আন্তর্জাতিক
ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আঘাত হেনেছে। হামলার পর দূতাবাসের ভেতর থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা গেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মার্চ) সকালের দিকে এ হামলা হয়।
দুই ইরাকি নিরাপত্তা কর্মকর্তার বরাতে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি বাগদাদের অত্যন্ত সুরক্ষিত গ্রিন জোনে প্রবেশের পর সরাসরি দূতাবাস সীমানার ভেতরে গিয়ে পড়ে। গ্রিন জোন এলাকাটি ইরাকি সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন বিদেশি দূতাবাসের জন্য নির্ধারিত।
এছাড়া অন্য একটি নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে নিশ্চিত করেছে, একটি ড্রোন এই কূটনৈতিক মিশনকে লক্ষ্য করে হামলাটি চালায়। বাগদাদে ইরান-সমর্থিত দুই যোদ্ধা নিহত হওয়ার পরপরই এই পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ইরাকের রাজধানীতে হামলায় ইরান-সমর্থিত দুই যোদ্ধা নিহত হওয়ার কিছুক্ষণ পরই এ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ ধারণ করা ছবিতে বাগদাদের সুরক্ষিত গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সদর দপ্তরটি দেখা গিয়েছিল। এই হামলার ঠিক একদিন আগে শুক্রবার দূতাবাসটি ইরাকের জন্য ‘লেভেল ৪’ নিরাপত্তা সতর্কতা নবায়ন করেছিল। সেখানে সতর্ক করা হয়েছিল, ইরান এবং ইরান-ঘনিষ্ঠ মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলো অতীতে মার্কিন নাগরিক, স্বার্থ এবং অবকাঠামোর ওপর হামলা চালিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।
আন্তর্জাতিক
ভারতের পাঞ্জাব রাজ্য ও কৃষক ইউনিয়নের ইরানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অব্যাহত হামলায় ভারত সরকারের নিরবতার মধ্যেই তেহরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে পাঞ্জাব রাজ্য ও কৃষক ইউনিয়নগুলো। গত সপ্তাহে পাঞ্জাব রাজ্য সরকার ইরানের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এক মিনিট নীরবতা পালন করেছে।
এই সংহতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার বিরুদ্ধে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার যেভাবে নীরবতা, এমনকি নীরব সমর্থন দিচ্ছে তার বিপরীত।
পাঞ্জাব সরকার কর্তৃক প্রকাশিত রাজ্যের বাজেট অধিবেশনের একটি রেকর্ডিংয়ে দেখা যায়, বিধানসভার সদস্য সুখবিন্দর কুমার সুখি ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া আক্রমণের নিন্দা জানিয়েছেন; বিশেষ করে একটি স্কুলে হামলায় প্রায় ১৬৫ জন শিশু নিহত হওয়ার ঘটনাকে ‘অমানবিক’ বলে অভিহিত করেন তিনি। সুখি বলেন, ‘ট্রাম্প সরকারের এমন পদক্ষেপের নিন্দা জানাই।’
এরপর স্পিকার কুলতার সিং সন্ধওয়ান, নিহতদের স্মরণে বিধানসভার সদস্যদের এক মিনিট নীরবতা পালনের আহ্বান জানান।
সুখি দ্য ওয়্যারকে বলেন, পাঞ্জাব রাজ্য পর্যায়ে এই বিষয়টি উত্থাপন করে তিনি অন্যান্য রাজ্য সরকারকেও সচেতন করার চেষ্টা করছেন।
গত সপ্তাহে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব নয়াদিল্লিতে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করলেও, মোদির সরকার এখনো ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বা খামেনির হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
এছাড়া, গত মঙ্গলবার পাঞ্জাবজুড়ে হাজার হাজার কৃষক সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য চুক্তির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভে ইরানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন তারা।
ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন ডাকাউন্ডার মহাসচিব জগমোহন সিং ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রলকে বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ এবং ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি উভয়ই কৃষক-বিরোধী’।
কৃষক সংগঠনগুলোর একটি জাতীয় জোট, সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা গত ৭ মার্চ ইরানের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্ব শান্তির সবচেয়ে বড় শত্রু’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নয়াদিল্লির নীরবতা সত্ত্বেও, পাঞ্জাবের ছাত্র ও নাগরিক সমাজের বিভিন্ন সংগঠন ইরান যুদ্ধ এবং ভারতীয় কৃষিতে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছে।
এছাড়া, ফিলিস্তিন ও ইরানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ এবং মার্কিন-ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারত নিয়ন্ত্রিথ কাশ্মীরেও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
আন্তর্জাতিক
বৈশ্বিক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রনের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই দ্বীপের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এই হামলা দেশটির অর্থনীতির জন্য বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই হামলার ফলে বৈশ্বিক তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন একজন অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন সেনা কর্মকর্তা।
শুক্রবার রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প জানান, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া অব্যাহত রাখে, তবে দ্বীপটির তেল অবকাঠামোগুলোতেও সরাসরি হামলা চালানো হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক কিমিট বলেন, খারগ দ্বীপে হামলার কারণে যুদ্ধে ঝুঁকির মাত্রা অনেক বেড়ে গেছে। বিষয়টি এখন আর শুধু সামরিক বাহিনী বা সরকার পতনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের অর্থনৈতিক কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় এরইমধ্যে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।
পেন্টাগন সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা মোকাবিলায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি ‘মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ মোতায়েন করা হচ্ছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলো ‘সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন’ করা হলেও ইরান এই ক্ষয়ক্ষতির দাবিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, খারগ দ্বীপের তেল সংশ্লিষ্ট কোনো অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
আন্তর্জাতিক
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাল সেন্টকম
মধ্যপ্রাচ্যে একটি মার্কিন জ্বালানিবাহী বিমান বিধ্বস্তে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, বিমানটি বিধ্বস্তের ঘটনায় চার ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। পশ্চিম ইরাকে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সেন্টকম জানিয়েছে, প্রতিকূল পরিবেশ বা শত্রুর গোলাগুলির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়নি। এটি একটি মারাত্মক দুর্ঘটনা ছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় চারজন ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। তবে তারা জানিয়েছে, বিমানটি শত্রুপক্ষের হামলা বা নিজেদের বাহিনীর গুলির কারণে বিধ্বস্ত হয়নি। বিমানে ছয়জন ক্রু ছিলেন।
এর আগে মার্কিন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জিম হাইমস বিবিসির নিউজনাইট অনুষ্ঠানে বলেন, এই ঘটনা কেন ঘটেছে তার কারণ নির্ধারণ এতো দ্রুত করা যাবে না। বিমানে থাকা ক্রুরা নিরাপদ আছেন। সংঘাতের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে। সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীতেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এবং এখানে সম্ভবত তেমনটাই ঘটেছে। আমরা বিমানের ক্রুদের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করি। তবে একটি দেশ যখন যুদ্ধে জড়ায়, তখন এ ধরনের মূল্য দিতে হয়।
মার্কিন বিমানবাহিনীর এয়ার মোবিলিটি কমান্ডের বহরে প্রায় ৪০০টি রিফুয়েলিং ট্যাংকার বিমান রয়েছে। রিফুয়েলিং ট্যাংকার বিমানগুলো যুদ্ধের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এগুলো যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানকে আকাশে থেকেই জ্বালানি সরবরাহ করে, যাতে তারা দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে পারে।
এমএন
আন্তর্জাতিক
‘মাত্র তো শুরু’, লেবাননে সেতু উড়িয়ে দিয়ে বললেন ইসরাইলি মন্ত্রী
লেবাননের সরকারকে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ। তিনি বলেছেন, লেবানন সরকার হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র না করলে, ইসরাইল দেশটির বিরুদ্ধে হামলা আরও জোরদার করবে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) লেবাননের লিতানি নদীর ওপর একটি সেতু ইসরাইলি সামরিক হামলায় ধ্বংস হওয়ার পর কাৎজ বলেন, ‘এটা শুধু শুরু মাত্র।’
ইসরাইলের ওয়াইনেট নিউজে প্রকাশিত মন্তব্যে তিনি বলেন, লেবাননের সরকার হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ব্যর্থ এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করেছে। হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হলে দেশটির জাতীয় অবকাঠামোর ক্ষতির মাধ্যমে চড়া মূল দিতে হবে।
রয়টার্স জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের যারারিয়াহ এলাকার লিতানি নদীর ওপর অবস্থিত সেতুতে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ঘোষণা দিয়ে নাগরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালাল ইসরাইল।
দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সেতুটি উত্তর ও দক্ষিণ লেবাননের মধ্যে চলাচলের জন্য হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পারাপারের পথ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, এই সেতুর আশেপাশে হিজবুল্লাহ রকেট লঞ্চার স্থাপন করেছিল এবং ইসরাইলের দিকে হামলা চালিয়েছে। তবে তারা এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তার হুমকি দূর করতে এই সেতুটি ধ্বংস করা প্রয়োজন ছিল।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল, আল জাজিরা
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি ছাড়ল হাজারো মার্কিন সেনা, আত্মগোপন হোটেল-বাসাবাড়িতে
কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরান ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হাজারো মার্কিন সেনা ও কর্মকর্তারা তাদের ঘাঁটি খালি করে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় হোটেল ও ব্যক্তিগত আবাসনে আত্মগোপনে রয়েছেন মার্কিন সেনারা।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আই বলেছে, আবাসিক এলাকায় আশ্রয় বা আত্মগোপনে থাকা মার্কিন সেনাদের অবস্থান জানাতে মধ্যপ্রাচ্যের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) গোয়েন্দা শাখা।
আইআরজিসির গোয়েন্দা শাখার এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাজার হাজার মার্কিন সেনা হোটেল ও ব্যক্তিগত আবাসনে বা বাসাবাড়িতে অবস্থান করছে। ওয়াশিংটন আমাদের আরব ভাইদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। আমরা বাধ্য হচ্ছি আমেরিকানদের শনাক্ত করতে এবং লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করতে। তাই হোটেলগুলোতে তাদের আশ্রয় না দেওয়াই ভালো এবং তাদের অবস্থান থেকে অন্যদের দূরে থাকা উচিত। মার্কিন সন্ত্রাসীদের লুকিয়ে থাকার জায়গাগুলো সঠিকভাবে জানানো আপনার ইমানি দায়িত্ব। সেই তথ্য আমাদের কাছে টেলিগ্রামে পাঠিয়ে দিন।
এদিকে ইরাকের কুর্দিস্তানে হামলায় ফ্রান্সের একজন সেনা নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের অবস্থাও গুরুতর। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এ তথ্য জানিয়েছেন।
সেনা নিহতের তথ্য জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মাখোঁ। তিনি বলেছেন, ইরবিল অঞ্চলে ফরাসি বাহিনীর ওপর হামলা ‘অগ্রহণযোগ্য’। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে ফ্রান্সের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ওই অঞ্চলে ইরাকি অংশীদারদের সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী প্রশিক্ষণে নিয়োজিত ছয় ফরাসি সেনা ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন।
এমএন




