জাতীয়
খালেদা জিয়াসহ ৬ জন পেলেন ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য’ নারী পুরস্কার
শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার পেলেন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
রোববার (৮ মার্চ) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
খালেদা জিয়ার পক্ষে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী সম্মাননা গ্রহন করেন তার নাতনি ব্যরিস্টার জাইমা রহমান। এ ছাড়া অন্য বছরের মতো এবারও পাঁচটি ক্যাটাগরিতে পাঁচজন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা দেওয়া হয়। এ বছর পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন—
১. ‘অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী’ ক্যাটাগরিতে নুরুন নাহার আক্তার
২. ‘শিক্ষা ও চাকুরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. ববিতা খাতুন
৩. ‘সফল জননী নারী’ ক্যাটাগরিতে নুরবানু কবীর
৪. ‘নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. শমলা বেগম
৫. ‘সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী’ ক্যাটাগরিতে মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন
প্রতিটি নারীকে তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান ও অদম্য মনোবলের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুরস্কার প্রথা দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে এমন ধরনের স্বীকৃতি নারীর সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও অবদানের গল্পকে দেশের জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এমএন
জাতীয়
২৬ মার্চে দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না: সালাহউদ্দিন আহমদ
দেশব্যাপী ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। জ্বালানি সংকট এবং কৃচ্ছ্রসাধনের প্রয়োজনীয়তার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।
তিনি বলেন, এই দিবসে আমরা ঐতিহ্যগতভাবে আলোকসজ্জা করে থাকি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবং যাতে ফুয়েল ক্রাইসিস না হয় এবং কৃচ্ছ্রসাধন করতে পারি— সেজন্য আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এবার দেশব্যাপী এই দিবস উপলক্ষ্যে কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। আর যাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়— সব দিকে সবাই সেটার ব্যাপারে আন্তরিক হন— সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর, মন্ত্রণালয় এবং জনসাধারণের সবারই আমরা সহযোগিতা কামনা করেছি।
মন্ত্রী বলেন, ‘২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালন করা হবে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে, অত্যন্ত বেদনার সাথে। সেটা যথাযথ মর্যাদায় আমরা অতীতের মতো করেই পালন করব। এখানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা আছে, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় প্রধান লিড মিনিস্ট্রি হিসেবে এটা পালন করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হচ্ছে— আমরা নিরাপত্তার সব বিষয়াদি দেখাশোনা করব।’
‘আর ২৬ মার্চ প্রত্যুষে সাভার স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ— রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিরোধী দলীয় নেতা এবং অন্যান্য সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের যে পুষ্পমাল্য অর্পণের বিষয় আছে— সেটা যাতে নিরাপদে সম্পন্ন করা যায় এবং যাতায়াত যাতে সহজতর করা যায় সে বিষয়ে আমরা সমন্বয় করেছি,’ যোগ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা বিশেষ করে মনোযোগ দিয়েছি ঈদের আগে ঈদযাত্রার সময় যাতে বিভিন্ন রকম সমস্যার সৃষ্টি না হয়। আমরা সেটা প্রিকশনারি ব্যবস্থা হিসেবে কিছু মেজারস নিয়েছি। আমরা একটা ফোকাল পয়েন্ট ঠিক করে দিয়েছি। যেমন— ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের দায়িত্বে যে এডিশনাল আইজিপি আছেন, তিনি ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কো-অর্ডিনেট করবেন অন্যান্য ইউনিট, বিজিএমইএ, বিটিএমইএ, বিকেএমইএ নেতাদের সঙ্গে, শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে, সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সঙ্গে।
মব জাস্টিস নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘মব এক জিনিস আর কিছু কিছু ক্রাইম, স্পট ক্রাইম এক জিনিস। সবগুলোর সঙ্গে তো মব গুলিয়ে ফেললে হবে না। আমরা দেখলাম নরসিংদীতে একটা মেয়েকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়েছে। পরে তদন্তে দেখা গেল তার সঙ্গে তার নিজের সৎ বাবা জড়িত। কিন্তু প্রাথমিকভাবে আমরা যারা ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছি এবং ৪৮ ঘণ্টার ভেতরে সব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা কাস্টডিতে আছে এবং অনেকে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এইভাবে আরও দুই-একটা ঘটনার কথা আমরা জানি— চট্টগ্রামের ঘটনার কথাও জানি। আমরা অ্যাড্রেস করছি সব বিষয়গুলোকে। মবের সঙ্গে তুলনা করলে হবে না। কিছু কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা আছে। তবে আমরা অবশ্যই মবের বিষয়ে সিরিয়াস এবং মব কালচার বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হবে।’
ঈদের আগে বেতন-ভাতা নিয়ে গার্মেন্টস শ্রমিকদের এক ধরনের আন্দোলন আমরা দেখে থাকি। আপনাদের দিক থেকে বেতন-ভাতা পরিশোধের কোনো সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে কি না, প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না, রমজানের আগে— মানে ঈদের আগে— আমরা গার্মেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বিজিএমইএ নেতা, বিটিএমইএ, বিকেএমইএ—তাদের সবার সঙ্গে কথা হয়েছে। তারাও খুব আন্তরিক। উইথ এ ফিউ এক্সেপশন সব ক্ষেত্রে তারা আশা করছেন যে সবকিছুই তারা ঈদের আগে— বেতন, ভাতা, বোনাস ইত্যাদি— পরিশোধ করতে পারবেন। সরকারের সহযোগিতা থাকবে, ব্যাংকিং সেক্টরের সহযোগিতা থাকবে। তারপরও যদি দুই-একটা গার্মেন্টসে সেরকম সমস্যা থাকে, আমরা বলেছি আগে থেকেই আপনারা সেগুলো অ্যাড্রেস করবেন।’
এমএন
জাতীয়
সাভার স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি চিফ হুইপ ও হুইপদের শ্রদ্ধা নিবেদন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এবং অন্যান্য হুইপরা মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
রোববার (৮ মার্চ) সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তারা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
শ্রদ্ধা নিবেদনকারী ছয়জন হুইপ হলেন— মো. জি কে গউছ, রকিবুল ইসলাম, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু; এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু; মো. আখতারুজ্জামান মিয়া এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান)।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তারা শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন এবং বীর শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। এরপর চিফ হুইপ পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামের পথ ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা এবং নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে বর্তমান সরকার দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আসন্ন সংসদ অধিবেশন সম্পর্কে তিনি বলেন, আগামী ১২ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ হবে প্রাণবন্ত ও অংশগ্রহণমূলক। আমরা আশা করি, বিরোধী দল সংসদে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে সহযোগিতা করবে।
এমএন
জাতীয়
ড. ইফতেখারুজ্জামান অনতিবিলম্বে তথ্য অধিকার কমিশন গঠনের আহ্বান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান অনতিবিলম্বে তথ্য অধিকার কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
রোববার (৮ মার্চ) এক অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “নারী অধিকার ও তথ্য অধিকার আন্দোলন এক সূত্রে গাঁথা। গোপনীয়তার সংস্কৃতি থেকে উদারতার সংস্কৃতিতে যাওয়া সহজ নয়। তথ্য অধিকার বাস্তবায়নে আমরা এখনও অনেক পিছিয়ে আছি। গত ১৬–১৭ বছরে এটিকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পরিণত করা হয়েছে, তবে ঘাটতি এখনো রয়ে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার কমিশনের মতো তথ্য অধিকার কমিশন এখনও গঠিত হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারও এ ক্ষেত্রে কোনো সুফল আনতে পারেনি। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গোপন করা হয়েছে।
এ সময় অনতিবিলম্বে তথ্য অধিকার কমিশন গঠন করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কমিশনারদের পদমর্যাদা গঠন করে দেয়ার দরকার আইনের মাধ্যমে। বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির ইশতেহারে অন্তত ৬টি ধারায় তথ্যের অধিকারের কথা উল্লেখ করা আছে। তাই নতুন সরকারের কাছে এই ইশতেহার সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানাই। আমরাও সেটি পর্যবেক্ষণ করবো।
এমএন
জাতীয়
চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে ৪ জাহাজ, দেশীয় জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা থাকলেও, দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দেওয়া চারটি গ্যাসবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর-এ পৌঁছেছে।
রোববার (৮ মার্চ) দুপুর ২টায় তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বহনকারী সেভেন নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসা জাহাজটি ২২,১৭২ মেট্রিক টন গ্যাস বহন করছে।
এছাড়া আরও তিনটি জাহাজ বাংলাদেশ অভিমুখে রয়েছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে আপাতত দেশের জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী আল জোরা নামের জাহাজটি ৬৩ হাজার ৩৮৩ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। একই জায়গা থেকে আসা আল জাসাসিয়া জাহাজটি ৬৩ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ৫ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরে পৌঁছে।
এছাড়া কাতারের রাস লাফান থেকে ৬২ হাজার ৯৮৭ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে আসা লুসাইল জাহাজটি সোমবার (৯ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়বে। একই বন্দর থেকে রওনা হওয়া ৫৭ হাজার ৬৬৫ মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই আল গালায়েল জাহাজ ১১ মার্চ এবং ৬২ হাজার মেট্রিক টন এলএনজি বোঝাই লেব্রেথাহ জাহাজ ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
অন্যদিকে, ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসা জি-ওয়াইএমএন নামের আরেকটি এলপিজি জাহাজ ১৯ হাজার ৩১৬ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে মেরিন ইথানল গ্যাস (এমইজি) বহনকারী বে-ইয়াসু জাহাজটি ৫ হাজার ১৯ মেট্রিক টন কার্গো নিয়ে ৫ মার্চ সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বন্দরে পৌঁছেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, আটটি জাহাজ আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। চারটি ইতোমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে। একটি আজকে এবং বাকি তিনটি পাইপলাইনে রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রণালি ব্যবহার করেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বাংলাদেশের বড় অংশের জ্বালানি পণ্য আমদানি করা হয়। ফলে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।
এমএন
জাতীয়
নারীকে মূলধারা থেকে দূরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি সম্ভব নয়: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, নারীকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে দূরে সরিয়ে রেখে কোনো জাতির পক্ষেই কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব নয়। নারীর অধিকার নিশ্চিতে সবাইকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সমতার মূল্যবোধে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।
রোববার (৮ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছিলেন উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকারও স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার পরিকল্পনা নিয়েছে। নারীকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে দূরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি সম্ভব নয়। তাই তরুণ প্রজন্মকে সমতার মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ডের কর্মসূচি নিয়েছে। পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এদিন সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নারী দিবসের আলোচনা সভায় অদম্য নারী পুরস্কারে ভূষিত হন আপসহীন নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে খালেদা জিয়ার পক্ষে মরণোত্তর অদম্য নারী পুরস্কার গ্রহণ করেন নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। একইসঙ্গে ৮ বিভাগে ৩৯ জন নারীর মধ্যে ৫ নারীকে পুরস্কৃত করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ়তায় নারী শক্তি আর নেতৃত্বের শক্তিতে সাহস উল্লেখ করে নারী দিবসে সততা, মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের অঙ্গীকারের আহ্বান জানান ডা. জুবাইদা রহমান।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, নারী শিক্ষায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন বেগম খালেদা জিয়া, যার ধারাবাহিকতায় কাজ করছেন তারেক রহমান। মন্ত্রী বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক দর্শন এই সরকারের।
নারী দিবসের আলোচনা ও অদম্য নারী পুরস্কার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সহস্রাধিক নারী অংশ নেন।
এমএন




