পুঁজিবাজার
ক্রাউন সিমেন্টের আয় বেড়েছে ৮০ শতাংশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসি গত ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে ৮০ শতাংশ।
বুধবার (১২ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। কোম্পানি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-সেপ্টেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৫ পয়সা। গত বছর একই সময়ে আয় ছিল ২৫ পয়সা।
আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৬৩ টাকা ১১ পয়সা।
পুঁজিবাজার
আয় বেড়েছে ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টসের
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টস ব্লেন্ডার্স পিএলসি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয় বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৬ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬ টাকা ৬২ পয়সা।
চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই ২০২৫–মার্চ ২০২৬) ইপিএস হয়েছে ২৮ টাকা ৬৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ১৭ টাকা ২৮ পয়সা ছিল।
এছাড়া, ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬২ টাকা ৯১ পয়সা।
পুঁজিবাজার
তৃতীয় প্রান্তিকে আয় কমেছে ইউনিক হোটেলের
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয় বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৬ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৫৯ পয়সা।
চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই ২০২৫–মার্চ ২০২৬) ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ৩ টাকা ১৫ পয়সা ছিল।
এছাড়া, ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৫ টাকা ৪৪ পয়সা।
পুঁজিবাজার
ইজেনারেশনের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইজেনারেশন পিএলসি ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয় বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৬ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৮ পয়সা।
তবে চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই ২০২৫–মার্চ ২০২৬) ইপিএস হয়েছে ৫৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ৫৮ পয়সা ছিল।
এছাড়া, ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৭২ পয়সা।
পুঁজিবাজার
ইনডেক্স এগ্রোর তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ইনডেক্স এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয় বলে কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৬ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা।
তবে চলতি হিসাববছরের প্রথম তিন প্রান্তিক মিলিয়ে (জুলাই ২০২৫–মার্চ ২০২৬) ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯০ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ৩ টাকা ১৭ পয়সা ছিল।
এছাড়া, ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৩ টাকা ৬৬ পয়সা।
পুঁজিবাজার
তিন নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান ও একাধিক নিরীক্ষকের বিরুদ্ধে বিএসইসির শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিরীক্ষায় অবহেলা ও সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান রিং শাইন টেক্সটাইল লিমিটেড এবং ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স-এর আর্থিক প্রতিবেদনে বড় ধরনের অসংগতি থাকা সত্ত্বেও ‘স্বচ্ছ’ নিরীক্ষা মতামত দেওয়ার কারণে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, মাহফেল হক অ্যান্ড কোম্পানি ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ২০১৮ সালের হিসাব নিরীক্ষার সময় জমি ক্রয় ও এফডিআর সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অসঙ্গতি উপেক্ষা করেছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে এক বছরের জন্য এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদার মো. আবু কায়সারকে দুই বছরের জন্য তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের নিরীক্ষা কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
একইভাবে, রিং শাইন টেক্সটাইলের ২০১৮ সালের আর্থিক প্রতিবেদনে বিভিন্ন সূচকে জালিয়াতি শনাক্তে ব্যর্থ হওয়ায় ওই নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানকে তিন বছরের জন্য এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদার মো. আব্দুস সাত্তারকে পাঁচ বছরের জন্য নিরীক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। তবে কমিশন জানিয়েছে, আদেশ জারির আগে চলমান নিরীক্ষাগুলো তারা সম্পন্ন করতে পারবে।
এছাড়া রিং শাইন টেক্সটাইলের ২০১৯ সালের নিরীক্ষায় নগদ প্রবাহ ও শেয়ার মানি ডিপোজিট সংক্রান্ত গুরুতর তথ্য গোপনের প্রমাণ পাওয়ায় আতা খান অ্যান্ড কোম্পানিকে তিন বছরের জন্য বিএসইসির অডিটর প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীদার মকবুল আহমেদকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২০ সালের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক অডিটিং মানদণ্ড লঙ্ঘনের দায়ে শিরাজ খান বসাক অ্যান্ড কোম্পানিকে তিন বছরের জন্য এবং এর অংশীদার রামেন্দ্র নাথ বসাককে পাঁচ বছরের জন্য অডিটর প্যানেলে অন্তর্ভুক্তির অযোগ্য ঘোষণা করেছে কমিশন।



