পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারে আধুনিকতার সূচনা: এআই প্রশিক্ষণে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ
দেশের পুঁজিবাজার খাতে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ক একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) ইনোভেশন হাবে গত ৩ ও ৪ অক্টোবর এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালাটি আয়োজিত হয়।
‘এআই অ্যাসেন্সিয়াল ফর ক্যাপিটাল মার্কেট প্রফেশনালস’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী এই উচ্চতর প্রশিক্ষণে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ পিএলসির ৩০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালাটির যৌথ আয়োজনে ছিল ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ, ইনোভেশন, ইনকিউবেশন অ্যান্ড কমার্শিয়ালাইজেশন (আইরিক) এবং এআই ফোরাম বাংলাদেশ। প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্যাপিটাল মার্কেট সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের আর্থিক কার্যক্রমের বিশ্লেষণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ট্রেড পরিচালনা এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো অত্যাবশ্যকীয় ক্ষেত্রসমূহে এআই’র ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা।
এই যুগান্তকারী প্রশিক্ষণে লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের পক্ষ থেকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার সাফফাত রেজা, প্রযুক্তি কর্মকর্তা এস এ আর মো. মুইনুল ইসলাম, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আমির হোসেন। এছাড়াও, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট, বিসনেস হেডস, প্রাতিষ্ঠানিক ও বৈদেশিক বাণিজ্য, ডিজিটাল রূপান্তর, হিসাব ও অর্থ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অপারেশনস, ট্রেড এক্সিকিউশন, শাখা পরিচালনা এবং পুঁজিবাজার গবেষণা বিভাগের কর্মকর্তারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালাটি পরিচালনা করেন দেশের সুপরিচিত এআই বিশেষজ্ঞ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এমএসসিএসই প্রোগ্রাম ও আইরিকের পরিচালক এবং এআই ফোরাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. খন্দকার এ. মামুন। তাঁর নির্দেশনায় অংশগ্রহণকারীরা বাস্তব সমস্যা সমাধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ নিয়ে কাজ করেন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পান, যা তাঁদের ব্যবহারিক জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করেছে।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই ধরনের উদ্যোগ দেশের পুঁজিবাজার তথা আর্থিক খাতে একটি উদ্ভাবনী সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এবং শিক্ষা ও শিল্পের মধ্যে দৃঢ় সংযোগ স্থাপনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এই প্রশিক্ষণ লংকাবাংলা সিকিউরিটিজকে প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ক্ষেত্রে একটি অগ্রগামী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করল।
এসএম
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে তাল্লু স্পিনিং
বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি-০৮ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে তাল্লু স্পিনিং মিলস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ২০ দশমিক ২৯ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যমতে, তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা জিকিউ বলপেনের শেয়ার দর বেড়েছে ১৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৫২৭.১০ টাকা। তালিকায় তৃতীয় স্থানে পূবালী ব্যাংকের শেয়ার দর বেড়েছে ১৪ দশমিক ০২ শতাংশ। শেয়ারটির সমাপনী মূল্য ছিল ৩৬.৬০ টাকা।
তালিকায় উঠে আসা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- ইসলামী ব্যাংকের ১২.৬৫ শতাংশ, এনআরবি ব্যাংকের ১১.২৯ শতাংশ, সায়হাম টেক্সটাইলের ১০.৯৯ শতাংশ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের ১০.৫১ শতাংশ, ঢাকা ব্যাংকের ৭.১১ শতাংশ, রূপালী ব্যাংকের ৮.১১ শতাংশ ও ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ৭.৯১ শতাংশ শেয়ার দর বেড়েছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন
বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি-০৮ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪.৮৩ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির২২ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪.৮৩ শতাংশ।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্কয়ার ফার্মার ২০ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৪.২৯ শতাংশ।
তৃতীয় স্থানে থাকা সিটি ব্যাংকের ১৬ কোটি ২৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা ছিল ডিএসইর লেনদেনের ৩.৪৩ শতাংশ।
লেনদেনের তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে- উত্তরা ব্যাংকের ১৪ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ফাইন ফুডসের ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকা , সায়হাম কটনের ৯ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা, মালেক স্পিনিংয়ের ৮ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা, লাভেলো আইসক্রীমের ৭ কোটি ৯৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যমুনা ব্যাংকের ৭ কোটি ৬৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং সামিট এলায়েন্সের ৭ কোটি ৪৩ লাখ ১০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমকে
পুঁজিবাজার
ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়লো দুই হাজার ৪০১ কোটি টাকা
বিদায়ী সপ্তাহে (০৪ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে। এতে সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ২ হাজার ৪০১ কোটি টাকা।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সমাপ্ত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮০ কোটি টাকা। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই মূলধন ছিল ৬ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহ ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে ২ হাজার ৪০১ কোটি টাকা বা শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ।
বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে বেড়েছে সব কয়টি সূচকের মান। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৮৭.৯৪ পয়েন্ট বা ১.৭৯ শতাংশ। তবে ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৪৫.৫২ পয়েন্ট বা ২.৪৩ শতাংশ। আর ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৪.৮০ পয়েন্ট বা ০.৪৮ শতাংশ।
ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ৩৭২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪১৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এক সপ্তাহে লেনদেন বেড়েছে ৯৫৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
আর প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ১২০ কোটি ২৩ লাখ টাকা বা ৩৩.৯৩ শতাংশ। চলতি সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪৭৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৩৫৪ কোটি ৩১ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭৬টি কোম্পানির, কমেছে ১৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।
এসএম
পুঁজিবাজার
খালেদা জিয়ার সময়েই স্থাপিত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো: ডিএসই চেয়ারম্যান
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অৰ্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অনন্য ও অসামান্য। বাংলাদেশের বাজারভিত্তিক ও বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাঠামোর ভিত্তি বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলেই স্থাপিত হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসইর মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসইস’র চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও কমিশনারবৃন্দ, ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার ও পরিচালকবৃন্দ, সিএসই’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, বিএপিএলসি’র প্রেসিডেন্ট রিয়াদ মাহমুদসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ডিএসই’র কর্মকর্তারা।
ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে বেসরকারি খাতে যে ব্যাপক সম্প্রসারণের সূচনা হয়, তার সুফল আজ দেশের সাধারণ মানুষ ভোগ করছে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলতেও তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত অবদান তাঁর প্রয়াণের পর আরো স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় দেশের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তাঁর প্রতি জনগণের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন দৃঢ় ও দূরদর্শী নেতা, যার অবদান দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষভাবে স্মরণীয়। ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গঠিত হয়, যা দেশের পুঁজিবাজারের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯৯৪ সালের ২ মার্চ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত শীর্ষস্থানীয় দশটি কোম্পানিকে জাতীয় পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতি, যা শিল্প ও কর্পোরেট খাতকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
ডিএসই’র পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, একজন মানুষের জীবনের প্রকৃত মূল্য সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায় তাঁর মৃত্যুর পর মানুষের উপস্থিতি ও আবেগে। তাঁর জানাজায় কোটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে তিনি কত মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি ছিলেন একজন বড় মাপের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যাঁর প্রতি ভিন্ন মত ও ভিন্ন পথের মানুষের মধ্যেও গভীর শ্রদ্ধা ছিল। আমরা আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন মানবিক রাজনীতিবিদ, যিনি বিরোধী মতের প্রতিও সর্বদা শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে, বিশেষ করে গত ১৫ বছরের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দেশ ও মানুষের স্বার্থে অবিচল ছিলেন। জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর আপসহীন ভূমিকা আজও প্রেরণার উৎস। পুঁজিবাজার উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৯১ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ক্যাপিটাল মার্কেট উন্মুক্ত করার মাধ্যমে তিনি এ খাতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন। তাঁর দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলেই আজকের আধুনিক পুঁজিবাজার গড়ে উঠেছে। আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করছি এবং আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছি।’’
ডিএসই’র প্রধান পরিচালক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত স্মরণসভায় বিএপিএলসির প্রেসিডেন্ট রিয়াদ মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন প্রধানমন্ত্রী বা একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; সময়ের পরিক্রমায় তিনি যেন আমাদের সমাজ ও সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছেন। এমনটি মনে হয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনের গভীরে, আমাদের সামাজিক চেতনা ও অনুভূতির ভেতর গভীরভাবে মিশে গেছে। একজন মানুষ হিসেবে তাঁর যেমন গুণ ছিল, তেমনি স্বাভাবিকভাবেই কিছু সীমাবদ্ধতাও ছিল। তবে বিগত কয়েক দিনে সারা দেশে তাঁর প্রতি যে বিপুল ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে, তা প্রমাণ করে—সব সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন।’’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভাতিজা মো. শামস ইস্কান্দার সকলের কাছে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমার জন্য দোয়া কামনা করেন।
এমকে
পুঁজিবাজার
ব্লকে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লকে মোট ২০টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিগুলোর মোট ২৮ লাখ ১৪ হাজার ৯৬৫টি শেয়ার ৮৪ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২৩ কোটি ৯৬ লাখ ০৬ হাজার টাকা।
ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ব্লকে সবচেয়ে বেশি ফাইন ফুডসের ৮ কোটি ৯৬ লাখ ৬৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা জিকিউ বলপেনের ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে থাকা ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ২ কোটি ২৭ লাখ ৮১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এসএম




