রাজনীতি
নিষিদ্ধ দলের কর্মসূচি প্রচার করছে দু-একটি মিডিয়া: রিজভী
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দু-একটি মিডিয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত দলের কর্মসূচি ফলাও করে প্রচার করছে। এরা কারা? আমি সবার কথা বলছি না, কিন্তু যারা নিষিদ্ধ বা স্থগিত ঘোষিত দলের মানববিধ্বংসী, হিংস্র ও প্রতিহিংসাপরায়ণ কর্মসূচি প্রচার করছে- তারা কি আইনের আওতায় আসতে পারে না?
বুধবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘জিয়াউর রহমান আর্কাইভ’-এর উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রিজভী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এখন ক্ষমতায় আছে, যাকে সব গণতন্ত্রকামী দল সমর্থন করেছে। অথচ নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি দলের কর্মসূচি প্রচার করা হচ্ছে— এটা ফ্যাসিবাদী চক্রান্তের অংশ। এই চক্রান্তের নেটওয়ার্ক শুধু ফ্যাসিবাদীরাই করছে না, এর সঙ্গে আরও বিভিন্ন শক্তি জড়িত হয়েছে। আমাদের সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাতীয় নির্বাচন বিলম্ব করার কারণেই ওত পেতে থাকা পতিত স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের উত্থানের আওয়াজ আমরা পাচ্ছি। তাদের গলার আওয়াজ অডিও-ভিডিওসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আরও তীব্র ও হিংস্রভাবে শোনা যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, ১৩ তারিখ ‘লকডাউন’। প্রশ্ন হচ্ছে—কিসের লকডাউন, কার লকডাউন? পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে কিংবা বিভিন্ন জায়গা থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে। টাকার তো অভাব নেই তাদের। বাংলাদেশ ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, পদ্মা সেতু, ফ্লাইওভার— সবখান থেকেই টাকা লুট হয়েছে। সেই টাকা দিয়ে বোমা বানানো বা গাড়িতে আগুন দেওয়া কঠিন কিছু নয়। তারা এসবই করছে।
তিনি বলেন, এখানে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে— একটি হচ্ছে তাদের অমানবিক নিষ্ঠুরতার চেহারা, যা অনেক আগে থেকেই বিদ্যমান। রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহার করে তারা নিজেরাই বিভিন্ন সময়ে বাসে আগুন দিয়ে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপিয়েছে। আমরা তখনই বলেছিলাম— এটা সরকার নিজেরাই করছে। এর প্রমাণও আমরা দিয়েছিলাম।
রিজভী অভিযোগ করেন, সরকারের ভেতরেই ভূত আছে— আমি এটা নিশ্চিত। আমরা বারবার বলেছি, কিন্তু দেখা গেছে, সরকারের ভেতর থেকেই আসল শত্রুপক্ষকে চিহ্নিত না করে বরং তারা বিএনপির বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চালিয়ে গেছে। আমি সবার কথা বলছি না, তবে কিছু মানুষ এই চক্রান্তের অংশ।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, একজন রাজনৈতিক দলের নেতা বলেছেন, গণভোট না হলে ২০২৯ সালে নির্বাচন হবে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন থেকে জনগণ ১৫-১৬ বছর ধরে বঞ্চিত। ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছে না। এই বেদনাকে আপনারা ‘পিআর’ বলে উপহাস করছেন। অথচ পিআরে তো কোনো প্রার্থী থাকবে না, সেটা নিয়েও আপনারা কিছুদিন হইচই করলেন, বললেন এর আইনি ভিত্তি দিতে হবে। তাহলে আসল কাজটা করবেন কবে? এত সংগ্রাম, আত্মদান, রক্তপাতের উদ্দেশ্য ছিল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। যদি দুটি প্রক্রিয়া একসাথে চলে, ক্ষতি কী? এতে বরং আইনি বৈধতা ও বাধ্যবাধকতা উভয়ই নিশ্চিত হবে— যারাই ক্ষমতায় আসুক, তারা জুলাই সনদকে আইন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারবে। তাই এটিকে বিলম্বিত করার কোনো কারণ নেই।
রাজনীতি
এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। মনিরা শারমিনের আইনজীবী নাজমুস সাকিব গণমাধ্যমে জানান, মনিরা শারমিনের আপিল করার সুযোগ আছে।
সংরক্ষিত আসনের মনোনয়নের বিষয়ে ইসিতে আপিল দায়েরের তারিখ ২৬ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। ১২ মে হবে ভোট।
বিরোধীদলীয় জোট মনোনীত সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখে নির্বাচন কমিশন।
মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্রে রিটার্ন দাখিলের নথিতে সরকারি পে-স্কেলে বেতন উত্তোলনের তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু বিস্তারিত তথ্য—কবে, কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন তার তথ্য না থাকায় তার মনোনয়নপত্র স্থগিত রেখে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এসব নথি দাখিলের সময় দেওয়া হয়েছিল।
রাজনীতি
প্রবাসীদের পাসপোর্ট জটিলতা দ্রুত সমাধানের আহ্বান ডা. শফিকুর রহমানের
প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে বিভিন্ন দেশে ধীরগতি ও জটিলতা দূর করতে সরকারের প্রতি জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে ডা. শফিকুর রহমান এই আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে নানা দেশে ধীরগতি ও জটিলতার বিষয়ে অনেকেই প্রতিকার চেয়ে যোগাযোগ করেছেন। তিনি সরকারকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের এই জরুরি সমস্যার দিকে দ্রুত নজর দিয়ে আশু সমাধান করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আর প্রবাসীরা কষ্টে থাকলে দেশও ঝুঁকিতে পড়বে। প্রবাসী ভাই-বোনদের প্রতি দোয়া, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল।’
ডা. শফিকুর রহমানের এই স্ট্যাটাসের নিচে মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, ‘পুরানো পাসপোর্ট দিয়ে যেনো নতুন পাসপোর্ট করা যাই এমন একটা ব্যবস্থা করলে পাসপোর্ট এর সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো।’
অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনার কথার সাথে একমত। প্রবাসীরা আসলেই দেশের রেমিট্যান্সযোদ্ধা। পাসপোর্ট নবায়ন নিয়ে হয়রানি হলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েন তারাই। ভিসা, আকামা, কাজ, চিকিৎসা, এমনকি দেশে আসা-যাওয়া সবকিছু আটকে যায় একটা পাসপোর্টের জন্য। অথচ তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সেই দেশের রিজার্ভ সচল থাকে। অনেক দেশে দূতাবাসে লোকবল কম, সার্ভার ডাউন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে মাসের পর মাস লাগে। মালয়েশিয়া, সৌদি, দুবাই, ইতালি থেকে প্রায়ই এই অভিযোগ আসে।
একটা জরুরি সেবা এভাবে ধীরগতি হলে পরিবারগুলোও দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। সরকারের উচিত ই-পাসপোর্ট সেবা আরও বিকেন্দ্রীকরণ করা, জনবল বাড়ানো, আর জরুরি কেসের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক চালু করা। ডিজিটাল সিস্টেম করেও যদি মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট পায়, তাহলে লাভ কী। প্রবাসী ভাই-বোনদের কষ্ট মানে দেশের অর্থনীতির চাকা স্লো হয়ে যাওয়া। তারা ভালো থাকলেই দেশ ভালো থাকবে, এটা ১০০% সত্যি। আপনার মতো করে সবাই আওয়াজ তুললে হয়তো নজর পড়বে। দোয়া রইল সকল প্রবাসীর জন্য, যেন দ্রুত এই জটিলতা কাটে।’
এমএন
রাজনীতি
জামায়াত আমিরের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বিরোধীদলীয় নেতার সংসদীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক আগ্রহের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে জার্মান দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও প্রেস অফিসার শারলিনা নুজহাত কবির উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, এমপি; ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম, এমপি; এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে সংসদীয় গণতন্ত্র সুসংহত করা, জুলাই সনদ এবং গণভোট ইস্যুতে মতবিনিময় হয়। জার্মানি বাংলাদেশে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।
বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ ও গণরায়ের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশে টেকসই পরিবর্তন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে একদলীয় শাসনব্যবস্থা ফিরে না আসে।
এছাড়া গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা এবং টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাজনীতি
নারী আসনে জামায়াতের প্রার্থী চূড়ান্ত, তালিকায় যারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৮ প্রার্থীকে মনোনীত করেছে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে। এছাড়াও এনসিপিসহ অন্যান্য দল থেকে ৫ জনকে তালিকায় রাখা হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে দলীয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মনোনয়ন তালিকায় যারা আছেন-
১. কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা,
২. সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম
৩. আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি
৪. ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ
৫. মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু,
৬. সিলেটের নেত্রী মাহফুজা সিদ্দিকা
৭. বগুড়ার নেত্রী ও সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা সামাদ
৮. খুলনা মহানগরীর সেক্রেটারি সামসুন নাহার
৯. এনসিপির নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আহ্বায়ক মনিরা শারমিন
১০. নারীশক্তির সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু
১১. জাগপার চেয়ারম্যান তাসমিয়া প্রধান
১২. বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য মাহবুবা হাকিম
১৩. জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম
রাজনীতি
আ.লীগের সবচেয়ে বড় দুই অপরাধ কী, জানালেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী
‘আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু নেতা চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত হয়ে গেলেন। যে টাকা দেয়, তাকে পদ-পদবি দেন। এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কমে গেল। একজন মন্ত্রী হিসেবে কিংবা পরে এমপি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগও সীমিত হয়ে গেল।’—এমন অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
সম্পত্তি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি বাংলা ভাষার টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দেন আব্দুল মোমেন। এ সময় তিনি তৎকালীন সরকারের শেষ সময়ের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে এসব কথা বলেন। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সবচেয়ে বড় ভুল আপনার চোখে কী, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আওয়ামী লীগ সরকারের ভুলটা হলো, কিছু নেতা চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত হয়ে গেলেন। যে টাকা দেয়, তাকে পদ-পদবি দেন। আর জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কমে গেল। আমার সরকার সরকারি কর্মচারীর ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল হলো। ওরা যা বলে তা-ই করে। একজন মন্ত্রী হিসেবে কিংবা পরবর্তীতে এমপি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগও আমাদের সীমিত হয়ে গেল।’
কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকারি অফিসাররা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেন, একটা না একটা বাহানা দিয়ে তিনারা সহজে (অ্যাপয়েন্টমেন্ট) দেন না। আর আমরা যারা রাজনীতিবিদ, প্রধানমন্ত্রী মাঝেমধ্যে কোনো জায়গায় বড় বক্তৃতা দেন, আমরা দূরে চেয়ারে বসে থাকি, আর উনি সারমন (উপদেশমূলক বাণী) দেন, আমরা এক পাশে থেকে শুনি। তারপর যখন উনি বক্তৃতা শেষ করেন, তখন আমাদের রাজনীতিবিদরা ওনার সঙ্গে কথা বলার জন্য সামনে অগ্রসর হলে সেই এসএসএফের লোক ২৫ ফুট দূরে, দূর দূর করে সরায়ে দেয়। ফলে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে কিছু বলা যে, আমরা কিছু ফিল করি, এই চাঁদাবাজি, এই করাপশন, এগুলো পাবলিক কী মনে করতেছে, সেটা বলার সুযোগ আমাদের কমে গেল।’



