খেলাধুলা
ইরান না খেললে বিশ্বকাপে যাবে কোন দেশ, আলোচনায় এশিয়ার দুই দেশ
আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ইরান অংশ নেবে কি না তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে আলোচনা ও সমালোচনা। এর মাঝেই ফুটবলের বৈশ্বিক এই আসরে ইরানকে সাদরে আমন্ত্রণের জানানোর কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প। কিন্তু তার সেই আমন্ত্রণে আপাতত সাড়া দিচ্ছে না ইরান। চলমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পরিস্থিতিতে নেই বলে জানিয়েছেন ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ ডোনিয়ামাল।
ফলে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদল না হলে ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে না ইরান। যে কারণে আমেরিকা, মেক্সিকো, কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য টুর্নামেন্টটিতে একটি দেশ কমে যাচ্ছে। সেই জায়গায় কাদের নেওয়া হবে তা নিয়েও ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত রয়েছে আলোচনায়।
সাধারণত যে মহাদেশের দল নাম তুলে নেয়, সেই মহাদেশ থেকেই বিকল্প দল বেছে নেওয়া হয়। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে কী করতে হবে, তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে ফিফার নিয়মে। সেই অনুযায়ী:
যে দেশ নাম প্রত্যাহার করেছে সেই গ্রুপের রানার-আপ দল বা সংশ্লিষ্ট মহাদেশ থেকে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন না করা সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংয়ের দল প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পাবে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, বিশ্বকাপে খেলতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এশিয়ায় তারাই সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংয়ে থাকা দল যারা বিশ্বকাপে খেলতে পারছে না।
এ ছাড়া সরাসরি বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়া হতে পারে ইরাককে। এই মাসে ইরাক আন্তঃমহাদেশীয় যোগ্যতা অর্জন পর্বে খেলবে বলিভিয়া বা সুরিনামের বিরুদ্ধে। ইরাককে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দিতে পারে ফিফা। সে ক্ষেত্রে আন্তঃমহাদেশীয় যোগ্যতা অর্জন পর্বে আমিরাতকে খেলতে হবে।
ইরাক যদি প্লে-অফ পর্ব জিতে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়ে যায়, তাহলে এশিয়ায় সর্বোচ্চ র্যাঙ্কিংধারী দল আমিরাতকে নেওয়া হতে পারে ইরানের জায়গায়। সে ক্ষেত্রে আমিরাতকে আলাদা করে প্লে-অফেও খেলতে হবে না।
এশিয়া থেকে কোনও দল না নিয়ে সরাসরি আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ের বিচারে কোনও দেশকে নিতে পারে ফিফা। সে ক্ষেত্রে, সরাসরি বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন না করা দেশগুলোর মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে ওপরে রয়েছে ইতালি। এমনিতে তাদের প্লে-অফে খেলতে হবে। কিন্তু ইতালিকে সরাসরি বিশ্বকাপে নেওয়া হলে প্লে-অফে অন্য দেশকে আনতে হবে। এই প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল এবং বিতর্কিত। তাই বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ফিফা এই নিয়ম কাজে লাগাবে না।
এমএন
খেলাধুলা
পাকিস্তানকে সর্বনিম্ন রানে অলআউট করল বাংলাদেশ
মিরপুরের স্লো উইকেটে বরাবরই বাড়তি সুবিধা পান স্পিনাররা। স্পিন স্বর্গেই এবার রীতিমতো আগুন ঝরালেন নাহিদ রানা। তরুণ এই পেসারের গতি আর বাউন্সে চোখে সর্ষে ফুল দেখেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান-সালমান আগারা! ক্যারিয়ারে প্রথমবার ওয়ানডেতে ফাইফার পেয়েছেন। তাতে কোনোরকমে একশ ছুঁয়ে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩০.৪ ওভার সবকটি উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান করেছে পাকিস্তান। যা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেছেন ফাহিম আশরাফ। বাংলাদেশের হয়ে রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ।
নতুন বলে মিতব্যয়ী বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান। তবে উইকেট এনে দিতে পারেননি এই দুই অভিজ্ঞ পেসারের কেউই। ফলে ইনিংসের সপ্তম ওভারেই স্পিন আক্রমণে যায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ নিজে বোলিংয়ে আসেন। কিন্তু তাতেও উইকেটের দেখা মেলেনি।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাসকিনকে সরিয়ে নাহিদের হাতে বল দেন মিরাজ। আক্রমণে এসেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার। ওভারের শেষ বলে তাকে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
নিজের পরের চার ওভারের সবকটিতেই উইকেট পেয়েছেন নাহিদ। যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান এই ডানহাতি পেসার। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইফার পূরণ করেন তিনি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।
১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট পার্টিতে যোগ দেন মিরাজও। ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভস বন্দি করে ফেরান তিনি। এরপর হোসাইন তালাতকেও ফিরিয়েছেন মিরাজ। ২৩তম ওভারের প্রথম বলে এই ব্যাটারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। একই ওভারের শেষ বলে শাহিন আফ্রিদিকেও ফেরান মিরাজ।
দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।
৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফ একাই কিছুটা লড়াই করেন। আবরার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়েন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে কোনোরকমে একশ পেরিয়ে অলআউট হয় পাকিস্তান।
এমএন
খেলাধুলা
ক্রিকেট পুনর্গঠনে বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে শ্রীলঙ্কা সরকার
শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে দেশটির ক্রিকেট প্রশাসন একটি অন্তর্বর্তী কমিটির হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক মন্ত্রী সুনীল কুমার গামাগে।
বুধবার (৫ মার্চ) দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি বলেন, দেশের ক্রিকেট পুনরুজ্জীবনে সহায়তা করতে প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার দিশানায়েকেও এ প্রক্রিয়ায় সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছেন।
মন্ত্রী গামাগে জানান, প্রেসিডেন্টকে নিয়ে আইসিসির সঙ্গে চলমান আলোচনা অনুযায়ী ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের উন্নয়ন এমনভাবে করতে হবে যাতে দেশটির ক্রিকেটের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি না তৈরি হয়। তাই ক্রিকেটের অগ্রগতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর সুরক্ষা বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরো জানান, দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সামনে আরো কিছু উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। ক্রিকেটকে পুনর্গঠন করার দায়িত্ব সরকার নিজেই নিয়েছে এবং এ দায় অন্য কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না।
এসময় চলমান পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যে খেলোয়াড়দের নিয়ে কোনো অবমাননাকর বা অসম্মানজনক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান ক্রীড়ামন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট প্রশাসন ও পারফরম্যান্স নিয়ে নানা সমালোচনার মধ্যে ক্রিকেটকে নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।
এমএন
খেলাধুলা
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বিশ্বের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে রাজার কীর্তি
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখলেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। বিশ্বের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩ হাজার রান ও ১০০ উইকেটের বিরল এক ডাবলের কীর্তি গড়লেন তিনি।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) চেন্নাইয়ে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট ম্যাচে এই অনন্য কীর্তি গড়েন রাজা। এদিন এই ম্যাচে ১৫ রান করতেই ৩ হাজার রানের মাইলফলক ছোঁন রাজা। তাতে দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তিন হাজার রান ও ১০০ উইকেটের মালিক হন।
এদিন ২৫৭ রানের তাড়ায় নেমে জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ১৪তম ওভারে অক্ষর প্যাটেলের চতুর্থ বলে চার মেরে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন রাজা। ১৭তম ওভারে আর্শদীপ সিংয়ের বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। দুটি চার ও দুটি ছয়ে ২১ বলে ৩১ রান করেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক।
রাজার আগে ৩ হাজার রান ও ১০০ উইকেট নেওয়া একমাত্র ক্রিকেটার মালয়েশিয়ার বীরান্দীপ সিং। ২৬ বছর বয়সী ক্রিকেটার ১১১ টি-টোয়েন্টি খেলে ৩১৮০ রান ও ১০৯ উইকেট নিয়েছেন। ১৩২ ম্যাচ খেলে রাজার নামের পাশে ১০৪ উইকেট ও ৩০১৬ রান। তিনি জিম্বাবুয়ের প্রথম ও বিশ্বের ১৪তম ক্রিকেটার হিসেবে এই সংস্করণে তিন হাজারের বেশি রান করেছেন।
এমএন
খেলাধুলা
অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজের সূচি প্রকাশ হলো
দীর্ঘ ২২ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের আগস্টে অনুষ্ঠেয় এই দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের পূর্ণাঙ্গ সূচি ও ভেন্যু বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
উত্তর অস্ট্রেলিয়ার ট্রপিক্যাল কন্ডিশনকে কাজে লাগিয়ে শীতকালীন এই সফরের আয়োজন করছে তারা।
সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ১৩ আগস্ট, ডারউইনের মারানা স্টেডিয়ামে। ২০০৪ সালের পর এই ভেন্যুতে আর কোনো টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি।
সর্বশেষ ২০০৩ সালে বাংলাদেশ দল যখন অস্ট্রেলিয়া সফর করেছিল, তখনও তারা এই ডারউইনেই ম্যাচ খেলেছিল।
দীর্ঘ বিরতির পর ডারউইনের ক্রিকেট ভক্তরা আবারও সাদা পোশাকের ক্ল্যাসিক লড়াই দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।
সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টটি শুরু হবে ২২ আগস্ট, কুইন্সল্যান্ডের ম্যাকের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায়। এই ম্যাচটির মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার ১২তম টেস্ট ভেন্যু হিসেবে অভিষেক হতে যাচ্ছে ম্যাকের।
সাম্প্রতিক সময়ে এই মাঠে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দল ও নারী দলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলেও টেস্ট ক্রিকেটের আভিজাত্য এবারই প্রথম স্পর্শ করতে যাচ্ছে এই ভেন্যু।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী টড গ্রিনবার্গ জানান, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচির মধ্যেও উত্তর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট ফেরানো একটি বড় অর্জন।
তিনি বলেন, ‘আগস্ট মাসে এই অঞ্চলের চমৎকার আবহাওয়া ও বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা টেস্ট ক্রিকেটের জন্য আদর্শ। আমরা বাংলাদেশকে স্বাগত জানাতে মুখিয়ে আছি।’
এক নজরে সিরিজের সূচি:
১ম টেস্ট: ১৩–১৭ আগস্ট ২০২৬, সকাল ১০টা, মারানা স্টেডিয়াম, ডারউইন
২য় টেস্ট: ২২–২৬ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০টা, গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনা, ম্যাক
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে এই সিরিজটি উভয় দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২০০৩ সালের সেই সফরের পর বর্তমানের আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ দল অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে কেমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
এমএন
খেলাধুলা
২০২৮ সালের অলিম্পিকে খেলা নিয়ে শঙ্কা অস্ট্রেলিয়ার
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে হতাশাজনক বিদায়ের পর সমালোচনার ঝড় বইছে অস্ট্রেলিয়ার শিবিরে। এরই মধ্যে সামনে এসেছে আরও বড় প্রশ্ন, ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে কি দেখা যাবে স্টিভ স্মিথ-ট্র্যাভিস হেডদের?
১২৮ বছর পর অলিম্পিকে ফিরছে ক্রিকেট। লস অ্যাঞ্জেলেস গেমসে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ছয়টি দল অংশ নেবে বলে জানা গেছে। আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি খেলবে, বাকি পাঁচটি স্থান মহাদেশভিত্তিক বাছাই বা র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে নির্ধারিত হতে পারে। যদিও চূড়ান্ত যোগ্যতা অর্জনের নিয়ম এখনও ঘোষণা করেনি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি।
যদি আইসিসির টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং বা সাম্প্রতিক বিশ্বকাপ পারফরম্যান্সকে মানদণ্ড ধরা হয়, তাহলে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে অস্ট্রেলিয়া। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়ায় তাদের র্যাঙ্কিংয়ে অবনমন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে বিশ্বকাপের সুপার এইটে জায়গা করে নিয়ে নিজেদের অবস্থান মজবুত করেছে নিউজিল্যান্ড। সেমিফাইনালে উঠতে পারলে অলিম্পিকে সরাসরি সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে কিউইদের। সে ক্ষেত্রে র্যাঙ্কিংয়ে অস্ট্রেলিয়াকে টপকে গেলে বাছাইপর্ব খেলতে হতে পারে অজিদের।
তাহলে দ্বিতীয় সারির দলগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে মূল পর্বে জায়গা নিশ্চিত করতে হবে স্টিভ স্মিথ, ট্র্যাভিস হেডদের।
এমএন




