রাজনীতি
বৈষম্যের রাজনীতির কারণে মানুষের মৌলিক অধিকার আজ প্রশ্নবিদ্ধ: শাহজাহান মিয়া
লুটপাট, দুঃশাসন ও বৈষম্যের রাজনীতির কারণে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আজ প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া।
তিনি বলেন, আপনারা যদি পরিবর্তন চান, একটি সুন্দর ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চান; তাহলে দাড়িপাল্লা মার্কায় ও ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে আমাদের পাশে থাকুন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় আশিকাটি ইউনিয়নের চাঁদখার বাজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় পথসভা ও গণসংযোগে বিপুল সংখ্যক সাধারণ ভোটার ও নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
গণসংযোগকালে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এ জনপদের মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। লুটপাট, দুঃশাসন ও বৈষম্যের রাজনীতির কারণে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আজ প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা ক্ষমতার রাজনীতি করতে আসিনি-আমরা এসেছি জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে। দাড়িপাল্লা হচ্ছে ন্যায়, সততা ও ইনসাফের প্রতীক।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে আশিকাটি ইউনিয়নসহ চাঁদপুর-৩ আসনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এ সময় সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব তামিম খান, চাঁদপুর সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহা. জুবাইয়ের হোসেন খান, আশিকাটি ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী অহিদুর রহমান খান উৎপল, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নাছির উদ্দিন, সেক্রেটারি শাহজাহান, জামায়াত নেতা আলমগীর বন্দুকসীসহ জামায়াত ও জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ।
গণসংযোগ শেষে স্থানীয় ভোটাররা বলেন, দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও অবহেলার অবসান ঘটাতে তারা পরিবর্তনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন এবং দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে প্রস্তুত।
এমকে
রাজনীতি
দেশ গঠনের কাজে সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের সেই আত্মত্যাগ কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। স্বৈরশাসনের পতন হয়েছে, এবার দেশ গঠনের কাজে সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলেই একটি প্রত্যাশিত ও উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে গাজীপুরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গাজীপুর কেবল একটি শিল্পাঞ্চল নয়, এটি দেশের গার্মেন্ট শিল্পের প্রাণকেন্দ্র। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে গার্মেন্ট শিল্পের সূচনা করেন, যার ফলে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
পাশাপাশি বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানির উদ্যোগও তিনিই প্রথম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশে প্রথমবারের মতো প্রথম শ্রেণি থেকে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেন।
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন করে রপ্তানি আয় বাড়ানো হবে। খেটে খাওয়া মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হবে। নারী শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে। শ্রমিকদের জন্য হেল্থ কার্ড চালু করে ঘরে বসেই প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গাজীপুরবাসীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই গাজীপুরের অন্যতম বড় সমস্যা জয়দেবপুর রেলক্রসিংয়ের যানজট নিরসনে সেখানে ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি জেলার প্রধান তিনটি খাল—চিলাই, তুলাগ ও লবনদহ—খননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ও পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হবে। শ্রমিকদের আবাসন সংকটও সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থীদের জয়ী করতে হবে। আগামী ১২ তারিখে ভোটের দিন ফজরের নামাজ শেষে সবাই যেন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়ান, যাতে কেউ ভোটাধিকার হরণ করতে না পারে—এ আহ্বান জানান তিনি।
গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মিলন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. মঞ্জুরুল করিম রনি, ডা. অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, মজিবুর রহমান, শাহ রিয়াজুল হান্নান এবং সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকারসহ অনেকে।
উল্লেখ্য, সন্ধ্যা ৬টায় তারেক রহমানের জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি সভাস্থলে পৌঁছান রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে এবং পাঁচ মিনিট পর মঞ্চে ওঠেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়, যা আশপাশের সড়ক ও অলিগলিতেও ছড়িয়ে পড়ে। জনসমাগমের কারণে বিকেল ৩টার পর থেকেই রাজবাড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এমকে
রাজনীতি
বীজযুক্ত লিফলেটে বিএনপির ব্যতিক্রমী প্রচারণা, তৈরি হবে চারা
পরিবেশ সুরক্ষায় নির্বাচনী প্রচারণায় এক অভিনব ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিয়েছে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ধানের শীষের সমর্থকরা। বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণার কাজে সাধারণ কাগজের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ‘বনকাগজ’ বা ‘সিড পেপার’ দিয়ে তৈরি লিফলেট। যা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক ব্যাপক প্রশংসা জাগিয়েছে।
বগুড়া সদরের এই প্রচারণার প্রধান আকর্ষণ হলো এর বীজযুক্ত লিফলেট। সাধারণ লিফলেট ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দিলে তা পরিবেশের আবর্জনা তৈরি করে, কিন্তু এই লিফলেটগুলো মাটিতে পড়লে বা কেউ ফেলে দিলে সেখান থেকেই জন্ম নেবে টমেটো, মরিচ কিংবা বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। কাগজের মণ্ড তৈরির সময়ই এতে উন্নত মানের সবজি বীজ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা পচনশীল কাগজের সংস্পর্শে এসে চারা গাছে রূপান্তরিত হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক প্রচারণার মাধ্যমে কেবল মানুষের কাছে পৌঁছানোই নয়, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সাধারণ ভোটাররা এই সৃজনশীল প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, প্লাস্টিক বা সাধারণ কাগজের বর্জ্য কমানোর এই কৌশল অন্যান্য প্রার্থীদের জন্য একটি উদাহরণ হতে পারে। প্রচারণার পাশাপাশি প্রকৃতির যত্ন নেওয়ার এই ব্যতিক্রমী ধারাটি এবারের নির্বাচনী মাঠে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।
এমকে
রাজনীতি
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার সময় ১১ দলীয় মনোনিত ঢাকা-৮ আসনের এমপি প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাজধানীর শান্তিনগর মোড়ে সমর্থকদের নিয়ে অবস্থান নেন পাটওয়ারী। তার ওপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলার অভিযোগ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এনসিপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে ছাত্রদলের পরিচয়ে সন্ত্রাসীরা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা করে।
এমকে
রাজনীতি
নির্বাচনী আর্থিক সহায়তা চাইলেন জোনায়েদ সাকি
নির্বাচনের ব্যয় মেটাতে এবার সমর্থকদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-০৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী। নির্বাচনী তহবিল গঠনে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সাকি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ঘোষণায় তিনি বলেন, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাচনী তহবিল হোক আমাদের সম্মিলিত সামর্থ্যের যোগফল।
মাথাল মার্কার ১৭ জন প্রার্থীর নির্বাচনী খরচ বহনের জন্য জনগণই আমাদের ভরসা। আপনাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য নিয়ে এগিয়ে আসুন।
ঘোষণায় তিনি জানান, গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে আসন্ন নির্বাচনে অংশ নেওয়া ১৭ জন প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহে দলটি জনগণের স্বেচ্ছা অনুদানের ওপর নির্ভর করতে চায়। দলীয় রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে অনুদান পাঠানোর জন্য বিকাশ, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং বিদেশ থেকে অর্থ পাঠানোর বিকল্প ব্যবস্থার তথ্যও প্রকাশ করা হয়। এ
তে বিকাশ (সেন্ড মানি), ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নির্দিষ্ট হিসাব নম্বর এবং বিদেশ থেকে ভেনমোর মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর সুযোগের কথা উল্লেখ করা হয়।
এমকে
রাজনীতি
নির্বাচন রাজনীতির গতিপথ পাল্টে দেওয়ার সুযোগ: জামায়াত আমির
আসন্ন নির্বাচনকে দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে আখ্যা দিয়ে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এটি কেবল ক্ষমতা বদলের লড়াই নয়; বরং জনগণের রায়ের মাধ্যমে রাজনীতির গতিপথ পাল্টে দেওয়ার সুযোগ।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোর জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
তিনি জনসভায় সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন- দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নিজেকেও, দেশকেও মুক্তির পথে এগিয়ে নিন। তাঁর মতে, এটি কেবল ভোট নয়, বরং রাজনীতির ধারা পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ, যেখানে জনগণের সিদ্ধান্তই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান যশোরের উন্নয়ন চাহিদাকে যৌক্তিক উল্লেখ করে বলেন, দেশের অন্যতম প্রাচীন জেলা হওয়া সত্ত্বেও যশোর দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়ে গেছে।
তিনি যশোরকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা, মেডিকেল কলেজের সম্প্রসারণ, জেনারেল হাসপাতালের উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ভৌত অবকাঠামোর আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। জনগণের সমর্থনে ক্ষমতায় গেলে এসব দাবি বাস্তবায়নকে জামায়াত নৈতিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পরিবারকেন্দ্রিক বা গোষ্ঠীগত রাজনীতির পরিবর্তে জনগণকেন্দ্রিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি। ভোটকে গণভোটের সঙ্গে তুলনা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়াকে মুক্তির পথ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন ডা. শফিকুর রহমান।
নারীদের প্রতি আচরণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যেসব দল প্রকাশ্যে নারীদের কল্যাণের কথা বলে নানা প্রতিশ্রুতি দেয়, তাদেরই নির্বাচনী প্রচারে নারী কর্মীদের গায়ে হাত তোলার মতো ঘটনা ঘটে-যা পুরো সমাজের জন্য লজ্জাজনক।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মায়েদের অসম্মান কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আইন কখনোই নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে যুবসমাজকে এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সচেতনভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হলেও সংঘাতে না জড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
জনসভায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে স্লোগান ওঠে। জামায়াত আমির বলেন, জনগণের অধিকার, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালিত হচ্ছে। যশোরবাসীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান, ঐক্যবদ্ধভাবে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার জন্য।
এমকে



