কর্পোরেট সংবাদ
রমজানে নগদ ও নগদ ইসলামিকে সহজে জাকাত ও অনুদান পাঠানোর সুবিধা
মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে সহজেই জাকাত ও দান-অনুদান পাঠানোর সুযোগ দিচ্ছে নগদ এবং নগদ ইসলামি-এ। বিভিন্ন দাতব্য সংস্থায় জাকাত দেওয়ার পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় আর্থিক সহায়তা পাঠানোর সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে এই দুটি প্ল্যাটফর্মে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিদিন নগদ ও নগদ ইসলামিক অ্যাপ ব্যবহার করে এবং বেসিক ফোন ব্যবহারকারীরা ইউএসএসডি কোড (*167#) ডায়াল করে অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও আর্থিক অনুদান পাঠাচ্ছেন।
বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে জাকাত ও অনুদান পাঠানোর পরিমাণ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেড়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এ সময় অধিক সওয়াবের আশায় দান-সদকা করার পাশাপাশি তাদের বাধ্যতামূলক জাকাতও আদায় করে থাকেন।
নগদ ও নগদ ইসলামিকের অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে গ্রাহকেরা তাদের বার্ষিক আয়, বিনিয়োগ, স্বর্ণ, ঋণ ও অন্যান্য সম্পদের তথ্য দিয়ে জাকাতের পরিমাণ সহজেই হিসাব করতে পারবেন। নগদ ও নগদ ইসলামিকের গ্রাহকদের মধ্যে যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন তারা অ্যাপের ডোনেশন অপশনে গিয়ে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি জাকাত বা অনুদান পাঠাতে পারছেন।
নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে যেসব দাতব্য প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও অনুদানের অর্থ প্রেরণ করা যায়, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- , কে কে ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ জাকাত ফান্ড, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতি (জাকাত তহবিল) এবং মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিস।
নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে যেসব দাতব্য প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও অনুদান পাঠানো যায়, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- আল মারকাযুল ইসলামী, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন, সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্ট, তাসাউফ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন, কে কে ফাউন্ডেশন, মাস্তুল ফাউন্ডেশন, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, সাজিদা ফাউন্ডেশন, অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ জাকাত ফান্ড, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল রোগী কল্যাণ সমিতি (জাকাত তহবিল) এবং মুসলিম এইড ইউকে বাংলাদেশ ফিল্ড অফিস।
এর বাইরেও আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেখানে সারা বছর নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে অনুদান প্রদান করে আর্তমানবতার সেবায় অংশ নেওয়া যায়।
এ বিষয়ে নগদ ইসলামিকের শরীয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, আর্থিক ইবাদতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ও ফরজ ইবাদত হচ্ছে জাকাত প্রদান। বিশেষ করে রমজান মাসে জাকাত আদায় করা সবচেয়ে উত্তম। তাই এই সময় নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে জাকাত প্রদান করে সহজেই দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানো জন্য এটিই সবচেয়ে উত্তম সময়।
ড. বারাকাতি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করি অনেক মানুষ ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সময় ও সুযোগের অভাবে অনেক সময় ঠিকমতো জাকাত আদায় করতে পারেন না। তাছাড়া যারা অন্যান্যভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে চান তারাও কাকে দেবেন বা কীভাবে দেবেন এমন নানা সমস্যার সম্মুখীন হন। এক্ষেত্রে নগদ ও নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে মানুষের জন্য কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠানে জাকাত ও অন্যান্য দান-অনুদান প্রদান করা সম্ভব।
তাছাড়া ইসলামিক জীবন বিধান প্রতিপালন করে মোবাইলে আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করার জন্য নগদ ইসলামিক গ্রাহকদের সেরা পছন্দ হয়ে উঠেছে। রমজান মাসে পবিত্র হজ ও উমরাহর যাতায়াতের পেমেন্ট, ইসলামিক জীবন বীমার কিস্তি পরিশোধ, রোজা ও নামাজের সময়সূচি দেখা, বাংলা অর্থসহ আল কোরআন ও হাদিস পাঠসহ নানা সেবার সুবিধা নগদ ইসলামিকে রয়েছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
বিদেশি বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে বিডা-ইউসিবি সমঝোতা স্মারকে সই
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি)। এর ফলে ইউসিবির সেবা বিডার অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) পোর্টালের সঙ্গে যুক্ত হবে।
সম্প্রতি বিডার প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিডার মহাপরিচালক জীবন কৃষ্ণ সাহা এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদনান মাসুদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এই চুক্তিতে সই মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজ আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিডার নির্বাহী সদস্য এয়ার কমোডর মো. শাহারুল হুদা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহীনুজ্জামান, ইউসিবির ট্রানজেকশন ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান শাহবাজ তালাতসহ ঊর্ধতন কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, বিডার অনলাইন ওয়ান স্টপ সার্ভিস পোর্টালটি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে কোম্পানি নিবন্ধন, ইউটিলিটি সংযোগ, আমদানি অনুমোদনসহ ৫০টিরও বেশি সেবা এক জায়গায় পাওয়া যায়। এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার ফলে ইউসিবি এখন সরাসরি ব্যাংকিং সেবা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সহায়তা সহজেই প্রদান করতে পারবে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তি পৌঁছে যাবে নগদে
২০২৬ সালে ভর্তিকৃত ষষ্ঠ শ্রেণি (স্কুল ও মাদ্রাসা) এবং ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ ও আলিম প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের নগদ নম্বরে উপবৃত্তির টাকা পেতে শুরু হয়েছে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম।
নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য নিবন্ধনের জন্য https://hsp.pmeat.gov.bd/login এই লিংকে গিয়ে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর মেন্যুতে গিয়ে ‘প্রাথমিক নির্বাচন’ অপশনে চাপ দিয়ে ‘নতুন শিক্ষার্থী এন্ট্রি’ অপশনে চাপ দিতে হবে। এরপর এন্ট্রি ফরমে শিক্ষার্থীর তথ্য, ঠিকানা ও আর্থসামাজিক তথ্য এন্ট্রি করে তথ্যের সঠিকতা নিশ্চিত করে তা সংরক্ষণ করতে হবে। আগামী ৭ মে ২০২৬ পর্যন্ত এই নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান থাকবে।
মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদে শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে পিতা/মাতার মধ্যে যাকে অভিভাবক হিসেবে নির্বাচন করা হবে, তার এনআইডি দিয়ে সংশ্লিষ্ট সিম রেজিস্ট্রেশন ও অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টধারীর নাম হিসেবে শিক্ষার্থীর পিতা/মাতার নাম থাকবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তির টাকা সফলভাবে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে নগদ।
এ বিষয়ে নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও উপবৃত্তির টাকা অত্যন্ত সফলভাবে বিতরণ করে আসছে নগদ। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তির টাকা গ্রহণেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পছন্দের শীর্ষে থাকবে নগদ। তিনি বলেন, সহজে সবখানে সেবা পাওয়ায় নগদ এখন মানুষের কাছে একটি আস্থার নাম।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সরকার ৯ হাজার কোটি টাকার সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা নগদের মাধ্যমে বিতরণ করে। চলতি অর্থবছরে এই অঙ্ক আরো অনেক বড় হবে। সহজে যেকোনো জায়গায় নগদের ক্যাশ আউট করার সুবিধা ও সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জের জন্য শুরু থেকেই ভাতাভোগীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে নগদ।
কর্পোরেট সংবাদ
ইবিএলের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন হাসান ও. রশিদ
দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি ব্যাংক ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন হাসান ও. রশিদ।
ইবিএলে যোগদানের আগে তিনি প্রাইম ব্যাংক পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকিং খাতে ৩১ বছরের বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হাসান দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে ছিলেন। এর মধ্যে ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল ইন্দোসুয়েজ, এইচএসবিসি এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র পদে কাজ করেছেন।
ট্রান্সফরমেশন, ইনোভেশন এবং কৌশলগত নেতৃত্বের জন্য হাসান ও রশিদ সুপরিচিত। ইতোপূর্বে তিনি ২০১৫ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ইবিএলের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এসময় তিনি ব্যাংকের অবস্থান সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে ইবিএলের ব্যালান্স শিট দ্বিগুণ হয়, ট্রেড ফাইন্যান্স কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয় এবং দেশে প্রথমবারের মতো কমার্শিয়াল পেপার ও জিরো-কুপন বন্ডের মতো আর্থিক উপকরণ চালু করা হয়।
তার সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন বড় অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়ন, এসএমই ব্যাংকিং খাতকে শক্তিশালী করা এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতি ও ব্যবসা প্রশাসনে স্নাতক এবং গারভিন স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল ম্যানেজমেন্ট, থান্ডারবার্ড থেকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল স্টুডেন্ট অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভের কৃতিত্ব অর্জন করেন এবং যুক্তরাজ্যের ওমেগা থেকে ‘ক্রেডিট প্রফেশনাল’ সনদ অর্জন করেছেন।
পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গেও যুক্ত। বর্তমানে তিনি Association of Bankers, Bangladesh (এবিবি)-এর ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি রোটারি ক্লাব অব রমনা, কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের সদস্য এবং সেন্ট জোসেফ ওল্ড বয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি গলফ খেলা ও লং ডিস্ট্যান্স রানিং এ আগ্রহী।
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডসে একাধিক স্বীকৃতি পেল ‘স্বপ্ন’
দেশের শীর্ষস্থানীয় রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’ বাংলাদেশ রিটেইল অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছে। এই অর্জনের মাধ্যমে দেশের আধুনিক খুচরা বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম আয়োজিত এবং বাংলাদেশ রিটেইল ফোরামের সহযোগিতায় অ্যাওয়ার্ডটির তৃতীয় আসর রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার মাধ্যমে খুচরা খাতে পরিবর্তন আনছে, এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানটির টাইটেল স্পন্সর হিসেবেও ‘স্বপ্ন’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫৩টি প্রতিষ্ঠানের ৩৪৭টি মনোনয়নের মধ্যে ১৬ সদস্যের বিচারক প্যানেলের কঠোর মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বপ্ন চারটি
গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায়:
* বেস্ট রিটেইল অর্গানাইজেশন অব দ্য ইয়ার-স্বপ্ন: রিডিফাইনিং রিটেইল ইন বাংলাদেশ
* বেস্ট ইউজ অব টেকনোলজি ইন রিটেইল-স্বপ্ন ভিডিও অ্যানালিটিক্স প্রজেক্ট
* মোস্ট সাসটেইনেবল রিটেইল ইনিশিয়েটিভ-ফার্ম টু শেল্ফ: ট্রেসেবল, এথিক্যাল ও ইনক্লুসিভ ফ্রেশ প্রোডিউস সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলা
* মোস্ট ইনোভেটিভ রিটেইল ব্র্যান্ড অব দ্য ইয়ার ২০২৫-স্বপ্ন ১৬০ টাকা বিফ কম্বো
এছাড়া, ‘ট্রলি রান’ ক্যাম্পেইনের জন্য বেস্ট রিটেইল ক্যাম্পেইন ক্যাটাগরিতে স্বপ্ন ‘অনরেবল মেনশন’ অর্জন করে।
এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে এমন রিটেইলারদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়, যারা পরিবর্তিত গ্রাহক আচরণের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে, অফলাইন ও অনলাইন অভিজ্ঞতার সমন্বয় করছে এবং নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
‘স্বপ্ন’-এর এই অর্জন প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম, গ্রাহকদের জন্য মূল্য সৃষ্টি এবং একটি টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রিটেইল পরিবেশ গড়ে তোলার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
এই সাফল্যের মাধ্যমে ‘স্বপ্ন’ দেশের বিকাশমান রিটেইল খাতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করে চলেছে এবং আধুনিক খুচরা বাণিজ্যে পথপ্রদর্শক হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে।
কর্পোরেট সংবাদ
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ও সেভেন টন এক্সপ্রেসের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি সম্প্রতি সেভেন টন এক্সপ্রেস লিমিটেডের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এর মাধ্যমে সেভেন টন এক্সপ্রেসকে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের অফিসিয়াল ডেলিভারি পার্টনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এই কৌশলগত চুক্তির আওতায় সেভেন টন এক্সপ্রেস লিমিটেড বাংলাদেশ ফাইন্যান্সকে সারাদেশে ডকুমেন্ট, প্যাকেজ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অপারেশনাল উপকরণ দ্রুত, নিরাপদ ও কার্যকরভাবে সরবরাহের জন্য পূর্ণাঙ্গ ডেলিভারি ও লজিস্টিকস সেবা প্রদান করবে। এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের অপারেশনাল উৎকর্ষতা ও গ্রাহকসেবার মান আরও উন্নত করার অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
সহযোগিতার মাধ্যমে সেভেন টন এক্সপ্রেসের দক্ষতা ও দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স তাদের লজিস্টিকস সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে পারবে। ফলে অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে, সেবাদানের সময় কমবে এবং সামগ্রিক গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নত হবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্স পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়সার হামিদ এবং সেভেন টন এক্সপ্রেস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম।
এ ছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তারা এই অংশীদারিত্বের দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স জানায়, প্রযুক্তিনির্ভর ও কার্যকর সমাধান গ্রহণের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি নির্ভরযোগ্য অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে তাদের গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত এবং নিরবচ্ছিন্ন আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এমএন



