রাজনীতি
আ.লীগের আমলে বারবার সাম্প্রদায়িক উসকানি সংগঠিত হয়েছে: ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য বারবার সাম্প্রদায়িক উসকানি সৃষ্টি, বিভিন্ন ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর উপাসনালয়ে হামলা-ভাঙচুর এবং নানা সাজানো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা উল্লেখ করেন বিএনপির মহাসচিব।
বুধবার (০১ অক্টোবর) বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তার এ বাণী প্রকাশিত হয়।
বাণীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা এবং বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। তাদের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করি।
তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা বাঙালি সনাতন সম্প্রদায়ের জীবনে আলোকোজ্জ্বল ঐতিহ্যের প্রতীক। যুগের পর যুগ এই উৎসব কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী বাঙালি হিন্দুদের কাছে ঐশ্বর্যময় ঐতিহ্য হিসেবে মর্যাদা পেয়েছে। দেবী দুর্গা শক্তি ও সাহসের প্রতীক হয়ে মানুষের মাঝে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা জাগান।
বিশ্বের যে কোনো উৎসবই মানুষের মাঝে আনন্দ ও শুভেচ্ছা বয়ে আনে উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, উৎসবের প্রাঙ্গণ কারো জন্য সীমাবদ্ধ নয়। এটি সবার মিলনক্ষেত্র। বাংলাদেশের মৃত্তিকা থেকে যে ঐতিহ্য উৎসারিত, সেটির ভেতরেই ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ নিহিত। দুর্গাপূজার মূল বার্তা হচ্ছে—অশুভের ওপর শুভের জয়।
আওয়ামী লীগ সরকারের ঘাপটি মেরে থাকা অনুচরেরা আজও তৎপর বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। তবে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে পূজামণ্ডপ পাহারা দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শান্তি ও সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা যেন নির্বিঘ্নে শেষ হয়, সেই প্রতিশ্রুতিতে বিএনপিও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ধর্মীয় উৎসব কখনো সাম্প্রদায়িক গণ্ডিতে আটকে থাকে না। উৎসব সীমানা অতিক্রম করে সব মানুষের মিলনের ক্ষেত্র তৈরি করে, আত্মাকে উদ্দীপ্ত করে।
তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অপশক্তির কোনো অশুভ তৎপরতায় যেন দুর্গাপূজার উৎসব বিঘ্নিত না হয়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। আমরা সবাই বাংলাদেশি—এটাই আমাদের গর্ব, এটাই আমাদের একমাত্র পরিচয়।
রাজনীতি
প্রবাসীদের পাসপোর্ট জটিলতা দ্রুত সমাধানের আহ্বান ডা. শফিকুর রহমানের
প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে বিভিন্ন দেশে ধীরগতি ও জটিলতা দূর করতে সরকারের প্রতি জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে ডা. শফিকুর রহমান এই আহ্বান জানান।
ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট নবায়নে নানা দেশে ধীরগতি ও জটিলতার বিষয়ে অনেকেই প্রতিকার চেয়ে যোগাযোগ করেছেন। তিনি সরকারকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের এই জরুরি সমস্যার দিকে দ্রুত নজর দিয়ে আশু সমাধান করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে, ইনশাআল্লাহ। আর প্রবাসীরা কষ্টে থাকলে দেশও ঝুঁকিতে পড়বে। প্রবাসী ভাই-বোনদের প্রতি দোয়া, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা রইল।’
ডা. শফিকুর রহমানের এই স্ট্যাটাসের নিচে মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন, ‘পুরানো পাসপোর্ট দিয়ে যেনো নতুন পাসপোর্ট করা যাই এমন একটা ব্যবস্থা করলে পাসপোর্ট এর সমস্যা সমাধান হয়ে যেতো।’
অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘আপনার কথার সাথে একমত। প্রবাসীরা আসলেই দেশের রেমিট্যান্সযোদ্ধা। পাসপোর্ট নবায়ন নিয়ে হয়রানি হলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েন তারাই। ভিসা, আকামা, কাজ, চিকিৎসা, এমনকি দেশে আসা-যাওয়া সবকিছু আটকে যায় একটা পাসপোর্টের জন্য। অথচ তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সেই দেশের রিজার্ভ সচল থাকে। অনেক দেশে দূতাবাসে লোকবল কম, সার্ভার ডাউন, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে মাসের পর মাস লাগে। মালয়েশিয়া, সৌদি, দুবাই, ইতালি থেকে প্রায়ই এই অভিযোগ আসে।
একটা জরুরি সেবা এভাবে ধীরগতি হলে পরিবারগুলোও দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। সরকারের উচিত ই-পাসপোর্ট সেবা আরও বিকেন্দ্রীকরণ করা, জনবল বাড়ানো, আর জরুরি কেসের জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক চালু করা। ডিজিটাল সিস্টেম করেও যদি মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট পায়, তাহলে লাভ কী। প্রবাসী ভাই-বোনদের কষ্ট মানে দেশের অর্থনীতির চাকা স্লো হয়ে যাওয়া। তারা ভালো থাকলেই দেশ ভালো থাকবে, এটা ১০০% সত্যি। আপনার মতো করে সবাই আওয়াজ তুললে হয়তো নজর পড়বে। দোয়া রইল সকল প্রবাসীর জন্য, যেন দ্রুত এই জটিলতা কাটে।’
এমএন
রাজনীতি
জামায়াত আমিরের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ২টায় বিরোধীদলীয় নেতার সংসদীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক আগ্রহের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে জার্মান দূতাবাসের পলিটিক্যাল ও প্রেস অফিসার শারলিনা নুজহাত কবির উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, এমপি; ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম, এমপি; এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে সংসদীয় গণতন্ত্র সুসংহত করা, জুলাই সনদ এবং গণভোট ইস্যুতে মতবিনিময় হয়। জার্মানি বাংলাদেশে সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।
বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই সনদ ও গণরায়ের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশে টেকসই পরিবর্তন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে একদলীয় শাসনব্যবস্থা ফিরে না আসে।
এছাড়া গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা এবং টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন খাতে সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাজনীতি
নারী আসনে জামায়াতের প্রার্থী চূড়ান্ত, তালিকায় যারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৮ প্রার্থীকে মনোনীত করেছে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে। এছাড়াও এনসিপিসহ অন্যান্য দল থেকে ৫ জনকে তালিকায় রাখা হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে দলীয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মনোনয়ন তালিকায় যারা আছেন-
১. কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা,
২. সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম
৩. আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি
৪. ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ
৫. মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু,
৬. সিলেটের নেত্রী মাহফুজা সিদ্দিকা
৭. বগুড়ার নেত্রী ও সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদা সামাদ
৮. খুলনা মহানগরীর সেক্রেটারি সামসুন নাহার
৯. এনসিপির নারী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আহ্বায়ক মনিরা শারমিন
১০. নারীশক্তির সদস্য সচিব মাহমুদা আলম মিতু
১১. জাগপার চেয়ারম্যান তাসমিয়া প্রধান
১২. বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নারী মজলিসের সদস্য মাহবুবা হাকিম
১৩. জুলাই শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম
রাজনীতি
আ.লীগের সবচেয়ে বড় দুই অপরাধ কী, জানালেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী
‘আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু নেতা চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত হয়ে গেলেন। যে টাকা দেয়, তাকে পদ-পদবি দেন। এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কমে গেল। একজন মন্ত্রী হিসেবে কিংবা পরে এমপি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগও সীমিত হয়ে গেল।’—এমন অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
সম্পত্তি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি বাংলা ভাষার টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দেন আব্দুল মোমেন। এ সময় তিনি তৎকালীন সরকারের শেষ সময়ের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে এসব কথা বলেন। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সবচেয়ে বড় ভুল আপনার চোখে কী, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আওয়ামী লীগ সরকারের ভুলটা হলো, কিছু নেতা চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত হয়ে গেলেন। যে টাকা দেয়, তাকে পদ-পদবি দেন। আর জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা কমে গেল। আমার সরকার সরকারি কর্মচারীর ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল হলো। ওরা যা বলে তা-ই করে। একজন মন্ত্রী হিসেবে কিংবা পরবর্তীতে এমপি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগও আমাদের সীমিত হয়ে গেল।’
কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকারি অফিসাররা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেন, একটা না একটা বাহানা দিয়ে তিনারা সহজে (অ্যাপয়েন্টমেন্ট) দেন না। আর আমরা যারা রাজনীতিবিদ, প্রধানমন্ত্রী মাঝেমধ্যে কোনো জায়গায় বড় বক্তৃতা দেন, আমরা দূরে চেয়ারে বসে থাকি, আর উনি সারমন (উপদেশমূলক বাণী) দেন, আমরা এক পাশে থেকে শুনি। তারপর যখন উনি বক্তৃতা শেষ করেন, তখন আমাদের রাজনীতিবিদরা ওনার সঙ্গে কথা বলার জন্য সামনে অগ্রসর হলে সেই এসএসএফের লোক ২৫ ফুট দূরে, দূর দূর করে সরায়ে দেয়। ফলে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে কিছু বলা যে, আমরা কিছু ফিল করি, এই চাঁদাবাজি, এই করাপশন, এগুলো পাবলিক কী মনে করতেছে, সেটা বলার সুযোগ আমাদের কমে গেল।’
রাজনীতি
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন যারা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে দুই দিনব্যাপী সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে বিএনপি। সোমবার (২০ এপ্রিল) দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ তথ্য জানিয়েছেন।
রিজভী জানান, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দিতে জাতীয় কমিটির সদস্যরা দুই দিন সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন। সাক্ষাৎকার শেষে মনোনয়ন বোর্ড ৩৬ জনকে মনোনীত করেছে।
মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন, সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আর আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা, রেজেকা সুলতানা ও নাদিয়া পাঠান পাপন।
এর আগে গেল শুক্র ও শনিবার রাজধানীর গুলশানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয় বিএনপি। এই মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, মোট এক হাজার ২৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হলেও জমা দেন প্রায় ৯০০ জন।



