ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশপন্থী জাতি গঠনের আহ্বান ইবি ছাত্রদল আহ্বায়কের
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশপন্থী জাতি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল চেতনা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি শক্তিশালী ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি গঠন করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ৫৫তম মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাহেদ আহম্মেদ বলেন, স্বাধীনতার পর আমরা যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে পারিনি। আমরা এমন একটি জাতি গঠনের জন্য যুদ্ধ করেছিলাম, যা সাম্য, ঐক্য ও মর্যাদায় বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও কিছু ভারতপন্থী ও পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন ও ব্যক্তি দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমরা কোনো বিদেশপন্থী রাজনীতি দেখতে চাই না। আমাদের লক্ষ্য হবে কেবল বাংলাদেশপন্থী একটি জাতি গঠন করা।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন করে। ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেই আজও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।
স্বাধীনতা দিবসে প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে সাহেদ আহম্মেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭৫ একরের ক্যাম্পাসকে পবিত্র রাখা এবং এর কল্যাণে কাজ করার জন্য সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
দিবসটি উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি, শহীদ জিয়াউর রহমান কর্তৃক স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মিলাদ মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় সংগঠনের সদস্য সচিব মাসুদ রুমি মিথুনের, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রঞ্জু আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু দাউদ, আহসান হাবীব, আনারুল ইসলাম, রোকন উদ্দীন, সদস্য সাব্বির, রাফিজ, নুর উদদীন, রনি হোসেন কর্মি, উল্লাস হোসেন সাক্ষর, অংকন, সাবিক, উতস, নয়ন, রিয়াজ, প্রমুখ সহ শতাধিক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন/সাকিব
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ঢাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হলেন ইসরাফিল রতন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষক অধ্যাপক ইসরাফিল রতন। রোববার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুন্সী শামস উদ্দিন আহম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অধ্যাপক ইসরাফিল রতন চারুকলা অনুষদের গ্রাফিক্স ডিজাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্যের অনুমোদনে ১০ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করা যেতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এর আগে আজ দুপুরের দিকে প্রক্টরের দায়িত্ব ছাড়েন অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলামের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
পদত্যাগের কারণ হিসেবে তিনি জানান, ‘ ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করছি, কোন চাপে পড়ে না।’
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের পদত্যাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ পদত্যাগ করেছেন। রোববার (১০ মে) তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পদত্যাগপত্রে তিনি গত ২০ মাস প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার সুযোগকে নিজের জন্য সম্মানের বলে উল্লেখ করেন।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে সাইফুদ্দীন আহমদ জানান, ব্যক্তিগত কারণেই তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে আমি প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। মাত্রই পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে এসেছি। আমি এই মুহূর্তে কিছুটা বিশ্রামে থাকতে চাই। তাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
তবে তার পদত্যাগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর হিসেবে কে দায়িত্ব পাবেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করতে গিয়ে বুয়েট শিক্ষিকার মৃত্যু
যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পানিসম্পদ কৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফিফা রহমান নাইমা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-শ্যাম্পেইনে পিএইচডি করছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিকট আত্মীয় ও সহকর্মীরা।
পরিবার ও ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়, সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় জটিলতা দেখা দিলে আফিফা কয়েকদিন ধরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে।
বুয়েটের সাবেক শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, ‘বুয়েটে পানিসম্পদ কৌশল বিভাগে এক সময়ে শিক্ষক থাকায় চাকরি ছেড়ে দেবার অনেক বছর পরেও পানিসম্পদ কৌশলের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে ফেইসবুকে যুক্ত আছি।
সেরকমই একজন ছিল আফিফা রহমান নাইমা! ছিল বললাম – কারন আজই ওর মৃত্যুর দু:সংবাদ টা পেলাম। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন! সন্তান জন্ম দেবার সময়ের জটিলতা নিয়ে আইসিইউ তে ছিল কয়েকদিন ধরে। মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল।
পানিসম্পদ কৌশল এর সহকারী অধ্যাপক ছিল, পিএইচডি করছিল আরবানা তে। খুব কম বয়সে একটি প্রতিভা হারিয়ে গেল আমাদের কাছ থেকে। দোয়া করি আল্লাহ ওকে বেহেশত নসীব করুন। সেই সাথে প্রার্থনা রইল ওর স্বামী ও দুটি সন্তানের জন্য।’
একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী শিব্বির আহমেদ লেখেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের পিএইচডি স্টুডেন্ট আফিফা রহমান নাইমা ইন্তেকাল করেছেন।
আফিফা ও ওর হাজবেন্ড মো. ইফতেখার ইসলাম সাকিব আমাদের আরবানার খুব ক্লোজ প্রতিবেশি, ফ্রেন্ড। ওরা দুজনেই ওখানে পিএইচডি স্টুডেন্ট, বুয়েটের শিক্ষক। গত চার বছরের কত স্মৃতিগুলো ভাসছে চোখের সামনে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে রাহনুমার কাছ থেকে আপডেট নিচ্ছিলাম, ও বলতেছিলো আপুর বাঁচার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। এটা শুনতেই খারাপ লাগতেছিলো- বললাম, এভাবে বলো না, আল্লাহ চাইলে তো শেষ মুহূর্তেও ফিরিয়ে দিতে পারেন। ২য় সন্তান জন্মের সময় ডেলিভারি সংক্রান্ত জটিলতা হয়।
ডাক্তাররা ইমার্জেন্সি সিজার করেছেন। ইউএস সময় আজ শুক্রবার বিকেলে (ঘন্টা দুয়েক আগে) আফিফাকে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করে ভেন্টিলেশন খুলে নেয়। বড় বাচ্চাটার বয়স মাত্র দেড় বছর। দুইটা অবুঝ শিশু কিছু বুঝে উঠার আগেই মাকে হারিয়ে ফেললো চিরদিনের জন্য।
ঘুম থেকে উঠে খবরটা শোনার পর থেকে অস্থির লাগতেছে। আল্লাহ আফিফার পরিবারকে ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দান করুন, তার মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন।’
অন্যদিকে লাইসা সালমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘তুমি তো শহীদী মৃত্যু নিয়ে দুনিয়া থেকে চলে গেলে। আমি জীবনে কোনো আত্মীয়ের মৃত্যুতেও এত কষ্ট পাইনি। তোমার চলে যাওয়া আবারও আমাকে মনে করিয়ে দিল, দুনিয়া আসলে কতই না অস্থায়ী।
তোমার মতো ভালো মানুষ, এত ব্রিলিয়ান্ট, উপকারী এবং সফট-হার্টেড মানুষ খুব কমই দেখা যায়। আল্লাহ তোমাকে অনেক অনেক শান্তিতে রাখুন। তুমি জান্নাতুল ফেরদৌস লাভ করবে, ইন শা আল্লাহ।’
তিনি আরও লেখেন, ‘এই দুনিয়ায় যাদের রেখে গেলে, তোমার বুকের মানিকদের, সাকিব ভাই, তোমার মা-বাবা, আল্লাহ ধৈর্য দান করুন। আল্লাহ তাদের হেফাজতকারী হোন। আমরা সবাই তোমার জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করেছি।
বাকি জীবন তুমি সবসময় আমাদের মনে এবং দোয়ায় থাকবে। তোমার সাথে কাটানো সব স্মৃতি এখন বারবার মনে পড়ছে। তোমার দেওয়া ছোট একটা চামচও আমি যত্ন করে রেখে দিছি।’
আফিফা রহমান নাইমার মৃত্যুতে তার সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ ব্যয়ের পরিকল্পনা সরকারের
সরকার শিক্ষা খাতে দেশের জিডিপির পাঁচ শতাংশ বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (৬ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত শ্রেণিকক্ষে উদ্ভাবনী ধারা শক্তিশালীকরণ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এই তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের আমলে শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ কখনোই দেড় শতাংশের বেশি যায়নি, দক্ষ মানবপুঁজি তৈরি করতেই শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষা নিশ্চিতের সঙ্গে সঙ্গেও দক্ষতাও বৃদ্ধি প্রয়োজন। ডিজিটাল ক্লাসরুমের ব্যাপারে বিগত সরকার ব্যর্থ ছিল, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার অভাব ছিল। এ সরকার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইন্টারেক্টিভ ডিজিটাল ক্লাসরুম করার দিকে এগোচ্ছে।
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার
মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটেছে, সেটা ফিরিয়ে আনতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
আমাদের মূল্যবোধের যে অবক্ষয় ঘটেছে, সেটা পারিবারিক মূল্যবোধ হোক বা ধর্মীয় মূল্যবোধ হোক, সেটার উন্নতি ঘটাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মূলত এসব বিষয়গুলো নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বুধবার (৬ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
এসময় শিক্ষা ব্যবস্থা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সামাজিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনতে বিএনসিসির মতো সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে সরকার। তিনি বলেন, আমাদের পারিবারিক মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ কীভাবে পলিসিগতভাবে উন্নতি করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা সেটাই করছি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সারা দেশের স্কুলপর্যায়ের অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি এবং স্নাতক পর্যায়ে বিএনসিসি গড়ে তোলা আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। নিরক্ষরতা দূরীকরণসহ যে কোনো জাতীয় দুর্যোগে বিএনসিসি কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে এবং এই সংগঠনটিকে কীভাবে আরও শক্তিশালী করা যায়—আজ আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সেসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা চাই যেখানে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কালচার গড়ে উঠবে অর্থাৎ এমন একটি শিক্ষা কার্যক্রম যেখানে আনন্দের সঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশে আমাদের শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করবে। বাস্তব জীবনের জন্য তারা প্রিপেয়ার হবে, সেই লক্ষ্যে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা মূল্যবোধ বা মান-সম্পন্ন শিক্ষারভিত্তিক করতে চাই, প্রিন্সিপাল বেস করতে চাই, এথিক্স বেস করতে চাই, যেন তারা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে এবং সেই ক্ষেত্রে কারিকুলার অক্টিভিটিকে প্রাধান্য দেয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারের যে উন্নয়ন কার্যক্রম রয়েছে ম্যানিফেস্টোতে, যে ধারাগুলো রয়েছে সেই পলিসিগুলো বাস্তবায়নে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতে চাই। তার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা বিএনসিসি, গার্লস গাইড, স্কাউট, রোভারসহ বিভিন্ন কার্যক্রমকে আরও সানিত করতে চাই।
আমাদের মূল উদ্দেশ্য বিএনসিসি, গার্লস গাইড কিংবা স্কাউটের মতো এ ধরনের যে প্ল্যাটফর্মগুলো রয়েছে এগুলোকে ন্যাশনাল লেভেলে কীভাবে আরও বিস্তৃত আকারে আমরা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে পারি তা নিয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।




