পুঁজিবাজার
সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, দুই ঘণ্টায় লেনদেন ২২৭ কোটি টাকা
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম দুই ঘণ্টায় লেনদেন ২২৭ কোটি টাকা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (০৩ নভেম্বর) ডিএসইর লেনদেন শুরুর দুই ঘণ্টা পর অর্থাৎ বেলা ১২টা পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক বা ‘ডিএসইএক্স’ ৪ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ১১০ পয়েন্টে।
প্রধান সূচকের সঙ্গে শরিয়াহ সূচক বা ‘ডিএসইএস’ দশমিক ৮২ পয়েন্ট বেড়ে আর ‘ডিএস-৩০’ সূচক ৩ দশমিক ৭১ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১০৭৯ ও ১৯৭৯ পয়েন্টে অবস্থান করেছে।
আলোচ্য সময়ে ডিএসইতে মোট ২২৭ কোটি ২৯ লাখ ৪২ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।
এসময় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৫টির, কমেছে ১৮৭ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮৩ কোম্পানির শেয়ারদর।
কাফি
পুঁজিবাজার
অর্থ লেনদেনে অনিয়ম, ইনডেক্স এগ্রোর পরিচালকসহ ৩ জনকে জরিমানা
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইনডেক্স অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আর্থিক লেনদেনে প্রায় ২ কোটি টাকার অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এই অনিয়মে জড়িত থাকায় কোম্পানির একজন পরিচালকসহ তিনজনকে অর্থদণ্ড করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বিএসইসির মার্চ মাসের এনফোর্সমেন্ট অ্যাকশন প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিএসইসির তদন্তে দেখা যায়, কোম্পানিটি তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইনডেক্স কনস্ট্রাকশন লিমিটেডের সঙ্গে প্রায় ২ কোটি টাকার রিলেটেড পার্টি লেনদেন করেছে, যা নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়নি। আন্তর্জাতিক হিসাবমান অনুযায়ী এ ধরনের লেনদেন প্রকাশ বাধ্যতামূলক।
এ ঘটনায় ইনডেক্স এগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহিন বিন মাজহারকে ৫ লাখ টাকা, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) ইকবাল আহমেদকে ১ লাখ টাকা এবং কোম্পানি সচিব আবু জাফর আলীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বিএসইসির পরিদর্শন দল কোম্পানির প্রধান কার্যালয় ও চারটি কারখানা পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে এসব অনিয়ম শনাক্ত করে।
তদন্তে আরও দেখা যায়, ইনডেক্স অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক উভয়েই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনায় যুক্ত থাকায় এটি স্পষ্ট স্বার্থের সংঘাতের উদাহরণ। কিন্তু এ তথ্যও আর্থিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এ ছাড়া নির্মাণ ও সিভিল কাজের আদেশ অনুমোদনের ক্ষেত্রেও অনিয়ম পাওয়া গেছে। কিছু ক্ষেত্রে অনুমোদিত কর্মকর্তার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের স্বাক্ষর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি, কিছু কাজে প্রতিযোগিতামূলক কোটেশন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান জি কিবরিয়া অ্যান্ড কো. তাদের প্রতিবেদনে কোনো রিলেটেড পার্টি লেনদেন হয়নি বলে উল্লেখ করলেও বিএসইসির তদন্তে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে, যা নিরীক্ষা প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
বিএসইসি বলেছে, এ ধরনের তথ্য গোপন রাখা বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভ্রান্তিকর এবং সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের শামিল। শুনানিতে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এই আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হয়েছে।
পুঁজিবাজার
ঈদ আমেজে পুঁজিবাজারে সাপ্তাহিক গড় লেনদেন কমেছে ৭ শতাংশ
পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর ছুটির আমেজে দেশের পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন—উভয় ক্ষেত্রেই নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ঈদের আগের মাত্র দুই কার্যদিবস লেনদেন হওয়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রায় সব সূচক কমেছে। একই সঙ্গে দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে ৭ শতাংশের বেশি।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৪ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩৫৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৫ হাজার ৩৬৮ পয়েন্ট। একইভাবে ডিএস-৩০ সূচক ১৫ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫১ পয়েন্টে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২ হাজার ৬৬ পয়েন্ট। তবে শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস ১ দশমিক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৮০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
ঈদের ছুটির কারণে সপ্তাহটিতে মাত্র দুই কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এ সময় প্রতিদিন গড়ে ৪০২ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহে ছিল ৫৩১ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে গড় লেনদেন কমেছে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ।
খাতভিত্তিক লেনদেনে চলতি সপ্তাহে ব্যাংক খাতের শেয়ারের আধিপত্য ছিল। ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৪০ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্যাংক খাত। ১৪ দশমিক ০৬ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। তৃতীয় অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের দখলে ছিল মোট লেনদেনের ১০ দশমিক ৭২ শতাংশ। প্রকৌশল খাত ৯ দশমিক ০৩ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ অবস্থানে ছিল। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের দখলে ছিল মোট লেনদেনের ৭ দশমিক ০৫ শতাংশ।
ডিএসইতে চলতি সপ্তাহে অধিকাংশ খাতের শেয়ারে নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে মিউচুয়াল ফান্ড, জীবন বিমা, ব্যাংক, সাধারণ বিমা ও পাট খাতে। অন্যদিকে ইতিবাচক রিটার্নের শীর্ষে ছিল তথ্যপ্রযুক্তি, সেবা ও আবাসন, বস্ত্র, চামড়া ও সিমেন্ট খাত।
দেশের আরেক পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই গত সপ্তাহে দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ১৫ হাজার ৩০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসসিএক্স সূচকটি সপ্তাহের ব্যবধানে দশমিক ০৬ শতাংশ বেড়ে ৯ হাজার ১৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে গত সপ্তাহে ৪০ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। লেনদেন হওয়া ২১৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২২টির, কমেছে ৬৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৯টির দর।
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ২০ কোটি টাকার লেনদেন
ঈদের আগে শেষ কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২০ কোটি ৬৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (১৬ মার্চ) কোম্পানিগুলোর মোট ৩৮ লক্ষ ৬৮ হাজার ১১৮ টি শেয়ার ৬১ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২০ কোটি ৬৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে লাভেলোর ৪ কোটি ৫৬ লাখ ৭৯ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২ কোটি ৮৩ লাখ ৫৭ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে ফাইন ফুডসের ২ কোটি ২৫ লাখ ৪৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স
ঈদের আগের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, সোমবার (১৬ মার্চ)বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেডের শেয়ার দর দশমিক ৬ পয়সা বা ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ইউনিয়ন ক্যাপিটাল লিমিটেডের শেয়ার দর ৬ দশমিক ০৬ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- মেঘনা কনডেন্সড মিল্কের ৬.০৩ শতাংশ, ফিনিক্স ফাইন্যান্সের ৫.৭৭ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৫.১৩ শতাংশ, ফাস ফাইন্যান্সের ৫.১৩ শতাংশ, জিএসপি ফাইন্যান্সের ৪.৯২ শতাংশ, এমারেল্ড অয়েলের ৪.৬৫ শতাংশ এবং মাইডাস ফাইন্যান্সের ৪.১১ শতাংশ দর কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধি শীর্ষে ইনটেক লিমিটেড
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৮ কোম্পানির মধ্যে ২৫৩টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে ইনটেক লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (১৬ মার্চ) ডিএসইতে সর্বোচ্চ ইনটেক লিমিটেডের শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২ টাকা ৬ পয়সা বা ৬ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬ দশমিক ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের দর বেড়েছে ৬ দশমিক ১৩ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- হাইডেলবার্গ ম্যাটেরিয়ালস বাংলাদেশের ৫.৯২ শতাংশ, শাইনপুকুর সিরামিকসের ৫.০০ শতাংশ, হাক্কানি পাল্পের ৪.৮১ শতাংশ, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৪.৫৫ শতাংশ, ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্কের ৪.০৪ শতাংশ, আইসিবি এমপ্লোয়ি প্রোভিডেন্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ৪.০০ শতাংশ ও ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের ৩.৭০ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
এমএন




