পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারে সূচক বাড়লেও লেনদেন আরও কমলো
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন শেয়ার দর বেড়েছে ২৩০ কোম্পানির। তবে টাকার অংকে কমেছে লেনদেন পরিমাণ।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সোমবার (১৩ অক্টোবর) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ ২৫ দশমিক ২৮ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ২২৭ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ২ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট বেড়ে ১১১৭ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ১১ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট বেড়ে ২০০৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৫৩০ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৫৪২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৪০০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ২৩০টি কোম্পানির, বিপরীতে ১২০টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এসএম
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধি শীর্ষে জেএমআই সিরিঞ্জ
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৫টি কোম্পানির মধ্যে ১৩৮টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে জেএমআই সিরিঞ্জ ও মেডিকেল ডিভাইস লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ জেএমআই সিরিঞ্জ ও মেডিকেল ডিভাইস লিমিটেডের শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১২ টাকা ২ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে এপেক্স ট্যানারি লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা এপেক্স স্পিনিং ও নিটিং মিলস লিমিটেডের দর বেড়েছে ৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স, তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম, ওয়াটা কেমিক্যাল, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড এবং এপেক্স ফুডস লিমিটেডের শেয়ার দর বেড়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ডিএসইতে সবোর্চ্চ সিটি ব্যাংক পিএলসির ৪০ কোটি ৬৭ লাখ ১৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি। কোম্পানিটির ২৯ কোটি ৫৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ২৭ কোটি ৪৬ লাখ ৪৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড, একমি পেস্টিসাইড, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, অগ্নি সিস্টেমস, খান ব্রাদাস পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ, পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসি এবং সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।
এমএন
পুঁজিবাজার
শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে লেনদেন ৮৮৪ কোটি টাকা
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৩৮টি কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধি পেয়েছে। টাকার অংকে লেনদেনের পরিমান বেড়ে ৮৮৪ কোটি ছাড়িয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসইএক্স’ দশমিক ০ পয়েন্ট বেড়েছে। বর্তমানে সূচকটি অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৯৮ পয়েন্টে।
এছাড়া, ডিএসইর অপর সূচক ‘ডিএসইএস’ ০ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বেড়ে ১০৬৬ পয়েন্ট এবং ‘ডিএস-৩০’ সূচক ১০ দশমিক ৪৩ পয়েন্ট বেড়ে ২০১৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে ৮৮৪ কোটি ৬২ লক্ষ ০৮ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিলো ১ হাজার ৫৬ কোটি ৩৬ লাখ ৩ হাজার টাকা।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৮টি কোম্পানির, বিপরীতে ১৯৯টি কোম্পানির দর কমেছে। পাশাপাশি ৫৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
গ্রামীণফোনের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে শেয়ার প্রতি আয় বেড়েছে দশমিক ২১ শতাংশ।
বুধবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ৯০ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৪ টাকা ৬৯ পয়সা।
আলোচিত প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ ছিল ১২ টাকা ৪৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ১৪ টাকা ১১ পয়সা ছিল।
গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৪৬ টাকা ৩৯ পয়সা।
এমএন
পুঁজিবাজার
সিঙ্গারের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত বছরের তুলনায় আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানির লোকসান বেড়েছে ৬০ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৬০ পয়সা। গত বছর একই সময়ে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছিল ৩ টাকা ৫০ পয়সা।
আলোচিত প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি ক্যাশফ্লো ছিল মাইনাস ২১ টাকা ৪২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪ টাকা ৭৯ পয়সা।
গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ৩ টাকা ৯১ পয়সা।
এমএন



