জাতীয়
দেশে এসেছে প্রবাসীদের ১ লাখ ৪৫ হাজার ব্যালট
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীরা দেশে ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৬০টি প্রবাসীর ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। প্রবাসীরা গ্রহণ করেছেন ৫ লাখ ১৮ হাজার ৩৪৫টি পোস্টাল ব্যালট।
এর মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৫৯ জন প্রবাসী এবং দেশে ফেরত পাঠাতে পোস্ট অফিসে পোস্টাল ব্যালট জমা রয়েছে ৪ লাখ ১০ হাজার ৯২৮ জন প্রবাসীর। আর বাংলাদেশে এসেছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৮৬০টি পোস্টাল ব্যালট।
এদিকে দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভোটারদের কাছে পাঠানো হয়েছে ৫ লাখ ১৮ হাজার ৬০৩টি ব্যালট। এর মধ্যে গ্রহণ করেছেন ৭ হাজার ৩৬৭ জন ভোটার। ভোট দিয়েছেন ৪ হাজার ৯০২ জন। আর পোস্ট অফিসে জমা দিয়েছেন ২ হাজার ৩৯৪ জন।
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য অ্যাপে নিবন্ধন করেছিলেন ১৫ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি ভোটার।
এমএন
জাতীয়
সীমান্ত সুরক্ষিত রেখেই নির্বাচনী দায়িত্বে বিজিবির ৩৭ হাজার সদস্য
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ভোটাররা যাতে কোনো প্রকার শঙ্কা ছাড়াই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য আজ থেকেই দেশব্যাপী বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিজিবি সদর দফতর সূত্র জানায়, দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে।
ঝুঁকি বিবেচনায় সারাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনেই বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে। উপজেলা ভেদে ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকার কথা রয়েছে।
বিজিবি সদর দফতর সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (আরএটি) এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেস্পন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত থাকবে। যারা প্রয়োজন হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে বিশেষায়িত কে-নাইন ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মোতায়েন থাকবে।
এমএন
জাতীয়
রাজু ভাস্কর্য থেকে শিবিরের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিলবোর্ড সরালো ছাত্র ইউনিয়ন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে মধ্যরাতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর প্রচারণার বিলবোর্ড সরিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ)। শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ওই বিলবোর্ড সরানো হয়।
ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) দাবি, তারা রাজুর ভাস্কর্য ঢেকে দেওয়ায় বিলবোর্ড সরিয়ে অন্যত্র রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায়, ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন শুভ বলেন, রাজু ভাস্কর্যের সামনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রচারণার একটি বড় বিলবোর্ড লাগানো ছিল।
যেকোনও ছাত্র সংগঠন তার সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, তার বক্তব্য প্রকাশ করতে পারে, কিন্তু শহীদ মঈন হোসেন রাজুর ভাস্কর্যকে তারা ঢেকে দিয়েছিল। ছাত্র ইউনিয়নের সহযোদ্ধারা সেটি অবমুক্ত করেছে।
এমএন
জাতীয়
দূষণে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচে ঢাকা, বায়ুমান খুব অস্বাস্থ্যকর
অব্যাহত রয়েছে বৈশ্বিক বায়ুদূষণ পরিস্থিতির অবনতি। বিশেষ করে শীতকালীন শুষ্ক আবহাওয়ায় মেগাসিটি ঢাকার বায়ুমান প্রায়ই বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। আজ বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষ চারটি শহরের বায়ুমান ‘ভয়াবহ’ পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে ঢাকার অবস্থান চতুর্থ।
আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ২০৮ স্কোর নিয়ে দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ঢাকা।
গতকাল শুক্রবার এই স্কোর ছিল ১৮৬। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা কিছুটা বেড়েছে। একিউআই মানদণ্ড অনুযায়ী আজকের এই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
শীর্ষে থাকা অন্যান্য শহর তালিকার তথ্যমতে, ৩৩২ স্কোর নিয়ে আজ দূষণের শীর্ষে অবস্থান করছে মিশরের কায়রো। ভারতের রাজধানী দিল্লি ২৩৫ স্কোর নিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা পাকিস্তানের লাহোরের স্কোর ২১৭। এছাড়া ভারতের আরেক শহর কলকাতা ১৭৪ স্কোর নিয়ে রয়েছে সপ্তম অবস্থানে। তালিকার শীর্ষ চারটি শহরের বায়ুমানই ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।
বৈশ্বিক তালিকার অন্যান্য শহর দূষণের ক্রমানুসারে ১৯৪ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে মঙ্গোলিয়ার উলানবাটার, ১৮৬ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে ভিয়েতনামের হ্যানয়, ১৬৫ স্কোর নিয়ে অষ্টম অবস্থানে আফগানিস্তানের কাবুল, ১৬২ স্কোর নিয়ে নবম অবস্থানে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন, ১৬০ স্কোর নিয়ে দশম অবস্থানে রয়েছে চীনের বেইজিং।
একিউআই স্কোর অনুযায়ী শূন্য থেকে ৫০ ‘ভালো’, ৫১ থেকে ১০০ ‘মাঝারি’ এবং ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ এবং ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়।
এমএন
জাতীয়
সৌদি প্রবাসীদের জন্য সুসংবাদ, দেশে ফিরতে লাগবে ২০ হাজার টাকা
সৌদিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াত সহজ ও সাশ্রয়ী করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এখন থেকে মাত্র ২০ হাজার ৫০০ টাকায় দেশে ফেরার সুযোগ পাবেন তারা। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই উদ্যোগের কথা জানানো হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানান, এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় সৌদি আরব ও বাংলাদেশ মিলিয়ে মোট ৮০ হাজার টিকিট বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রবাসী কর্মীরা উপকৃত হবেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সও বড় ধরনের লাভের মুখ দেখবে।
তিনি বলেন, বিশেষ করে হজ ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে আগে একমুখী ফাঁকা ফ্লাইট পরিচালনার যে চর্চা ছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেটিকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে। এর ফলে বিমানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকারও বেশি আয় করার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই বিশেষ ব্যবস্থায় মদিনা-ঢাকা ও জেদ্দা-ঢাকা রুটে একমুখী সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা। আর মদিনা-ঢাকা-মদিনা এবং জেদ্দা-ঢাকা-জেদ্দা রুটে রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া ৪২ হাজার টাকা। বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে এই বিশেষ ভাড়া কার্যকর থাকবে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ২৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত। আর বাংলাদেশ থেকে ফেরার ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যাবে ৩০ মে ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।
এই উদ্যোগকে প্রবাসীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনযাত্রা আরও সহজ করবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।’ তবে অতীতের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ‘অতীতে দেখা গেছে প্রবাসীদের সুবিধায় অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হলেও সঠিক তদারকির অভাবে তা মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাই খেয়াল রাখতে হবে, এই উদ্যোগটি যেন শতভাগ কার্যকর থাকে।’
এমকে
জাতীয়
নির্বাচনে ৫৭ জন পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ১৬ দেশ
আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে এখন পর্যন্ত ১৬টি দেশ। এসব দেশগুলো থেকে ৫৭ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক আসছে। একই সাথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কমনওয়েলথ এবং গণতান্ত্রিক শাসন ও মানবাধিকার উন্নয়নে কাজ করা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কয়েক শত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নির্বাচনে অংশ নেবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সর্বোচ্চ ১৪ জন পর্যবেক্ষক পাঠাবে মালয়েশিয়া। এর পরেই রয়েছে তুরস্ক, যারা ১২ জন পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণে। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান দাতো শ্রী রামলান বিন দাতো হারুন। অন্যদিকে তুরস্কের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দেশটির সংসদ সদস্যরা। এতে নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশের সাবেক তুর্কি রাষ্ট্রদূত মেহমেত ভাকুর এরকুল।
এছাড়া যেসব দেশ নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, সেগুলো হলো—ইন্দোনেশিয়া (৫), জাপান (৪), পাকিস্তান (৩), ভুটান (২), মালদ্বীপ (২), শ্রীলঙ্কা (১), ফিলিপাইন (২), জর্ডান (২), ইরান (১), জর্জিয়া (২), রাশিয়া (২), কিরগিজস্তান (২), উজবেকিস্তান (১) এবং দক্ষিণ আফ্রিকা (২)।
উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ জালাল সিকান্দার সুলতান এবং ভুটানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ডেকি পেমা।
নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সমন্বয় কার্যক্রমে সহায়তাকারী সিনিয়র সচিব ও এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোর্শেদ বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ৪০০ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। খুব শিগগিরই আরও কয়েকটি দেশ তাদের প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করবে বলে আমরা আশা করছি।
এদিকে ঘানার সাবেক রাষ্ট্রপতি নান্না আকুফো-আডো ১৪ সদস্যের কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্ব দেবেন। এই দলে রয়েছেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী জেফ্রি সালিম ওয়াহিদ, সিয়েরা লিওনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড জন ফ্রান্সিস এবং মালয়েশিয়ার সাবেক সিনেটর রাস আদিবা মোহাম্মদ রাদজি।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন (ইইউ ইওএম)-এর প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন লাতভিয়ার ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য ইভার্স ইজাবস। এই মিশনে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আরও অন্তত সাতজন সদস্য থাকবেন। তারা হলেন- লুকাস মান্ডল (অস্ট্রিয়া), লোরান্ত ভিনচে (রোমানিয়া), তোমাশ জদেখোভস্কি (চেক প্রজাতন্ত্র), লেইরে পাইহিন (স্পেন), শেরবান দিমিত্রিয়ে স্টুর্দজা (রোমানিয়া), মাইকেল ম্যাকনামারা (আয়ারল্যান্ড) এবং ক্যাটারিনা ভিয়েরা (নেদারল্যান্ডস)।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। জুলাই সনদের ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একইদিন। এবারের নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের জন্য ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ প্রায় ২ হাজারের মতো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কাফি



