আন্তর্জাতিক
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
ভারতের তামিলনাড়ু রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন অভিনেতা-রাজনীতিক সি জোসেফ বিজয়। রোববার চেন্নাইয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন।
তার নেতৃত্বাধীন দল তামিলাগা ভেট্টিরি কাঝাগাম সরকার গঠন করায় প্রায় ৬০ বছর পর তামিলনাড়ুতে ডিএমকে ও এআইএডিএমকের বাইরে অন্য কোনো রাজনৈতিক শক্তি ক্ষমতায় এলো।
গত মাসে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দল ১০৮টি আসনে জয় পায়। তবে এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন না থাকায় কয়েকদিন ধরে জোট গঠন নিয়ে রাজনৈতিক তৎপরতা চলে। বিভিন্ন দলের সমর্থন নিশ্চিত করার পর শেষ পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে সক্ষম হন তিনি।
রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার-এর কাছে জমা দেওয়া সমর্থনপত্রে বিজয় জানান, কংগ্রেস, ভিসিকে, সিপিআই, সিপিআই(এম) ও আইইউএমএলসহ কয়েকটি দলের বিধায়করা তার সরকারকে সমর্থন দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে জোটের আসন সংখ্যা ১২০-এ পৌঁছেছে।
১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম তামিলনাড়ুর ক্ষমতায় এমন একটি রাজনৈতিক শক্তি এলো, যারা রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী দ্রাবিড় জোট রাজনীতির অংশ নয়। ফলে বিজয়ের শপথকে অনেকেই রাজ্যের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখছেন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চেন্নাইসহ বিভিন্ন এলাকায় সমর্থকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর খুব শিগগিরই নতুন মন্ত্রিসভা ও সরকারের অগ্রাধিকারমূলক পরিকল্পনা ঘোষণা করবেন বিজয়।
তবে রাজ্যপালের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১৩ মে’র মধ্যে তাকে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে হবে।
সূত্র: এনডিটিভি
আন্তর্জাতিক
ইরানি জাহাজে হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটিতে আক্রমণ চালানো হবে আইআরজিসির
ওমান উপসাগরে ইরানের দুটি তেলবাহী জাহাজে কথিত মার্কিন হামলার ঘটনার পর কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
শনিবার (৯ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেলবাহী ট্যাংকারে কোনো ধরনের হামলা কিংবা বাধা সৃষ্টি করা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও নৌবহরে কঠোর পাল্টা আঘাত হানা হবে।
ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, “ইরানি জাহাজ ও তেল ট্যাংকারে আঘাত এলে ওই অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনা এবং শত্রুপক্ষের নৌযানে শক্ত প্রতিশোধ নেওয়া হবে।”
এর আগে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। দুই পক্ষই একে অপরের সামরিক স্থাপনা ও জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা ও পাল্টা হামলার অভিযোগ তোলে।
ইরানের দাবি, মার্কিন বাহিনী সম্প্রতি তাদের দুটি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলছে ইরান তাদের ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে।
এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু সামরিক উদ্যোগ স্থগিত করা হলেও পারস্য উপসাগর অঞ্চলে টানটান উত্তেজনা এখনও বিরাজ করছে।
আইআরজিসির এই হুঁশিয়ারি নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক
আড়ালে থেকেই ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করছেন মোজতবা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যেই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়নে বলা হচ্ছে, জনসমক্ষে অনুপস্থিত থাকলেও দেশটির সামরিক ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্তে এখনো প্রভাব বিস্তার করছেন তিনি।
গোয়েন্দা সূত্রগুলোর দাবি, যুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় গুরুতর আহত হন মোজতবা খামেনি। এরপর থেকেই তিনি কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে অবস্থান করছেন এবং সরাসরি কোনো ইলেকট্রনিক যোগাযোগ ব্যবহার করছেন না। তার নির্দেশ বিশ্বস্ত দূতদের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে ধারণা করছে ওয়াশিংটন।
তবে ইরান সরকার এসব দাবিকে অতিরঞ্জিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, মোজতবা বর্তমানে সুস্থ আছেন এবং রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে তার দীর্ঘ বৈঠকের তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের মতে, ইরানের বর্তমান ক্ষমতা কাঠামো অনেকটাই বিভক্ত ও জটিল হয়ে উঠেছে। কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তা স্পষ্ট নয়। এ পরিস্থিতি চলমান যুদ্ধবিরতি ও সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতার পথকে আরও কঠিন করে তুলছে।
গোয়েন্দা বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের অভ্যন্তরে বিভিন্ন গোষ্ঠী নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মোজতবার নাম ব্যবহার করছে। ফলে বাস্তবে কতটা ক্ষমতা তার হাতে রয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে সামরিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়লেও ইরান এখনো পুরোপুরি দুর্বল হয়নি বলে মনে করছে মার্কিন গোয়েন্দারা। তাদের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামোর বড় অংশ এখনো সক্রিয় রয়েছে এবং যুদ্ধবিরতির সময় ব্যবহার করে সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে।
অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি নিচ্ছে তেহরান। মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ইরান আপাতত পিছু হটার বদলে সময় নিয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে চাইছে।
বর্তমানে ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে অন্যতম প্রভাবশালী মুখ হিসেবে উঠে এসেছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। কূটনৈতিক ও সামরিক, দুই ক্ষেত্রেই তার সক্রিয় ভূমিকা পশ্চিমা মহলে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আলোচনায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনিকে ঘিরে ধোঁয়াশা যত বাড়ছে, ততই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছে, অন্যদিকে ইরান যুদ্ধ ও অবরোধ মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি দ্রুত সমাধানের বদলে দীর্ঘস্থায়ী উত্তেজনার দিকেই যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: সিএনএন
আন্তর্জাতিক
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সংরক্ষণ করবে রাশিয়া
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের তত্ত্বাবধানে সংরক্ষণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় স্থানান্তরের ব্যবস্থা নিতে মস্কো প্রস্তুত রয়েছে।
মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, ২০১৫ সালে পরমাণু সমঝোতার সময়ও রাশিয়া ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করেছিল। সে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আবারও একই ধরনের সহযোগিতা দেওয়া সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রুশ প্রেসিডেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো ইরানের বাইরে ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল। কিন্তু পরে যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেয় এবং ইউরেনিয়াম শুধুমাত্র মার্কিন ভূখণ্ডে নেওয়ার প্রস্তাব দেয়। এরপর তেহরানও নিজেদের অবস্থানে অনড় হয়ে পড়ে।
পুতিন আরও বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের সঙ্গে রাশিয়া নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। চলমান উত্তেজনা দ্রুত কূটনৈতিকভাবে সমাধান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
আন্তর্জাতিক
৯৭ বছর বয়সি মাখন লালের পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন মোদি, কে এই নেতা?
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে ৯৭ বছর বয়সি প্রবীণ বিজেপি নেতার প্রতি সম্মান জানিয়ে তার পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নেন এবং তাকে জড়িয়ে ধরেন মোদি।
কিন্তু কে এই নেতা? তার নাম মাখন লাল সরকার। কলকাতায় আয়োজিত এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মাখন লাল সরকারের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পায়।
শিলিগুড়ির এই প্রবীণ নেতা বিজেপির প্রাথমিক সময়ের অন্যতম সংগঠক হিসেবে পরিচিত। দলীয় সূত্র জানায়, তিনি জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ঘনিষ্ঠ সহযাত্রী ছিলেন এবং তার শেষ কাশ্মীর সফরেও সঙ্গে ছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার কারণে একসময় কংগ্রেস সরকারের আমলে মাখন লাল সরকারকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। পরে আদালতে তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হলেও তিনি তাতে রাজি হননি।
তিনি বলেন, আদালতে বিচারকের অনুরোধে মাখন লাল সরকার সেই গান আবার গেয়ে শোনান। তার সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে বিচারক পুলিশকে তাকে সম্মানের সঙ্গে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং যাত্রার খরচও দেওয়ার কথা বলেন।
মাখন লাল সরকার শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার প্রথম বিজেপি জেলা সভাপতি ছিলেন। ১৯৫২ সালে কাশ্মীরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে বিজেপি গঠনের পর উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন বিস্তারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
১৯৮১ সাল থেকে টানা সাত বছর জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি, যা সে সময়ের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূল পর্যায়ের একজন নিবেদিত সংগঠক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
আন্তর্জাতিক
শুভেন্দুর শপথ গ্রহণের দিন পাল্টা কর্মসূচি মমতার
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শনিবার (৯ মে) ব্রিগেডে শপথগ্রহণ করবেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রায় একই সময়ে কালীঘাটের বাড়ির চত্বরে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করবেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী।
এ কর্মসূচিতে দলের নেতৃত্বস্থানীয়দের ডাকা হয়েছে। উপস্থিত থাকার কথা আছে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জীরও। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পরে এটাই তৃণমূলনেত্রী মমতা ব্যানার্জীর প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি।
শনিবার মমতার বাড়ির অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করার কথা সদ্যসাবেক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং রাজ্যসভার সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়ের।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, তিনটি জায়গায় অরাজনৈতিক সংগঠন রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের অনুমতি চেয়েছিল পুলিশের কাছে, কিন্তু তা দেয়া হয়নি।
তৃণমূলের পক্ষে সংগঠনের সর্বস্তরে বার্তা দেয়া হয়েছে যে, যেখানে সম্ভব সেখানে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করতে হবে। তবে ক্ষমতায় থাকার সময়ে রাখি পূর্ণিমা ও রবীন্দ্রজয়ন্তী যেভাবে পালন করত তৃণমূল, এবার যে তেমন কিছু করার পরিস্থিতি নেই তা দলের সর্বোচ্চ নেতারাও জানেন। সেই মতোই বার্তা দেয়া হয়েছে।
তবে দলের পক্ষ থেকে এই মুহূর্তে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে ‘আক্রান্ত’ কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোকে।
রবীন্দ্রজয়ন্তী হলেও শনিবারের কর্মসূচি থেকে মমতা দলকে কোনো রাজনৈতিক এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচির বার্তা দেন কি-না, সে দিকে নজর থাকবে। Politics
দু’দিন আগে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে কালীঘাটের বাড়িতেই বৈঠক করেছিলেন মমতা। তারপরে জেলা নেতৃত্বকে ‘বিজেপির হামলার প্রতিবাদে’ এলাকায় মিছিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।




