অর্থনীতি
ঈদের ছুটিতেও দুইদিন আন্তঃব্যাংক চেক নিষ্পত্তি, নতুন সময়সূচি দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটির মধ্যেও ১৮ ও ১৯ মার্চ সীমিত পরিসরে কিছু এলাকায় ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু থাকবে। এ সময় আন্তঃব্যাংক চেক নিষ্পত্তির জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট (পিএসডি)-২ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধ এবং রফতানি বিল ক্রয়ের সুবিধার্থে ঢাকা মহানগরীসহ আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবস্থিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এই দুইদিন সীমিত সংখ্যক জনবল দিয়ে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। অফিস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এর মধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত যোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। আর গ্রাহক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
এ দুইদিন নতুন সময়সূচিতে বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস (ব্যাচ) এবং রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস) সিস্টেমের মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেন নিষ্পত্তি করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১৮ ও ১৯ মার্চ ব্যাচের (বিএসিপিএস) মাধ্যমে হাই ভ্যালু চেক ক্লিয়ারিংয়ের জন্য বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে পাঠাতে হবে। এগুলো দুপুর সাড়ে১২টার মধ্যে নিষ্পত্তি হবে। আর রেগুলার ভ্যালু চেক ক্লিয়ারিংয়ের জন্য দুপুর ১২টার মধ্যে ক্লিয়ারিং হাউসে পাঠাতে হবে। এসব চেক নিষ্পত্তি হবে দুপুর ১টার মধ্যে।
তবে উল্লিখিত দিনগুলোতে বিইএফটিএনের তিনটি সেশন আগের সময়সূচি অনুযায়ী চলবে। আর আরটিজিএসের মাধ্যমে গ্রাহক লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর পৌনে ১টা এবং আন্তঃব্যাংক ফান্ড ট্রান্সফার ও রিটার্ন ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলবে।
এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে দেশে কার্যত সব তফসিলি ব্যাংক ও বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এমএন
অর্থনীতি
ব্র্যাক ব্যাংকের রেকর্ড ২ হাজার ২৫১ কোটি টাকা মুনাফা
দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম শীর্ষ ব্যাংক ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি ২০২৫ সালে রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে। শক্তিশালী রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ও দক্ষ পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার ফলে ব্যাংকটির কর-পরবর্তী সম্মিলিত নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৫১ কোটি টাকা, যা আগের বছরের ১ হাজার ৪৩২ কোটি টাকার তুলনায় ৫৭ শতাংশ বেশি।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, একই সময়ে একক ভিত্তিতে ব্যাংকটির নিট মুনাফা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৮১ কোটি টাকা, যা ২০২৪ সালের ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।
শক্তিশালী আর্থিক ফলাফলের ধারাবাহিকতায় ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে। তবে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের পর।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও গ্রাহকদের আস্থা, সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সতর্ক অবস্থান তাদের এ সাফল্যের দৌরাত্ম্যে এগিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ এবং গ্রাহককেন্দ্রিক নতুন সেবার উদ্ভাবন আয়ে প্রবৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণের ফলে তারা পূর্বের বছরের তুলনায় ভালো মুনাফা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কঠোর নীতি অনুসরণ এবং ঋণ অনুমোদন প্রক্রিয়ায় নিবিড় তদারকির ফলে সম্পদের গুণগত মান বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে বলে জানায় ব্যাংকটি। এতে খেলাপি ঋণের হার খাতের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
ব্যাংকটি আরও জানায়, দীর্ঘদিনের সুশাসন, নিয়ন্ত্রক অনুবর্তিতা এবং মূল্যবোধনির্ভর ব্যাংকিং চর্চার ফলেই এই ধারাবাহিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে, যা দেশের আর্থিক খাতে ব্র্যাক ব্যাংককে একটি মানদণ্ড প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
অর্থনীতি
বৈশ্বিক বাণিজ্যে এগিয়ে যেতে সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি: বাণিজ্যমন্ত্রী
বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে যেতে এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নোটিফিকেশন সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত ‘ডব্লিউটিও নোটিফিকেশন প্রয়োজনীয়তা বিষয়ক জাতীয় প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ডব্লিউটিও’র নিয়মনীতি মেনে চলা, নিয়মিত হালনাগাদ থাকা এবং বৈশ্বিক পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে নোটিফিকেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। তাঁর মতে, নোটিফিকেশন ডব্লিউটিও ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার, যা সঠিকভাবে অনুসরণ করা গেলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আরও কার্যকর হবে।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা কী শিখলেন তা জানার আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কাজে প্রয়োগ করাই হবে এই উদ্যোগের মূল সফলতা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আইটিটিসির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ ধরনের উদ্যোগ দেশের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজনের ওপর তিনি গুরুত্ব দেন, যাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ডব্লিউটিও সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনে সবসময় প্রস্তুত থাকতে পারেন।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, গত তিন দশকের বেশি সময় ধরে বৈশ্বিক সম্প্রদায় যে বহুপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, তা ভবিষ্যতেও আরও শক্তিশালী হবে, এমন আশাবাদ আমাদের ধরে রাখতে হবে। বর্তমান কিছু স্থবিরতা কাটিয়ে ডব্লিউটিও শিগগিরই নতুন গতিতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব খাদিজা নাজনীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান। এছাড়াও ডব্লিউটিও’র এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান কাউন্সেলর আইটিটিসি ওসমান আলী খিলজি এবং ডব্লিউটিও’র মধ্য ও পূর্ব ইউরোপ, মধ্য এশিয়া ও ককেশাস অঞ্চলের প্রধান কাউন্সেলর ড. কেঞ্জা লি মেনটেক বক্তব্য রাখেন।
চার দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মোট ৫০ জন কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন। ডব্লিউটিও সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে একাধিক সেশনে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এমএন
অর্থনীতি
আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে তেলের দাম। আল জাজিরা জানিয়েছে, সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে দ্বিতীয় দফার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় রোববার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়।
তবে পরবর্তীতে দামে কিছুটা সংশোধন দেখা গেছে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য দাঁড়ায় ১০৬ দশমিক ৯৯ ডলার।
অন্যদিকে, এই অচলাবস্থার মধ্যেও সোমবার এশিয়ার শেয়ারবাজার ইতিবাচকভাবে দিন শুরু করে। জাপানের নিকেই ২২৫ সূচক ০.৯ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক ১.৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার তার দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তান সফর বাতিল করেন। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইসলামাবাদ ত্যাগ করায় দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হয়নি।
সোমবার আরাগচি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটানোর পথ খুঁজতেই এই সফর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে রোববার ওমান সফর শেষে তিনি রাশিয়ায় যান যে সময়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নাজুক যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
গত সপ্তাহে ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিলেও কোনো চূড়ান্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেননি।
এদিকে, আলোচনা অগ্রগতি না হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তেহরানের হুমকির কারণে এই পথের ব্যবহার কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহে চাপ তৈরি হচ্ছে।
সামুদ্রিক তথ্য বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম উইন্ডওয়ার্ডের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ওই প্রণালী দিয়ে মাত্র ১৯টি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করেছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।
জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা জানায়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন গড়ে ১২৯টি জাহাজ এই প্রণালী ব্যবহার করত।
সূত্র: আল জাজিরা
অর্থনীতি
এপ্রিলের ২৫ দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার
চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৫ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১০ কোটি ৩১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
গত বছরের একই সময়ে (এপ্রিলের প্রথম ২৫ দিন) রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৭৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ১৯ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি।
এর আগে মার্চ মাসে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার এবং ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার। নভেম্বরে আসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।
অক্টোবরে রেমিট্যান্স ছিল ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আগস্টে আসে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
এদিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো অর্থবছরে সর্বোচ্চ।
অর্থনীতি
৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে চট্টগ্রামে চীনা জাহাজ
৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে চীনের পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘শিং তং ৭৯৯’ দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে জাহাজটি নোঙর করে বলে বন্দর সূত্রে জানা গেছে।
১৮২ দশমিক ৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজটির ড্রাফট বেশি হওয়ায় সেটি সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারেনি। ফলে কুতুবদিয়া-সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে তেল খালাস শুরু হয়েছে। জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে কিছু জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে। এতে ড্রাফট কমে এলে পরে জাহাজটিকে বন্দরের জেটিতে আনা হবে।
এর আগে, গত ১৪ এপ্রিল সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল (জেট এ-১) নিয়ে ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’ নামের একটি ট্যাংকার বন্দরে পৌঁছেছিল। এদিকে জ্বালানি আমদানির ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোরে দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘প্রিভে অ্যাঞ্জেল’ বন্দরে ভিড়েছে। এর আগের দিন শুক্রবার তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে বহির্নোঙরে আসে পাকিস্তানি পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘এমটি কোয়েটা’।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, ধারাবাহিকভাবে জ্বালানিবাহী জাহাজ আগমনের ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।



