Connect with us

আন্তর্জাতিক

বিশ্ব রাজনীতির নতুন সমীকরণে রাশিয়ার বাজিমাত?

Published

on

ব্লক

জ্বালানি সমৃদ্ধ রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বাড়ালে ক্রেমলিনের ওপর যথেষ্ট অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হবে এবং ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি সমঝোতামূলক সমাধানে পৌঁছাতে দেশটিকে বাধ্য করবে। পশ্চিমা নীতিনির্ধারক ও কৌশলবিদরা দীর্ঘদিন ধরে এমনটাই দাবি করে আসছেন।

কিন্তু ইউক্রেনে রুশ ট্যাংক প্রবেশের চার বছর পরেও দেশটির পিছু হটার কোনো লক্ষণ দেখাচ্ছে না। এর মধ্যে রাশিয়ার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞাও।
তবুও রুশ অর্থনীতি ভালোই চলছে এবং যুদ্ধও এগিয়ে চলেছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রাশিয়া এখনো চীনের কাছে এবং ভারতের মতো অন্যান্য বড় জ্বালানি ভোক্তা দেশের কাছে তাদের জ্বালানি পণ্য বিক্রি করতে পারছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অন্যদিকে মাত্র পনেরো দিনের কিছু বেশি সময়ের মধ্যেই ইরান যুদ্ধের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ অনুভব করতে শুরু করেছে। ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার পর তেল ও গ্যাসের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে।
এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের প্রায় ২০ শতাংশ চলাচল করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একটি বৃহৎ তেল উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে ইরান শুধু হরমুজ প্রণালীই বন্ধ করেনি, বরং উপসাগরীয় দেশগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে। এর ফলে আরব দেশগুলো থেকে তেল উৎপাদন ও জ্বালানি রপ্তানি ব্যাহত হয়েছে। এর জেরে বিশ্বব্যাপী তেলের মজুদের ওপর আরো চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং বাংলাদেশ থেকে শুরু করে পশ্চিম ইউরোপ পর্যন্ত বিভিন্ন দেশকে প্রভাবিত করেছে।

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট থেকে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র মস্কোর বিরুদ্ধে তার অবস্থান পরিবর্তন করেছে এবং দেশগুলোকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সমুদ্রে আটকে থাকা নিষেধাজ্ঞাভুক্ত রুশ তেল কেনার অনুমতি দিয়েছে। এটি আমেরিকার ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নীতি পরিবর্তন চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাচ্ছে, ইরান যুদ্ধ ট্রাম্প প্রশাসনকে ততটা লাভবান করেনি, যতটা এটি রাশিয়াকে করেছে। ওয়াশিংটন ডিসির নিউ লাইনস ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষণমূলক উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের সিনিয়র ডিরেক্টর এবং প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ ইউজিন চাউসোভস্কি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী দেশ হলো রাশিয়া। একদিকে যেমন তেল রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে, তেমনি অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও নিষেধাজ্ঞার চাপও কিছুটা শিথিল হয়েছে।

চাউসোভস্কি সতর্ক করে বলেন, ‘যদিও তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি তবুও রাশিয়ার অর্থনীতি এবং ইউক্রেনের বিরুদ্ধে তার যুদ্ধে সাহায্য করেছে। যা সম্ভবত হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ থাকা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। মস্কোর এমন সুবিধাজনক অবস্থান শেষ পর্যন্ত চলমান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময়কাল এবং ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।’

মার্কিন ভূ-রাজনৈতিক পতন

কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, যদিও এক মাসের এই শিথিলতা রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার উল্লেখযোগ্য বিচ্যুতি নয়, তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করছে। তাই ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব মস্কোর অনুকূলে রয়েছে।

বুখারেস্ট-ভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক একাতেরিনা মাতোই বলেন, ‘রাশিয়ার মতো একটি দেশ শুধুমাত্র পেট্রোলিয়াম পণ্যের জন্য এক মাসের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে বছরের পর বছর ধরে যুদ্ধ করে না।’

তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞা শিথিলের লক্ষ্য তেলের দাম স্থিতিশীল করা। তবে ভূ-রাজনৈতিক বার্তাটি আরো তাৎপর্যপূর্ণ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বোঝা বহন করতে পারে না।

মাতোই টিআরটি ওয়ার্ল্ডকে বলেন, ‘আমেরিকান ও ইসরায়েলি বোমাবর্ষণের মাধ্যমে ইরানি নেতৃত্বকে ধ্বংস করা সত্ত্বেও প্রণালীটি বন্ধ থাকায় একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার কাছ থেকে সাময়িকভাবে জ্বালানি নেওয়ার অনুমতি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আসলে সমস্যার গুরুত্ব স্বীকার করেছে এবং তার কিছু মিত্র দেশের চাপ কমানোর চেষ্টা করেছে।’

মাতোইয়ের মতে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ এটাও প্রমাণ করছে যে, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে ‘জ্বালানি সংকটে’ থাকা ইউরোপীয়দের চেয়ে ভারতের মতো তার এশীয় অংশীদারদের বেশি অগ্রাধিকার দেয়।

কিন্তু পশ্চিমা মিত্রদের থেকে ট্রাম্পের এই ক্রমবর্ধমান বিচ্ছিন্নতা ইউরোপীয়দের নজর এড়ায়নি, কারণ নিষেধাজ্ঞা শিথিলের এই পদক্ষেপ ইউক্রেনীয় এবং মহাদেশজুড়ে তাদের অংশীদার উভয়কেই হতাশ করেছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে এক বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এই একটি ছাড়ই রাশিয়াকে যুদ্ধের জন্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার এনে দিতে পারে। এটি শান্তি প্রতিষ্ঠায় কোনোভাবেই সহায়ক নয়।’ ম্যাখোঁও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে তার অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি ব্রিটিশ ও জার্মান নেতারাও ট্রাম্পের এই নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেছেন, রাশিয়ার ওপর থেকে চাপ কমানোর জন্য ইরান যুদ্ধ কোনো অজুহাত হতে পারে না।

রুশ শিক্ষাবিদ এবং পুতিনের সাবেক উপদেষ্টা সের্গেই মার্কভ টিআরটি ওয়ার্ল্ডকে বলেন, ‘অনেক দেশই রাশিয়ার ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করাকে একটি বাজে কৌশল হিসেবে দেখবে এবং নিজেদের মধ্যে প্রশ্ন তুলবে, যুক্তরাষ্ট্র যখন এই নিষেধাজ্ঞাগুলোকে তেমন পাত্তাই দিচ্ছে না, তখন আমরা কেন এগুলো মেনে চলব।’

গত সপ্তাহে মার্কিন জ্বালানি বিভাগ (ডিওই) ঘোষণা করেছে, তারা স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) থেকে ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়বে। বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া প্রতিরোধের লক্ষ্যে গঠিত বৈশ্বিক ফোরাম ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ)-এর ৫০ বছরের ইতিহাসে এটিই ছিল মজুতকৃত তেলের সবচেয়ে বড় নির্গমন।

এই নজিরবিহীন নির্গমনের পরিমাণ আইইএ-এর মোট জরুরি তেল মজুদের এক-দশমাংশ। এটি আমেরিকার ভূ-রাজনৈতিক সমস্যার আরেকটি লক্ষণ।

রাশিয়া লাভবান হচ্ছে

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও মস্কোকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের রাশিয়ার অর্থনীতিতে সীমিত প্রভাব পড়বে, তবে এর মনস্তাত্ত্বিক সুফল ক্রেমলিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাকে পশ্চিমারা দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একঘরে করে রাখতে চেয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের রুশ রাজনীতি বিশেষজ্ঞ ওলেগ ইগনাটোভ টিআরটি ওয়ার্ল্ডকে বলেন, ‘রাশিয়ার তেল কম্পানি এবং রাশিয়ার বাজেট অবশ্যই লাভবান হচ্ছে। রাশিয়া আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সম্পদের একটি নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী হিসেবে তার সুনাম পুনরুদ্ধারেরও চেষ্টা করছে।’

ইগনাটোভ আরো বলেন, ‘সবকিছু নির্ভর করছে প্রণালীটি কতদিন বন্ধ থাকবে এবং এই অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোর কী ক্ষতি হবে তার ওপর। এখানে সময়ই মূল বিষয়। এটি যতো দীর্ঘ হবে, রাশিয়া তত বেশি লাভবান হবে।’

মার্কভের মতে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ রাশিয়ার তেলের বৈশ্বিক চাহিদা বাড়াবে এবং মস্কোকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অর্থায়ন করতে সাহায্য করবে। মার্কভ বলেন, তেলের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চাহিদা এবং ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্তে উৎসাহিত হয়ে আরো আত্মবিশ্বাসী রাশিয়া কোনো ছাড় ছাড়াই তার তেল বিক্রি করবে। ফলে দেশটিকে আরো ধনী হবে।

এই রুশ বিশ্লেষক আরো যোগ করেন, ইরান যুদ্ধের অর্থনৈতিক চাপের কারণে চীন ও ভারতের মতো বড় জ্বালানি গ্রাহকরাও হয়তো অনুভব করবে যে, তারা উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর নির্ভর করতে পারছে না। মস্কোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি চুক্তি স্বাক্ষরের অর্থনৈতিক দিকে ঝুঁকছে।

কিছু বিশ্লেষক মনে করছেন, ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্ত আসলে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনের আরেকটি উদাহরণ। বিশেষ করে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে কীভাবে সমর্থন করা হবে, এই প্রশ্নে মতভেদ স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

বিশ্লেষক ইগনাটোভ বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের অবস্থান ইউরোপীয় দেশগুলোর থেকে আলাদা। তাদের ধারণা, পুতিনের নেতৃত্বাধীন রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রায় সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে। তাই তাদের মতে, এখন যুদ্ধ শেষ করার জন্য নতুন করে নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর চেয়ে কূটনৈতিক সমাধানের দিকেই এগোনো বেশি কার্যকর হতে পারে।

ইগনাটোভ বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা রাশিয়ার আচরণ পরিবর্তন করতে পারে। এটা ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বাস করে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘এশীয় দেশগুলো চাইলে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার তেল কেনার উপায় খুঁজে নেবে।’

মস্কোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার আগে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনার অনুমতি দিয়ে একটি ছাড়পত্র দিয়েছিল। ইরান যুদ্ধের বিতর্কিত গতিপ্রকৃতির কথা উল্লেখ করে ইগনাটোভ বলেন, ‘ওয়াশিংটন বাজারকে আশ্বস্ত করাতে চায় এবং বিশ্বাস করে, তেলের দাম অল্প সময়ের জন্যই বেশি থাকবে।’ প্রসঙ্গত, রাশিয়াও আপাতত তাই মনে করে।

রাশিয়ার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি

ইরান যুদ্ধ ইউক্রেনের সামরিক সরবরাহের ওপরও উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। প্যাট্রিয়ট বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে দূরপাল্লার ও স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পর্যন্ত। এগুলো কিয়েভকে সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অথবা ইউরোপীয় দেশগুলোর মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংঘাত বিষয়ে একজন শীর্ষস্থানীয় আমেরিকান শিক্ষাবিদ জন মিয়ারশেইমার বলেন, ‘আমরা পিএসি-৩ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র পুড়িয়ে ফেলছি, এর জন্য ইউক্রেনীয়রা কাকুতি-মিনতি করছে।’ তিনি তেহরানের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তু ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে আমেরিকান বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অতি ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করেন।

ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্র বিপুল পরিমাণে ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ফেলছে। দেশটি স্বল্প সময়ে ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উৎপাদন করতে পারবে না। এদিকে সমস্ত লক্ষণই ইঙ্গিত দিচ্ছে, তৃতীয় কোনো রাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত না করলে উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ শুরু হবে।

মার্কভ বলেন, ‘ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে তাদের প্রয়োজনীয় অস্ত্র সরবরাহ করার মতো সামরিক সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের থাকবে না।’ তিনি বলেন, এর ফল, ইরান যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী দুর্বল হয়ে পড়বে।’

মার্কভ আরো বলেন, যেহেতু ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তাই এই যুদ্ধ রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার চাহিদাও বাড়াবে।

তিনি আরো যোগ করেন, মস্কোর বিমান-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (যেমন তাদের এস-৪০০) সম্ভবত বিশ্বের সেরা।’ এই অর্থে, ইরানের যুদ্ধ রাশিয়ার সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্সকেও শক্তিশালী করবে বলে জানান এই বিশ্লেষক।

মার্কভের মতে, রাশিয়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ লক্ষ্যবস্তু করতে ইরানকে সাহায্য করার জন্য গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করে থাকতে পারে। সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, যুক্তরাষ্ট্র মস্কোর বিরুদ্ধে কিয়েভের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে দ্বিতীয়বার ভাবতে পারে। তিনি আরো বলেন, এর ফলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের দর কষাকষির ক্ষমতাও সম্ভবত হ্রাস পাবে।

শাসন পরিবর্তন নয়

ইউক্রেন যুদ্ধের শুরুতে যখন রুশ বাহিনী কিয়েভ দখল করতে ব্যর্থ হয় এবং খারকিভের মতো শহরগুলো থেকে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে পিছু হটে, তখন অনেক পশ্চিমা কর্মকর্তা ও বিশ্লেষক শুরুতেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পুতিনের অধীনে ক্রেমলিনের অবস্থা খারাপ হচ্ছে।

পশ্চিমা পূর্বাভাস সত্ত্বেও রাশিয়া তার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠেছে এবং তারপর থেকে পূর্ব ইউক্রেনে অগ্রগতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। ইরান যুদ্ধের ফলে, মস্কোতে কোনো শাসন পরিবর্তনের সম্ভাবনা একটি সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য বলেই মনে হচ্ছে।

মার্কভ প্রশ্ন করেন, ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার অধীনে থাকা তেহরানে যদি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলাও শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে না পারে, তাহলে পশ্চিমা জোট মস্কোতে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের কথা কীভাবে কল্পনা করতে পারে?

তিনি বলেন, এটা স্পষ্ট, ইরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের প্রচেষ্টা বর্তমানে সফল হচ্ছে না। তাহলে রাশিয়ায় শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের কথা কল্পনা করা আরো কঠিন হবে। কারণ শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ইউরেশিয়াজুড়ে দেশটিরও শক্তিশালী রাজনৈতিক ও সামরিক উপস্থিতি রয়েছে।

সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

ভেনেজুয়েলাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

Published

on

ব্লক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন। তিনি লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ বানানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।

একটি বেসবল ম্যাচে ভেনেজুয়েলার জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তিনি ভেনেজুয়েলার প্রশংসা করে বলেন, দেশটিতে ভালো কিছু ঘটছে এবং প্রশ্ন তোলেন, ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য হলে কেমন হয়?’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের খবরে বলা হয়েছে, ওই ম্যাচে ভেনেজুয়েলা ইতালিকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্র।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে ট্রাম্প কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড নিয়েও একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন, যা নিয়ে সমালোচনা হয়।

এদিকে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। চলতি বছরের শুরুতে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে এক অভিযানে আটক করা হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানায়।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হলেও বাস্তবে এমন কোনো সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা খুবই কম।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

আলি লারিজানির হত্যায় হামাসের প্রতিক্রিয়া

Published

on

ব্লক

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানিকে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। গোষ্ঠীটি লারিজানির হত্যার ঘটনাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ হামলা’ বলে উল্লেখ করেছে এবং বলেছে, ইসরাইলের এই পদক্ষেপ শুধু ইরান নয়, পুরো অঞ্চলকে লক্ষ্য করে করা একটি ‘অপরাধ’।

হামাস ইরানের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং এই হামলাকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ানোর মতো একটি গুরুতর ঘটনা হিসেবে দেখছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

চলমান যুদ্ধের মধ্যে গত সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে ইসরাইলি হামলায় নিহত হন ইরানের দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা লারিজানি ও সোলেমানি। এরপর গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) তাদের হত্যার দাবি করে বিবৃতি দেয় ইসরাইলি সেনাবাহিনী। কয়েক ঘণ্টা পরই বিষয়টি নিশ্চিত করে ইরান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরান জানিয়েছে, আজ বুধবারই (১৮ মার্চ) লারিজানি ও সোলেমানির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। ইরানের ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ বলয়ের এক প্রভাবশালী মুখ ছিলেন আলি লারিজানি। ষাটোর্ধ্ব এই কর্মকর্তার বিচরণ শুধু নিরাপত্তা প্রধানের ভূমিকাতেই সীমিত ছিল না।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, সম্প্রচার সংস্থাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছিল তার বিচরণ। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ও নিরাপত্তা নীতির অন্যতম স্থপতির মৃত্যুতে তেহরানের ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে সংকট দেখা দিয়েছে।

দশকের পর দশক ধরে ইরানের অন্যতম প্রধান কৌশলবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন আলি লারিজানি। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেও পরিমিত, হিসেবি ও বাস্তববাদী নেতৃত্বের জন্য তিনি আলাদা মর্যাদা অর্জন করেন। ইসরাইলি বিমান হামলায় তার মৃত্যু শুধু একজন রাজনীতিকের নয়, বরং ইরানের নীতিনির্ধারণী মস্তিষ্কের এক বড় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব-পরবর্তী প্রভাবশালী এক ধর্মীয় পরিবারে বেড়ে ওঠা লারিজানি ইরান-ইরাক যুদ্ধে রেভল্যুশনারি গার্ডসের কমান্ডার হিসেবে কাজ করেন। সেই থেকেই তার উত্থানের শুরু।

পরে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি দক্ষতার ছাপ রাখেন। দীর্ঘ ১২ বছর পার্লামেন্ট স্পিকার হিসেবে তিনি ইরানের নীতিনির্ধারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখেন।

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে আলোচনায় লারিজানি ছিলেন তেহরানের মুখপাত্র। কঠোর অবস্থান ধরে রেখেও তিনি কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার পক্ষে ছিলেন।

রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার, ২৫ বছরের চীন-ইরান চুক্তি, এসব ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তবে যুক্তরাষ্ট্র তাকে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমনে সহিংস ভূমিকার অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনে।

ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরুর পর লারিজানি প্রকাশ্যে সতর্ক বার্তা দেন এবং অভ্যন্তরীণ বিরোধিতাকেও কঠোরভাবে দমন করার আহ্বান জানান।

বিশ্লেষকদের মতে, তার গড়ে তোলা পারমাণবিক ও নিরাপত্তা কৌশলই ইরানকে আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করেছে। খামেনির মৃত্যুর পর ক্ষমতার পালাবদলের সময়ে তার অভিজ্ঞ নেতৃত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। এ অবস্থায়, লারিজানির মৃত্যু সেই ভারসাম্য আরও বদলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দেন ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি। এরই মধ্যে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জোরালো করেছে। হামলায় ইসরাইলের তেল আবিবে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও অনেকেই আহত হয়েছেন।

ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯২ জন ইসরাইলি আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা মাঝারি ধরনের গুরুতর, আর বেশিরভাগই হালকা আহত। এক এক্স বার্তায় মন্ত্রণালয় আরও জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৭২৭ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদে মার্কিন শীর্ষ কর্মকর্তার পদত্যাগ

Published

on

ব্লক

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কেন্দ্রের (NCTC) প্রধান জোসেফ কেন্ট।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা তাঁর পদত্যাগের ঘোষণা দেন। বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের এটিই প্রথম কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পদত্যাগের ঘটনা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রটি জোসেফ কেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, আমি বিবেকবান হিসেবে ইরানের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছি না। তেহরান আমাদের দেশের জন্য কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি ছিল না। এটি স্পষ্ট যে, ইসরায়েল এবং তাদের শক্তিশালী লবির চাপেই এই যুদ্ধ শুরু করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জোসেফ কেন্ট তাঁর চিঠিতে আরও দাবি করেন, প্রশাসনের শুরুতে ইসরায়েলি কর্মকর্তা ও মার্কিন গণমাধ্যমের একটি অংশ ভুল তথ্য ছড়িয়ে যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরাক যুদ্ধের মতো একই কৌশলে যুক্তরাষ্ট্রকে এই ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে টেনে নেওয়া হয়েছে, যা মার্কিন জনগণের জন্য কোনো সুফল বয়ে আনবে না।

কেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ডের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তাঁর এই আকস্মিক পদত্যাগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস বা জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরানের হুঁশিয়ারি: লোহিত সাগর পর্যন্ত যুদ্ধ বিস্তারের আশঙ্কা

Published

on

ব্লক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাঝে এক ভয়াবহ হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বিশ্ব সম্প্রদায় যখন সংঘাত থামানোর চেষ্টা করছে, তখন তেহরান লোহিত সাগর ও বাব-আল-মান্দাব প্রণালী এলাকায় নতুন যুদ্ধক্ষেত্র খোলার হুমকি দিয়েছে। বুধবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

ইরানের সামরিক মুখপাত্র কর্নেল ইব্রাহিম যুলফাগারি জানিয়েছেন, লোহিত সাগরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড-এর উপস্থিতিকে তারা সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই রণতরীকে সহায়তা প্রদানকারী যেকোনো রসদ কেন্দ্র বা অবকাঠামো ইরানের পরবর্তী হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

একই সময়ে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা ঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ইসা ও জুফায়ের নৌঘাঁটিতে সফল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে দুবাই ও দোহার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল সচল রাখতে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক জোটের সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। এই উত্তেজনার মধ্যেই বুধবার ভোরে ইসরায়েলের তেল আবিবে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সাভিদোর রেলস্টেশনে ইরানের মিসাইল আঘাত হেনেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

তেহরান এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এমন কোনো পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকতে বলেছে যা এই আঞ্চলিক সংঘাতকে আরও বড় কোনো যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার হুঙ্কার ইরানের

Published

on

ব্লক

ইরান তাদের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার করেছে। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার সরদার মুসাভি একটি ‘দ্রুত আঘাত’ হানার ঘোষণা দেন। তার বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, ‘আজ রাতে শত্রুর আকাশ তোমাদের জন্য আরও ভয়ঙ্কর দৃশ্য হয়ে উঠবে।’

পরে আইআরজিসি জানায়, তারা ইসরায়েলে ‘তীব্র হামলা’ চালিয়েছে, যা লারিজানির হত্যার ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের সেনাবাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ আমির হাতামি বলেছেন, লারিজানির মৃত্যুর জবাবে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে ‘নির্ণায়ক ও আফসোস’ করার মতো। তিনি আরও বলেন, ‘এই মহান শহীদ এবং অন্যান্য সম্মানিত শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেয়া হবে।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারের কমান্ডার আলি আব্দোল্লাহি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আমাদের চমকের জন্য অপেক্ষা করুন।’ তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিক্রিয়া ‘শত্রুর কার্যক্রম ও কল্পনার চেয়েও বেশি ধ্বংসাত্মক হবে, এবং এই পথ তাদের আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত চলবে।’

ইরানের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আলি আকবর ভেলায়াতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ইঙ্গিত করে বলেন, ইরান ‘বিশ্বব্যাপী ঔদ্ধত্যের অশুভ মুখে শক্তিশালী আঘাত হানবে।’

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মাহে রমজান

১৪৪৭ হিজরী

🔕
রোজার নিয়ত (সেহরী)
নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক...
(হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের রোজা রাখার নিয়ত করলাম...)
ইফতারের দোয়া
আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা আফতারতু।
(হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্যই রোজা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিযিক দিয়ে ইফতার করলাম।)
অপেক্ষা করুন...
00:00:00
সেহরী শেষ --:--
ইফতার --:--
পূর্ণ তালিকা দেখুন
Advertisement Banner

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার2 days ago

ব্লক মার্কেটে ২০ কোটি টাকার লেনদেন

ঈদের আগে শেষ কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার2 days ago

দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স

ঈদের আগের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার2 days ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে ইনটেক লিমিটেড

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৮ কোম্পানির মধ্যে ২৫৩টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার2 days ago

শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে ওরিয়ন ইনফিউশন

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড। ঢাকা স্টক...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার2 days ago

ঈদের আগে শেষ কার্যদিবসে সূচকের উত্থানে, লেনদেন কমেছে

ঈদের আগের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন শেয়ার দর বেড়েছে...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার2 days ago

ঈদ উপলক্ষে মঙ্গলবার থেকে টানা ৭ দিনের ছুটিতে শেয়ারবাজার

আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে টানা ৭ দিন লেনদেন বন্ধ থাকবে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার। ছুটি শেষে আগামী ২৪...

ব্লক ব্লক
পুঁজিবাজার2 days ago

ইউনাইটেড পাওয়ারে চেয়ারম্যান নিয়োগ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডে চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
ব্লক
আন্তর্জাতিক3 minutes ago

ভেনেজুয়েলাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

ব্লক
জাতীয়6 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা

ব্লক
জাতীয়12 minutes ago

দু-একটি বাস ভাড়া কম নিচ্ছে, সার্বিক ঈদযাত্রা স্বাভাবিক: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

ব্লক
সারাদেশ21 minutes ago

ফাঁকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঈদযাত্রায় স্বস্তি

ব্লক
জাতীয়25 minutes ago

ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু

ব্লক
আন্তর্জাতিক32 minutes ago

বিশ্ব রাজনীতির নতুন সমীকরণে রাশিয়ার বাজিমাত?

ব্লক
সারাদেশ37 minutes ago

বগুড়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুতের ঘটনায় আহত অর্ধশতাধিক

ব্লক
অন্যান্য43 minutes ago

জুনের শেষেই চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ব্লক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার1 hour ago

আবাসিক হল থেকে জাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ব্লক
জাতীয়1 hour ago

আইজিপির বাসায় চুরির খবর ‘সত্য নয়’, যা বলছে পুলিশ

ব্লক
আন্তর্জাতিক3 minutes ago

ভেনেজুয়েলাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

ব্লক
জাতীয়6 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা

ব্লক
জাতীয়12 minutes ago

দু-একটি বাস ভাড়া কম নিচ্ছে, সার্বিক ঈদযাত্রা স্বাভাবিক: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

ব্লক
সারাদেশ21 minutes ago

ফাঁকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঈদযাত্রায় স্বস্তি

ব্লক
জাতীয়25 minutes ago

ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু

ব্লক
আন্তর্জাতিক32 minutes ago

বিশ্ব রাজনীতির নতুন সমীকরণে রাশিয়ার বাজিমাত?

ব্লক
সারাদেশ37 minutes ago

বগুড়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুতের ঘটনায় আহত অর্ধশতাধিক

ব্লক
অন্যান্য43 minutes ago

জুনের শেষেই চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ব্লক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার1 hour ago

আবাসিক হল থেকে জাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ব্লক
জাতীয়1 hour ago

আইজিপির বাসায় চুরির খবর ‘সত্য নয়’, যা বলছে পুলিশ

ব্লক
আন্তর্জাতিক3 minutes ago

ভেনেজুয়েলাকে ৫১তম অঙ্গরাজ্য বানানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

ব্লক
জাতীয়6 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা

ব্লক
জাতীয়12 minutes ago

দু-একটি বাস ভাড়া কম নিচ্ছে, সার্বিক ঈদযাত্রা স্বাভাবিক: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

ব্লক
সারাদেশ21 minutes ago

ফাঁকা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঈদযাত্রায় স্বস্তি

ব্লক
জাতীয়25 minutes ago

ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে : প্রতিমন্ত্রী টুকু

ব্লক
আন্তর্জাতিক32 minutes ago

বিশ্ব রাজনীতির নতুন সমীকরণে রাশিয়ার বাজিমাত?

ব্লক
সারাদেশ37 minutes ago

বগুড়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুতের ঘটনায় আহত অর্ধশতাধিক

ব্লক
অন্যান্য43 minutes ago

জুনের শেষেই চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ব্লক
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার1 hour ago

আবাসিক হল থেকে জাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ব্লক
জাতীয়1 hour ago

আইজিপির বাসায় চুরির খবর ‘সত্য নয়’, যা বলছে পুলিশ