে হজম প্রক্রিয়া কিছুটা ধীর হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে পরিমিত পেঁপে হজমে সহায়তা করতে পারে। তবে সবার জন্য পেঁপে সমান উপকারী নয়,কিছু ক্ষেত্রে এটি ক্ষতিকরও হতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গর্ভবতী নারীদের জন্য সতর্কতা
গর্ভাবস্থায় সম্পূর্ণ পাকা পেঁপে সীমিত পরিমাণে নিরাপদ বলে ধরা হয়। তবে কাঁচা বা আধা পাকা পেঁপে একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। কাঁচা পেঁপেতে থাকা ল্যাটেক্স ও প্যাপেইন এনজাইম জরায়ুতে সংকোচন সৃষ্টি করতে পারে, যা গর্ভপাত বা অকাল প্রসবের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পেঁপে খাওয়া উচিত।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি
যাদের ল্যাটেক্স বা রাবারে অ্যালার্জি আছে, তাদের ক্ষেত্রে পেঁপে খেলে ‘ওরাল অ্যালার্জি সিনড্রোম’ হতে পারে। এতে ঠোঁট বা মুখ ফুলে যাওয়া, চুলকানি, ত্বকে ফুসকুড়ি, এমনকি শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে অ্যানাফাইল্যাকটিক শকের মতো বিপজ্জনক অবস্থাও তৈরি হতে পারে। তাই এ ধরনের অ্যালার্জি থাকলে পেঁপে খাওয়ার আগে সতর্ক থাকা জরুরি।

ডায়াবেটিস ও রক্ত পাতলা হওয়ার বিষয়
পেঁপে স্বাভাবিকভাবে খুব বেশি মিষ্টি না হলেও অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিন আধা কাপ বা ছোট একটি বাটির বেশি না খাওয়াই ভালো।

এছাড়া যারা ওয়ারফারিনের মতো রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পেঁপে রক্তকে আরো পাতলা করে দিতে পারে, ফলে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে।

হজমের সমস্যা হতে পারে
পেঁপে হজমে সহায়ক এনজাইমসমৃদ্ধ হলেও অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে উল্টো পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে দুধ, দই, লেবুজাতীয় ফল বা উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া বা অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।

ইফতারে যদি ভাজাপোড়া ও ঝাল মসলাদার খাবার বেশি খাওয়া হয়, তবে পেঁপে না খাওয়াই ভালো। ঝাল খাবার নিজেই হজমের গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তার সঙ্গে পেঁপে যুক্ত হলে সমস্যা আরও প্রকট হতে পারে, বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই হজমের সমস্যা রয়েছে।

কতটুকু খাবেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১০০-১৫০ গ্রাম বা আধা কাপ পাকা পেঁপে যথেষ্ট। এর বেশি খাওয়ার প্রয়োজন নেই। যাদের থাইরয়েড সমস্যা, কিডনিতে পাথর বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেঁপে খাওয়া উচিত নয়।

পেঁপে নিঃসন্দেহে উপকারী ফল। তবে সঠিক পরিমাণ ও সঠিক পরিস্থিতিতে খাওয়া জরুরি। ইফতারের টেবিলে পাকা পেঁপে রাখতে পারেন, কিন্তু অতিরিক্ত নয়। সুস্থ থাকতে সচেতন খাদ্যাভ্যাসই সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ইফতারে জিরা পানির জাদুকরী উপকারিতা

Published

on

ব্লক

রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরকে সতেজ রাখতে ইফতারে অনেকেই জিরা পানি পান করেন। রান্নাঘরের পরিচিত মসলা জিরা শুধু স্বাদই বাড়ায় না, পানিতে ভিজিয়ে বা ফুটিয়ে খেলে শরীরের নানা উপকারও করে।

চলুন দেখে নেয়া যাক ইফতারে জিরা পানির উপকারিতা—

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

১. হজম শক্তি বাড়ায়: জিরায় থাকা প্রাকৃতিক এনজাইম হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। সারাদিন না খেয়ে থাকার পর ইফতারে ভারী খাবার খেলে বদহজমের ঝুঁকি থাকে। জিরা পানি পেটের গ্যাস, অম্বল ও ফাঁপাভাব কমাতে সাহায্য করে।
২. গ্যাস ও অ্যাসিডিটি কমায়: রমজানে অনেকেই ভাজাপোড়া খান। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে। জিরা পানি পাকস্থলীর অতিরিক্ত অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
৩. শরীর ঠান্ডা রাখে: জিরা শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গরমের দিনে রোজার পর এটি শরীরকে কিছুটা প্রশান্তি দেয়।
৪. পানিশূন্যতা দূর করে: সারাদিন রোজার কারণে শরীরে পানির ঘাটতি হয়। জিরা মিশ্রিত পানি শরীরে দ্রুত জলীয় অংশের ঘাটতি পূরণে সহায়ক।
৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: নিয়মিত জিরা পানি পান করলে বিপাকক্রিয়া (মেটাবলিজম) কিছুটা সক্রিয় হয়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: জিরায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কীভাবে তৈরি করবেন জিরা পানি?
১. এক গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ জিরা সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে তা হালকা গরম করে ছেঁকে নিন।
২. এক চা চামচ জিরা ২ কাপ পানিতে ফুটিয়ে অর্ধেক হলে নামিয়ে ছেঁকে ঠান্ডা করে ইফতারে পান করুন।

সতর্কতা-
যাদের আলসার, অতিরিক্ত লো ব্লাড প্রেসার বা বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা আছে, তারা নিয়মিত খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

রোজা শেষে স্বস্তি পেতে ইফতারে রাখুন ৫ মৌসুমি ফল

Published

on

ব্লক

রোজার দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারে মৌসুমি ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ভাজাপোড়া জাতীয় জিনিস খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। পুষ্টিবিদরা বলেন, মৌসুমি ফল রাখুন প্রথম সারিতে। কারণ মৌসুমি ফল শুধু টাটকাই নয়, এগুলো সহজপাচ্য, পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং শরীর দ্রুত গ্রহণ করতে পারে।

ইফতারের টেবিলে এক বাটি মৌসুমি ফল রাখতে পারলেই মিলবে স্বস্তি, পুষ্টি ও সতেজতা—তিনটিই একসঙ্গে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

দেশের বাজারে উঠতে শুরু করেছে গ্রীষ্মের আগাম ফল। এ সময়ের সহজলভ্য কিছু ফল ইফতারের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তরমুজ

প্রায় ৯০ শতাংশ পানি সমৃদ্ধ তরমুজ সারা দিনের পানিশূন্যতা কাটাতে কার্যকর।
এতে থাকা লাইকোপিন ও ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। ইফতারে ১-২ টুকরো তরমুজ শরীরকে দ্রুত রিহাইড্রেট করে এবং সতেজ অনুভূতি দেয়।

কলা

সহজলভ্য ও শক্তিদায়ক ফল কলা। এতে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে এবং পেশির দুর্বলতা কমায়। একটি মাঝারি আকারের কলা ইফতারে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।

পেঁপে

হজমে সহায়ক এনজাইমসমৃদ্ধ পেঁপে দীর্ঘ সময় না খাওয়ার পর পেটের জন্য আরামদায়ক। এটি হালকা, সহজপাচ্য এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও সহায়ক।

আনারস

ভিটামিন সি ও ব্রোমেলিন এনজাইমে সমৃদ্ধ আনারস হজমে সাহায্য করে। তবে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তারা পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো।

ডাবের পানি ও মাল্টা

ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইটের উৎস, যা শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে কার্যকর। মাল্টা বা কমলালেবু ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বুকে জ্বালাপোড়া? জেনে নিন ঘরোয়া প্রতিকার

Published

on

ব্লক

বুকে জ্বালাপোড়ার সমস্যা এখন খুব পরিচিত। এর পেছনে নানা কারণ দায়ী থাকতে পারে। সবচেয়ে বড় কারণ হতে পারে আমাদের খাদ্যাভ্যাস। কারণ ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত মসলাদার খাবার কিংবা ফাস্টফুড জাতীয় খাবার খাওয়ার পরে অ্যাসিডিটির সমস্যা অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। সেখান থেকে দেখা দেয় বুকে জ্বালাপোড়া। এক্ষেত্রে ঘরে থাকা কিছু খাবার আপনাকে জ্বালাপোড়া প্রশমিত করতে সাহায্য করতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. আদা

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আদা (অ্যাসিডিটি এবং গ্যাসের সমস্যার জন্য একটি সুপরিচিত ঘরোয়া প্রতিকার। এর মধ্যে রয়েছে অন্ত্রের গ্যাস এবং পেট ফাঁপা কমানো, পেটের আস্তরণকে প্রশমিত করা এবং অ্যাসিড উৎপাদন কমানো। আদার সক্রিয় যৌগ জিঞ্জেরলের প্রাকৃতিক প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা হজমে সহায়তা করে এবং পেটে উৎপাদিত অ্যাসিডের পরিমাণ কমায়, যার ফলে অ্যাসিডিটির সঙ্গে সম্পর্কিত অস্বস্তি দূর হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২. তুলসি পাতা

তুলসি পাতার রয়েছে প্রচুর ঔষধি উপকারিতা, বিশেষ করে অ্যাসিডিটির বিরুদ্ধে লড়াই করার এবং পেটের অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা। এই পাতায় ইউজেনল এবং কার্মিনেটিভের মতো শক্তিশালী যৌগ রয়েছে, যা প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য বিখ্যাত।

ইউজেনল কার্যকরভাবে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের প্রদাহ প্রশমিত করে, অন্যদিকে কার্মিনেটিভস হজমে সহায়তা করে এবং পেটে অতিরিক্ত গ্যাস জমা হওয়া রোধ করে। আপনার দৈনন্দিন খাবার রুটিনে তুলসি পাতা যোগ করুন। যা কার্যকরভাবে পেটের আস্তরণকে প্রশমিত করতে পারে, অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমায়। সেইসঙ্গে বুকজ্বালা এবং অন্যান্য অ্যাসিডিটি-সম্পর্কিত সমস্যা দূর করে।

৩. অ্যালোভেরার জুস

অ্যালোভেরার পাচনতন্ত্রের ওপর প্রশান্তিদায়ক প্রভাব ফেলে, অ্যাসিড উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ এবং পেটে প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরায় এমন যৌগ রয়েছে যা পেট এবং খাদ্যনালীর জ্বালা কমায়। এটি পেটের আস্তরণ নিরাময়ে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটির সঙ্গে সম্পর্কিত জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। খাবারের আগে প্রায় ১/৪ কাপ অ্যালোভেরার জুস পান করুন। এটি পাচনতন্ত্রকে প্রশমিত করতে এবং অ্যাসিডিটি কমাতে কাজ করবে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মাহে রমজান

১৪৪৭ হিজরী

🔕
রোজার নিয়ত (সেহরী)
নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক...
(হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের রোজা রাখার নিয়ত করলাম...)
ইফতারের দোয়া
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা আফতারতু।
(হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্যই রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিযিক দিয়ে ইফতার করলাম।)
অপেক্ষা করুন...
00:00:00
সেহরী শেষ --:--
ইফতার --:--
পূর্ণ তালিকা দেখুন
Advertisement Banner

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার8 hours ago

ব্লক মার্কেটে ৭৬ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৭৬...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার9 hours ago

দরপতনের শীর্ষে মেট্রো স্পিনিং লিমিটেড

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে মেট্রো স্পিনিং লিমিটেড।...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার9 hours ago

দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯ কোম্পানির মধ্যে ৩৩৯টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার9 hours ago

শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার11 hours ago

সূচকের উত্থানে লেনদেন ৫৯৩ কোটি টাকা

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার14 hours ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, এক ঘণ্টায় বেড়েছে ৩৪৫টির শেয়ারদর

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম এক ঘণ্টায়...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার1 day ago

এম ক্যাশে ২৪৫ কোটি টাকার বিদেশি বিনিয়োগ নিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক

মোবাইল আর্থিক সেবা সম্প্রসারণে বড় ধরনের বিনিয়োগ নিচ্ছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড। ব্যাংকটির মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ‘এম ক্যাশ’–এ কৌশলগত...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
ব্লক
কর্পোরেট সংবাদ5 hours ago

নগরের মাধ্যমে বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ

ব্লক
জাতীয়6 hours ago

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস

ব্লক
অর্থনীতি6 hours ago

মার্চের শুরুতেই রেমিট্যান্সের সুবাতাস, ৯ দিনেই এলো দেড় বিলিয়ন ডলারের বেশি

ব্লক
জাতীয়7 hours ago

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে মন্ত্রিসভার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

ব্লক
আন্তর্জাতিক7 hours ago

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে শান্তিতে থাকতে দেব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

ব্লক
জাতীয়7 hours ago

চাঁদপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের বিশেষ মহড়া

ব্লক
সারাদেশ7 hours ago

সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

সংবিধান মেনেই এসেছি, সংবিধান মেনেই এগিয়ে যাবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্লক
কর্পোরেট সংবাদ8 hours ago

রমজানে নগদ ও নগদ ইসলামিকে সহজে জাকাত ও অনুদান পাঠানোর সুবিধা

ব্লক
পুঁজিবাজার8 hours ago

ব্লক মার্কেটে ৭৬ কোটি টাকার লেনদেন

ব্লক
কর্পোরেট সংবাদ5 hours ago

নগরের মাধ্যমে বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ

ব্লক
জাতীয়6 hours ago

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস

ব্লক
অর্থনীতি6 hours ago

মার্চের শুরুতেই রেমিট্যান্সের সুবাতাস, ৯ দিনেই এলো দেড় বিলিয়ন ডলারের বেশি

ব্লক
জাতীয়7 hours ago

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে মন্ত্রিসভার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

ব্লক
আন্তর্জাতিক7 hours ago

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে শান্তিতে থাকতে দেব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

ব্লক
জাতীয়7 hours ago

চাঁদপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের বিশেষ মহড়া

ব্লক
সারাদেশ7 hours ago

সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

সংবিধান মেনেই এসেছি, সংবিধান মেনেই এগিয়ে যাবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্লক
কর্পোরেট সংবাদ8 hours ago

রমজানে নগদ ও নগদ ইসলামিকে সহজে জাকাত ও অনুদান পাঠানোর সুবিধা

ব্লক
পুঁজিবাজার8 hours ago

ব্লক মার্কেটে ৭৬ কোটি টাকার লেনদেন

ব্লক
কর্পোরেট সংবাদ5 hours ago

নগরের মাধ্যমে বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ

ব্লক
জাতীয়6 hours ago

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস

ব্লক
অর্থনীতি6 hours ago

মার্চের শুরুতেই রেমিট্যান্সের সুবাতাস, ৯ দিনেই এলো দেড় বিলিয়ন ডলারের বেশি

ব্লক
জাতীয়7 hours ago

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে মন্ত্রিসভার উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

ব্লক
আন্তর্জাতিক7 hours ago

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে শান্তিতে থাকতে দেব না: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

ব্লক
জাতীয়7 hours ago

চাঁদপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে ফায়ার সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্টের বিশেষ মহড়া

ব্লক
সারাদেশ7 hours ago

সেচ সুবিধা নিশ্চিত করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্লক
জাতীয়8 hours ago

সংবিধান মেনেই এসেছি, সংবিধান মেনেই এগিয়ে যাবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্লক
কর্পোরেট সংবাদ8 hours ago

রমজানে নগদ ও নগদ ইসলামিকে সহজে জাকাত ও অনুদান পাঠানোর সুবিধা

ব্লক
পুঁজিবাজার8 hours ago

ব্লক মার্কেটে ৭৬ কোটি টাকার লেনদেন